Class 9 Science Chapter 13 আমরা অসুস্থ হই কেন?

Class 9 Science Chapter 13 আমরা অসুস্থ হই কেন? Notes to each chapter is provided in the list so that you can easily browse throughout different chapter Class 9 Science Chapter 13 আমরা অসুস্থ হই কেন? and select needs one.

Class 9 Science Chapter 13 আমরা অসুস্থ হই কেন?

Join Telegram channel
Follow us:
facebook sharing button
whatsappp sharing button
instagram sharing button

Also, you can read SCERT book online in these sections Class 9 Science Chapter 13 আমরা অসুস্থ হই কেন? Solutions by Expert Teachers as per SCERT (CBSE) Book guidelines. Class 9 Science Chapter 13 আমরা অসুস্থ হই কেন? These solutions are part of SCERT All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Science in Bengali Chapter 13 আমরা অসুস্থ হই কেন? for All Subject, You can practice these here…

আমরা অসুস্থ হই কেন?

               Chapter – 13

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ

প্রশ্ন ১। সুস্বাস্থ্যের জন্যে দরকারী দুটি শর্ত লেখ।

উত্তরঃ স্বাস্থ্য হল এমন একটি অবস্থা যেটা ভাল হলে দৈহিক, মানসিক ও সামাজিক কাজ ভাল হয়। সুতরাং সুস্বাস্থ্যের জন্য দরকারী দুটি শর্ত হল—

(i) রোগ মুক্ত থাকা।

(ii) সামাজিক সমতা এবং মিলন যে কোন ব্যক্তির নিজস্ব স্বাস্থ্য ঠিক রাখা অর্থাৎ সামাজিক এবং মানসিক দিক থেকে সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজন।

প্রশ্ন ২। নীরোগ বা সুস্থ থাকার জন্য দরকারী দুটি শর্ত লেখ।

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Join Now

উত্তরঃ (i) যে কোন রোগ থেকে দূরে থাকা অথবা বিশেষ কোন কারণে শরীরে অস্বস্তি হওয়া থেকে দূরে থাকা ভাল।

(ii) সঠিক এবং পরিমিত আহার গ্রহণ করতে হবে যাতে শরীরের কোষ এবং কলাসমূহ ঠিকমত কাজ করতে পারে।

প্রশ্ন ৩। উপরের প্রশ্ন দুইটির উত্তর কি এক না পৃথক? কেন?

উত্তরঃ উপরের প্রশ্ন দুইটির উত্তর এক নহে, পৃথক। কারণ—

(i) যখন আমরা রোগ সম্বন্ধে চিন্তা করি তখন তা ব্যক্তি বিশেষের জন্য হয়, কিন্তু যখন স্বাস্থ্যের, সম্বন্ধে চিন্তা করা হয় তখন তা সমাজের সকলের জন্য হয়।

(ii) বিশেষ কোন রোগ না থাকলেও স্বাস্থ্য খারাপ হতে পারে, এটা সামাজিক বা মানবিক স্বাস্থ্যের পক্ষে সত্য।

প্রশ্ন ৪। এমন তিনটি কারণ দেখাও যার জন্যে তুমি অসুস্থ হয়েছ বলে ভাবছ এবং একজন চিকিৎসকের কাছে যেতে চাও। যদি এই তিনটির মধ্যে একটি লক্ষণ দেখা যেত তাহলেও কি তুমি চিকিৎসকের কাছে যেতে? কেন বা কেন নয়?

উত্তরঃ তিনটি রোগের সাধারণত লক্ষণগুলি হল – 

(i) মাথা ব্যথা।

(ii) কফ-কাশি। 

(iii) পেটের অসুখ।

এই তিনটির মধ্যে যে কোন একটি লক্ষণ দেখা দিলেই আমি ডাক্তারের কাছে যাব।

কারণ— যে কোন একটি লক্ষণই হল রোগ। সুতরাং সময়মত চিকিৎসা না করালে পরে তা শরীরে অধিক অস্বস্তির কারণ হতে পারে।

যেমন— অনেকদিন মাথা ব্যথা থাকতে থাকতে মেনিনজাইটিস্ হতে পারে।

প্রশ্ন ৫। নীচে দেওয়া কোন অসুখটি হলে তুমি বেশী দিনের জন্য অসুস্থ থাকবে বলে ভাবছ?

