Class 10 Science Important Chapter 2 এসিড, ক্ষার ও লবণ

Class 10 Science Important Chapter 2 এসিড, ক্ষার ও লবণ Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 10 Science Important Chapter 2 এসিড, ক্ষার ও লবণ Solutions and select need one. SEBA Class 10 General Science Additional Notes Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 10 Science Important Question Answer.

Class 10 Science Important Chapter 2 এসিড, ক্ষার ও লবণ

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Science Additional Niotes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 2

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। তাপ বিয়ােজন কাকে বলে?

উত্তরঃ তাপ প্রয়ােগের ফলে কতগুলি পদার্থ ভেঙ্গে একাধিক সরলর পদার্থে পরিণত হয় এবং উৎপন্ন সরলতর পদার্থগুলি মূল পদার্থের সঙ্গে সাম্যাবস্থায় থাকে। শীতল করলে উৎপন্ন সরল পদার্থগুলি মিলিত হয়ে পূর্বের মূল পদার্থে পরিণত হয়।

উৎপন্ন পদার্থগুলি তড়িৎ উদাসীন এবং উহাদিগকে সহজ উপায়ে পৃথক করা যায়।

যেমন – NH₄Cl = NH₃ + HCl

           CaCO₃ = CaO + CO₂

২। তাপ বিয়ােজন এবং তড়িৎ বিয়ােজনের পার্থক্য কি?

উত্তরঃ তাপ বিয়ােজন এবং তড়িৎ বিয়ােজনের পার্থক্য:

              তাপ বিয়ােজন                        তড়িৎ বিয়ােজন
(i) তাপ বিয়ােজনে উৎপন্ন পদার্থগুলি তড়িৎ উদাসী অণু কিংবা পরমাণু।NH₄Cl = NH₃ + HCl(i) তড়িৎ বিয়ােজনে উৎপন্ন পদার্থগুলি তড়িৎযুক্ত পরমাণু বা মূলক। এদের আয়ন বলে।NaCl Na⁺ + Cl⁻
(ii) উৎপন্ন পদার্থগুলি সহজ যান্ত্রিক উপায়ে পৃথক করা যায়।(ii) উৎপন্ন পদার্থগুলি সহজ যান্ত্রিক উপায়ে পৃথক করা যায় না।
(iii) এতে কোনাে মাধ্যমের প্রয়ােজনীয়তা নাই।(iii) এতে পদার্থকে গলিত অথবা কোনাে আয়নীকরণ দ্রাবকে দ্রবীভূত অবস্থায় রাখতেহয়।
(iv) প্রক্রিয়া উভমুখী।(iv) প্রক্রিয়া উভমুখী।

৩। সংজ্ঞা লিখ – 

(a) এসিড। 

(b) ক্ষারক।

(c) ক্ষার।

উত্তরঃ (a) এসিড – যে সকল হাইড্রোজেন যুক্ত যৌগ জলীয় দ্রবণে আয়নিত হয়ে হাইড্রোজেন আয়ন H⁺ উৎপন্ন করে এবং H⁺ ব্যতীত অন্য কোনাে পরা-তড়িযুক্ত আয়ন উৎপন্ন করে না এদের এসিড বলে।

যেমন- H₂SO₄, HCl ইত্যাদি। এরা নীল লিটমাস লাল করে।

(b) ক্ষারক – যে সকল পদার্থ (সাধারণত ধাতব অক্সাইড বা হাইড্রক্সাইড) এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে কেবল লবণ ও জল উৎপন্ন করে তাদের ক্ষারক বলে।

যেমন- NaOH, Ca(OH)₂, CuO ইত্যাদি। এদের জলীয় দ্রবণ লাল লিটমাসকে নীল করে।

(c) ক্ষার – যে সকল পদার্থ জলীয় দ্রবণে আয়নিত হয়ে হাইড্রসিল আয়ন OH⁻ উৎপন্ন করে এবং OH⁻ আয়ন ব্যতীত অপর কোনাে অপরা-তড়িযুক্ত আয়ন উৎপন্ন করে না, তাদেরকে ক্ষার বলে। ক্ষারের জলীয় দ্রবণ লাল লিটমাস নীল করে। এসিডের সাথে বিক্রিয়ায় লবণ ও জল উৎপন্ন করে।

