Class 9 Science Chapter 2 আমাদের চারিপাশে থাকা পদার্থ কি বিশুদ্ধ?

Class 9 Science Chapter 2 আমাদের চারিপাশে থাকা পদার্থ কি বিশুদ্ধ? Notes to each chapter is provided in the list so that you can easily browse throughout different chapter Class 9 Science Chapter 2 আমাদের চারিপাশে থাকা পদার্থ কি বিশুদ্ধ? and select needs one.

Class 9 Science Chapter 2 আমাদের চারিপাশে থাকা পদার্থ কি বিশুদ্ধ?

Join Telegram channel
Follow us:
facebook sharing button
whatsappp sharing button
instagram sharing button

Also, you can read SCERT book online in these sections Class 9 Science Chapter 2 আমাদের চারিপাশে থাকা পদার্থ কি বিশুদ্ধ? Solutions by Expert Teachers as per SCERT (CBSE) Book guidelines. Class 9 Science Chapter 2 আমাদের চারিপাশে থাকা পদার্থ কি বিশুদ্ধ? These solutions are part of SCERT All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Science in Bengali Chapter 2 আমাদের চারিপাশে থাকা পদার্থ কি বিশুদ্ধ? for All Subject, You can practice these here…

আমাদের চারিপাশে থাকা পদার্থ কি বিশুদ্ধ?

               Chapter – 2

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ

প্রশ্ন ১। দ্রব্য (Substance) বলতে কি বোঝায় ?

উত্তরঃ প্রকৃতিতে বিশুদ্ধ দ্রব্য খুবই বিরল। একটি বিশুদ্ধ পদার্থ কেবল এক ধরনের অণুর দ্বারা গঠিত। বিশুদ্ধ পদার্থ কেবলমাত্র নির্দিষ্ট উষ্ণতায় গলে বা কঠিন অবস্থায় পরিণত হয়। যেমন- চিনি, লবণ ইত্যাদি।

প্রশ্ন ২। সমসত্ব ও অসমসত্ব মিশ্রণের পার্থক্যগুলো বর্ণনা কর।

উত্তরঃ সমসত্ব ও অসমসত্ব মিশ্রণের পার্থক্যগুলো হল-

সমসত্ব মিশ্রণঅসমসত্ব মিশণ
(ক) পদার্থের অণুগুলির পৃথকীকরণের কোন সীমারেখা থাকে না।(ক) পদার্থের অণুগুলির পৃথকীকরণের  সীমারেখা থাকে।
(খ) মিশ্রণের গঠন বা প্রকৃতি মিশ্রণের সব অংশেই সমান হয়। যেমন চিনি বা লবণ এবং জলের মিশ্রণ সমসত্ব।(খ) মিশ্রণের গঠন বা প্রকৃতি সব অংশে সমান থাকে না। যেমন কয়েকটি চক্রের টুকরো এবং সম পরিমাণের পটাসিয়াম পারমাঙ্গনেট ভালভাবে মিশ্রিত করলে মিশ্রণটি অসমসত্ব মিশ্রণ হয়।

প্রশ্ন ৩। উদাহরণসহ সমসত্ব ও অসমসত্ব মিশ্রণের পার্থক্যগুলো দেখাও।

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Join Now

উত্তরঃ মিশ্রণে থাকা উপাদান সমূহের প্রকৃতি অনুযায়ী যে কোন মিশ্রণকে সমসত্ব এবং অসমসত্ব এই দুইটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়।

যে মিশ্রণের গঠন বা প্রকৃতি মিশ্রণের সব অংশেই সমান হয় তাকে সমসত্ব মিশ্রণ বলে।

যেমন- কঠিন দ্রবণ – শঙ্কর ধাতু যথা- ষ্টিল, ব্রোঞ্জ ইত্যাদি।

তরল দ্রবণ – জলের সঙ্গে চিনির দ্রবণ, সমুদ্রের জল ইত্যাদি।

গ্যাসীয় দ্রবণ – বায়ু, স্বাভাবিক গ্যাস ইত্যাদি হল সমসত্ব মিশ্রণ।

এবং কঠিন + কঠিন – চিনি ও বালি।

কঠিন + তরল – পেষ্ট।

কঠিন + গ্যাস – ধোঁয়া।

তরল + তরল – দুধ ।

তরল + গ্যাস – সাবানের বুদবুদ ইত্যাদি হল অসমসত্ব মিশণ।

প্রশ্ন ৪। সল (Sol), দ্রবণ ও প্রলম্বনের মধ্যে পার্থক্য কি কি ?

