Class 9 Science Chapter 5 জীবনের মৌলিক একক

Class 9 Science Chapter 5 জীবনের মৌলিক একক Notes to each chapter is provided in the list so that you can easily browse throughout different chapter Class 9 Science Chapter 5 জীবনের মৌলিক একক and select needs one.

Class 9 Science Chapter 5 জীবনের মৌলিক একক

Join Telegram channel
Follow us:
facebook sharing button
whatsappp sharing button
instagram sharing button

Also, you can read SCERT book online in these sections Class 9 Science Chapter 5 জীবনের মৌলিক একক Solutions by Expert Teachers as per SCERT (CBSE) Book guidelines. Class 9 Science Chapter 5 জীবনের মৌলিক একক These solutions are part of SCERT All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Science in Bengali Chapter 5 জীবনের মৌলিক একক for All Subject, You can practice these here…

জীবনের মৌলিক একক

               Chapter – 5

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ

প্রশ্ন ১। সর্বপ্রথম কোষ কে আবিষ্কার করেন এবং কিভাবে করেন ?

উত্তরঃ রবার্ট হুক 1965 সালে কোষ আবিষ্কার করেন। একটি কর্কের টুকরো থেকে পাতলা ছেদ (Slice) নিয়ে পরীক্ষা করে রবার্ট হুক দেখলেন যে কৰ্ক একটা অনেক প্রকোষ্ঠ বা ঘর থাকা মৌমাছির চাকের মত দেখতে, এই কর্ক গাছের ছাল থেকে তৈরী হয়। রবার্ট হুক নিজে ডিজাইন করা অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে পর্যবেক্ষণ করে এই প্রকোষ্ঠ বা ঘরগুলোকে কোষ আখ্যা দেন। কোষ (cell) হচ্ছে একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ হচ্ছে “একটা ছোট্ট ঘর”।

প্রশ্ন ২। কোষকে জীবের বা জীবনের গঠনগত এবং কার্যগত একক বলা হয় কেন ?

উত্তরঃ কোষের নির্দিষ্ট কাজের উপর নির্ভর করে আকার বা গঠন বিভিন্ন হয়। যেমন অ্যামিবার মতো কোষ নিজের আকার পরিবর্তন করে। কোন কোন ক্ষেত্রে কোষের আকার কম বেশী স্থায়ী এবং অদ্ভুত হয়, যেমন- স্নায়ুকোষের আকার এক বিশেষ ধরনের হয়। অ্যামিবা একটি মাত্র কোষ দ্বারা সমস্ত জৈবিক কার্য সম্পন্ন করে। বহুকোষী জীবের যেমন মানুষের ক্ষেত্রে শ্রমের বিভাজন দেখতে পাওয়া যায়। অর্থাৎ দেহের বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন কাজ করে। মানুষের দেহে রক্ত সঞ্চালন করার জন্যে হৃদপিণ্ড, খাদ্যবস্তু হজম করার জন্য পাকস্থলী ইত্যাদি আছে। বস্তুতঃ প্রতিটি কোষে কিছু অতি সূক্ষ্ম গঠন পাওয়া যায় যেগুলিকে কোষের অঙ্গাণু বলা হয়। প্রত্যেক কোষ-অংঙ্গাণু নির্দিষ্ট কাজ করে, যেমন- কোষে নতুন উপাদান প্রস্তুত করা, কোষের ভিতরের বর্জ্য পদার্থ বের করে দেওয়া ইত্যাদি। সুতরাং কোষই হল দেহের মৌলিক উপাদান।

প্রশ্ন ৩। কিভাবে কার্বন-ডাই-অক্সাইড এবং জল কোষের ভিতর ঢোকে এবং কোষের বাইরে বের হয় ? আলোচনা কর।