যদি তোমার জন্ডিস্ হয়।

যদি তোমার মাথায় উকুন আসে।

যদি তোমার গালে ব্রন বা ফোঁড়া হয়।

উত্তরঃ জন্ডিস্, কারণ এটি একটি চিরস্থায়ী (Chronic) রোগ। এটা সারতে অনেকদিন সময় লাগে। তাছাড়া জন্ডিস সমস্ত শরীরে ক্রিয়া করে এবং সুস্বাস্থ্য ঘুরে আসতে অনেক সময় লাগে।

প্রশ্ন ৬। আমরা যখন অসুস্থ হই তখন আমাদের হালকা অথচ পুষ্টিকর খাবার খেতে বলা হয় কেন?

উত্তরঃ আমরা যখন অসুস্থ হই তখন আমাদের হালকা অথচ পুষ্টিকর খাবার খেতে বলা হয় কারণ, আমাদের শরীর যদি সঠিক এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি ও খাদ্যের জোগান না পায়, তবে প্রতিরোধ ক্ষমতা আমাদের শরীরের অন্যান্য শারীরিক কার্যাবলীর মতই ভাল হবে না। অতএব সংক্রামক রোগের নিবারণের মৌলিক তথ্য হল প্রত্যেকের শরীরে সঠিক ও পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যের প্রয়োজন।

প্রশ্ন ৭। সংক্রামক রোগ বিস্তারের কি কি উপায় আছে?

উত্তরঃ সংক্রামক রোগ ঘটাতে পারা অণুজীব বাতাসের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত মানুষ যখন হাঁচে বা কাশে ছোট ছোট বিন্দুর আকারে সংক্রমণ বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। সামনে দাঁড়িয়ে থাকা কোন সুস্থ মানুষ যখন শ্বাস গ্রহণ করে তখন সেই সঙ্গে ঐ সর্দি কাশির বিন্দুগুলি বাতাসের সাথে সাথে সুস্থ মানুষের শরীরে ঢোকে এবং ঐ অণুজীব নতুন কাউকে সংক্রামিত করতে সক্ষম হয়। বাতাসে ছড়াতে পারা অণুজীব ঘটিত অসুখের উদাহরণ হল সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া এবং যক্ষ্মা।

কিছু কিছু রোগ জলের মাধ্যমেও ছড়ায়। কলেরার অণুজীব নতুন পোষকের শরীরে পানীয় জলের মাধ্যমে ঢুকে যায় এবং তাকে আক্রমণ করে।

যৌন সম্পর্কের ফলেও আক্রান্ত দেহ থেকে সুস্থ দেহে সিফিলিজ এবং এডস্-এর মত রোগ সুস্থ দেহে সংক্রামিত হয়।

জীবজন্তুও অসুস্থ প্রাণীর থেকে সংক্রামক কারক বহন করে সুস্থ কার্যকর পোষকের দেহে ঢোকাতে পারে। মাথা হল সবচেয়ে বেশী পরিচিত বাহক।

প্রশ্ন ৮। স্কুলে সংক্রামক রোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা কমানোর জন্য কি কি সাবধানতা নেওয়া উচিত?

উত্তরঃ (i) অতিরিক্ত ভীড় প্রতিহত করা।

(ii) বিশুদ্ধ পানীয় জলের যোগান ধরা।

(iii) শ্রেণিকক্ষ এবং বিদ্যালয় পরিষ্কার রাখা।

(iv) অসুস্থ ছাত্র-ছাত্রীরা হাঁচি-কাশি দিলে রুমাল ব্যবহার করা।

(v) পরিচ্ছন্ন প্রস্রাবাগার এবং শৌচালয় ব্যবহার করা।

(vi) কোন জায়গায় যাতে জল জমে না থাকে তার ব্যবস্থা করা কারণ জমা জলে মশা ডিম পাড়ে এবং বংশ বৃদ্ধি করে।

(vii) বিভিন্ন রোগ হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রয়োজন টিকা (Vaccine) এবং টিটেনাস্, ডিপথেরিয়া, হুম্পিং কাশি, হাম, পোলিও এবং আরও অনেক সংক্রামক রোগের ভ্যাক্সিন নিতে হয়।

(viii) আঢাকা খাদ্য যেখানে মশা মাছি বসে, সেই সব না খাওয়াই ভাল।

প্রশ্ন ৯। প্রতিরক্ষিতকরণ (immunisation) কি?