NaOH = Na⁺ + OH⁻

Ca(OH₂) = Ca⁺⁺ + 2OH⁻

NaOH + HCL = NaCl (লবণ) +H₂O (জল)।

৪। উদাহরণসহ সংজ্ঞা লিখ-

(a) লবণ। 

(b) এসিড লবণ। 

(c) ক্ষারকীয় লবণ। 

(d) শমিত লবণ।

উত্তরঃ (a) লবণ – দ্রবণে এসিডের যে হাইড্রোজেন আয়নিত হয় সেই হাইড্রোজেন ধাতু বা পরা-তড়িৎযুক্ত মূলক, দ্বারা আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে প্রতিস্থাপিত হয়ে যে যৌগ উৎপন্ন হয় তাকে লবণ বলে।

যেমন- NaCl, NH₄Cl

(b) এসিড লবণ – এসিডের প্রতিস্থাপনীয় হাইড্রোজেন পরমাণু ধাতু দ্বারা বা কোনাে পরা-তড়িৎযুক্ত মূলক দ্বারা আংশিকরূপে প্রতিস্থাপিত হয়ে যে লবণ উৎপন্ন হয় তাকে এসিড লবণ বলে। এসিড লবণের লঘু জলীয় দ্রবণে পরা- তড়িযুক্ত অপর আয়নের সাথে H” আয়নও থাকে।

যেমন- NaHSO₄

(c) ক্ষারকীয় লবণ – কোনাে বহু আম্লিক ক্ষার বা ক্ষারকের সমস্ত হাইড্রক্সিল মূলক এসিড দ্বারা সম্পূর্ণ প্রশমিত না হয়ে আংশিক প্রশমিত হওয়ার ফলে যে লবণের উৎপত্তি হয় তাকে ক্ষারকীয় লবণ বলে।

Pb(OH)₂ – Pb (OH) (NO₃)

                            (ক্ষারক)                (ক্ষারকীয় লবণ)

(d) শমিত লবণ – কোনাে এসিডের অণুতে প্রতিস্থাপনযােগ্য সমস্ত হাইড্রোজেন পরমাণু ধাতু বা পরা-তড়িৎযুক্ত মূলক দ্বারা প্রতিস্থাপিত হলে যে লবণ উৎপন্ন হয় তাকে শমিত লবণ বলে।

HCI হতে উৎপন্ন NaCl এবং H₂SO₄ হতে উৎপন্ন Na₂SO₄ শমিত লবণের উদাহরণ।

NaCl = Na⁺ + Cl⁻; Na₂SO₄ – 2 Na⁺ + SO⁻

৫। (a) প্রশমন এবং (b) আ বিশ্লেষণ-এর ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ (a) প্রশমন – এসিড ও ক্ষারের লবণ তুল্যাংকের অনুপাতে মিশ্রিত করলে লবণ ও জল উৎপন্ন হয় এবং এই উৎপন্ন দ্রবণের আম্লিক বা ক্ষারীয় ধর্ম থাকে না। এই শ্রেণির বিক্রিয়াকে প্রশমন বলে।

HCl + NaOH – NaCl + H₂O

(b) আর্দ্র বিশ্লেষণ – লঘু এসিড বা লঘু ক্ষারক বা উভয় হতে উৎপন্ন লবণ/জলের সাথে বিক্রিয়া করে মুক্ত এসিড ও মুক্ত ক্ষারক উৎপাদন করে এবং উৎপন্ন এসিড বা ক্ষারকের তীব্রতার তারতম্য অনুসারে লবণের জলীয় দ্রবণ এসিডধর্মী বা ক্ষারধর্মী হয়। এই ধরনের বিক্রিয়াকে আদ্র বিশ্লেষণ বলে।

NaCH + HOH = NaOH + HCN

                          (তীব্র ক্ষার) (লঘু এসিড)

Na₂CO₃ + 2HOH = 2NaOH + H₂CO₃

                          (তীব্র ক্ষার) (লঘু এসিড)

FeCl₃ + 3HOH = Fe(OH)₃ + 3HCI

                           (লঘু ক্ষারক) (তীব্র এসিড)

