Class 10 Science Chapter 1 রাসায়নিক বিক্রিয়া এবং সমীকরণ Notes to each chapter is provided in the list so that you can easily browse throughout different chapter Class 10 Science Chapter 1 রাসায়নিক বিক্রিয়া এবং সমীকরণ and select needs one.
Class 10 Science Chapter 1 রাসায়নিক বিক্রিয়া এবং সমীকরণ
Also, you can read SCERT book online in these sections Class 10 Science Chapter 1 রাসায়নিক বিক্রিয়া এবং সমীকরণ Solutions by Expert Teachers as per SCERT (CBSE) Book guidelines. Class 10 Science Chapter 1 রাসায়নিক বিক্রিয়া এবং সমীকরণ These solutions are part of SCERT All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Science Chapter 1 রাসায়নিক বিক্রিয়া এবং সমীকরণ for All Subject, You can practice these here…
রাসায়নিক বিক্রিয়া এবং সমীকরণ
Chapter – 1
পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ
১। বায়ুতে দহনের পূর্বে ম্যাগনেসিয়ামের ফিতেটি কেন পরিষ্কার করতে হয় ?
উত্তরঃ ম্যাগনেসিয়াম ফিতাকে বায়ুতে দহন করার আগে পরিষ্কার করা হয় কারণ সেখানে যাতে কোনাে ধরনের অশুদ্ধি না থাকে এবং বিশুদ্ধ ম্যাগনেসিয়াম ধাতুর দহন হয়।
২। নিম্নোক্ত রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলির জন্য সন্তুলিত সমীকরণ লিখ।
(i) হাইড্রোজেন + ক্লোরিন – হাইড্রোজেন ক্লোরাইড।
(ii) বেরিয়াম ক্লোরাইড + এলুমিনিয়াম সালফেট – বেরিয়াম সালফেট + এলুমিনিয়াম ক্লোরাইড।
(iii) সােডিয়াম + জল – সােডিয়াম হাইড্রক্সাইড + হাইড্রোজেন।
উত্তরঃ (i) H₂ + Cl₂ + 2HCl
(ii) 3BaCl₂ + Al₂ (SO₄)₃ ⇒ 3BaSO₄ + 2AlCl₃
(iii) 2Na + 2H₂O → 2NaOH + H₂
২। নিম্নোক্ত বিক্রিয়াগুলির ভৌত অবস্থার চিত্রসমেত সন্তুলিত সমীকরণ লিখ ?
(i) বেরিয়াম ক্লোরাইড এবং সােডিয়াম সালফেটের জলীয় দ্রবণের বিক্রিয়ার ফলে সােডিয়াম ক্লোরাইডের দ্রবণ এবং অদ্রবণীয় বেরিয়াম সালফেট উৎপন্ন হয়।
(ii) সােডিয়াম হাইড্রক্সাইডের জলীয় দ্রবণ হাইড্রোক্লোরিক এসিডের জলীয় দ্রবণের সঙ্গে বিক্রিয়া করে সােডিয়াম ক্লোরাইড দ্রবণ ও জল উৎপন্ন হয়।
উত্তরঃ (i) BaCl₂ (aq) +Na₂SO₄ (aq) – BaSo₄ (s) + 2NaCl (aq)
(ii) Na(OH) (aq) + HCl (aq) → NaCl (aq) + H₂O (l)
পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ
১। চুনকাম করার জন্য X দ্রব্যের একটি দ্রবণ ব্যবহার করা হল।
(i) X দ্রব্যটির নাম লিখ এবং এটার সংকেত লিখ।
(ii) X দ্রব্যটির {(i)-এ উল্লেখিত} জলের সঙ্গে বিক্রিয়া লিখ।
উত্তরঃ (i) X হল কালি চূর্ণ, CaO
(ii) CaO (s) + H₂O – Ca (OH)₂ (aq)
২। 17 কার্যতে উল্লেখিত দুটো পরীক্ষানলীর একটিতে সংগ্রহীত গ্যাসের পরিমাণ অন্যটিতে থাকা গ্যাসের দ্বিগুণ কেন ? গ্যাসটির নাম কি ?
