Class 10 Science Chapter 14 শক্তির উৎস

Class 10 Science Chapter 14 শক্তির উৎস Notes to each chapter is provided in the list so that you can easily browse throughout different chapter Class 10 Science Chapter 14 শক্তির উৎস and select needs one.

Class 10 Science Chapter 14 শক্তির উৎস

Join Telegram channel
Follow us:
facebook sharing button
whatsappp sharing button
instagram sharing button

Also, you can read SCERT book online in these sections Class 10 Science Chapter 14 শক্তির উৎস Solutions by Expert Teachers as per SCERT (CBSE) Book guidelines. Class 10 Science Chapter 14 শক্তির উৎস These solutions are part of SCERT All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Science Chapter 14 শক্তির উৎস for All Subject, You can practice these here..

শক্তির উৎস

               Chapter – 14

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ

১। শক্তির উত্তম উৎস কাকে বলে ?

উত্তরঃ শক্তির উত্তম উৎস হবে সেটা-

(i) যার প্রতি একক আয়তন বা ভর অধিক কার্য সম্পাদন করতে পারে।

(ii) যা সহজে পাওয়া যায়।

(iii) যার সংরক্ষণ, পরিবহন সহজত্র।

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Join Now

(iv) যা সবচেয়ে কম খরচ সাপেক্ষ।

২। উত্তম জ্বালানী কোনটি ?

উত্তরঃ (i) যা অতি সহজলভ্য।

(ii) যার মূল্য কম।

(iii) অধিক তাপ উৎপন্ন হয় এমন ইন্ধন।

(iv) যা সহজে পরিবহনযােগ্য।

(v) ইন্ধনের দহনে বিষাক্ত গ্যাসের সৃষ্টি না হওয়া।

(vi) জ্বলনের হার একই এবং নিয়ন্ত্রণ যুক্ত।

(vii) জ্বলনের ফলে কোনাে অবশিষ্ট না থাকা ইত্যাদি।

৩। তােমার পক্ষে খাদ্য গরম করার জন্য যদি যে কোন শক্তির উৎস মজুত থাকে, তুমি কোন প্রকারের শক্তি ব্যবহার করবে এবং কেন ?

উত্তরঃ আমরা সাধারণত খাদ্য গরম করার জন্য L.P.G বা P.N.G ব্যবহার করব। কারণ এতে উত্তম উৎসের সব লক্ষণগুলি বর্তমান। অধিক উত্তাপ, ভাজন কিরী মান ইত্যাদি এতে থাকে।

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ

১। জীবাশ্ম জ্বালানী ব্যবহারের অসুবিধা কি ?

উত্তরঃ জীবাশ্ম জ্বালানীর দহনে কার্বন, নাইট্রোজেন এবং সালফারের অক্সাইড উৎপন্ন হয় যা এসিড বৃষ্টির সৃষ্টি করে এবং ভূপৃষ্ঠের জল এবং মাটির ক্ষতিসাধন করে। এই গ্যাস স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক বিশেষ করে হাঁপানী রােগীদের ক্ষতিসাধন করে।

২। আমরা বিকল্প শক্তির উৎসের সন্ধান করি কেন ?

উত্তরঃ জীবাশ্ম জ্বালানী একদিন না একদিন যেমন শেষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে তেমনই বিকল্প শক্তির উৎসের সন্ধান খুবই প্রয়ােজন।

শক্তির বিকল্প উৎসের ভিতর সৌরশক্তি, নিউক্লীয় শক্তি এবং জৈবভর বা জীবাবশেষের থেকে আহরণ করা শক্তি উল্লেখযােগ্য।

৩। আমাদের সুবিধার জন্য কিভাবে প্রচলিত বায়ু ও জলশক্তি ব্যবহারের উন্নতি সাধন করা হয়েছে ?