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Join Now

উত্তরঃ কোষের ভেতরে যখন বেশী কার্বন-ডাই-অক্সাইড জমে যায় (যেটা কোষের বর্জ্য এবং এটাকে বের করে দেওয়া উচিৎ) তখন এইরকম ব্যাপন প্রক্রিয়া কাজ করে। কোষের বাইরে চারিদিকে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব কম থাকে। যখনই কোষের ভিতরে এবং বাহিরে ঘনত্বের তারতম্য ঘটে কার্বন-ডাইঅক্সাইড বেশী ঘনত্বের স্থান হতে কম ঘনত্বের স্থানে অর্থাৎ কোষের ভিতর থেকে বাইরে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চলে আসে। ঠিক একই প্রক্রিয়ায় কোষের ভিতরে অক্সিজেনের ঘনত্ব কম হলে বাইরে থেকে অক্সিজেন ভেতরে ঢুকে যায়। এই ভাবে একটা কোষ থেকে অন্য কোষে বা কোষের ভিতরে ও বাইরে গ্যাসীয় পদার্থের চলাচলের জন্য ব্যাপন প্রক্রিয়ার প্রয়োজন।

এইভাবে জলও চলাচল করে। নির্বাচনাত্মক পর্দার ভিতর দিয়ে জলের অণু চলাচলের প্রক্রিয়াকে অভিস্রবন (Osmosis) বলে। কোষ-পর্দার মধ্য দিয়ে জলের চলাচল নির্ভর করে জলের মধ্যে দ্রবীভূত হওয়া পদার্থের পরিমাণের উপর।

প্রশ্ন ৪। প্লাজমা মেম্ব্রেন বা কোষপর্দাকে নির্বাচনাত্মক ভেদ্য পর্দা কেন বলা হয় ?

উত্তরঃ প্লাজমা মেম্ব্রেনের মধ্য দিয়া কিছু কিছু কোষদ্রব্য ভিতরে ও বাইরে যাতায়াত করতে পারে কিন্তু অন্যান্য পদার্থকে প্রবেশে বা বাহির হতে বাধা দেয়। সেইজন্য একে নির্বাচনাত্মক ভেদ পর্দা বলা হয়।

প্রশ্ন ৫। প্রকোষ কেন্দ্রীয় (প্রোক্যারিওটিক) এবং সংকোষ কেন্দ্রীয় (ইউক্যারিওটিক) কোষের পার্থক্য বোঝাতে নীচে যে তালিকা ব্যবহৃত হয়েছে তার শূন্যস্থান পূরণ কর।

প্রকোষ কেন্দ্রীয় কোষ বা প্রোক্যারিওটিক কোষসংকোষ কেন্দ্রীয় কোষ বা ইউক্যারিওটিক কোষ
১। আকার – সাধারণত কাঠ (1 – 10Mm) (1Mm = 10⁻⁶)১। আকার – সাধারণত বড় (5 – 100Mm)
২। নিউক্লিয়ার অঞ্চল – ………….… এবং ……………… বলে পরিচিত।২। নিউক্লিয়ার অঞ্চল – সুস্পষ্ট এবং নিউক্লিয়ার পর্দা এবং নিউক্লিয়ার পর্দা দিয়ে ঘেরা অঞ্চল।
৩। ক্রোমজোম : একটা।৩। ক্রোমজোম : একটা থেকে বেশী।
৪। পর্দা ঘেরা কোষীয় শুক্রাণু থাকে না।৪।……………………………………………………………………..

উত্তরঃ ২। প্রকোষ কেন্দ্রীয় কোষ :- নিউক্লিয় অঞ্চলে নিউক্লিয়ার মেম্ব্রেন না থাকার জন্য এই অঞ্চল সুস্পষ্ট নয় এবং একে নিউক্লিয়ড বলে।

৪। সংকোষ কেন্দ্রীয় কোষ :- পর্দা ঘেরা কোষীয় শুক্রাণু থাকে।

প্রশ্ন ৬। নিজস্ব জেনেটিক পদার্থ থাকা দুটি কোষ অঙ্গাণুর নাম করতে পারবে কি ?