উত্তরঃ দ্রবণ (Sol) – দুই বা ততোধিক পদার্থের সমসত্ব মিশ্রণকে দ্রবণ বলে। দ্রবণ বিভিন্ন ধরনের হয়, যেমন- তরলে কঠিন পদার্থ, তরলে গ্যাসীয় পদার্থ অথবা তরলে অন্য একটি তরল পদার্থ মিশ্রিত করে।

কলয়ডীয় দ্রবণ (Colloidal Solution) – এই দ্রবণে কণিকাগুলি খালি চোখে দেখা যায় না। আবার তরলটি থেকে সহজে পৃথক করাও যায় না। কলয়ডীয় দ্রবণ অস্বচ্ছ হয়।

প্রলম্বন (Suspension) – যে সমস্ত অসমসত্ব মিশ্রণে পদার্থের কণিকাগুলিকে খালি চোখে দেখতে পাওয়া যায় সেই মিশ্রণগুলিকে প্রলম্বন বলে। একটি প্রলম্বনকে নাড়াচাড়া না করে রেখে দিলে প্রলম্বিত বা ভাসমান কণিকাগুলি ধীরে ধীরে পাত্রের নীচে জমা হয়। দ্রবণের ক্ষেত্রে কিন্তু এই ধরনের হয় না।

প্রশ্ন ৫। কোন সম্পৃক্ত দ্রবণ বানাতে 293 k উষ্ণতায় 36 গ্রাম সোডিয়াম ক্লোরাইড 100 গ্রাম জলে দ্রবীভূত করা হয়। এই উষ্ণতায় দ্রবণটির গাঢ়তা নিরূপণ কর।

উত্তরঃ সোডিয়াম ক্লোরাইডের (দ্রাব্য) ভর = 36 গ্রাম।

জলের (দ্রাবকের) ভর = 100 গ্রাম।

এতেকে, দ্রবণের ভর = (100 + 36) = 136 গ্রাম।

এতেকে, দ্রবণের ঘনত্ব = 36⁹/136₃₄ × 100%

= 900/34%

= 26.47 %

প্রশ্ন ৬। কেরোসিন এবং পেট্রলের মিশ্রণীয় দ্রবণকে কিভাবে পৃথক করবে? (তাদের উতলাংকের পার্থক্য 25°C% থেকে বেশী)

উত্তরঃ কেরোসিন এবং পেট্রোল দুইটিকেই গরম করলে, উহাদের অণুগুলি ভেঙ্গে যায় না এবং তাদের স্কুটনাংক এক নয়। সেইজন্য এদের সাধারণ পাতন প্রণালীতে পৃথক করা যায়।

প্রথমে কেরোসিন এবং পেট্রোলের মিশ্রণ পাতন ফ্লাক্সে রেখে একে উত্তপ্ত করলে পেট্রোলিয়াম বাষ্পীভূত হয়ে শীতক নলীর মধ্যদিয়া প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ঘনীভূত হয়ে ফ্লাক্সে জমা হবে। পাতন ফ্লাক্সে একটি থার্মোমিটার লাগাতে হবে। কোন এক নির্দিষ্ট উষ্ণতায় থার্মোমিটারের তাপমাত্রা স্থির থাকবে। থার্মোমিটারের তাপমাত্রা পুনরায় পরিবর্তন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপ দেওয়া বন্ধ করতে হবে। ফলে কেরোসিন পাতন ফ্লাক্সে জমা হবে।

