Class 10 Science Important Chapter 3 ধাতু এবং অধাতু Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 10 Science Important Chapter 3 ধাতু এবং অধাতু Solutions and select need one. SEBA Class 10 General Science Additional Notes Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 10 Science Important Question Answer.
Class 10 Science Important Chapter 3 ধাতু এবং অধাতু
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Science Additional Niotes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
ধাতু এবং অধাতু
Chapter: 3
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ধাতু এবং অধাতুর মধ্যে ভৌত ধর্মের পার্থক্য লিখ।
উত্তরঃ ধাতু এবং অধাতুর মধ্যে ভৌত ধর্মের পার্থক্য
| ধাতু | অধাতু |
| (i) ধাতুগুলি সাধারণত কঠিন। পারদ ধাতু হলেও সাধারণ তাপমাত্রায় তরল পদার্থ। | (i) অধাতুগুলি কঠিন, তরল এবং গ্যাসীয়। সালফার, কার্বন, আয়ােডিন কঠিন পদার্থ ; ব্রোমিন তরল পদার্থ, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ইত্যাদি গ্যাসীয় পদার্থ। |
| (ii) ধাতুগুলির নিজস্ব দ্যুতি আছে এবং এরা আলােক প্রতিফলিত করতে পারে। | (ii) অধাতুর এইরূপ কোনাে দ্যুতি থাকে না, এরা আলােক প্রতিফলিত করতে পারে না।আয়ােডিন, গ্রাফাইট অধাতু হলেও এরা উজ্জ্বল। |
| (iii) ধাতুগুলি সাধারণত খুব ভারী হয়। কিন্তু সােডিয়াম, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম,এলুমিনিয়াম ধাতুগুলি অপেক্ষাকৃত হালকা। | (iii) অধাতুগুলি সাধারণত হালকা। |
| (iv) ধাতুগুলি প্রসারণশীল এবং নমনীয়। | (iv) অধাতুর প্রসারণতা বা নমনীয়তা নাই।এরা ভঙ্গুর। |
| (v) ধাতুগুলি তাপ এবং বিদ্যুতের উত্তম পরিবাহী। | (v) অধাতুগুলি সাধারণত তাপ এবং বিদ্যুতের অপরিবাহী তবে গ্রাফাইট তাপ এবং বিদ্যুতের উত্তম পরিবাহী। |
২। ধাতুকল্প কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ যে সকল ধর্মের পার্থক্য অনুসারে মৌলিক পদার্থগুলিকে ধাতু এবং অধাতু এই দুইটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে তা সর্বদা খুব সুস্পষ্ট নয়। কতগুলি মৌলিক পদার্থের মধ্যে ধাতু এবং অধাতুর উভয়েরই কতকগুলি ধর্ম দেখা যায়। এদের ধাতুকল্প বলে। যেমন- আর্সেনিক, এন্টিমনি।
৩। গ্রাফাইটের ধাতুর মতাে কতকগুলি বৈশিষ্ট্য থাকা সত্ত্বেও ইহা অধাতু কেন?
উত্তরঃ গ্রাফাইট (বা কার্বন) দুইটি অক্সাইড উৎপন্ন করে। CO এবং CO₂। CO নিরপেক্ষ অক্সাইড কিন্তু CO₂ এসিডধর্মী অক্সাইড। কার্বনের কোনাে ক্ষারকীয় অক্সাইড নাই। অধাতুর কোনাে ক্ষারকীয় অক্সাইড থাকে না, সেইজন্য গ্রাফাইট একটি অধাতু।
৪। কয়েকটি ধাতু-সংকরের সংযুতি ও ব্যবহার লিখ।
উত্তরঃ (i) পিতল (brass)- Cu (60-80) ; Zn (40-20)
পাত, নল, টোটার গােড়া, বাসন ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহার হয়।
(ii) ব্রোঞ্জ – Cu (75-90) ; Sn (25-10)
মুদ্রা, যন্ত্রপাতি ও মুর্তি নির্মাণে ব্যবহৃত হয়।
(iii) জার্মান সিলভার – Cu (25-50) ; Zn (35-25); Ni (35-10) ; পাত, ফুলদানী, ছাইদান, প্লেট ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
(iv) ডুরালুমিন (duralumin)- Al = 95 ; Cu = 4; Mg = 0.5; Mn = 0-5
এরােপ্লেনের বিভিন্ন অংশ, ভারী মােটরগাড়ী, রেলগাড়ীর অংশাদির প্রস্তুতের জন্য।
(v) রাং ঝাল – Pb = 50, Sn = 50
বাসনপত্র ঝালাই করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
(vi) টাইপ-মেটাল (type metal)- Pb =80 ; Sb = 15 ; Sn = 5.