উত্তরঃ জলকে তড়িৎ বিশ্লেষণ করলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে একটি তড়িৎদ্বারে হাইড্রোজেন এবং অন্যটিতে অক্সিজেন উৎপন্ন হয়।
2H₂O (l) → 2H₂ (g) + O₂ (g)
2 অনু জলের তড়িৎ বিশ্লেষণে 2 অনু হাইড্রোজেন এবং 1 অনু জল উৎপন্ন হয়।এতেকে হাইড্রোজেনের পরিমাণ অক্সিজেনের দ্বিগুণ।
পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ
১। কপার সালফেটের দ্রবণে লােহার পেরেক ভােবালে দ্রবণের রং- এর কেন পরিবর্তন হয় ?
উত্তরঃ যখন একটি লােহার পেরেককে কপার সালফেট দ্রবণে ডুবানাে হয় তখন এর রং বাদামী হয়ে যায় এবং কপার সালফেটের রং হালকা হয়।
Fe (s) + CuSo₄ (aq)→Fe SO₄ (aq) + Cu (s) এই বিক্রিয়ায়
লােহা কপার সালফেট দ্রবণ থেকে কপারকে পৃথক করে তাই এর রং হালকা হয়।
২। 1.10 কার্যে বিনিময় বিক্রিয়ার যে উদাহরণ দেওয়া হয়েছে তা ছাড়া অন্য একটি উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ যখন হাইড্রোক্লোরিক এসিডের দ্রবণ লেড নাইট্রেটের দ্রবণে মিশানাে হয় তখন লেড ক্লোরাইডের একটি সাদা আস্তরণ সৃষ্টি হয়।
2HCl (aq) + Pb (NO₃)₂ (aq) → PbCl₂ (s) + 2HNO₃ (aq)
লেড নাইট্রেট হতে Pb⁺⁺ আয়ন হাইড্রোক্লোরিক এসিডের 2Cl⁻ আয়ন-এর সঙ্গে বিক্রিয়া করে লেড ক্লোরাইড উৎপন্ন করে। সুতরাং এই বিক্রিয়ায় আয়নের আদান প্রদান ঘটে। সেইজন্য একে দ্বিগুণ প্রতিস্থাপক বিক্রিয়া বলে।
৩। নিম্নোক্ত বিক্রিয়াগুলােতে কোন দ্রব্যগুলাে জারিত হল বা বিজারিত হল সনাক্ত কর।
(i) 4Na (s) + O₂ (g) → 2Na₂O (s)
(ii) CᵤO (s) + H₂(g)→Cᵤ (s) + H₂O (l)
উত্তরঃ (i) জারিত হওয়া বস্তুগুলি, Na (s); H₂ (g)
(ii) বিজারিত হওয়া বস্তুগুলি, O₂ (g) ; CᵤO (s)
অনুশীলনীর প্রশ্নোত্তরঃ
১। নিম্নোক্ত বিক্রিয়ার জন্য কোন বিবৃতিটি (Statement) অশুদ্ধ ?
(iii) 2PbO (s) + C (s) → 2Pb (s) + CO₂ (g)
(a) লেড বিজারিত হয়।
(b) কার্বন-ডাই-অক্সাইড বিজারিত হয়।
(c) কার্বন জারিত হয়।
(d) লেড অক্সাইড বিজারিত হয়।
(i) (a) এবং (b); (ii) (a) এবং (c); (iii) (a), (b) এবং (c) ; সবগুলি।
উত্তরঃ (i) (a) এবং (b)।
২। Fe₂O₃ + 2Al – Al₂O₃ + 2Fe উপরােক্ত বিক্রিয়াটি নীচে দেওয়া কোন প্রকার বিক্রিয়ার উদাহরণ?
(a) সংযােগ বিক্রিয়া।
(b) বিনিময় বিক্রিয়া।
(c) বিয়ােজন বিক্রিয়া।
(d) প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া।
উত্তরঃ (d) প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া।
৩। লঘু হাইড্রোক্লোরিক এসিডের সঙ্গে লৌহচূর্ণের বিক্রিয়া ঘটলে কি হয় ? শুদ্ধ উত্তরটি চিহ্নিত কর ?
