Class 10 Science Important Chapter 9 বংশগতি এবং বিবর্তন

Class 10 Science Important Chapter 9 বংশগতি এবং বিবর্তন Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 10 Science Important Chapter 9 বংশগতি এবং বিবর্তন Solutions and select need one. SEBA Class 10 General Science Additional Notes Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 10 Science Important Question Answer.

Class 10 Science Important Chapter 9 বংশগতি এবং বিবর্তন

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Science Additional Niotes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 9

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। উদ্ভিদের অযৌন জননের একক কী?

উত্তরঃ স্পাের বা রেণু।

২। যৌন জননের একক কি?

উত্তরঃ জনন কোষ বা গ্যামেট (শুক্রাণু ও ডিম্বাণু)।

৩। এমিবার জনন প্রক্রিয়া যৌন না অযৌন?

উত্তরঃ অযৌন।

৪। প্ৰকারণ কি?

উত্তরঃ একই প্রজাতির ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে একই পিতৃমাতৃর ভিন্ন ভিন্ন সন্তানের মধ্যে দেখা দেওয়া বিভিন্নতাকে প্রকারণ বলা হয়। অর্থাৎ প্রকারণ হল- একই প্রজাতির জীবের বংশবৃদ্ধির ফলে পরবর্তী বংশে দেখা জীবের ভিন্নতা।

৫। বংশগতি বিদ্যার জনকের সম্পূর্ণ নাম লিখ।

উত্তরঃ গ্রেগর জোহান মেণ্ডেল।

৬। মেণ্ডেল কোন দেশে বংশগতি সম্পৰ্কীয় পরীক্ষা করেছিলেন?

উত্তরঃ মেণ্ডেল অষ্ট্রিয়া (বর্তমান চেকোশ্লোভাকিয়া) দেশের ব্রুণ শহরে বংশগতি সম্পৰ্কীয় পরীক্ষা করেছিলেন।

৭। মেণ্ডেল বংশগতি সম্পৰ্কীয় সূত্রসমূহ কোন সালে প্রকাশ করেছিলেন।

উত্তরঃ 1884 সালে।

৮। কোন সালে মেণ্ডেলীয় বংশগতি সম্পৰ্কীয় তত্ত্ব পূর্ণস্বীকৃতি লাভ করে?

উত্তরঃ 1900 সালে।

৯। বিপরীতধর্মী চরিত্র কাকে বলে?

উত্তরঃ বিপরীতধর্মী চরিত্র- জীবের একটি চরিত্র “হয় এটি নয় ওটি হিসাবে প্রকাশ করা বৈষম্যমূলক লক্ষণগুলিকে বিপরীতধর্মী চরিত্র বা লক্ষণ বলে। উদাহরণ- মটর গাছের কাণ্ড দীর্ঘাকার বা খর্বাকার পরস্পর বিপরীত বা পার্থক্যের লক্ষণ দুইটি হল দীর্ঘ এবং খর্ব।

১০। বংশগত তত্ত্বের প্রভাবীসূত্রটি কি?

উত্তরঃ জীবের কোনাে লক্ষণের জন্য থাকা বিপরীতধর্মী লক্ষণযুক্ত সমযুক্ত দুইটি জীবের মধ্যে সংকরণ ঘটালে প্রথম অপত্যবংশ (F₁) -এ পিতৃ-মাতৃ দুইটি লক্ষণের মাত্র একটিই প্রকাশ পায়। প্রকাশ পাওয়া, লক্ষণটিকে প্রভাবী এবং অপ্রকাশিত হয়ে থাকা লক্ষণটিকে অপ্রভাবী লক্ষণ বলা হয়। ইহাই মেণ্ডেলীয় বংশগতি তত্ত্বের প্রভাবীসূত্র।

১১। বংশগতি তরে স্বতন্ত্র বিন্যাস সূত্রটি লিখ।

উত্তরঃ জোড়া বিপরীতধর্মী লক্ষণের কারকগুলি F₁ জনুতে একত্রিত হয়ে থাকে। যদিও জনন কোষ গঠনের সময়ে তারা পরস্পর পৃথক হয়ে প্রত্যেকটি কারক স্বতন্ত্রভাবে যে কোন বিপরীতধর্মী লক্ষণের কারকের সাথে জনন কোষ গঠন করে। ইহাই বংশগতির স্বতন্ত্র বিন্যাস সূত্র।

১২। বংশগতি কাকে বলে?