এইভাবে পেট্রোল এবং কেরোসিনের মিশ্রণ পৃথক করা যায়।

প্রশ্ন ৭। কি পদ্ধতি দ্বারা পৃথক করা যায়-

(ক) দই থেকে মাখন ।

(খ) সাগর জল থেকে নুন ।

(গ) নুন থেকে কর্পূর।

উত্তরঃ পৃথকীকরণ পদ্ধতি হল-

(ক) দই থেকে মাখন = অপকেন্দ্রীক।

(খ) সমুদ্রের জল থেকে লবণ = বাষ্পীভবন।

(গ) নুন থেকে কর্পূর = ঊর্ধপাতন।

প্রশ্ন ৮। স্ফটিকীকরণ পদ্ধতির সাহায্যে কোন ধরনের মিশ্রণকে পৃথক করা যায় ?

উত্তরঃ স্ফটিকীকরণ পদ্ধতি সাধারণত ব্যবহার করা হয়-

(ক) সমুদ্রের জল হতে পাওয়া লবণ বিশুদ্ধ করতে।

(খ) বিভিন্ন দ্রবণ হইতে বিশুদ্ধ পদার্থ বের করতে।

প্রশ্ন ৯। নিম্নোক্তগুলো ভৌতিক না রাসায়নিক পরিবর্তন ?

(ক) গাছ কাটা।

(খ) পাত্রে মাখন লাগানো।

(গ) আলমারীতে মরিচা ধরা।

(ঘ) জল ফুটিয়ে বাষ্পে পরিণত করা।

(ঙ) জলের তড়িৎ বিশ্লেষণ জলের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে জলকে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনে পরিবর্তন করা।

(চ) জলে নুন দ্রবীভূত করা।

(ছ) আঁরাধ (raw) ফল দিয়ে ফলের স্যালাড তৈরী করা।

(জ) কাগজ এবং কাঠের দহন।

উত্তরঃ (ক) গাছ কাটা – ভৌত পরিবর্তন।

(খ) পাত্রে মাখন গলানো – ভৌত পরিবর্তন।

(গ) আলমারীতে মরিচা ধরা – রাসায়নিক পরিবর্তন।

(ঘ) জলকে ফুটিয়ে বাষ্পে পরিণত করা – ভৌত পরিবর্তন।

(ঙ) জলের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে জলকে হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন গ্যাসে পরিণত করা – রাসায়নিক পরিবর্তন।

(চ) জলের সঙ্গে সাধারণ লবণের দ্রবণ – ভৌত পরিবর্তন।

(ছ) বিভিন্ন ফল হতে ফলের সালাড তৈরী করা – ভৌত পরিবর্তন।

(জ) কাগজ এবং কাঠ জ্বালানো – রাসায়নিক পরিবর্তন।

প্রশ্ন ১০। তোমার চারিদিকে দেখা পদার্থগুলিকে বিশুদ্ধ পদার্থ এবং মিশ্রণে পৃথক কর।

উত্তরঃ আমাদের চারিদিকে থাকা বিশুদ্ধ পদার্থগুলি হল- জল, চিনি, তার, লবণ ইত্যাদি। এবং মিশ্রণ হল-বায়ু, দই, রুটি, L.P.G ইত্যাদি।

অনুশীলনীর প্রশ্নোত্তরঃ

প্রশ্ন ১। নিম্নলিখিতগুলোকে পৃথক করার জন্য কোন পৃথকীকরণ পদ্ধতি ব্যবহার করবে ?