উত্তরঃ নির্দিষ্ট রোগ সৃষ্টিকারী বীজাণুর নিষ্ক্রিয় অবস্থা অথবা মৃত্যু ঘটাতে না পারার সক্রিয় অবস্থা নতুবা সেই জীবাণু থেকে সৃষ্টি হওয়া রোগসৃষ্টিকারী দ্রব্য সুস্থ ব্যক্তির শরীরে ঢুকিয়ে দিয়ে নির্দিষ্ট এ্যন্টিবডি উৎপন্ন করিয়ে অসংক্রাম্যতা প্রদান করা হয়। এইভাবে সুস্থ ব্যক্তির শরীরে কৃত্রিমভাবে অসংক্রাম্যতা প্রদান করা ব্যবস্থাকে প্রতিরক্ষিতকরণ (immunisation) বা টিকাকরণ (Vaccination) বলে।

প্রশ্ন ১০। তোমার এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রতিরক্ষিতকরণের কর্মসূচীর কি কি সুবিধা পাওয়া যায়? তোমার এলাকায় কোন কোন সংক্রামক রোগের প্রকোপে স্বাস্থ্যের গুরুতর সমস্যা দেখা দেয়?

উত্তরঃ প্রতিরক্ষিতকরণের কর্মসূচী –

(i) বসন্ত রোগের (smallpox) বিরুদ্ধে টীকাকরণ।

(ii) যক্ষ্মা রোগের (tuberculosis) বিরুদ্ধে B. C. G. টীকাকরণ।

(iii) পোলিও রোগের (polio) বিরুদ্ধে পোলিও ড্রপ খাওয়ানো।

(iv) হেপাটাইটিস রোগের (Hepatitis) বিরুদ্ধে ইন্‌জেকশন দেওয়া ইত্যাদি।

স্বাস্থ্যের গুরুতর সমস্যাগুলি হল—

(i) হেপাটাইটিস্ (Hepatitis).

(ii) চিকেন পক্স (Chicken pox).

(iii) যক্ষ্মা (Tuberculosis).

(vi) টিটেনাস্ (Tetanus).

অনুশীলনীর প্রশ্নোত্তরঃ

প্রশ্ন ১। গত এক বছরে তুমি কতবার অসুস্থ হয়েছ? কি কি অসুখ হয়েছিল?

(a) তোমার যে যে অসুখ হয়েছিল সেগুলো থেকে রক্ষা পেতে তুমি কি কি অভ্যাসের বদল করেছ চিন্তা কর।

(b) উপরোক্ত অসুখ থেকে রক্ষা পেতে তুমি তোমার চারিপাশের পরিবেশের অন্তত একটি বদল আনার ইচ্ছা চিন্তা কর।

উত্তরঃ (a) গত বছর আমি তিনবার অসুস্থ হয়েছিলাম। প্রথমে আক্রান্ত হয়েছিলাম ম্যালেরিয়াতে, তারপর পেটের অসুখ এবং শেষে ভাইরাস জনিত জ্বর।

এই অসুখ থেকে রক্ষা পেতে প্রয়োজনীয় অভ্যাসের বদল বা প্রতিরোধক ব্যবস্থা হল—

(i) বদ্ধ জল মশার উৎপত্তির জন্য উত্তম স্থান। তাই ঘরের আশেপাশে নালা-নর্দমা বা ভাঙা বাসন-কোসনে যাতে জল জমা হয়ে না থাকে তার প্রতি সতর্ক থাকতে হবে।

(ii) রাত্রে শোবার সময় মশারী ব্যবহার করতে হবে।

(iii) সরকার থেকে নিয়োগ করা ডি. ডি. টি. ছেটানোর কর্মীদের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগ করবো।

(iv) ম্যালেরিয়া অধ্যুষিত অঞ্চল ভ্রমণ করার আগে স্বাস্থ্যকর্মীর থেকে প্রতিষেধক ট্যাবলেট এবং প্রতিরোধের পরামর্শ নেওয়া।

(v) পরিষ্কার পানীয় জল ব্যবহার করা।

(vi) আঢাকা খাদ্য বা কাটা ফল গ্রহণ না করা।

(vii) নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি নজর রাখা।

(b) পরিবেশের একটি বদল-

যেখানে সেখানে আবর্জনা না ফেলা এবং চারিপাশে জল জমা হতে না দেওয়া।

প্রশ্ন ২। একজন চিকিৎসক/নার্স (সেবিকা)/স্বাস্থ্যকর্মী সাধারণ লোকের তুলনায় অসুস্থ লোকের সংস্পর্শে বেশী থাকে। কিভাবে তিনি নিজে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা এড়িয়ে চলতে পারবেন চিন্তা কর।

উত্তরঃ একজন চিকিৎসক/নার্স (সেবিকা)/স্বাস্থ্যকর্মী অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা নিম্নলিখিতভাবে এড়িয়ে চলতে পারেন।

(i) ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যের নিয়ম মেনে চলা অর্থাৎ নিজস্ব পরিচ্ছন্নতা, হাত ভাল করে ধুয়ে নেওয়া ডেটল বা সাবান দিয়ে রুগি দেখার পর ইত্যাদি।