উত্তরঃ যে প্রক্রিয়ার দ্বারা পিতৃ-মাতৃর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলি অপরিবর্তিত ভাবে পরবর্তী জনু পর্যন্ত সঞ্চারিত হয় তাকে বংশগতি (Heredity) বলা হয়।

১৩। বংশগতি বিজ্ঞান কাকে বলে?

উত্তরঃ জীবই বংশানুক্রমে পিতৃ-মাতৃ হতে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যসমূহ কিভাবে লাভ করে এর বিজ্ঞানসম্মত আলােচনা বা অধ্যয়নকে বংশগতি বিজ্ঞান বলা হয়।

১৪। “জেনেটিক্স” বা “Genetics” শব্দটি প্রথমে কে ব্যবহার করেছিলেন?

উত্তরঃ “জেনেটিক্স” বা “Genetics” শব্দটি প্রথমে উইলিয়াম বেটিসন ব্যবহার করেছিলেন।

১৫। কোন সালে মেণ্ডেলের মৃত্যু হয়?

উত্তরঃ 1884 খ্রিস্টাব্দে মেণ্ডেলের মৃত্যু হয়।

১৬। মেণ্ডেলের সূত্রসমূহ পরে কোন কোন বৈজ্ঞানিক পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে পুনরায় গবেষণা করেন?

উত্তরঃ মেণ্ডেলের সূত্রসমূহ পরে হল্যাণ্ডের দ্য ভিস জার্মানীর কোরেন্স এবং অষ্ট্রিয়ার সেরম্যাক নামক নামক জিন বিজ্ঞানী পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পুনরায় গবেষণা করেছিলেন।

১৭। বিপরীতধর্মী চরিত্র কাকে বলে?

উত্তরঃ জীবের একটি চরিত্র প্রকাশ করা বৈষম্যমূলক লক্ষণগুলিকে বিপরীতধর্মী চরিত্র বলা হয়। যেমন- মটর গাছের কাণ্ড দীর্ঘ বা ছােট পরস্পর বিপরীত লক্ষণ দুইটি দীর্ঘ এবং ছােট।

১৮। বংশগতির বাহক কি?

উত্তরঃ বংশগতির বাহক জিন।

১৯। লােকাস কাকে বলে?

উত্তরঃ ক্রোমােজামের যে স্থানে জিন অবস্থিত তাকে লােকাস বলা হয়।

২০। সংগম পরীক্ষা কি?

উত্তরঃ একই প্রজাতির দুইটি পৃথক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যযুক্ত জীবের মধ্যে করা কৃত্রিম প্রজননকে সংগম পরীক্ষা বলা হয়।

২১। কোন সালে মেণ্ডেল জন্মগ্রহণ করেছিলেন?

উত্তরঃ 1822 খ্রিস্টাব্দে মেণ্ডেল জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

২২। দুই জোড়া সমরূপী ক্রোমোেজামের স্বতন্ত্র বিন্যাসের ফলে কত প্রকারের জনন কোষের সৃষ্টি হয়?

উত্তরঃ দুই জোড়া সমরূপী ক্রোমােজোমের স্বতন্ত্র বিন্যাসের ফলে 4 প্রকারের জনন কোষের সৃষ্টি হয়।

২৩। এলিন বা যুগ্মকারক কাকে বলে?

উত্তরঃ সমরূপী ক্রোমােজোমের নির্দিষ্ট বিন্দুতে অবস্থিত বিপরীত লক্ষণ নিয়ন্ত্রক উপাদানের এক একটি কারককে এলিন বলা হয়।

২৪। মেণ্ডেলীয় কারক কি?

উত্তরঃ P₁ জনুর মটর গাছের দীর্ঘ এবং খর্ব লক্ষণের প্রত্যেকটির দুটি করে কারক (Factors) থাকে ইহাদিগকে মেণ্ডেলীয় কারক বলা হয়।

২৫। মেণ্ডেলীয় দ্বিসংকর অনুপাত কাকে বলে?

উত্তরঃ দ্বি-সংকরণ পরীক্ষার F₂ জনুর চারপ্রকার গাছে ব্যক্তরূপ (Phenotype -এর অনুপাত 9 : 3 : 3 : 1 একে মেণ্ডেলীয় দ্বি-সংকর, অনুপাত বলা হয়।

২৬। মেণ্ডেলীয় বংশগতি তত্ত্ব বলতে কি বুঝায়?