(ক) সোডিয়াম ক্লোরাইডের জলীয় দ্রবণ থেকে সোডিয়াম ক্লোরাইড।

(খ) সোডিয়াম ক্লোরাইড ও এমোনিয়াম ক্লোরাইডের মিশ্রণ থেকে এমোনিয়াম ক্লোরাইড।

(গ) মোটর গাড়ীর ইঞ্জিন তেলে থাকা ছোট ছোট ধাতুর টুকরা।

(ঘ) ফুলের পাপড়ির নির্যাস (extract) থেকে বিভিন্ন রঞ্জক পদার্থ।

(ঙ) দই থেকে মাখন।

(চ) জল থেকে তেল।

(ছ) চা থেকে চা-পাতা।

(জ) বালি থেকে লোহার পিন।

(ঝ) তুষ (husk) থেকে ভুট্টার দানা।

(ঞ) জলে প্রলম্বিত হয়ে থাকা বালির সূক্ষ্ম কণাগুলি।

উত্তরঃ (ক) স্ফটিকাকরণ অথবা বাষ্পীভবন।

(খ) ঊর্ধপাতন।

(গ) অপকেন্দ্রীক পদ্ধতি বা পরিস্রাবণ।

(ঘ) বর্ণবিন্যাস পদ্ধতি।

(ঙ) অপকেন্দ্রীক পদ্ধতি।

(চ) ফানেল দ্বারা পৃথকীকরণ।

(ছ) পাতন প্রণালী।

(জ) চুম্বক দ্বারা পৃথকীকরণ।

(ঝ) ঝেড়ে পৃথক করার পদ্ধতি।

(ঞ) অপকেন্দ্রীক পদ্ধতি।

প্রশ্ন ১। চা তৈরী করতে অবলম্বন করা ধাপগুলোর নাম লিখ। নিম্নোক্ত শব্দগুলি ব্যবহার করবে- দ্রবণ, দ্রাবক, দ্রাব্য, দ্রবীভূত, দ্রবণীয়, অদ্রবণীয়, পরিশ্রুত এবং অবশেষ।

উত্তরঃ প্রথমে একটি কেটলিতে দ্রাবক জল নেওয়া হল। একে গরম করতে হবে। দ্রাবক জল যখন ফুটতে আরম্ভ করবে তখন দ্রাব্য দুধ জলের সঙ্গে মিশাতে হবে এবং এই মিশ্রণটি হবে দ্রবণ। এতে কিছু চা-পাতা এবং চিনি দিতে হবে যারা দ্রাব্য। চিনি দ্রবীভূত হবে কিন্তু চা-পাতা অবশিষ্ট হিসাবে থেকে যাবে, যা দ্রবীভূত নহে। এখন ছাকনীর দ্বারা হেঁকে নিলে চা-পাতা অবশিষ্ট হিসাবে ছাকনীতে থেকে যাবে এবং দ্রবীভূত চা তৈরী হবে।

প্রশ্ন ৩। প্রজ্ঞা বিভিন্ন উষ্ণতায় তিনটি বিভিন্ন পদার্থের দ্রাব্যতা পরীক্ষা করল এবং নিম্নোক্ত তথ্য সংগ্রহ করল। (100 গ্রাম সংপৃক্ত দ্রবণ তৈরী করতে কত গ্রাম পদার্থ লাগবে সেই হিসাবে গণনার ফলাফল নীচের তালিকাতে দেখানো হলো।

উত্তরঃ (ক) 313 k উষ্ণতায় 62 গ্রাম পটাসিয়াম নাইট্রাইট 100gm জলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সংপৃক্ত দ্রবণ তৈরী করে।

এতেকে, 50 gm. জলের জন্য প্রয়োজন হবে 31gm. পটাসিয়াম নাইট্রাইটের।

(খ) যেহেতু দ্রবণটি ঠাণ্ডা সুতরাং পটাসিয়াম ক্লোরাইড স্ফটিকাকার বা অধঃক্ষেপ হিসাবে থাকবে। কারণ 353k উষ্ণতায় পটাসিয়াম ক্লোরাইডের 54gm দ্রবণে 100 gm জলের প্রয়োজন হবে। যেখানে ঘরের তাপমাত্রা 20°C -এ 35gm. সুতরাং অতিরিক্ত পটাসিয়াম ক্লোরাইড দ্রবীভূত হয়ে অধঃক্ষেপ হিসাবে থাকবে।