উত্তরঃ বায়ুশক্তি- বায়ুশক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং নবীকরণযােগ্য শক্তির কার্যকরী উৎস। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বায়ুশক্তি ব্যবহারের বারংবার খরচ করতে হয় না। কিন্তু বায়ুশক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। প্রথমতঃ বায়ুশক্তি কার্য কেবল মাত্র সেই সকল স্থানে স্থাপন করা যায় যেখানে বৎসরের অধিকাংশ সময় বায়ুপ্রবাহ ঘটে। টারবাইন এবং সংরক্ষণ কোষের মতাে ব্যবস্থা থাকা প্রয়ােজন। প্রয়ােজনীয় বিদ্যুৎ থাকা আবশ্যক।

জলশক্তি- আরেকটি স্বাভাবিক শক্তির উৎস হল জলের অতি শক্তি অথবা উচ্চ অঞ্চলে থাকা জলের স্থিতি শক্তি। জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে পতনশীল জলের স্থিতি শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা হয়। কিন্তু স্থিতি শক্তির উৎস হিসাবে ব্যবহারযােগ্য জলপ্রপাতের সংখ্যা অতি নগণ্য। সেইজন্য বাঁধ দেওয়া অঞ্চলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প গড়ে তােলা হয়েছে।

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ

১। সৌর কুকার নির্মাণে অবতল, উত্তল বা সমতল আয়নার মধ্যে কোনটি সবচেয়ে উপযুক্ত ? কারণ দর্শাও।

উত্তরঃ সমতল আয়না, কারণ এর দ্বারা সমস্ত আলােককে প্রতিফলিত করে নির্দিষ্ট জায়গায় পাঠানাে যায়।

২। সমুদ্র থেকে সংগৃহীত শক্তির সীমাবদ্ধতা কি কি ?

উত্তরঃ সমুদ্র থেকে সংগৃহীত শক্তির উৎস হল-

(i) জোয়ার শক্তি (Tidal Energy).

(ii) তরঙ্গ শক্তি (Wave Energy).

(iii) তাপশক্তি (Thermal Energy).

জোয়ার শক্তির সীমাবদ্ধতা হল ইহা কেবল মাত্র জোয়ার এবং ভাটার সময় টারবাইনের দ্বারা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।

তরঙ্গ শক্তির সীমাবদ্ধতা হল সাগরের উপকূলবর্তী স্থানে বিশালাকায় তরঙ্গ সমূহের গতিশক্তি থেকে অনুরূপভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

তাপশক্তির সীমাবদ্ধতা হল এই যে সমুদ্রের তাপশক্তির থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যার জন্য জলের তলের তাপমাত্রার পার্থক্য 20°C বেশি হতে হয়।

৩। ভূতাপ শক্তি বলতে কি বুঝায় ?

উত্তরঃ ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তনের ফলে ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে উষ্ণ অঞ্চলে গলিত শিলা উৎপন্ন হয়। এই গলিত শিলা উপর দিকে ধাবিত হওয়া কিছু নির্দিষ্ট অঞ্চলে ভূপৃষ্ঠে তলদেশ আবদ্ধ অবস্থায় থাকে। এমন স্থানকে হটস্পট বলে। ভূগর্ভস্থ জল এই হটস্পটের সংস্পর্শে বাষ্পে পরিণত হয়। কখনাে ভূগর্ভস্থ উচ্চ জল ফাটল পথে ভূপৃষ্ঠে নির্গত হয়। একে উষ্ণ প্রস্রবণ বলে। শিলাস্তরের আবদ্ধ বাম্পকে নলের সাহায্যে টারবাইনের ঘূর্ণনের জন্য ব্যবহার করা হয় এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এর জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ সামান্য।

৪। নিউক্লীয় শক্তির সুবিধাগুলি কি কি ?

উত্তরঃ ফিশন প্রক্রিয়ায় ইউরেনিয়ামের পরমাণু থেকে নির্গত নিউক্লীয় শক্তির পরিমাণ কয়লার কার্বন পরমাণু দহনের ফলে উৎপাদিত শক্তির প্রায় 10 মিলিয়ন গুণ অধিক। নিউক্লীয় শক্তির সাহায্যে জলকে বাষ্পে পরিণত করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ

১। কোন শক্তির উৎস দূষণ মুক্ত হতে পারে কি ? কেন বা কেন নয় ?

উত্তরঃ না, শক্তির উৎস দূষণমুক্ত হতে পারে না কারণ, যদিও ইহা পরিষ্কারবাতবুও ইহা পরিবেশের ক্ষতিসাধন করে।

২। রকেটে জ্বালানী হিসাবে হাইড্রোজেন ব্যবহার করা হয়। একে CNG থেকে পরিচ্ছন্ন জ্বালানী মনে কর কি ? কেন বা কেন নয় ?

