Class 10 Science Important Chapter 8 জীবের প্রজনন কিভাবে হয়

Class 10 Science Important Chapter 8 জীবের প্রজনন কিভাবে হয় Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 10 Science Important Chapter 8 জীবের প্রজনন কিভাবে হয় Solutions and select need one. SEBA Class 10 General Science Additional Notes Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 10 Science Important Question Answer.

Class 10 Science Important Chapter 8 জীবের প্রজনন কিভাবে হয়

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Science Additional Niotes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 8

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। অঙ্গজ জনন ও অযৌন জননের মধ্যে দুইটি পার্থক্য লিখ।

উত্তরঃ (i) অঙ্গজ জনন সাধারণত উদ্ভিদের ক্ষেত্রে দেখা যায় কিন্তু অযৌন জনন উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয়ের ক্ষেত্রেই দেখা যায়।

(ii) অঙ্গজ জনন উদ্ভিদ দেহের কোনও অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে অপত্য উদ্ভিদ সৃষ্টি করে। কিন্তু অযৌন জননে দেহের নির্দিষ্ট অঙ্গে উৎপন্ন অযৌন জননের এককের সাহায্যে অপত্য জীব সৃষ্টি হয়।

২। জনন কাকে বলে?

উত্তরঃ যে প্রক্রিয়ায় জনিতৃ জীব থেকে অপত্যজীব সৃষ্টি হয় তাকে জনন বলে।

৩। যােন জনন কাকে বলে?

উত্তরঃ যে প্রক্রিয়ায় দুই যৌন জনন কোষ বা গ্যাঘেটের মিলনের মাধ্যমে অপত্যজীব সৃষ্টি হয় তাকে যৌন জনন বলে। যেমন- ব্যাঙ, সপুষ্পক উদ্ভিদ ইত্যাদির জনন।

৪। উদ্ভিদের অজৈব জননের একক কি?

উত্তরঃ স্পাের বা রেণু।

৫। যৌন জননের একক কি?

উত্তরঃ জনন কোষ বা গ্যাঘেট।

৬। প্রজনন স্বাস্থ্যের অন্তর্গত বিষয়সমূহ কি কি?

উত্তরঃ প্রজনন স্বাস্থ্যের বিষয়গুলি হল-

(i) প্রজনন এবং শিশুর স্বাস্থ্যের যত্ন।

(ii) পরিবার পরিকল্পনা।

(iii) জননী সুরক্ষা আঁচনি।

(iv) শিশু কল্যাণ আঁচনি, ইত্যাদি।

৭। প্রজনন স্বাস্থ্যের সঙ্গে কৈশাের দশার কি সম্পর্ক সংক্ষেপে লিখ।

উত্তরঃ কৈশাের দশা হল 10 হতে 19 বৎসরের মধ্যে থাকা সময়। এই সময়ে ছেলে-মেয়েদের শারীরিক এবং মানসিক অবস্থার অভূতপূর্ব পরিবর্তন দেখা যায়। এই সময়ে ছেলে-মেয়েরা শৈশব হতে যৌবন অবস্থা প্রাপ্ত হয়। কৈশাের দশার শেষে সম্পূর্ণ প্রজনন ক্ষমতা অর্জন করাকে যৌবনারম্ভ বা পিউবারটি বলে। শুক্রাশয়ের লেইডিগ কোষে ক্ষরণ করা টেষ্টোষ্টেরণ হরমােন পুরুষের পিউবারটি নিয়ন্ত্রণ করে।

স্ত্রীর ক্ষেত্রে যৌবনারম্ভে মাসিক ঋতুচক্র আরম্ভ হয়। এই সময় হতেই স্ত্রী গর্ভধারণ ক্ষমতা লাভ করে। কৈশাের প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে বিপরীত লিংগের প্রতি আকর্ষিত হওয়াটি উল্লেখযােগ্য লক্ষণ। যৌন অংগের বিকাশে ছেলে-মেয়েদের মন প্রভাবান্বিত করার সঙ্গে তাদের মন অস্থির করে তুলে। ফলে বিভিন্ন বিষয়ে যেমন যৌন মিলন, মাদকদ্রব্য সেবন আদির প্রতি আকর্ষিত হয়। ফলে কিছু সমস্যা, যেমন- মেয়েদের অবৈধ গর্ভধারণ, বিভিন্ন যৌন সংক্রামিত রােগ যেমন- এইডস্, গনােরিয়া, সিফিলিজ আদিতে আক্রান্ত হয়। প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে সমাজের প্রত্যেক কিশাের-কিশােরীকে এই সমস্যাগুলির বিষয়ে নির্ভরযােগ্য এবং বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান আহরণ করতে হবে।

৮। এইডস্ কারক বীজাণুর নাম লিখ।

উত্তরঃ এইচ. আই. ভি (HIV) ভাইরাস।

৯। এইচ. আই. ভির সম্পূর্ণ নাম কি ?