মুদ্রান্ত্রে ব্যবহৃত অক্ষর তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
(vii) সংকর ইস্পাত- সাধারণ ইস্পাতের সঙ্গে সামান্য পরিমাণ সিলিকন, নিকেল, ক্রোমিয়াম, ভ্যানাডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, টাংস্টেন প্রভৃতি পৃথকভাবে মিশিয়ে বিভিন্ন ধর্ম বিশিষ্ট ইস্পাত প্রস্তুত করা হয়। এদেরকে সংকর ইস্পাত বলে। অস্ত্রোপচারের ছুরি, কাঁচি, কাটা, বাসনপত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
৫। আকরিকের গাঢ়ীকরণ বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ আকরিকের সঙ্গে মিশ্রিত বিজাতীয় পদার্থগুলি অপসারিত করে আকরিকের অনুপাত বৃদ্ধি করার প্রণালীকে আকরিকের গাঢ়ীকরণ বলা হয়। ইহা বিভিন্ন উপায়ে করা হয়। যেমন-
(i) চূর্ণ আকরিকের উপর দিয়ে জলস্রোত প্রবাহিত করলে হালকা বিজাতীয় পদার্থগুলি জলের সঙ্গে ভেসে যায় এবং এইরূপে অপসারিত হয়।
(ii) কোন কোন ক্ষেত্রে শক্তিশালী চুম্বকের সাহায্যে আকরিক হতে চৌম্বক অপদ্রব্যগুলি পৃথক করা হয়। টিনের আকরিক টিনষ্টোন হতে উলফ্রামাইট এইভাবে পৃথক করা হয়।
(iii) তৈল ভাসন পদ্ধতির সাহায্যে সাধারণত সালফাইড আকরিকগুলি, যথা- কপার পাইরাইটিস, গেলেনা, জিংক ব্লেণ্ড এই পদ্ধতিতে গাঢ় করা হয়।
৬। ভস্মীকরণ বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ কোনাে কোনাে আকরিককে উহার গলনাংকের নিম্ন তাপমাত্রায় বায়ুতে উত্তপ্ত করলে জলীয় বাষ্প, CO₂ অর্সেনিয়াস অক্সাইড ইত্যাদি উদ্বায়ী পদার্থ নির্গত হয়। একে ভস্মীকরণ বলে। এর ফলে আকরিক ফঁপা ও সছিদ্র হয়। হিমাটাইটকে (Fe₂O₃) এই জন্য ভস্মীভূত করা হয়। কার্বোনেট আকরিক যথা, ম্যাগনেসাইট (MgCO₃) ও ক্যালামাইন (ZnCO₃)-কে এই পদ্ধতি দ্বারা অক্সাইডে পরিণত করা হয়।
MgCO₃ – MgO + CO₂
ZnCO₃ – ZnO + CO₂
৭। তাপজারণ কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনাে কোনাে আকরিককে গলনাংক তাপমাত্রার নীচে পর্যাপ্ত পরিমাণ বায়ুর সংস্পর্শে উত্তপ্ত করে জারিত করা হয়। একে তাপজারণ বলে। সালফাইড আকরিক যথা- জিংক ব্লেন্ড ও গেলেনাকে তাপজারণ দ্বারা ধাতুর অক্সাইডে পরিণত করা হয়।
2ZnS + 3O₂ – 2ZnO + 2SO₂
PbS + 3O₂ – 2PbO + 2SO₂
তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে অনেক সময় ধাতব সালফেট উৎপন্ন করা হয়।
ZnS + ZO₂ – ZnSO₄
৮। প্যারিস প্লাষ্টার-এর ধর্ম ও ব্যবহার লিখ?
উত্তরঃ ধর্ম – প্যারিস-প্লাষ্টার সাদা পাউডার। জলের সঙ্গে ইহা জমাট বেঁধে খুব শক্ত হয়ে যায়। জল পেয়ে জিপসামে পরিণত হওয়ার জন্য এইরূপ হয়।
2Ca SO₄, HO₂ + 3H₂O – 2 (CaSO₄, 2 H₂O)
ব্যবহার – উঁচ প্রস্তুতে, ঢালাই-এর কাজে, মূর্তি প্রস্তুতিতে, ভাঙ্গা হাড় ব্যান্ডেজ করতে ইহা ব্যবহৃত হয়।
১০। অশুদ্ধ কপারে অশুদ্ধি হিসাবে থাকা চারটি ধাতুর নাম লিখ। এই প্রকার অশুদ্ধ কপার কিভাবে শশাধিত করা হয়?