উত্তরঃ হাইড্রোজেন হল পরিষ্কার ইন্ধন। CNG অপেক্ষা হাইড্রোজেন পরিচ্ছন্ন জ্বালানী। কিন্তু CNG -র জায়গায় হাইড্রোজেন ব্যবহার করতে সরঞ্জামের পরিবর্তন করতে হবে।

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ

১। দুইটি নবীকরণযােগ্য শক্তির উৎসের নাম কর। তােমার পছন্দের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ দুইটি নবীকরণযােগ্য শক্তির উৎসের নাম হল- বায়াে গ্যাস এবং মােটর শক্তি।

কারণ এরা গাছ, জলের স্রোত, বায়ুপ্রবাহ, সূর্য এবং সমুদ্রের সঙ্গে জড়িত।

২। দুইটি নিঃশেষিত প্রায় শক্তির উৎসের নাম কর। তােমার পছন্দের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ জীবাশ্ম ইন্ধন, যেমন- কয়লা, পেট্রোলিয়াম ইত্যাদি নিঃশেষিত প্রায় শক্তির উৎস। একদিন না একদিন এই উৎসের শেষ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। বহুল ব্যবহারের ফলেই এইরূপ হয়।

অনুশীলনীর প্রশ্নোত্তরঃ

১। গরম জলের জন্য সৌর-জল উত্তাপক যন্ত্র ব্যবহার করা যায় না।

(a) সূর্য করােজ্জ্বল দিনে।

(b) মেঘলা দিনে।

(c) গরম দিনে।

(d) বায়ুপ্রবাহ যুক্ত দিনে।

উত্তরঃ (b) মেঘলা দিনে।

২। নিম্নলিখিত কোনটি জৈব ভরশক্তির উৎস নয় ?

(a) কাঠ।

(b) গােবর গ্যাস।

(c) নিউক্লীয় শক্তি।

(d) কয়লা।

উত্তরঃ (c) নিউক্লীয় শক্তি।

৩। ব্যবহার করা অধিকাংশ শক্তির উৎস প্রকৃতপক্ষে সঞ্চিত সৌরশক্তি। নিম্নলিখিত কোন উৎস আসলে সৌরশক্তি থেকে সংগৃহিত নয় ?

(a) ভূ-তাপশক্তি।

(b) বায়ুশক্তি।

(c) নিউক্লীয় শক্তি।

(d) জৈব শক্তি।

উত্তরঃ (a) ভূ-তাপশক্তি।

৪। জীবাশ্ম জ্বালানী এবং প্রত্যক্ষ সৌরশক্তির তুলনাও লিখ।

উত্তরঃ 

জীবাশ্ম জ্বালানীসৌরশক্তি
(i) এরা নবীকরণযােগ্য নয়।(i) এরা নবীকরণযােগ্য।
(ii) এরা প্রচুর পরিমাণ বায়ু প্রদূষণ করে।(ii) এটি প্ৰদূষণ মুক্ত।
(iii) এটি সহজেই প্রাপ্ত।(iii) এটি সহজপ্রাপ্ত নহে।

৫। শক্তির উৎস হিসাবে জৈব ভর এবং জলবিদ্যুৎ শক্তির তুলনা কর এবং পার্থক্য লিখ।

উত্তরঃ জৈব ভর নবীকরণ যুক্ত স্বচ্ছ শক্তির উৎস এবং সহজলভ্য।

জলবিদ্যুৎ শক্তিও নবীকরণ যুক্ত স্বচ্ছ শক্তির উৎস কিন্তু ইহা পরিবেশ দূষণ করে।

৬। নিম্নলিখিত উৎসসমূহ থেকে শক্তি উৎপাদনের সীমাবদ্ধতা কি ?