উত্তরঃ একসংকরণ এবং দ্বি-সংকরণ পরীক্ষার শেষে মেণ্ডেল জীবের লক্ষণ নিয়ন্ত্রণকারী কারক বা (জিনের) বংশানুক্রমিক বংশগতি প্রক্রিয়ার সম্পর্কে তিনটি সূত্র তুলে ধরেন। এই সূত্রগুলিকে মেণ্ডেলীয় বংশগতি তত্ত্ব বলা হয়।

২৭। যুগ্ম কারক কাকে বলে?

উত্তরঃ সংকরণ পরীক্ষায় জীবের কোনাে একটি লক্ষণের জন্য দুইটি জিন বা কারক থাকে। এদের একটি পিতৃদিক হতে এবং একটি মাতৃদিক থেকে আসে। এই দুটি জিনকে যুগ্ম কারক বলা হয়।

২৮। তিন জোড়া সমরূপী ক্রোমােজোমের স্বতন্ত্র বিন্যাসের ফলে কয় প্রকারের জনন কোষের সৃষ্টি হয়।

উত্তরঃ তিন জোড়া সমরূপী ক্রোমােজোমের স্বতন্ত্র বিন্যাসের ফলে ৪ প্রকারের জনন কোষের সৃষ্টি হয়।

২৯। জিনের পরিবর্তনের জন্য হঠাৎ হওয়া ব্যক্তরূপের পরিবর্তনকে কি বলা হয়?

উত্তরঃ জিনের পরিবর্তনের জন্য হঠাৎ হওয়া ব্যক্তরূপের পরিবর্তনকে উৎপরিবর্তন বলা হয়।

৩০। জিন বিনিময় কি?

উত্তরঃ বীজকোষের হ্রাসাত্মক কোষ বিভাজনের আদ্যস্তর- 1 দশায় প্রত্যেকগুলি সমরূপী ক্রোমােজোমের পিতৃদিক এবং মাতৃদিকে ক্রোমােজোমে থাকা জিনসমূহের মধ্যে বিনিময় হয়ে জনন কোষে নতুন জিনীয় বিন্যাসের সৃষ্টি হয়। এই প্রক্রিয়াটিকে জিন বিনিময় বলা হয়।

৩১। জৈব বিবর্তন বলতে কি বুঝ?

উত্তরঃ পৃথিবীর উৎপত্তির পরে এতে থাকা মৌলসমূহ হতে বিভিন্ন যৌগের সৃষ্টি হয়েছিল। পােটিন, নিউক্লিক অ্যাসিড ইত্যাদির সহযােগে ভাইরাসের মতাে নিউক্লিয় প্রােটিন কণিকার সৃষ্টি হল তখন থেকে বিবর্তনের রূপ পরিবর্তন হতে লাগল। আদি ভাইরাস হতে সৃষ্টি হয়েছিল ভাইরাসের মতাে জৈবিক কণিকা। পরবর্তীকালে ভাইরাস থেকেই ব্যাক্টেরিয়া, প্রােটোজয়া প্রভৃতি সরল জীব এবং হাজার হাজার বছরের বিবর্তনের ফলে সরল জীব হতে বর্তমানে দেখতে পাওয়া অসংখ্য জীবের সৃষ্টি হল। আদি ভাইরাস হতে সৃষ্টি হওয়া বিবর্তনকে জৈব বিবর্তন বলা হয়। এই পৃথিবীতে দেখা সকল ধরনের জীব প্রকৃতপক্ষে আদি জীবের বিবর্তন ঘটে সৃষ্টি হওয়া কেবলমাত্র উন্নত জীব।

পৃথিবীর সৃষ্টির আরম্ভ হতে পৃথিবীতে জীব সৃষ্টি হওয়া এই দীর্ঘ সময়ে পৃথিবীর উপরিভাগের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। যেমন-ভৌগােলিক পরিবর্তন, উপরিভাগে থাকা বিভিন্ন মৌলের মধ্যে রাসায়নিক সংযােজন ঘটে জৈব যৌগের সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিঘটনাকে জৈব রাসায়নিক বিবর্তন বলা হয়।

৩২। মানুষের শরীরে পাওয়া কয়েকটি লুপ্তপ্রায় অঙ্গের নাম লিখ।

উত্তরঃ মানুষের শরীরে পাওয়া কয়েকটি লুপ্তপ্রায় অঙ্গ হল- কানের পেশী, লেজ গঠনকারী পুচ্ছ অস্থি, কুকুর দাঁত বা কৃন্তক দাঁত, চোখের কোণায় থাকা তৃতীয় আবরণ ইত্যাদি।