(ii) রুগী দেখার সময় নাক এবং মুখে মাক্স বা রুমাল লাগিয়ে নেওয়া যাতে রুগীর কফ-কাশি থেকে কোন ক্ষুদ্র কণিকা দেহে প্রবেশ করতে না পারে।

(iii) হাতে গ্লাভ্স পরে রুগীকে পরীক্ষা করা।

(iv) রোগীর সঙ্গে কোন খাদ্য না খাওয়া।

(v) রোগীর জল ব্যবহার না করা।

(vi) চারিপাশ পরিষ্কার রাখা।

(vii) সময়ে সময়ে শরীরে সুরক্ষা প্রদানের জন্য টিকা নেওয়া ইত্যাদি।

প্রশ্ন ৩। তোমার এলাকার চারিপাশে একটা সমীক্ষা চালিয়ে দেখ সেখানে কোন কোন অসুখ বেশী হতে দেখা যায়। তোমার এলাকার অধিকর্তা এইসব অসুখের প্রকোপ কমানোর জন্য কি কি পদক্ষেপ নিতে পারেন তার তিনটি প্রস্তাব তুমি দাও।

উত্তরঃ আমাদের এলাকার চারিদিকে সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেল যে সেখানে পেট খারাপ, ম্যালেরিয়া, ভাইরাসজনিত জ্বর, জন্ডিস, ইত্যাদি রোগ বেশী হয়। এইসব অসুখের প্রকোপ কমানোর জন্য তিনটি প্রস্তাব নিচে দেওয়া হলো—

(i) আমাদের চারিপাশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা। নালা নর্দমা পরিষ্কার রাখা। কোন জায়গায় জল জমতে না দেওয়া ইত্যাদি।

(ii) মশা থাকা অঞ্চল সনাক্ত করে রাসায়নিক দ্রব্য স্প্রে করা যাতে মশা নির্মূল হয়। মশা মারার ধোঁয়া দেওয়া ইত্যাদি।

(iii) বিশুদ্ধ পানীয় জল ব্যবহার করা।

(iv) মাঝে মাঝে সজাগতা কার্যসূচী নিয়ে প্রতিবেশীদের সচেতন করা, ইত্যাদি।

প্রশ্ন ৪। কোনও বাচ্চার অসুস্থতার কথা সে তার আয়াকে বলতে পারে না। কি করে বলা যাবে।

(a) যে বাচ্চাটি অসুস্থ?

(b) বাচ্চাটির কি সমস্যা হচ্ছে?

উত্তরঃ (a) বিভিন্ন লক্ষণ এবং চেহারার বহিঃপ্রকাশ দেখে বুঝা যাবে যে বাচ্চাটি অসুস্থ। লক্ষণ যে কোন হতে পারে, যেমন—কাশি, পেটব্যথা, পেট খারাপ, বমি হওয়া ইত্যাদি।

(b) বিভিন্ন চিহ্ন এবং লক্ষণ নিশ্চিতরূপে বাচ্চার সমস্যাকে উপলব্ধি করতে সাহায্য করে। যেমন জন্ডিস হলে চোখ এবং চামড়ার রং হলুদ হয়ে যায় ইত্যাদি।

প্রশ্ন ৫। নীচের কোন অবস্থায় মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে?

(a) যখন কোনও মানুষ ম্যালেরিয়াতে ভুগে উঠেছে।

(b) যখন সে ম্যালেরিয়াতে ভুগে উঠেছে এবং একজন বসন্তের রুগীকে সেবা করছে।

(c) যখন সে ম্যালেরিয়া থেকে ভুগে উঠে চারদিন ধরে কিছু না খেয়ে আছে এবং একজন বসন্তের রুগীকে দেখাশুনা বা সেবা করছে। কেন?

উত্তরঃ (c) কারণ, পুষ্টিকর এবং প্রয়োজনীয় খাদ্যের অভাবে তার নিজের শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।

প্রশ্ন ৬। নীচের কোন অবস্থায় তুমি অসুস্থ হয়ে পড়ার বেশী সম্ভাবনা আছে।

(a) যখন তুমি পরীক্ষা দিচ্ছ।

(b) যখন তুমি দুইদিন ধরে বাস এবং ট্রেনে ভ্রমণ করে এসেছ।

(c) যখন তোমার কোনও বন্ধুর হাম হয়েছে কেন?

উত্তরঃ (c) কারণ, যখন আমার কোনও বন্ধু হাম দ্বারা আক্রান্ত হয় তখন তার সেবা শুশ্রুষা করার জন্য গেলে শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জীবাণু শরীরে প্রবেশ করতে পারে। ফলে আক্রান্ত হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকে।

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তরঃ

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

This will close in 0 seconds

Scroll to Top