(a) বায়ু। 

(b) তরঙ্গ। 

(c) জোয়ার ভাটা।

উত্তরঃ (a) বায়ুর জন্য প্রচুর জায়গার প্রয়ােজন কারণ সেখানে উহিণ্ড মিল স্থাপন করতে হয়। 15km/h হতে অধিক বেগে বায়ুর স্রোত প্রবাহিত হলে উইণ্ডমিল কাজ করে। এর যন্ত্রাংশ খুবই ব্যয়বহুল।

(b) তরঙ্গ যখন খুব উচ্চ হয় তখন ইহা ব্যবহৃত হয়। এর জন্য নির্দিষ্ট সময় এবং স্থানের প্রয়ােজন।

(c) জোয়ার ভাটার দ্বারা শক্তি উৎপাদন নির্ভর করে জোয়ারের 

উচ্চতার উপর। সেইজন্য উপযুক্ত বাঁধ তৈরি করতে হয়।

৭। কিসের ভিত্তিতে নিম্নলিখিত শক্তি উৎসের শ্রেণিবিভাজন করবে ?

(a) নবীকরণযােগ্য এবং নবীকরণ অযােগ্য শক্তির উৎস।

(b) নিঃশেষযােগ্য এবং অনিঃশেষ শক্তি উৎস।

উত্তরঃ (a) যতদিন পর্যন্ত সৌরশক্তি আছে ততদিন শক্তির উৎস নবীকরণ যােগ্য। যেমন- প্রবাহিত জল, বায়ু, জোয়ার, সাগরের ঢেউ, কাঠ এবং আণবিক শক্তিই এর উৎস।

কিন্তু জীবাশ্ম ইন্ধন, যেমন- কয়লা, পেট্রোলিয়াম ইত্যাদি অনবীকরণযােগ্য। এরা একবার দাহিত হলে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না।

(b) নিঃশেষযােগ্য উৎস হল অনবীকরণযােগ্য এবং অনিঃশেষ শক্তি হল নবীকরণযােগ্য।

৮। আদর্শ শক্তি উৎসের কি কি গুণাগুণ থাকা প্রয়ােজন ?

উত্তরঃ আদর্শ শক্তির উৎসের গুণাগুণ হল-

(i) এরা নির্দিষ্ট পরিমাণের শক্তি প্রদান করে।

(ii) এরা একই মাত্রায় শক্তি প্রদান করে।

(iii) সহজেই জমা করা বা পরিবহন করা যায়।

৯। সৌর কুকার ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা লিপিবদ্ধ কর। কোন অঞ্চলে সৌর কুকারের ব্যবহার সীমিত ?

উত্তরঃ সুবিধা- ইহা কম খরচে প্ৰদূষণ মুক্ত ব্যবস্থা।

অসুবিধা- সৌর কুকারে 100°C হতে 140°C সে. তাপমাত্রার প্রয়ােজন। মেঘাচ্ছন্ন দিনে এর ব্যবহার সম্ভব নহে।

১০। শক্তির বর্ধিত চাহিদার পরিবেশগত প্রভাব কি ? শক্তির ব্যবহার হ্রাস করার জন্য কি কি উপায় অবলম্বন করা যেতে পারে ?

উত্তরঃ কোনাে না কোনাে ভাবে যেকোন শক্তির উৎসের ব্যবহারের ফলে পরিবেশের উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়। যেকোন পরিস্থিতিতে আমাদের শক্তির উৎসের নির্বাচন কতকগুলাে কারকের উপর নির্ভরশীল, যেমন- সেই উৎস থেকে শক্তি নিষ্কাশনের সহজতা, লব্ধপ্রযুক্তির দক্ষতাও সেই উৎস ব্যবহারের ফলে সংঘটিত পরিবেশীয় ক্ষতির পরিমাণ।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে সৌরকোষের মতাে কৌশল দূষণমুক্ত হতে পারে, কিন্তু এই কৌশল সংস্থাপনের ফলে পরিবেশগত ক্ষতিসাধন হতে পারে।

শক্তির ব্যবহার হ্রাস করার জন্য নীচের ব্যবস্থাগুলি গ্রহণ করা যায়-

(i) উৎস থেকে সহজ এবং সুলভ শক্তির সন্ধান করতে হবে।

(ii) প্রচলিত প্রথা প্রয়ােগ করে শক্তি সঞ্চয়।

(iii) উৎসে পরিবেশের দূষণের বিরুদ্ধে সচেতন হওয়া ইত্যাদি।

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তরঃ

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

This will close in 0 seconds

Scroll to Top