উত্তরঃ হিউম্যান ইমিউনডেফিসিয়েনসি ভাইরাস।

১০। এইড্রক্স (AIDS) এর সম্পূর্ণ নাম লিখ।

উত্তরঃ অ্যাকোয়ার্ড ইমিউনডেফিসিয়েন্সি-সিনড্রোম।

১১। এইডস-এর চারিটি লক্ষণ উল্লেখ কর।

উত্তরঃ এইডস রােগের লক্ষণসমূহ হল-

(i) দেহের সাধারণ দুর্বলতা। 

(ii) দেহের রােগ প্রতিরােধী তন্ত্র সম্পূর্ণরূপে  ধ্বংস হয়। এই অবস্থায় ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, প্রােটোজোয়াজনিত যে কোন রােগ দেখা দিতে পারে। সাধারণত জ্বর, কাশি, পেটের রােগ, পেশীর যন্ত্রণা, ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদির লক্ষণ সমূহই প্রধান।

(iii) বিভিন্ন ত্বকের রােগ, ফুসফুস, মুখ এবং গ্রীবার রােগ আক্রান্ত ব্যক্তির আরও কিছু লক্ষণ।

(iv) স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হওয়ার ফলে মস্তিষ্কের রােগ হয়, ফলে চিন্তাশক্তি  বা স্মৃতিশক্তি লুপ্ত হয়।

(v) ব্যক্তিটির সর্বদা জ্বর আসে, রক্তে থাকা অণুচক্রিকার সংখ্যা কমে যায়।

১২। HIV -র কিভাবে সংক্রমণ হয়?

উত্তরঃ এইডস ভাইরাস দ্বারা সংক্রামিত লােক হতে একজন সুস্থ মানুষের কিভাবে পরিবাহিত হয় তাহা নিম্নে উল্লেখ করা হল-

(i) যৌন সংস্পর্শে এইচ. আই. ভি আক্রান্ত ব্যক্তির শুক্রাণুরস, যােনিরস স্তনের দুগ্ধে পাওয়া যায়। সেই কারণে যৌন সংস্পর্শের দ্বারা এই ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে সুস্থ মানুষের দেহে সংক্রামিত হয়। পৃথিবীর প্রায় 70-80% সংক্রমণ যৌন সংস্পর্শ দ্বারাই সংঘটিত হয়।

(ii) রক্ত সঞ্চারণ যদি সংক্রামিত ব্যক্তির রক্তথলি কোনাে সুস্থ মানুষের দেহে অজান্তে সঞ্চারিত করা হয়, তাহলে এই রােগ সুস্থ মানুষের দেহে সংক্রামিত হয়। এছাড়া কৃত্রিম অঙ্গ প্রতিস্থাপনের সময় এই ভাইরাস সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

(iii) নেশাযুক্ত দ্রব্যসমূহ ইনজেকসনের দ্বারা ব্যবহার করা ব্যক্তিগণ একই ক্ষুর এবং সিরিঞ্জ ব্যবহার করলে আক্রান্ত ব্যক্তি হতে এই ভাইরাস অপর একজন সুস্থ ব্যক্তির দেহে সংক্রামিত হয়।

(iv) নাপিতের দ্বারা বিভিন্ন জনের একই ক্ষুর ব্যবহার করলে সংক্রামিত ব্যক্তি হতে ক্ষুরের মাধ্যমে সুস্থ মানুষের দেহ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।

(v) চিকিৎসালয়ের অস্ত্রোপচারের সামগ্রীগুলি ঠিকমতাে পরিশােধিত না করলে এই ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে।

(vi) এইচ. আই. ভি এর দ্বারা আক্রান্ত মাতার জনন ফুল থেকে ভবিষ্যৎ সন্তানের দেহে অথবা মাতার দুগ্ধ থেকে সন্তানের দেহে এই ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে।

১৩। প্রজনন স্বাস্থ্য বলতে কি বুঝ?

