Class 10 Science Chapter 15 আমাদের পরিবেশ

Class 10 Science Chapter 15 আমাদের পরিবেশ Notes to each chapter is provided in the list so that you can easily browse throughout different chapter Class 10 Science Chapter 15 আমাদের পরিবেশ and select needs one.

Class 10 Science Chapter 15 আমাদের পরিবেশ

Join Telegram channel
Follow us:
facebook sharing button
whatsappp sharing button
instagram sharing button

Also, you can read SCERT book online in these sections Class 10 Science Chapter 15 আমাদের পরিবেশ Solutions by Expert Teachers as per SCERT (CBSE) Book guidelines. Class 10 Science Chapter 15 আমাদের পরিবেশ These solutions are part of SCERT All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Science Chapter 15 আমাদের পরিবেশ for All Subject, You can practice these here..

আমাদের পরিবেশ

               Chapter – 15

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ

১। কোন কোন পদার্থ জৈব বিনাশক এবং কোনগুলি জৈব অবিনাশক ?

উত্তরঃ আমাদের দৈনন্দিন ফেলে দেওয়া সামগ্রীর কিছু সময়ের গতিতে ঘটে মাটির সঙ্গে মিশে যায় এবং কিছু সামগ্রীর বিয়ােজন ঘটে না। যেসব ফেলে দেওয়া দ্রব্য সময় সাপেক্ষে জৈবিক প্রক্রিয়া দ্বারা ক্ষয় হয়ে মাটিতে মিশে যায় সেই সব দ্রব্য জীব-ক্ষয়িষ্ণু বা জৈব বিনাশক এবং যেসব দ্রব্যের পরিবর্তন না হয়ে থেকে যায় সেইগুলােকে জীব-অক্ষয়িষ্ণু বা জৈব অবিনাশক বলে।

২। যে কোনও দুইটি প্রক্রিয়া দেখাও যে প্রক্রিয়া দ্বারা জৈব-অবিনাশক পদার্থ পরিবেশকে প্রভাবিত করে।

উত্তরঃ (i) জৈব – অবিনাশক পদার্থ জমা হয়ে পরিবেশকে দূষিত করে।

(ii) জৈব – অবিনাশক পদার্থ জমা হলে সেখানে মশার জন্ম হয় এবং এরা বিভিন্ন রােগ ছড়ায়।

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Join Now

৩। যে কোনও দুইটি প্রক্রিয়া দেখাও যে প্রক্রিয়া দ্বারা অজৈব-অবিনাশক পদার্থ পরিবেশকে প্রভাবিত করে।

উত্তরঃ অজৈব-অবিনাশক পদার্থ পরিবেশকে নিম্নোক্তভাবে প্রভাবিত করে-

(i) এই দ্রব্যগুলি মাটিতে জমে পরিবেশ তন্ত্র বা ইকোসিষ্টেমকে বাধাগ্রস্থ করে।

(ii) কীটনাশক দ্রব্য বা পতঙ্গনাশক দ্রব্য, ডি.ডি. টি ইত্যাদি খাদ্যশৃংখলকে প্ৰদূষিত করে পরিবেশকে প্রভাবিত করে।

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ

১। পৌষ্টিক স্তর (Trophic level) কি ? খাদ্যশৃংখলের একটি উদাহরণ দাও এবং এর বিভিন্ন পৌষ্টিক স্তর ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ খাদ্যশৃংখলে থাকা স্তর হল পৌষ্টিক স্তর। যেমন- তৃণভােজী এবং বিয়ােজক। পৌষ্টিক স্তর নীচে দেখানাে হল-

২। পরিস্থিতি তন্ত্রে বিয়ােজকের ভূমিকা কি ?

উত্তরঃ পরিস্থিতি তন্ত্রে বিয়ােজকের ভূমিকা অনেক। যেমন—অজান্তে কিছু ক্ষতিকারক রাসায়নিক খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। যেহেতু এইসব রাসায়নিক বিনাশক নয় তাই পৌষ্টিক স্তরে জমা হয়। আমাদের খাদ্যশস্য, যেমন- গম ও চাল, শাক-সবজি ও ফল এবং মাংসে কীটনাশকের কমবেশী পরিমাণ থাকে। এই কীটনাশক ধুয়ে বা অন্য উপায়ে পৃথক করতে পারা যায় না।

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ

১। ওজোন কি ? এটি কিভাবে পরিস্থিতি তন্ত্রকে প্রভাবিত করে ?