উত্তরঃ (i) মাইটোকোন্ড্রিয়া । এবং 

(ii) প্লাষ্টিড (ক্লোরোপ্লাষ্ট)।

প্রশ্ন ৭। শারীরিক বা রাসায়নিক কারণে কোনও কোষের সংগঠন বিনষ্ট হলে কি হবে ?

উত্তরঃ প্রত্যেক কোষে তার নিজস্ব কোষ-অঙ্গাণু (Cell organelles) থাকে। এরা কিছু বিশেষ কাজ করে। যেমন নতুন পদার্থ তৈরী করা, অপ্রয়োজনীয় পদার্থ কোষ হতে বের করা। শক্তি সৃষ্টি করা ইত্যাদি। কিন্তু যদি কোষ-অঙ্গাণুর বিনষ্ট ঘটে তবে কোষের সমস্ত কাজ বন্ধ হবে। ফলে কোষটির মৃত্যু হবে।

প্রশ্ন ৮। লাইসোজোমকে ‘আত্মহননকারী থলি’ বা Suicidal Bag বলা হয় কেন ?

উত্তরঃ লাইসোজোম হল কোষের আবর্জনা পরিষ্কার করা অঙ্গাণু। লাইসোজোম পচে যাওয়া কোষ অঙ্গাণু অথবা বাইরে থেকে আসা কোনও বস্তু খেয়ে হজম করে কোষকে পরিষ্কার রাখে। ব্যাক্টেরিয়া বা অন্য কোনও খাদ্যবস্তু বাইরে থেকে কোষের ভিতর ঢুকলে লাইসোজোম ভেঙ্গে ছোট ছোট টুকরাতে পরিণত করে। লাইসোজোমে শক্তিশালী পাচক উৎসেচক থাকার ফলে এরা সবরকম জৈব বস্তু পচন করতে সক্ষম হয়। কোষীয় বিপাক কার্যে কোনও রকম ব্যাঘাত ঘটলে যেমন- কোষ নষ্ট হলে লাইসোজোম ফেটে যায় এবং উৎসেচকসমূহ নিজের কোষকেই পচন করে। তাই লাইসোজোমকে কোষের “আত্মহননকারী থলি” (Suicidal bags) বলে।

প্রশ্ন ৯। কোষের কোন জায়গায় প্রোটিন সংশ্লেষণ হয়।

উত্তরঃ কোষের রাইবোজোমে প্রোটিন সংশ্লেষণ হয়।

অনুশীলনীর প্রশ্নোত্তরঃ

প্রশ্ন ১। উদ্ভিদ কোষ এবং প্রাণীকোষের পার্থক্য দেখাও এবং এই পার্থক্য বুঝানোর জন্য কি কি উপায় অবলম্বন করবে ?

উত্তরঃ

উদ্ভিদ কোষপ্রাণী কোষ
(ক) কোষ প্রাচীর সাধারণতঃ সেলুলোজ দ্বারা গঠিত।(ক) কোষ প্রাচীর সাধারণতঃ প্লাজমা মেম্ব্রেন দ্বারা গঠিত।
(খ) প্লাষ্টিড (যেমন ক্লোরপ্লাষ্ট) থাকে।(খ) প্লাষ্টিড থাকে না।
(গ) বৃহৎ গহ্বর থাকে।(গ) ক্ষুদ্র গহ্বর থাকে অথবা থাকে না।
(ঘ) সেন্ট্রিওলিস্ থাকে না।(ঘ) সেন্ট্রিওলিস্ সেন্ট্রোজোমের ভিতর থাকে।
(ঙ) গলগি বডি বা এ্যাপারেটাস সহ একক হিসাবে থাকে যাকে ডিক্‌টো-সোম (Dictyosomes) বলে।(ঙ) নিউক্লিয়াসের নিকট খুব প্রকট এবং ক্ষমতাশালি গলগি বডি থাকে।

প্রশ্ন ২। প্রোক্যারিওটিক বা প্রকোষ কেন্দ্রীয় কোষ এবং ইউক্যারিওটিক বা সংকোষ কেন্দ্রীয় কোষের পার্থক্য কি ?