(a) হাইড্রোজেন গ্যাস এবং আয়রন ক্লোরাইড উৎপন্ন হয়।
(b) ক্লোরিন গ্যাস এবং আয়রন হাইড্রক্সাইট উৎপন্ন হয়।
(c) কোন বিক্রিয়া ঘটে না।
(d) আয়রনের লবণ এবং জল উৎপন্ন হয়।
উত্তরঃ (a) হাইড্রোজেন গ্যাস এবং আয়রন ক্লোরাইড উৎপন্ন হবে।
৪। সন্তুলিত রাসায়নিক সমীকরণ বলতে কি বােঝায় ? রাসায়নিক সমীকরণ কেন সন্তুলিত হওয়া আবশ্যক ?
উত্তরঃ যেকোন সমতুল্য সমীকরণে উভয়দিকে থাকা পরমাণুর সংখ্যা সমান হয়। সমতুল্য সমীকরণ একদিকে যেমন ভরের সমতা রক্ষা করে তেমনি আধানেরও সমতা বজায় রাখে। রাসায়নিক সমীকরণ ভরের সাপেক্ষে সমতুল্য হয়। কারণ বস্তুর ভরের সৃষ্টিও হয় না এবং ধ্বংসও হয় না। আবার আধানের সাপেক্ষে সমতুল্য হয় কারণ পরমাণুর দ্বারা হারানাে ইলেকট্রন কেটায়ন তৈরি করে এবং পরমাণুর দ্বারা লব্ধ ইলেকট্রন এনায়ন তৈরি করে।
৫। নিম্নোক্ত বিবৃতিগুলােকে রাসায়নিক সমীকরণে প্রকাশ কর এবং সমীকরণগুলাে সন্তুলন কর।
(a) হাইড্রোজেন গ্যাসনাইট্রোজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে এমােনিয়া উৎপন্ন করে।
(b) হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসবায়ুতে দহনের ফলে জল এবং সালফার ডাইঅক্সাইড উৎপন্ন হয়।
(c) বেরিয়াম ক্লোরাইড এলুমিনিয়াম সালফেটের সঙ্গে বিক্রিয়া করে এলুমিনিয়াম ক্লোরাইড ও বেরিয়াম সালফেটের অধঃক্ষেপ উৎপন্ন করে।
(d) পটাশিয়াম ধাতু জলের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পটাশিয়াম হাইড্রক্সাইড এবং হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে।
উত্তরঃ (a) 3 H₂ (g) + N₂ (g) – 2 NH₃ (g)
(b) 2 H₂S (g) + 3O₂ (g) – 2 SO₂ (g) + 2H₂O (l)
(c) 3 BaCl₂ (aq) + Al₂(SO₄)₃ (aq) – 2 AlCl₃ (aq) + 3 BaSO₄ (s)
(d) 2 K(s) + 2H₂O (l) – 2 KOH (aq) + H₂ (g)
৬। নিম্নোক্ত রাসায়নিক সমীকরণগুলাে সন্তুলনা কর-
(a) HNO₃ + Ca(OH)₂ – Ca (NO₃)₂ + H₂O
(b) NaOH + H₂ SO₄ – Na₂ SO₄ + H₂O
(c) NaCl + AgNO₃ – AgCl + NaNO₃
(d) BaCl₂ + H₂ SO₄ – BaSO₄ + HCl
উত্তরঃ (a) 2 HNO₃ + Ca(OH)₂ – Ca(NO₃)₂ + 2H₂O
(b) 2 NaOH + H₂SO₄ – Na₃SO₄ + 2H₂O
(c) NaCl + AgNO₃ – AgCl + NaNO₃
(d) BaCl₂ + H₂SO₄ – BasO₄ + 2 HCl
৭। নিম্নোক্ত বিক্রিয়াগুলাের সন্তুলিত সমীকরণ লেখ।
(a) ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড + কার্বন ডাই অক্সাইড – ক্যালসিয়াম কার্বনেট + জল।
(b) জিংক + সিলভার নাইট্রেট – জিংক নাইট্রেট + সিলভার।
(c) এলুমিনিয়াম + কপার ক্লোরাইড – এলুমিনিয়াম ক্লোরাইড + কপার।