উত্তরঃ সাধারণত ‘প্রজনন স্বাস্থ্য’ বলতে জননতন্ত্র এবং যৌনাংগের সুস্থ স্বাভাবিক কার্যক্ষম অবস্থাকে বুঝায়। প্রজনন স্বাস্থ্যের ভিতর কেবল যৌনাংগের সুস্থ অবস্থা অটুট রাখা সম্পর্কীয় কথা ছাড়াও প্রজনন সম্পৰ্কীয় নানান বিষয় যেমন- যৌবনপ্রাপ্তির সময়ে ব্যক্তির মানসিক এবং শারীরিক পরিবর্তনের বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান আহরণ, প্রজনন সম্পৰ্কীয় বিষয়সমূহের সহিত জড়িত আচার-ব্যবহার, সামাজিক আচরণবিধি, সুরক্ষিত প্রজনন, যৌন সংক্রামিত রােগ নিয়ন্ত্রণ, পরিবার পরিকল্পনা, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, জননীর স্বাস্থ্যসুরক্ষা, শিশুকল্যাণ ইত্যাদি দিকসমূহ বিবেচনা করা হয়।

১৪। জনুক্রম কাকে বলে?

উত্তরঃ যখন কোনও একটি জীবনচক্রে অযৌন জনু বা ডিপ্লয়েড রেণুধর জনু এবং যৌন জনু বা হ্যাপ্লায়েড লিঙ্গধর জনু পর্যায়ক্রমে ঘটে জীবনচক্রটি সম্পূর্ণ হয় তখন তাকে জনুক্রম বলে।

১৫। যৌনস্বাস্থ্যের সঙ্গে কৈশাের দশার কি সম্পর্ক সংক্ষেপে লেখ?

উত্তরঃ কৈশাের শিক্ষা যৌনস্বাস্থ্যের এক অংশবিশেষ। বেশির ভাগ কিশাের কিশােরীই নিজের শরীরের বিশেষ করে মানসিক তথা শারীরিক যৌন-স্বাস্থ্যের  বিষয়ে অবগত থাকে না। কিশাের অবস্থায় ছেলেরা পুরুষত্ব এবং মেয়েরা নারীত্ব লাভ করে। এইসময় এদের শারীরিক পরিবর্তন হয়। এই পরিবর্তন দেহ থেকে নিঃসরণ হওয়া কিছু হরমােন দ্বারা সংঘটিত হয় ফলে বিপরীত লিংগের প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়। এই অবস্থায় যৌনস্বাস্থ্যের বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান কিশাের কিশােরীকে বিপথে চালিত করা থেকে রক্ষা করতে পারে।

১৬। সামাজিক যৌনস্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য ভারত সরকার কি কি পদক্ষেপ নিয়েছেন সংক্ষেপে লেখ।

উত্তরঃ সুস্থ সমাজ গঠনের জন্য যৌনজনিত সমস্যার বিষয়ে প্রত্যেক ব্যক্তির সুস্থ মানসিকতার প্রয়ােজন। এই কথাগুলির প্রয়ােজনীয়তার উপর ভিত্তি করে ভারতবর্ষে সরকারীভাবে 1952 সনে সর্বপ্রথম পরিবার পরিকল্পনা  কাৰ্যসূচী গ্রহণ করা হয়। এই কাৰ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত প্রজনন এবং শিশু-স্বাস্থ্যের যত্ন নামে অন্য এক কাৰ্যসূচীর মাধ্যমে জনগণের মধ্যে যৌনস্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতা বৃদ্ধি করা হয়। দেশের প্রতিটি নাগরিকই যৌন সংক্রামিত শিশু এবং মাতৃর সুস্বাস্থ্য ছাড়া ভবিষ্যতে সুস্থ সমাজ গঠন হতে পারে না এই কথা মাথায় রেখে সমাজের সকল শ্রেণির মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারা জননী সুরক্ষা এবং শিশু কল্যাণ বিধি সমগ্র ভারতবর্ষে সক্রিয় করে তােলা হয়েছে। এই কার্যসূচীর মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে 24 ঘন্টা মহিলাদের প্রসবের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং শিশুরা যাতে জন্মের পর প্রয়ােজনীয় যত্ন পায় তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন কার্যসূচীর মাধ্যমে জনগণকে প্রজনন এবং যৌন সম্পর্কীয় শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

১৩। যৌনস্বাস্থ্যের সঙ্গে পরিবার পরিকল্পনা কার্যসূচী কিভাবে জড়িত?