উত্তরঃ 

প্রকোষ কেন্দ্রীয় কোষসংকোষ কেন্দ্রীয় কোষ
(ক) কোষের আকার সাধারণতঃ ছোট (1-10um)(ক) কোষের আকার সাধারণতঃ বড় (5 -10um)
(খ) কোষে প্রকৃত কোষকেন্দ্র থাকে না, আনুবংশিক (DNA বা RNA) ক্রমোজম হিসাবে সংগঠিত  না হয়ে কোষের কেন্দ্রে নগ্নভাবে থাকে। যাকে নিউক্লিয়ড বলে।(খ) কেন্দ্রাবরণের সঙ্গে সুস্পষ্ট কোষ-কেন্দ্র থাকে। আনুবংশিক সূত্রগুলো (DNA) হিষ্টোন নামক প্রোটিনের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে ক্রমোজম হিসাবে থাকে।
(গ) মাইটোকঞ্জিয়া, গলগিবডি, প্লাষ্টিড, অন্তঃপ্ররসীয় জালিকা, লাইসোজোম প্রভৃতি কোষ অঙ্গাণুসমূহ থাকে না।(গ) প্রায় সব কোষ অঙ্গাণুই থাকে।
(ঘ) কোষ প্রাচীর সাধারণতঃ মিউকোপেপাইড জাতীয় পদার্থ দিয়ে গঠিত।(ঘ) উদ্ভিদ কোষে কোষপ্রাচীর থাকে এবং এটা সেলুলোজ নামক পদার্থ দ্বারা গঠিত। প্রাণীকোষে কোষপ্রাচীর থাকে না।
(ঙ) নিউক্লিয়াস থাকে না।(ঙ) নিউক্লিয়াস থাকে।

প্রশ্ন ৩। কোনও কোষের কোষ পর্দা বা প্লাজমা পর্দা ফেটে গেলে কি হবে ?

উত্তরঃ কোষ পর্দার কাজ হল কোষের আভ্যন্তরীণ উপাদানগুলোকে বাইরের পরিবেশ থেকে ঢেকে রাখা। ইহা কোষের ভিতর পদার্থের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে।

সুতরাং কোষ পর্দা বা প্লাজমা পর্দা ফেটে গেলে কোষের ভিতরের পদার্থের চলাচলের নিয়ন্ত্রণ হারাবে।

প্রশ্ন ৪। কোন কোষে যদি গলগি এ্যাপারেটাস না থাকে তবে ঐ কোষের জীবনে কি হবে ?

উত্তরঃ কোন কোষে যদি গলগি এ্যাপারেটাস না থাকে তবে কোষটি মৃতকোষে পরিণত হবে।

প্রশ্ন ৫। কোষের কোন অঙ্গাণুকে “শক্তিঘর” (Power House) বলা হয় ? এবং কেন ?

উত্তরঃ মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর (Power House) বলে। জীবের সমস্ত কাজে যে শক্তির প্রয়োজন হয় সেই শক্তির যোগান দেয় ATP এবং এইসব ATP (Adenosine triphosphate) মাইটোকন্ড্রিয়াতে উৎপন্ন। ATP -কে কোষের এনার্জি কারেন্সি (Energy currency) বলে। শরীর নতুন রাসায়নিক উপাদান প্রস্তুত করতে এবং অন্যান্য কাজে ATP-তে থাকা শক্তি খরচ করে। মাইটোকন্ড্রিয়াতে একটার বদলে দুটো পর্দার আবরণ থাকে। বাইরের পর্দা অনেক ছিদ্রযুক্ত এবং ভেতরের পর্দা ভাঁজ করা থাকে। এই ভাঁজগুলো বিস্তৃত হলে বড় একটা জায়গা বানায় যেখানে ATP তৈরী করার রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে। এর রাইবোজম এবং DNA আছে তাই নিজের দরকারী প্রধান নিজেই তৈরী করে। সেজন্য একে শক্তিঘর বলে।

প্রশ্ন ৬। কোষ-পর্দা গঠন করা লিপিড এবং প্রোটিন কোথায় সংশ্লেষিত হয় ?