(d) বেরিয়াম ক্লোরাইড + পটাশিয়াম সালফেট – বেরিয়াম সালফেট + পটাশিয়াম ক্লোরাইড।
উত্তরঃ (a) Ca (OH)₂ + CO₂ – CaCO₃ + H₂O
(b) Zn + 2Ag NO₃ – Zn (NO₃)₂ + 2Ag
(c) 2Al + 3CuCl₂ – 2AlCl₃ + 3Cu
(d) BaCl₂ + K₂SO₄ – BaSO₄ + 2KCl
৮। নিম্নেক্তগুলাের সন্তুলিত সমীকরণ লেখ এবং প্রত্যেকটি কি প্রকারে বিক্রিয়া সনাক্ত কর।
(a) পটাশিয়াম, ব্রোমাইড (aq) + বেরিয়াম আয়ােডাইড (aq) – পটাশিয়াম আয়ােডাইড (aq) + বেরিয়াম ব্রোমাইড (s)
(b) জিংক কার্বনেট (s) – জিংক অক্সাইড (s) + কার্বনডাই অক্সাইড (g)
(c) হাইড্রোজেন (g) +ক্লোরিন (g) – হাইড্রোজেন ক্লোরাইড (g)
(d) ম্যাগনেসিয়াম (s)+হাইড্রোক্লোরিক এসিড (aq) – ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড (aq) + হাইড্রোজেন (g)
উত্তরঃ (a) 2 KBr (aq) + Bal₂ (aq) + 2KI (aq) + Ba Br₂ (s) ধরন – বিপরিবর্ত বিক্রিয়া।
(b) ZnCo₃ (s) → ZnO (s) + CO₂ (g) ধরন – বিয়ােজন বিশ্লেষণ বিক্রিয়া।
(c) H₂ (g) + Cl₂ (g) – 2 HCl (g) ধরন – সংযােগ প্রক্রিয়া।
(d) Mg (S) + 2HCl (aq) → MgCl₂ (aq) + H₂ (g) ধরন – ভ্রংশ বিক্রিয়া।
৯। তাপবর্জী ও তাপগ্রাহী বিক্রিয়া বলতে কি বােঝায় ? উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ তাপবর্জী বিক্রিয়া বা তাপ উৎপাদক বিক্রিয়া (Exothermic Reaction)- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপ উদ্ভূত হয় তাকে তাপ উৎপাদক বিক্রিয়া বলে।
যখন কার্বন বাতাসে জুলে কার্বন-ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয় তখন তাপের উদ্ভব হয়। সেইজন্য এই বিক্রিয়াটি তাপ উদ্ভাবক বিক্রিয়া। তাপগ্রাহী বিক্রিয়া বা C + O₂ = CO₂
তাপ-শােষক বিক্রিয়া (Endothermic Reaction)- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপ শােষিত হয় তাকে তাপশােষক বিক্রিয়া বলে।
যখন সালফার কার্বন উত্তপ্ত করে কার্বন ডাই সালফাইড প্রস্তুত করা হয় তখন তাপ শােষিত হয়। সেইজন্য এই বিক্রিয়াটি তাপশােষক বিক্রিয়া।
C + 2S = CS₂
১০। শ্বসন প্রক্রিয়াকে কেন তাপবর্জী বিক্রিয়া বলে ধরা হয়? ব্যাখ্যা কর।
উত্তরঃ খাদ্য হজমের সময় উহা ছােট ছােট টুকরায় ভেঙ্গে যায়। খাদ্যে ভাত, আলু, রুটি এইগুলিতে কার্বোহাইড্রেট থাকে। এই কার্বোহাইড্রেট ভেঙ্গে গ্লুকোজে পরিণত হয়। শ্বসনের সময় ইহা জারিত হয়ে শক্তির সৃষ্টি হয়।
C₆ H₁₂O₆ (aq) + 6O₂ (aq) – 6CO₂ (aq) + 6H₂O (l) + শক্তি।
এতেকে শ্বসন একটি তাপবর্জী বা তাপ উৎপাদক বিক্রিয়া।