CuSO₄ + 2HOH = Cu(OH)₂ + H₂SO₄

                            (লঘু ক্ষারক) (তীব্র এসিড)

সেইজন্য NaCN, Na₂CO₃ লবণের জলীয় দ্রবণ ক্ষারধর্মী এবং FeCl₃, CuSO₄ ইত্যাদি লবণের জলীয় দ্রবণ এসিডধর্মী হয়।

৬। সংক্ষেপে উত্তর দাও-

১। ক্ষারক নয় এমন একটি ধাতব অক্সাইডের নাম ও সংকেত লেখাে।

উত্তরঃ ম্যাঙ্গানিজ হেপ্টাক্সাইড (Mn₂O₇) ক্ষারক নয়।

২। একটি উভধর্মী অক্সাইডের নাম লেখাে।

উত্তরঃ উভধর্মী অক্সাইড – জিংক অক্সাইড (ZnO)।

৩। ZnO ক্ষার, না ক্ষারক?

উত্তরঃ ZnO হল ক্ষারক।

৪। অ্যাসিড সম্পর্কিত আরহেনিয়াসের তত্ত্বটি কী?

উত্তরঃ আরহেনিয়াসের তত্ত্বানুসারে যে সমস্ত যৌগ জলীয় দ্রবণে বিয়ােজিত হয়ে ক্যাটায়নরূপে কেবলমাত্র H⁺ আয়ন উৎপন্ন করে তাদের অ্যাসিড বলে।

৫। প্রতিটি অ্যাসিডের অণুতে কোন মৌল থাকবেই?

উত্তরঃ প্রতিটি অ্যাসিডের অণুতে হাইড্রোজেন থাকবেই।

৬। সালফিউরিক অ্যাসিডে কয়টি প্রতিস্থাপনযােগ্য হাইড্রোজেন আছে?

উত্তরঃ সালফিউরিক অ্যাসিডে (H₂SO₄) প্রতিস্থাপনীয় হাইড্রোজেন পরমাণুর সংখ্যা 2টি।

৭। একটি করে একক্ষারীয়, দ্বিক্ষারীয় এবং ত্ৰিক্ষারীয় অ্যাসিডের নাম ও সংকেত লেখাে।

উত্তরঃ

একক্ষারীয় অ্যাসিডদ্বিক্ষারীয় অ্যাসিডত্ৰিক্ষারীয় অ্যাসিড
হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডসংকেত-HCIসালফিউরিক অ্যাসিড;
সংকেত-H₂SO₄ফসফরিক অ্যাসিড সংকেত- H₃PO₄

৮। কোন্ আয়নের উপস্থিতিতে HCI -এর জলীয় দ্রবণে অম্লধর্ম প্রকাশ পায়?

উত্তরঃ H⁺ (বা H₃O⁺) আয়নের উপস্থিতিতে HCl -এর জলীয় দ্রবণে অম্লধর্ম প্রকাশ পায়।

৯। দুটি জৈব অ্যাসিডের নাম সংকেতসহ লেখাে।

উত্তরঃ দুটি জৈব অ্যাসিড হল-

(a) অ্যাসেটিক অ্যাসিড (CH₃COOH)

(b) ফর্মিক অ্যাসিড (HCOOH)

১০। মানুষের পাকস্থলীতে কোন্ অ্যাসিড উৎপন্ন হয়?

উত্তরঃ মানুষের পাকস্থলীতে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড উৎপন্ন হয়।

১১। তেঁতুল, আপেল ও দই-এর মধ্যে কী অ্যাসিড থাকে?

উত্তরঃ তেঁতুলে টারটারিক অ্যাসিড, আপেলে ম্যালিক অ্যাসিড এবং দই-এই ল্যাকটিক অ্যাসিড থাকে।

১২। ফর্মিক অ্যাসিড এবং অ্যাসেটিক অ্যাসিডের ক্ষারগ্রাহিতা কত?

উত্তরঃ ফর্মিক অ্যাসিডের ক্ষারগ্রাহিতা =1

অ্যাসিটিক অ্যাসিডের ক্ষারগ্রাহিতা =1

১৩। H₂SO₄, HNO₃, CH₃COOH- তিনটির মধ্যে সবচেয়ে মৃদু অ্যাসিড কোটি?