৩৩। সমসংস্থ এবং সমবৃত্তি অঙ্গের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধর।

উত্তরঃ যে সকল অঙ্গের কাজ করার ধরন এবং গঠন এক সেই অঙ্গগুলিকে। সমসংস্থ অঙ্গ বলে। যেমন- পাখির ডানা, ঘােড়ার অর্থ পা, ব্যাঙের পূর্বের পা, মানুষের হাত ইত্যাদি সমসংস্থ অঙ্গ।             

যে সমস্ত অঙ্গের গঠন এবং উৎপত্তির দিক হতে ভিন্ন কিন্তু কার্য প্রায়। এই সেই অঙ্গকে সমবৃত্তি অঙ্গ বলে। যেমন- পাখির পাখনা, বাদুড়ের ডানা ইত্যাদি।

৩৪। লেমার্কের মতবাদটি কি কি মূল ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।

উত্তরঃ লেমার্কের মতবাদটি চারটি মূল ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত-

(i) পরিবেশের প্রভাব।

(ii) প্রয়ােজন সাপেক্ষে নতুন অঙ্গের গঠন।

(iii) অঙ্গের প্রয়ােগ এবং অপপ্রয়ােগের ফলে দৈহিক পরিবর্তন।। 

(iv) উল্লিখিত কারকের প্রভাবে অর্জিত চরিত্রের উত্তরাধিকারী তত্ত্ব।

৩৫। ডারউইনের মতবাদটি কি কি মূল ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত?

উত্তরঃ ডারউইনের মতবাদটি প্রধানত ছয়টি মূলভাবের উপর প্রতিষ্ঠিত। সেইগুলি হল-

(i) অত্যধিক প্রজনন।

(ii) জীবন সংগ্রাম।

(iii) প্রকরণ।

(iv) যােগ্যতমের উবর্তন।

(v) প্রাকৃতিক নির্বাচন।

(iv) নতুন প্রজাতির সৃষ্টি।

৩৬। ডারউইনের দুঃসাহসিক অভিযানের বিষয়ে সংক্ষেপে লিখ।

উত্তরঃ ডারউইনের প্রাকৃতিক মতবাদের মূল কারকগুলি হল-

(a) অত্যধিক জন্মের হার।

(b) জীবসমূরে সংগ্রাম।

(c) যােগ্যতমের উদ্বর্তন।

(d) প্রাকৃতিক নির্বাচন।

(a) অত্যধিক জন্মের হার- সকল জীবের বংশরক্ষার প্রতি স্বাভাবিক আসক্তি আছে এবং সেই মতাে অত্যধিক উৎপাদন করে। যেমন- এক ঝােপ সরিষা গাছ বছরে প্রায় 50 হার বীজ উৎপাদন করে। সকল জীবই যদি নিজের বীজ উৎপাদন ক্ষমতা অনুসারে বংশবৃদ্ধি করে তবে এই পৃথিবীতে এক জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। ডারউইনের মতে এই ধরনের বংশবিস্তারে প্রকৃতি বাধা দেয় না। এই বাধা সংঘটিত হয় জীবনসমূহের সংগ্রামের মাধ্যমে।

(b) জীবসমূহের সংগ্রাম- ক্রমাগত বংশবৃদ্ধির আসক্তি জীবসমূহকে বেঁচে থাকার উদ্দেশে জীবন যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে বাধ্য করে। ইহা তিনপ্রকারের হতে পারে-

(i) অন্তঃপ্রজাতির সংগ্রাম। 

(ii) আন্তঃপ্রজাতির সংগ্রাম। 

(iii) পরিবেশের। সাথে যুদ্ধ।

(c) যােগ্যতমের উদ্বর্তন- পৃথিবীতে যােগ্য জীবই বেঁচে থাকার সুবিধা লাভ করে। একে যােগ্যতমের উদ্বর্তন বলা হয়।

(d) প্রাকৃতিক নির্বাচন- কৃষক যেমন কৃষির জন্য উন্নত জাতসমূহ বেছে নেয় ঠিক সেইভাবে প্রকৃতিও ভাল প্রকরণ সম্পন্ন জীবগুলিকে বেছে নেয়। এই জীবগুলি পরিবর্তিত পরিবেশকে খাপ খাওয়াতে সক্ষম হয়।