১১। বিয়ােজন বিক্রিয়াকে সংযােগ বিক্রিয়ার বিপরীত বিক্রিয়া বলা হয় কেন ? এই বিক্রিয়াগুলাের সমীকরণ লেখ।
উত্তরঃ বিয়ােজন বিশ্লেষণ হল সংযােগ বিশ্লেষণের বিপরীত।
বিয়ােজন বিক্রিয়ায় একটি যৌগ ভেঙ্গে দুই বা ততােধিক ক্ষুদ্র মৌল গঠন করে।
যেমন, মারকিউরিক অক্সাইডকে উত্তপ্ত করলে পারদ ও অক্সিজেন উৎপন্ন হয়।
2 HgO – 2 Hg + O₂
আবার সংযােগ বিক্রিয়ায় দুই বা তার বেশি ক্ষুদ্র মৌল যুক্ত হয়ে নতুন যৌগ গঠন করে যেমন, ম্যাগনেসিয়াম অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড উৎপন্ন করে।
2 Mg + O₂ – 2 MgO
১২। বিয়ােজন বিক্রিয়ায় প্রয়ােজনীয় শক্তি যােগান ধরা হয় তাপশক্তি, আলােকশক্তি এবং তড়িৎশক্তি রূপে। প্রত্যেকটির জন্য একটি করে সমীকরণ লেখ।
উত্তরঃ

১৩। প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া এবং বিনিময় বিক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য কি? এই বিক্রিয়াগুলাের সমীকরণ লিখ।
উত্তরঃ প্রতিস্থাপন বা ভ্রংশ বিক্রিয়াতে বেশি সক্রিয় ধাতু কম সক্রিয় ধাতুকে পরিণত করে আবার বিপরিবর্ত বিক্রিয়ায় কোনাে দ্রবণে অংশগ্রহণকারী পদার্থগুলি আয়নের পরিবর্তন ঘটায়। উদাহরণস্বরূপ-
(i) Fe (s) + CuSo₄ (aq) – Cu (s) + FeSO₄ (aq) এই ভ্রংশ বিক্রিয়ায় লােহা কপারকে প্রতিস্থাপিত করে।।
(ii) AgNO₃ (aq) + NaCl (aq) – AgCl (s) + NaNO₃
এই বিনিময় বা বিপরিবর্ত বিক্রিয়ায় সিলভারনাইট্রেট এবং সােডিয়াম ক্লোরাইডের আয়নের পরিবর্তন ঘটে অর্থাৎ Cl⁻ এবং NO₃⁻ র পরিবর্তন ঘটে।
১৪। সিলভারের পরিশােধনে কপার ধাতুর দ্বারা অপসারণ বিক্রিয়ায় সিলভার নাইট্রেট থেকে সিলভার পুনরুদ্ধার হয়। রাসায়নিক বিক্রিয়াটি লেখ।
উত্তরঃ 2 AgNO₃(aq) + Cu (s) – Cu (NO₃)₂ (aq) + 2Ag (s)
১৫। অধঃক্ষেপণ প্রক্রিয়া বলিতে কি বুঝ ? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর।
উত্তরঃ দুই বা ততােধিক পদার্থের মধ্যে (এদের অন্তত একটি দ্রবণরূপে থাকবে) রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে কোনাে কঠিন পদার্থ দ্রবণ হতে পৃথক হলে প্রক্রিয়াটিকে অধঃক্ষেপণ বলে। পৃথক নতুন পদার্থকে অধঃক্ষেপ বলে।
একটি টেষ্টটিউবে সাধারণ লবণের জলীয় দ্রবণ নিয়ে তাতে সিলভার নাইট্রেট দ্রবণ মিশালে সাদা অদ্রবণীয় সিলভার ক্লোরাইড উৎপন্ন হয়ে পৃথক হয়। একে অধঃক্ষেপণ বলে এবং সাদা অদ্রবণীয় পদার্থকে (সিলভার ক্লোরাইড) অধঃক্ষেপ বলে।
NaCl + AgNO₃ – AgCl + NaNO₃(সাদা অধঃক্ষেপ)