উত্তরঃ সবচেয়ে মৃদু অ্যাসিড CH₃COOH

১৪। একটি পাত্রে বর্ণহীন অ্যাসিড আছে এবং অপর পাত্রে জল আছে। কোন্ পাত্রে কী আছে তা সহজে বুঝবে কীভাবে?

উত্তরঃ প্রত্যেক পাত্রে পৃথকভাবে নীল লিটমাস পেপার ডােবালে যে পাত্রে লিটমাসের বর্ণ লাল হয়ে যায়, সেটিতে অ্যাসিড আছে। অন্যদিকে, যে পাত্রে লিটমাসের বর্ণের কোনাে পরিবর্তন হয় না সে পাত্রে জল আছে।

১৫। আরহেনিয়াসের তত্ত্ব অনুসারে ক্ষারের সংজ্ঞা দাও।

উত্তরঃ আরহেনিয়াসের তত্ত্বানুসারে- যে সমস্ত যৌগ জলীয় দ্রবণে বিয়ােজিত হয়ে অ্যানায়নরূপে কেবলমাত্র OH⁻ আয়ন উৎপন্ন করে, তাদের ক্ষার বলে।

১৬। ক্ষারের জলীয় দ্রবণে উৎপন্ন অনায়নের নাম ও সংকেত লেখাে।

উত্তরঃ ক্ষারের জলীয় দ্রবণে উৎপন্ন অ্যানায়নের নাম হাইড্রক্সিল আয়ন। এর সংকেত হল OH⁻।

১৭। NaOH এবং CaO -এর অগ্রাহিতা কত?

উত্তরঃ NaOH -এর অগ্রাহিতা = 1

CaO -এর অম্লগ্রাহিতা =2

১৮। ক্ষারক ধর্ম আছে এরূপ একটি অজৈব গ্যাসীয় যৌগের নাম লেখাে।

উত্তরঃ ক্ষারক ধর্ম আছে এরূপ একটি অজৈব গ্যাসীয় যৌগ হল অ্যামােনিয়া (NH₃)

১৯। ক্ষারক ধর্ম আছে এরূপ একটি জৈব যৌগের নাম লেখাে।

উত্তরঃ ক্ষারক ধর্ম আছে এরূপ একটি জৈব যৌগ হল মিথাইল-অ্যামিন (CH₃NH₂)।

২০। CaSO₄ এবং CaHSO₄ -এর মধ্যে কোন্‌টি আম্লিক লবণ?

উত্তরঃ CaSO₄ এবং CaHSO₄ -এর মধ্যে CaHSO₄ আম্লিক লবণ।

২১। NaHSO₄ -এর পূর্ণ নাম কী? এটি কী জাতীয় লবণ?

উত্তরঃ NaHSO₄ -এর পূর্ণ নাম সােডিয়াম বাইসালফেট। এটি আত্নিক লবণ।

২২। সংকেতসহ একটি দ্বিলবণের নাম লেখাে।

উত্তরঃ একটি দ্বি-লবণ হল- ফটকিরি [K₂SO₄Al₂ (SO₄)₃ 24H₂O]।

২৩। সােডিয়াম কার্বনেট এবং সােডিয়াম বাইকার্বনেট লবণ দুটির মধ্যে কী পার্থক্য?

উত্তরঃ সােডিয়াম কার্বনেট হল নর্মাল লবণ কিন্তু সােডিয়াম বাইকার্বনেট হল অ্যাসিড লবণ।

২৪। একটি ক্ষারকীয় এবং একটি অ্যাসিড লবণের নাম ও সংকেত লেখাে।

উত্তরঃ ক্ষারকীয় লবণ- ক্ষারকীয় লেড নাইট্রেট [Pb (OH) NO₃] এবং অ্যাসিড লবণ- সােডিয়াম বাইসালফেট [NaHSO₄]।

২৫। তুল্যাঙ্ক পরিমাণ অ্যাসিডের সঙ্গে তুল্যাঙ্ক পরিমাণ ক্ষারের বিক্রিয়াকে কী বলে?