৩৭। পৃথিবী এবং জীব সৃষ্টি অনুক্রমিক ঘটনা প্রবাহের বিষয়ে বর্ণনা কর।

উত্তরঃ পৃথিবীর উৎপত্তি সম্পর্কে বিভিন্ন মবাদ আছে। বিজ্ঞানী জিনস্ এবং জেফ্রিসের মতবাদ অনুসারে মহাশূন্যে আমাদের এই সূর্য হতে অনেক কোটি গুণ বড় প্রকাণ্ড নক্ষত্র একটি হঠাৎ সূর্যের অতি নিকটে প্রচণ্ড বেগে পার হয়ে যাওয়াতে তার আকর্ষণে সূর্যপৃষ্ঠে এক বিশাল জোয়ারের সৃষ্টি হল, এর ফলে সূর্য হতে কিছু অংশ গ্যাসীয় অবস্থায় বাইরে এল। এই সরে আসা অংশটি সূর্যের চারদিকে ঘুরতে লাগল এবং কালক্রমে সংকুচিত এবং শীতল হয়ে গ্রহ উপগ্রহ হল। সেরূপ একটি বিশাল অংশ হতে আমাদের এই পৃথিবীর সৃষ্টি হল। সেইজন্য সূর্যে থাকা বিভিন্ন মৌলসমূহের প্রায় মৌলই পৃথিবীপৃষ্ঠতে বিদ্যমান।

পৃথিবী এবং জীব সৃষ্টির অনুক্রমিক ঘটনা প্রবাহ-

আদিম পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গ্যাসীয় অবস্থা।

রাসায়নিক বিবর্তন জলীয় বাষ্পের ঘনীভবন এবং বৃষ্টির সৃষ্টি।

জলাশয়ের সৃষ্টি এবং জৈব রাসায়নিক বিবর্তন।

ভাইরাস এবং আদিম পরপুষ্ট এককোষীয় জীবের সৃষ্টি।

স্ব-পুষ্ট এককোষীয় এবং বহুকোষীয় জীবের সৃষ্টি।

৩৮। বংশগতি মানে কি?

উত্তরঃ প্রজনন বা বংশবিস্তার জীবের একটি বৈশিষ্ট্য। ইহার দ্বারা জীব বংশানুক্রমে নিজের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অক্ষুন্ন রাখে। এই প্রক্রিয়ার দ্বারা জীব তার একই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যযুক্ত অপত্য জীবের সৃষ্টি করে। অর্থাৎ পিতা-মাতার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য পরবর্তী জনুর জীবে হস্তান্তর হয়। ইহা প্রকৃতির এক চিরন্তন সত্য। যে প্রক্রিয়ার দ্বারা পিতা-মাতার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলি পরিবর্তিতভাবে পরবর্তী জনু পর্যন্ত সঞ্চারিত হয় তাহাকে বংশগতি বলে।

৩৯। মেণ্ডেলীয় তত্ত্ব কি?

উত্তরঃ একসংকরণ ও দ্বি-সংকরণ পরীক্ষার শেষে মেণ্ডেল জীবের লক্ষণ নিয়ন্ত্রণকারী কারণ বা জিনের বংশানুক্রমিক বংশগতি প্রক্রিয়ার সম্পর্কে তিনটি সূত্র দেন। এই সূত্রগুলিকে একসঙ্গে মেণ্ডেলীয় তত্ত্ব বলা হয়। এইগুলি হইল-

(i) প্রভাবতী সূত্র।

(ii) পৃথকীকরণ সূত্র।

(iii) স্বতন্ত্র বিন্যাস সূত্র।

৪০। মেণ্ডেলীয় তত্ত্বের সত্যতা প্রমাণ করা বৈজ্ঞানিকদের নাম লিখ।

উত্তরঃ হল্যান্ত্রে দ্য ভিশ জার্মানীর কোরেন্স এবং অষ্ট্রিয়ার সেরমাক। 

৪১। বিপরীত সংগম কাহাকে বলে?

উত্তরঃ একই প্রজাতির দুইটি পৃথক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য যুক্ত জীবের মধ্যে হওয়া সংগমকে বিপরীত সংগম বলা হয়।

৪২। জন্মগতির প্রভাবীসূত্র কাহাকে বলে?