১৬। অক্সিজেন লাভ করা বা হারানাের ভিত্তিতে নিম্নোক্তগুলােকে ব্যাখ্যা কর। প্রতিটির জন্য দুটো করে উদাহরণ দাও।
(a) জারণ।
(b) বিজারণ।
উত্তরঃ (a) জারণ- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অক্সিজেন যুক্ত হয় তা জারণ বিক্রিয়া।

(b) বিজারণ- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অক্সিজেন হারায় তাকে বিজারণ বিক্রিয়া বলে।

১৭। একটি চকে তামাটে রং-এর মৌল ‘X’ বায়ুতে উত্তপ্ত করলে কালাে রং-এর হয়ে যায়। X মৌলটি থেকে উৎপন্ন হওয়া কালাে মৌলটির নাম লিখ।
উত্তরঃ মৌল ‘X’ = কপার (Cu) যৌগ = কপার অক্সাইড (CuO) 2Cu (s) + O₂ – 2CuO (বাদামী) (বায়ু হতে) (কালাে)
১৮। লৌহ নির্মিত দ্রব্যের উপর কেন রং-এর প্রলেপ দেওয়া হয় ?
উত্তরঃ লােহার তৈরি কোন জিনিষে রং করা হয় কারণ রং লােহার সঙ্গে বায়ুর সিক্ত অক্সিজেনকে মিশতে দেয় না, ফলে মরিচা ধরা থেকে লােহাকে বাঁচানাে যায়।
১৯। চর্বি এবং তেল থাকা খাদ্যদ্রব্য প্রচুর পরিমাণে নাইট্রোজেনের উপস্থিতিতে বায়ুরুদ্ধ ঠোঙায় ভরা হয় কেন ?
উত্তরঃ খাদ্যবস্তুকে সতেজ রাখতে এবং বায়ুর অক্সিজেন থেকে দূরে রাখতে খাদ্যবস্তুর উপর নাইট্রোজেন ছেটানাে হয়।
২০। প্রত্যেকটির জন্য একটি করে উদাহরণ দিয়ে নিম্নোক্তগুলাে ব্যাখ্যা কর।
(a) ক্ষয়ীভবন (Corrosion)
(b) চর্বির দুর্গন্ধিতা (Rancidity)
উত্তরঃ (a) ক্ষয়ীভবন – জলীয় বাষ্প এবং অক্সিজেনের উপস্থিতিতে ধাতু যেমন লােহাতে ক্ষয় দেখা যায়। একখণ্ড লােহাকে বহুদিন ধরে আর্দ্র বায়ুতে রেখে দিলে এর উপর বাদামী রং-এর একটি আস্তরণ পড়ে, যাকে মরিচা বলে।
(b) চর্বির দুর্গন্ধিতা – চর্বি বা তেলজাতীয় খাদ্য অনেক সময় মুক্ত অবস্থায় রেখে দিলে খাদ্য পচে যায় এবং এর স্বাদের পরিবর্তন ঘটে। নাইট্রোজেন ছিটিয়ে খাদ্যকে পচন থেকে রক্ষা করা যায়।
অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তরঃ

Hi! my Name is Parimal Roy. I have completed my Bachelor’s degree in Philosophy (B.A.) from Silapathar General College. Currently, I am working as an HR Manager at Dev Library. It is a website that provides study materials for students from Class 3 to 12, including SCERT and NCERT notes. It also offers resources for BA, B.Com, B.Sc, and Computer Science, along with postgraduate notes. Besides study materials, the website has novels, eBooks, health and finance articles, biographies, quotes, and more.



Can’t download PDF solutions general science