উত্তরঃ পরিবার পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ। জনসংখ্যার দিক থেকে ভারতবর্ষের চাপ ভারতের নাগরিকের উপর খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা, সাধারণ স্বাস্থ্য, আশ্রয়ের জন্য নিরাপদ স্থান ইত্যাদি প্রায় সবদিকের প্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করছে। এই সমস্যাগুলি থেকে মুক্তির জন্য আমাদের প্রত্যেক ব্যক্তির পরিকল্পনা কার্যসূচীর নীতি অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত প্রজননের দ্বারা জনসংখ্যা হ্রাস করার বিষয়ে শিক্ষা আহরণ করা অত্যন্ত প্রয়ােজন। জনসাধারণ যৌনস্বাস্থ্যের বিষয় অবগত হলেই পরিবার পরিকল্পনা কার্যসুচী সাফল্য লাভ করবে নতুবা এর সুফল আমরা বুঝতে পারব না।

১৮। নিষেচন কাকে বলে?

উত্তরঃ পুংগ্যামেট ও স্ত্রীগ্যামেটের মিলনকে নিষেক বা নিষেচন বলে। নিষেকে অংশগ্রহণকারী পুংগ্যামেটটি আকারে ছােট ও সচল এবং স্ত্রীগ্যামেটটি আকারে বড় ও নিশ্চল হয়।

১৯। সপুষ্পক উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ঘটা চার প্রকার অযৌন প্রজননের নাম ও উদাহরণ লেখ।

উত্তরঃ সপুষ্পক উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ঘটা চার প্রকার অযৌন প্রজনন হল-

(i) রাইজোম – যেমন- আদা, হলুদ।

(ii) স্থূলকাণ্ড – যেমন- ওল, জাফরান।

(iii) স্ফীতকাণ্ড – যেমন- আলু, কচু।

(iv) ধাবক- যেমন- থানকুনি, গাঁদাল।

(v) শিকড় দ্বারা- ডালিয়া।

(vi) কন্দ- পিয়াজ।

২০। দুই প্রকার কৃত্রিম প্রজননের নাম লিখে, একটির বিষয়ে সংক্ষেপে লেখ।

উত্তরঃ দুই প্রকার কৃত্রিম প্রজননের নাম হল-

(i) কলাকৰ্ষণ।

(ii) কলম পদ্ধতি।

(i) কলাকৰ্ষণ পদ্ধতি- কলাকর্ষণ হল অংগজ প্রজননের কৃত্রিম পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে উদ্ভিদদেহের কোষ থেকে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হওয়াকে কলাকর্ষণ বলে। কলাকর্ষণে গাছের যেকোন অংশ বা যেকোন জীবিত কলা ব্যবহার করা যায়। এই পদ্ধতিতে অতি অল্প পরিমাণ কলা থেকে কম সময়ে এক সংগে অনেক গাছ সৃষ্টি করা যায়।

২১। শূন্যস্থান পূরণ করাে-

১। গর্ভধারণের পর ডিম্ব হতে___________ও গর্ভাশয় হতে ___________ হয়।

উত্তরঃ বীজ, ফল।

২। ইষ্ট এবং ব্যাক্টেরিয়া _________ প্রক্রিয়া দ্বারা বংশবৃদ্ধি করে।

উত্তরঃ দ্বি-বিভাজন।

৩। __________ এর দ্বারা জীব বংশরক্ষা করে।

উত্তরঃ জনন।

৪। পুংজনন কোষকে __________ও স্ত্রীজনন কোষকে __________বলে।

উত্তরঃ শুক্রাণু ও ডিম্বাণু।

৫। __________ কাণ্ড মাটির নীচে থাকা কাণ্ড।

উত্তরঃ স্ফীত।

৬। __________ মাটির উপরে লতানাে কাণ্ড।

উত্তরঃ ধাবক।

৭। রেণুর উৎপত্তিস্থলকে _________ বলে।

উত্তরঃ রেণুস্থলী।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top