উত্তরঃ জীবের কোন লক্ষণের জন্য থাকা বিপরীতধর্মী লক্ষণযুক্ত সমযুতক দুইটি জীবের মধ্যে সংকরণ ঘটাইলে প্রথম অপত্য জনুতে (F₁) পিতৃমাতৃ দুইটি লক্ষণের মাত্র একটি প্রকাশ পায়। প্রকাশ পাওয়া লক্ষণটিকে প্রভাবী এবং অপ্রকাশিত লক্ষণটিকে অপ্রভাবী লক্ষণ বলা হয়। ইহাই মেণ্ডেলের জন্মগতির প্রভাবীসূত্র।

৪৩। জন্মগতির স্বতন্ত্র বিন্যাস সূত্র কাকে বলে?

উত্তরঃ দুই জোড়া বিপরীতধর্মী লক্ষণের কারণগুলি (F₁) জনুতে একত্রিত হইয়া থাকে। যদিও জননকোষ গঠনের সময়ে ইহারা পরস্পর পৃথক হইয়া প্রতিটি কারক স্বতন্ত্র ভাবে যে কোন বিপরীতধর্মী লক্ষণের কারকের সঙ্গে জননকোষ গঠন করে। ইহাই মেণ্ডেলের জন্মগতির স্বতন্ত্র বিন্যাস সূত্র।

৪৪। জিন কি?

উত্তরঃ জিন হইল বংশগতির বাহক। ইহারা ক্রোমােজোমে অবস্থিত। রাসায়নিক ভাবে জিন D.N.A-এর একটি অংশ মাত্র। সুতরাং D.N.A. যে ধরনের উপাদান দিয়ে গঠিত জিন সেই একই ধরনের উপাদান দিয়ে গঠিত।

জিনের গঠনের তারতম্যের জন্যই ভিন্ন ভিন্ন জীবের গঠন ভিন্ন ভিন্ন হয়।

৪৫। নীচে দেওয়াগুলি শূন্যস্থান পূর্ণ কর।

(ক) রাসায়নিক বিবর্তন সম্বন্ধে _________পরীক্ষা করিয়া প্রমাণিত করিয়াছিলেন।

উত্তরঃ হেরল্ড ইউরি এবং ষ্টেনলি মিলার।

(খ) পূর্ববর্তী জীব হইতে পরবর্তী জীবের উৎপত্তি হওয়া ধারণাকে _________বলে।

উত্তরঃ জীবাৎ জীবেৎপত্তি।

(গ) অজৈব রাসায়নিক পদার্থ হইতেই _________ বিবর্তন ঘটিয়া পৃথিবীর জীব সৃষ্টি হইয়াছিল।

উত্তরঃ রাসায়নিক।

(ঘ) _________ অংগ সমূহে জীবগুলির একই পূর্বপুরুষ হইতে উৎপত্তি হওয়া বুঝায়।

উত্তরঃ সমসংস্থ।

(ঙ) ডারউইনের মতবাদটিকে __________বলা হয়।

উত্তরঃ প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদ।

(চ) উত্তরাধিকারী সূত্রে লাভ করা অর্জিত চরিত্রতত্ত্ব’ নামের মতবাদটিকে_________বলে।

উত্তরঃ লেমার্কের মতবাদ।

৪৬। নীচে দেওগুলির বন্ধনীর ভিতরে থাকা হইতে শুদ্ধ উত্তর নির্ণয় কর।

(ক) সরীসৃপ এবং স্তন্যপায়ী দুইটির চরিত্র বহন করা সংযােগী প্রাণীটি হইল (প্লেটিপাস/ পেরিপেটাস/ পেরামিসিয়াম/ প্লেটিথেসিয়াম)।

উত্তরঃ প্লেটিপাস।

(খ) সপুষ্পক উদ্ভিদের নগ্নবীজী এবং গুপ্তবীজীর সংযােগী উদ্ভিদটি হইল (কলসি উদ্ভিদ/নেটাম/মট্টাপা/পাইন)।

উত্তরঃ নেটাম।

(গ) মানব শরীরের কোনটি লুপ্তপ্রায় অংগ (পুচ্ছ অস্থি/পায়ের আঙুল/ কিডনী/মস্তিষ্ক)।

উত্তরঃ পুচ্ছ অস্থি।

(ঘ) “ফিলসফি জুলজিক নামের গ্রন্থটি কে রচনা করিয়াছিলেন (মিলার/ডারউইন/লেমার্ক/ক্সেল)।

উত্তরঃ লেমার্ক।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top