উত্তরঃ ওজোন অনু (O₃) তিনটি অক্সিজেন পরমাণু দ্বারা গঠিত। যখন “O₂” যাকে আমরা অক্সিজেন বলি সকল বায়ুজীবির জন্য অপরিহার্য। ওজন একটি মারাত্মক বিষ। বায়ুমণ্ডলের উচ্চস্তরে ওজোন প্রয়ােজনীয় কার্য সম্পাদন করে। এটি সূর্যের অতি বেগুনী রশ্মির হাত থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে। এই রশ্মি জীবের অতি মাত্রায় ক্ষতি করে। উদাহরণস্বরূপ মানবজাতির চর্মে কর্কট রােগ Skin Cancer এই রশ্মির জন্যই হয়।

২। বর্জ্য নিষ্পত্তির সমস্যা সমাধানে তােমরা কিভাবে সাহায্য করতে পার ? যে কোনও দুইটি পদ্ধতি দাও।

উত্তরঃ বর্জ্য নিষ্পত্তির সমস্যা সমাধানের দুইটি পদ্ধতি হল-

(i) প্লাষ্টিক জাতীয় দ্রব্যকে পুনঃ ব্যবহার করার মতাে অবস্থায় আনতে পারাে।

(ii) উৎপাদিত বর্জ্য পদার্থকে জ্বালিয়ে দেওয়া।

অনুশীলনীর প্রশ্নোত্তরঃ

১। নিম্নলিখিত কোন বিভাগটি জৈব-বিনাশক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত ?

(a) ঘাস, ফুল এবং চামড়া।

(b) ঘাস, কাঠ এবং প্লাষ্টিক।

(c) ফলের খােসা, পিঠা এবং লেবুর রস।

(d) পিঠা, কাঠ এবং ঘাস।

উত্তরঃ (c) ফলের খােসা, পিঠা এবং লেবুর রস।

২। নিম্নের কোনটি খাদ্যশৃঙ্খল গঠন করে ?

(a) ঘাস, গম এবং আম।

(b) ঘাস, ছাগল এবং মানুষ।

(c) ছাগল, গরু এবং হাতী।

(d) ঘাস, মাছ এবং ছাগল।

উত্তরঃ (b) ঘাস, ছাগল এবং মানুষ।

৩। নিম্নলিখিত কোনটি পরিবেশ বান্ধব কার্য ?

(a) কেনা কাটার সময় ক্রয় করা বস্তু রাখতে কাপড়ের থলি বহন করা।

(b) অপ্রয়ােজনীয় বাতি এবং পাখা বন্ধ করা।

(c) স্কুলে হেঁটে যাওয়ার বদলে স্কুটারে যাওয়া।

(d) উপরােক্ত সবগুলি।

উত্তরঃ (d) উপরােক্ত সবগুলি।

৪। যদি একটি পৌষ্টিক স্তরের সব জীবকে বধ করি তবে কি হবে ?

উত্তরঃ পৌষ্টিক স্তরের সব জীবকে যদি বধ করা হয় তবে পরবর্তী পৌষ্টিক স্তরে খাদ্যের অভাবে জীবের সংখ্যা কমে যাবে। ফলে নিম্ন শ্রেণির জীবের সংখ্যা বাড়বে কারণ তাদের ভক্ষণ করা প্রাণী থাকবে না। ইহা পরিস্থিতি তন্ত্রে বিশেষ প্রভাব বিস্তার করবে।

৫। একটি পৌষ্টিক স্তরের সকল জীবসত্তার মৃত্যু হলে বিভিন্ন স্তরে বিভিন্নভাবে তার প্রভাব পড়বে কি ? পরিস্থিতি তন্ত্রের কোন ক্ষতি ঘটানাে ছাড়া কোনও পৌষ্টিক স্তরের জীবকে কিভাবে সরানাে যেতে পারে ?