উত্তরঃ তুল্যাঙ্ক পরিমাণ অ্যাসিডের সঙ্গে তুল্যাঙ্ক পরিমাণ ক্ষারের বিক্রিয়াকে প্রশমন ক্রিয়া বলে।

২৬। তীব্র অ্যাসিড এবং মৃদু ক্ষারের প্রশমন ক্রিয়ায় কোন্ নির্দেশক ব্যবহার করা হয়?

উত্তরঃ তীব্র অ্যাসিড এবং মৃদু ক্ষারের প্রশমন ক্রিয়ায় মিথাইল অরেঞ্জ নির্দেশক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

২৭। মৃদু অ্যাসিড এবং তীব্র ক্ষারের প্রশমন ক্রিয়ায় কোন নির্দেশক ব্যবহার করা হয়?

উত্তরঃ মৃদু অ্যাসিড এবং তীব্র ক্ষারের প্রশমন ক্রিয়ায় ফেনলথ্যালিন নির্দেশক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

২৮। সােডিয়াম কার্বনেট দ্রবণে একফোটা ফেনলথ্যালিন দিলে কী রং হবে?

উত্তরঃ সােডিয়াম কার্বনেটের জলীয় দ্রবণে একফোটা ফেনলথ্যালিন দিলে দ্রবণের রং গােলাপি হয়।

২৯। সােডিয়াম হাইড্রক্সাইড দ্রবণে একফোঁটা ফেনলপথ্যালিন দিলে কীরূপ রং হয়?

উত্তরঃ সােডিয়াম হাইড্রক্সাইড দ্রবণে একফোটা ফেনলপথ্যালিন দিলে দ্রবণের রং গােলাপি হয়।

৩০। সসাডিয়াম কার্বনেট লবণের জলীয় দ্রবণে একফোঁটা মিথাইল অরেঞ্জ ফেললে দ্রবণের বর্ণের কী পরিবর্তন দেখা যাবে?

উত্তরঃ সােডিয়াম কার্বনেট লবণের জলীয় দ্রবণে একফেঁটা মিথাইল অরেঞ্জ ফেললে দ্রবণের বর্ণ হলুদ হয়।

৩১। সসাডিয়াম কার্বনেট দ্রবণ ও লঘু সালফিউরিক অ্যাসিডের প্রশমন ক্রিয়ায় কোন নির্দেশক ব্যবহৃত হয়?

উত্তরঃ সােডিয়াম কার্বনেট দ্রবণ ও লঘু সালফিউরিক অ্যাসিডের প্রশমন ক্রিয়ায় মিথাইল অরেঞ্জ নিদের্শক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

৩২। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলিতে কী ঘটবে?

(i) লঘু H₂SO₄ দ্রবণে একফোটা মিথাইল অরেঞ্জ এবং ফেনলথ্যালিন যােগ করা হয়।

(ii) NaOH -এর জলীয় দ্রবণে ফেনলথ্যালিন এবং মিথাইল অরেঞ্জ যােগ করা হল।

উত্তরঃ (i) লঘু H₂SO₄ দ্রবণে একফোটা মিথাইল অরেঞ্জ দিলে দ্রবণের রং লাল হবে এবং ফেনলথ্যালিন দিলে দ্রবণের বর্ণের কোনাে পরিবর্তন হবে না।

(ii) NaOH -এর জলীয় দ্রবণে ফেনলথ্যালিন দিলে দ্রবণের রং গােলাপি হবে এবং মিথাইল অরেঞ্জ দিলে দ্রবণের রং হলুদ হবে।

৩৩। অ্যামােনিয়ার জলীয় দ্রবণে একফোটা ফেনলপথ্যালিন দিলে কী বর্ণ দেখা যাবে?

উত্তরঃ অ্যামােনিয়ার জলীয় দ্রবণে একফোটা ফেনলথ্যালিন দিলে দ্রবণটির বর্ণ গােলাপি হয়ে যায়।

৩৪। একটি নির্দেশকের নাম লেখাে যা বর্ণহীন।

উত্তরঃ ফেনলথ্যালিন নির্দেশক বর্ণহীন।

৩৫। একটি প্রশম লবণ এবং একটি নির্দেশকের নাম লেখাে।

উত্তরঃ একটি প্রশম লবণের নাম সােডিয়াম ক্লোরাইড এবং একটি নির্দেশকের নাম মিথাইল অরেঞ্জ।

৩৬। বিলীয়মান রং কী? এটিকে এমন নাম দেওয়ার কারণ কী?