উত্তরঃ কোষ-পর্দা গঠন করা লিপিড সমসৃণ এণ্ডোপ্লাজমিক জালিকা (SER) -তে সংশ্লেষিত হয় এবং প্রোটিন অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক জালিকা (RER) -তে সংশ্লেষিত হয়।

প্রশ্ন ৭। এ্যামিবা নিজের খাবার কিভাবে জোগাড় করে ?

উত্তরঃ এ্যামিবাতে স্থিতিস্থাপক সেল-মেম্ব্রেন (cell.membrane) থাকে। খাদ্যগহ্বরে খাদ্য জমা করে রাখে। এন্ডোকাইটেসিস্ (endocytosis) পদ্ধতিতে খাদ্য গ্রহণ করে।

প্রশ্ন ৮। অসমোসিস্ বা অভিস্রবণ কি ?

উত্তরঃ নির্বাচনাত্মক পর্দার ভিতর দিয়ে জলের অণু চলাচলের প্রক্রিয়াকে বলে অভিস্রবণ (Osmosis)। কোষপর্দার মধ্য দিয়ে জলের চলাচল নির্ভর করে জলের মধ্যে দ্রবীভূত হওয়া পদার্থের পরিমাণের উপর। অর্ধভেদ্য পর্দার ভেতর দিয়ে দ্রাবকের (Solvent) বেশী পরিমাণযুক্ত স্থান থেকে দ্রাবকের কম পরিমাণ যুক্ত স্থানে যাওয়াকে অভিস্রবণ (Osmosis) বলে।

প্রশ্ন ৯। নীচের অভিস্রবণের পরীক্ষাটি কর।

চারটে আলুর খোসা ছাড়ানো) টুকরো নাও। এবার এগুলোতে গর্ত করে আলুর কাপ বানাও। এর মধ্যে একটা টুকরো সেদ্ধ করে নাও। একটা বড় পাত্রে জল নিয়ে এই টুকরোগুলো রাখ। এখন-

(a) একটা কাপ A খালি রাখ।

(b) B কাপে এক চামচ চিনি রাখ।

(c) C কাপে এক চামচ লবণ রাখ।

(d) D কাপে (সেদ্ধ টুকরো) এক চামচ চিনি রাখ।

দুঘণ্টা রেখে দাও। এবার চারটে কাপ পরীক্ষা কর এবং নীচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও-

(i) B এবং C কাপে কেন জল গর্তে চলে এল।

(ii) A আলুর কাপ রাখা দরকারী হল কেন ?

(iii) A এবং ID কাপে জল গর্তে কেন এল না ?

উত্তরঃ (i) B এবং C কাপে জল গর্তে চলে আসার কারণ-

(a) আলুর B এবং C কাপে জীবিত প্লাজমা ভেদ্যপর্দা (living plasma number) নির্বাচনাত্মক ভেদ্য পর্দা (selectively permeable membrane) হিসাবে কাজ করে।

(b) B কাপে চিনির দ্রবণ এবং C কাপে লবণের দ্রবণের মধ্য দিয়ে উচ্চ ঘনত্বের (higher concentration) জল প্রবাহিত হয়।

(c) সুতরাং Osmosis বা অভিস্রবণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জল B এবং C কাপে যায়।

(ii) A কাপ খালি রাখা কারণ হল, অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত ভেদ্য পর্দা কম এবং উচ্চ ঘনত্বের জলের মধ্যে পার্থক্যের সমতা বজায় রাখে।

(iii) (a) A কাপে কোন দ্রবণ না থাকার জন্য অভিস্রবণ হয় না।

(b) আলুর D কাপে আলু সেদ্ধ করার জন্য এটি Semipermeability ধর্ম হারায়। সুতরাং D কাপে কোন জলের কণার পরিবর্তন হবে না।

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তরঃ

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

This will close in 0 seconds

Scroll to Top