উত্তরঃ (i) উৎপাদককে সরানাে – তৃণভােজী প্রাণীরা বেঁচে থাকবে না। ফলে পরিস্থিতি তন্ত্র ভেঙ্গে যাবে।

(ii) তৃণভােজীদের সরানাে – সর্বভূকরা খাদ্য পাবে না ফলে পৌষ্টিক তন্ত্র ব্যাহত হবে।

(iii) সর্বভূকদের সরানাে – তৃণভােজীর সংখ্যা বাড়বে।

(iv) বিয়ােজকদের সরানাে – বর্জ্য পদার্থ, জীব-জন্তুর মৃতদেহ ইত্যাদি বিয়ােজিত হবে না বা মাটির সঙ্গে মিশবে না ফলে প্ৰদূষণ বাড়বে।

৬। জৈব বৃহত্তীকরণ কি ? এই বৃহত্তরীকরণের স্তর পরিস্থিতি তন্ত্রের বিভিন্ন স্তরে কি বিভিন্ন ?

উত্তরঃ মাটি থেকে উদ্ভিদ দ্বারা খনিজ পদার্থ ও জলের সাথে রাসায়নিক দ্রব্য শােষিত হয় এবং জলের আধার থেকে জলজ উদ্ভিদের শরীরে যায় এবং প্রাণী এই উদ্ভিদ ভক্ষণ করে, এইভাবে খাদ্যশৃঙ্খল প্রবেশ করে। যেহেতু এইসব রাসায়নিক বিনাশক হয়, অতএব প্রতিটি পৌষ্টিক স্তরে জমা হয়। যেহেত মানবজাতি যেকোনও খাদ্যশৃংখলের উচ্চস্তরে থাকে। তাই সব রাসায়নিকে সর্বাধিক ঘনত্ব আমাদের দেহে সঞ্চিত হয়। এই ঘটনাটি জৈব বৃহত্তরীকরণ হিসাবে পরিচিত। এইসব কারণে আমাদের খাদ্যশস্য, যেমন- গম ও চাল, শাক-সবজি ও ফল এবং মাংসে কীটনাশক ধুয়ে বা অন্য উপায়ে পৃথক করতে পারা যায় না।

৭। আমাদের উৎপাদিত জৈব অবিনাশক বর্জ দ্বারা কি সমস্যা হবে ?

উত্তরঃ (i) নালা নর্দমা বন্ধ হবে।

(ii) প্লাষ্টিক ভক্ষণে তৃণভােজীদের মৃত্যু হয়।

(ii) মাটি নষ্ট হয়।

(iv) রাস্তাঘাট অপরিষ্কার হয়ে যায়।

(v) জল, বায়ু এবং মাটির প্রদূষণ হয়।

(vi) পৌষ্টিক তন্ত্র ভেঙ্গে।

৮। যদি আমাদের উৎপাদিত সমস্ত বর্জ্য বিনাশক হয় তাহলে পরিবেশের উপর এদের প্রভাব কি পড়বে না ?

উত্তরঃ (i) ক্ষতিকারক গ্যাসের সৃষ্টি হবে ফলে প্রদূষণ বাড়বে।

(ii) সমস্ত উৎপাদিত বর্জের বিনাশ হবে না ফলে বিভিন্ন জায়গায় আবর্জনা জমে থাকবে।

৯। ওজন স্তরের ক্ষতি উদ্বেগের কারণ কেন ? এই ক্ষতি সীমিত করতে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

উত্তরঃ ওজন স্তরের ক্ষতি যথেষ্ট উদ্বেগের কারণ। ওজন একটি মারাত্মক বিষ। ওজন স্তরের জন্য তাপমাত্রার পরিবর্তন হয় এবং পৃথিবীতে বৃষ্টিপাত কমে যায়। মানুষের কেন্সার রােগ হতে পারে। 1980 সালে বায়ুমণ্ডলের নির্দিষ্ট পরিমাণ ওজন হঠাৎ কমতে শুরু করে দিল। এই হ্রাসের কারণ হচ্ছে ক্লোরফ্লুরাে কার্বন CFC জাতীয় কিছু গ্যাস যেগুলি রেফ্রিজারেটর এবং অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রে বা শীততাপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়। 1987 সালে ইউনাইটেড নেশনস এনভার্নমেন্ট প্রােগ্রাম (UNEP) অনেক চেষ্টার ফলে 1986 সালের মাত্রায় CFC উৎপাদন হিমায়িত করতে একটি চুক্তি প্রণয়ন করতে সফল হয়েছে।

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তরঃ

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

This will close in 0 seconds

Scroll to Top