উত্তরঃ ফেনলপৃথ্যালিন-মিশ্রিত অ্যামােনিয়াম হাইড্রক্সাইডের গােলাপি বর্ণের জলীয় দ্রবণকে বিলীয়মান রং বলে।

সাদা কাপড়ে এই রং ছিটিয়ে দিলে তৎক্ষণাৎ কাপড় গােলাপি হয়ে যায়। কিন্তু কিছুক্ষণ কাপড় বাতাসে থাকলে ওই গােলাপি রং অদৃশ্য হয়ে যায়। এইভাবে বিলীন হয় বলেই একে বিলীয়মান রং বলে।

৩৭। বিলীয়মান রং তৈরিতে NH₄OH অথবা NaOH -কোটি ব্যবহার করবে?

উত্তরঃ বিলীয়মান রং তৈরিতে NH₄OH ব্যবহার করা হয়।

৩৮। একটি অ্যাসিডের উদাহরণ দাও যা দুপ্রকারের লবণ তৈরি করতে পারে।

উত্তরঃ সালফিউরিক অ্যাসিড (H₂SO₄) এরূপ একটি অ্যাসিডের উদাহরণ।

৩৯। একখণ্ড নীল লিটমাস কাগজের সাহায্যে অ্যামােনিয়ার জলীয় দ্রবণ ও হাইড্রোজেন সালফাইডের জলীয় দ্রবণের মধ্যে পার্থক্য করবে কীভাবে?

উত্তরঃ অ্যামােনিয়ার জলীয় দ্রবণে নীল লিটমাস কাগজের বর্ণ অপরিবর্তিত থাকে কিন্তু হাইড্রোজেন সালফাইডের জলীয় দ্রবণে নীল লিটমাস কাগজের বর্ণ লাল হয়।

৪০। সূচক কাকে বলে? চারটি অম্ল ক্ষারক সূচকের নাম উল্লেখ করে তাদের বর্ণের পরিবর্তন কেমন হয় লিখ।

উত্তরঃ সূচক ও যে সব রঞ্জক পদার্থ আম্লিক, ক্ষারকীয় এবং প্রশম মাধ্যমে আলাদা রং ধারণ করে সেই পদার্থগুলিকে সূচক বলে। 

চারটি অল্পক্ষারক সূচক হল-

(i) মিথাইল অরেঞ্জ- প্রশম মাধ্যমে কমলা, আল্লিক মাধ্যমে লাল এবং ক্ষারকীয় মাধ্যমে এটির রং হলুদ।

(ii) ফেনলথেলিন- ও আম্লিক মাধ্যমে এটি বর্ণহীন কিন্তু ক্ষারকীয় মাধ্যমে এটির রং গােলাপী।

(iii) লিটমাস- আম্লিক মাধ্যমে লাল এবং ক্ষারকীয় মাধ্যমে নীল রং হয়।

(iv) ব্রোমােথাইমল- ক্ষারকীয় মাধ্যমে নীল এবং আম্লিক মাধ্যমে হলুদ বর্ণ হয়।

৪১। অম্লনাশক কি?

উত্তরঃ অম্লনাশক হল অতিরিক্ত অম্লকে নষ্ট করা। যেমন—ম্যাগনেসিয়া দুগ্ধ একটি অম্লনাশক।

৪২। নিম্নে কিছু দ্রব্য দেওয়া আছে।

হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl), সালফিউরিক অ্যাসিড (H₂SO₄), নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO₃), অ্যাসিটিক অ্যাসিড (CH₃COOH), সােডিয়াম হাইড্রক্সাইড (NaOH), ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড [Ca(OH₂)], পটাশিয়াম হাইড্রক্সাইড (KOH), ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রক্সাইড [Mg(OH₂), এবং অ্যামােনিয়াম হাইড্রক্সাইড (NH₄OH)। প্রদত্ত দ্রব্যগুলির মাধ্যমে লাল লিটমাস, নীল লিটমাস, ফেনলথেলিন এবং মিথাইল অরেঞ্জের রং কি রকম হবে?