উত্তরঃ অশুদ্ধ কপারে অশুদ্ধি হিসাবে থাকা চারটি ধাতু হচ্ছে সিলভার, গােল্ড, নিকেল, জিংক ইত্যাদি।
অশুদ্ধ কপার বিদ্যুৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি দ্বারা শােধন করা হয়।একটি বিদ্যুৎ কোষে কপার সালফেটের দ্রব বিদ্যুৎ বিশ্লেষ্য হিসাবে নেওয়া হয়। অশুদ্ধ কপারের পাত এনােড় হিসাবে এবং বিশুদ্ধ কপারের পাত কেথােড হিসাবে ব্যবহার করে। বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিত করা হয় ফলে দ্রবে থাকা কিউপ্রিক আয়ন কেথােডে ইলেকট্রন গ্রহণ করে ধাতব কপার হিসাবে অবক্ষেপিত হয়।
১১। খনিজ মল কাকে বলে? খনিজ মল কিভাবে দূর করা যায়? উদাহরণসহ লিখ।
উত্তরঃ ধাতুর আকরিকে থাকা নানা প্রকার অশুদ্ধিগুলােকে খনিজ মল বলে। আকরিকে থাকা খনিজ মল দূর করার জন্য ব্যবহৃত পদার্থকে বিগালক বলে। উত্তপ্ত অবস্থায় বিগালক খনিজ মলের সাথে বিক্রিয়া করে গলিত দ্রব্য উৎপন্ন করে যাকে ধাতুমল বলে। ধাতুমলের গলনাংক সাধারণত কম ফলে ধাতুর সঙ্গে মিশ্রণ প্রস্তুত করে না। ধাতুটি বিগলিত অবস্থায় থাকলে ধাতুমল বিগলিত ধাতুর উপর ভেসে থাকে যা ধাতুটিকে বায়ুর দ্বারা জারিত হওয়া থেকে রক্ষা করে।
3Cao + P₂O₅ → Ca₂ (PO₄)₂
খনিজ মল বিগলিত ধাতুমল।
১২। প্রকৃতিতে সােনা কেন মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
উত্তরঃ সক্রিয়তা শ্রেণিতে সােনার স্থান একেবারে নীচের দিকে ফলে এটি সহজে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না। তাই প্রকৃতিতে সােনা মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
১৩। ধাতুমল কাকে বলে?
উত্তরঃ খনিজ মল এবং বিগালকের বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন হওয়া পদার্থকে ধাতুমল বলে।
১৪। নিষ্কলংক ইস্পাতের সংযুতি কি ? এই ইস্পাতের দুটি ব্যবহার উল্লেখ কর।
উত্তরঃ নিষ্কলংক ইস্পাতের সংযুতি নিম্নরূপ-
Fe→70%, Cr→19%, Ni→9%, 1% Cu, 0.8% Mn এবং 0.2%C
ব্যবহার- (i) বাসন কোষণ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
(ii) শল্য চিকিৎসার সরঞ্জাম প্রস্তুত করতে ব্যবহৃত হয়।
১৫। ধাতুর সােধন কি কি প্রকারে হয়ে থাকে?
উত্তরঃ ধাতুর শােধন সাধারণত পাতন এবং বৈদ্যুতিক পরিশােধনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
১৬। শুদ্ধ উত্তর বের করাে।
১। এলকালি ধাতুগুলি ধাতবীয় গুণ লিথিয়াম থেকে ফ্রেন্সিয়াম পর্যন্ত ক্রমান্বয়ে বেড়ে যায়।
উত্তরঃ শুদ্ধ।
২। সালফাইড আকরিক ভেনাভাসান পদ্ধতিতে গাঢ় করা হয়।
উত্তরঃ শুদ্ধ।
৩। কার্বন বিজারণ পদ্ধতিতে সােডিয়াম নিষ্কাশন করা হয়।
উত্তরঃ ভুল। বিদ্যুৎ বিশ্লেষণ সাহায্যে সােডিয়াম নিষ্কাষণ করা হয়।
১৭। ধশূন্যস্থান পূরণ করাে।
১। জিংকের প্রধান আকরিকের নাম _________।
উত্তরঃ জিংক ব্লেণ্ড।
২। আকরিককে বায়ুহীন বা কম বায়ুর পরিবেশে উত্তপ্ত করাকে _________ বলা হয়।
উত্তরঃ দগ্ধীকরণ।
৩। মেগনেলিয়াম _________ এবং _________ এর সংকর ধাতু।
উত্তরঃ এলুমিনিয়াম, মেগনেসিয়াম।
৪। 14 নং বর্গে থাকা ধাতু দুটি হচ্ছে __________ এবং_________ ।
উত্তরঃ টিন, লেড।
৫। সপ্তম পর্যায়ে থাকা সংক্রমণশীল ধাতুর সংখ্যা __________।
উত্তরঃ 9
৬। সক্রিয়তা শ্রেণিতে নীচে থাকা ধাতুগুলি মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
উত্তরঃ হাইড্রোজেনের।
৭। খনিজ মল এবং বিগালকের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন পদার্থকে __________ বলে।
উত্তরঃ ধাতুমল।
৮। বিদ্যুৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে সােডিয়াম নিষ্কাশন করার পদ্ধতিকে_________ পদ্ধতি বলে।
উত্তরঃ ডাউন।