উত্তরঃ 

৪৩। যেকোনাে বস্তুতে অম্লের উপস্থিতি কি রূপে পরীক্ষা করবে?

উত্তরঃ (i) লিটমাস কাগজের দ্বারা – প্রথমত, বস্তুর জলীয় দ্রব লিটমাস কাগজের উপরে কয়েক ফোঁটা ফেলে দেওয়া হল। যদি লিটমাস কাগজের রং লাল হয় তা হলে বস্তুটি হবে আম্লিক।

(ii) ধাতুর দ্বারা – ধাতুর সাথে অ্যাসিডের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে লবণ এবং হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়। সুতরাং যদি প্রদত্ত বস্তু গ্যাস উৎপন্ন করে এবং বিস্ফোরণ সহকারে জ্বলতে থাকে তা হলে বস্তুটি অ্যাসিড হবে।

৪৪। আম্লিক দ্রব বিদ্যুৎ প্রবাহিত করতে পারে কি?

উত্তরঃ হ্যা। সকল প্রকার অ্যাসিড বিদ্যুৎ প্রবাহিত করতে পারে।

৪৫। কলের জল এবং বিশুদ্ধ জলের মধ্যে কোন জল বিদ্যুৎ চলাচলের জন্য বেশি ভালাে?

উত্তরঃ কলের জল বিদ্যুৎ চলাচলের জন্য বেশি ভাল।

৪৬। জানালা পরিষ্কারক বহু ঘরােয়া বস্তুতে অ্যামােনিয়া থাকে, এটি লাল লিটমাসকে নীল করে।এটা কি প্রকৃতির?

উত্তরঃ ক্ষারক লাল লিটমাসকে নীল করে। অতএব এটি ক্ষারকীয়।

৪৭। কারণ ব্যাখ্যা কর।

(ক) অ্যাসিডিটিতে ভুগলে তুমি অম্লনাশক ট্যাবলেট নাও।

(খ) পিপীলিকা দংশন করলে গাত্রে ক্যালামাইন দ্রব্য ঘষা হয়।

(গ) কারখানার আবর্জনা জলাশয়ে নিক্ষেপ করার পূর্বে প্রশমিত করা হয়।

উত্তরঃ (ক) আমাদের পাকস্থলীতে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড থাকে। পাকস্থলীতে অম্লের পরিমাণ বেশি হলে অ্যাসিডিটি হয়। এই অ্যাসিডিটি হতে নিস্তার পাবার জন্য অম্লনাশক গ্রহণ করা হয় যাতে ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রক্সাইড ক্ষারক থাকে।

অম্ল ক্ষারকের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ এবং জল উৎপন্ন করে। অতএব ক্ষারকের উপস্থিতিতে অতিরিক্ত অন্ত্রের প্রভাব নষ্ট করে। সেইজন্য অ্যাসিডিটি হতে নিস্তার পাবার জন্য অম্লনাশক ট্যাবলেট খাই।

অ্যাসিড + ক্ষারক → লবণ + জল।

অল্প এবং ক্ষারকের মধ্যে ঘটা রাসায়নিক বিক্রিয়াকে প্রশমন বিক্রিয়া বলে।

(খ) পিপীলিকার শুড়ে ফর্মিক অ্যাসিড থাকে। পিপীলিকা যখন কামড়ায় তখন চামড়ার মধ্যে এই অ্যাসিড প্রবেশ করে। কামড়ানাের ফলে ব্যথা হয়। কামড়ানাের প্রভাব ক্যালামাইন দ্রব যাতে জিংক কার্বনেট থাকে এবং দংশনের স্থানে লাগালে বিষ নষ্ট হয়।

(গ) অনেক কল-কারখানার আবর্জনাতে অম্ল থাকে। যদি এই আবর্জনাসমূহ জলাশয়ে ফেলা হয় তাহলে এই অল্প জলে থাকা মাছ এবং অন্য জাব ধবংস করে। সেইজন্য কারখানার আবর্জনাসমূহ জলাশয়ে ফেলার পূর্বে প্রশমিত করা হয়।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top