(গ) 20°C বা 293 k উষ্ণতায় এমোনিয়াম ক্লোরাইডের দ্রাব্যতা সবচেয়ে বেশী।

(ঘ) উষ্ণতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রবণীয়তাও বাড়ে।

প্রশ্ন ৪। উদাহরণসহ নিম্নোক্ত অবস্থাগুলো ব্যাখ্যা কর।

(ক) সংপৃক্ত দ্রবণ।

(খ) বিশুদ্ধ দ্রব্য।

(গ) কলয়ড।

(ঘ) প্রলম্বন ।

উত্তরঃ সংপৃক্ত দ্রবণ – কোন নির্দিষ্ট উষ্ণতায় কোন দ্রবণে যদি আর দ্রাব্য দ্রবীভূত না হয় তবে তাকে সংপৃক্ত দ্রবণ বলে। মনে করি 35 gm. দ্রাব্য যা সবচেয়ে বেশী 100 gm জলে দ্রবীভূত হয় 290k উষ্ণতায় তবে (100 + 35) gm = 135 হবে সংপৃক্ত দ্রবণ।

বিশুদ্ধ পদার্থ – প্রকৃতিতে বিশুদ্ধ পদার্থ খুবই বিরল। একটি বিশুদ্ধ পদার্থ কেবল. এক ধরনের অণুর দ্বারা গঠিত হয়। বিশুদ্ধ পদার্থ সর্বদা নির্দিষ্ট উষ্ণতায় গলে বা কঠিন অবস্থায় পরিণত হয়। যেমন- বিশুদ্ধ জল।

কলয়ডীয় দ্রবণ – কলয়ডীয় দ্রবণে কণিকাগুলিকে খালি চোখে দেখা যায় না। এদের তরলটি হতে সহজে পৃথক করা যায় না। কলয়ডীয় দ্রবণ অস্বচ্ছ। যেমন- ধোঁয়া, মেঘ, কুয়াশা, দুধ ইত্যাদি।

প্রলম্বন – যে সমস্ত অসমসত্ব মিশ্রণে পদার্থের কণিকাগুলিকে খালি চোখে দেখতে পাওয়া যায়, সেই মিশ্রণগুলিকে প্রলম্বন বলে। এরা অসমসত্ব মিশ্রণ। যেমন- জলের মধ্যে কাদার কণিকা।

প্রশ্ন ৫। নিম্নোক্তগুলিকে সমসত্ব অথবা অসমসত্ব মিশ্রণে ভাগ কর- সোডা ওয়াটার, কাঠ, বায়ু, ভিনিগার, পরিশ্রুত চা।

উত্তরঃ সমসত্ব মিশ্রণ – সোডা জল, বায়ু, ভিনিগার, পরিশোধিত চা।

অসমসত্ব মিশ্রণ – কাঠ, মাটি ইত্যাদি।

প্রশ্ন ৬। তোমাকে দেওয়া বর্ণবিহীন তরলটি যে বিশুদ্ধ জল তা তুমি কিভাবে নিশ্চিত করে বলবে ?

উত্তরঃ প্রত্যেক তরলের 1 বায়ুমণ্ডলীয় চাপে নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের স্কুটনাংক থাকে। যদি রংবিহীন তরল পদার্থটির ঠিক 373k উষ্ণতায় বায়ু মণ্ডলীয় চাপে থাকে তবে এটি বিশুদ্ধ জল হবে।

প্রশ্ন ৭। নিম্নোক্তগুলোর মধ্যে কোনগুলো “বিশুদ্ধ দ্রব্য” শ্রেণীতে পড়ে-

(ক) বরফ। 

(খ) দুধ। 

(গ) লোহা। 

(ঘ) হাইড্রোক্লরিক এসিড। 

(ঙ) ক্যালসিয়াম অক্সাইড। 

(চ) পারদ (মার্কারী)। 

(ছ) ইঁট। 

(জ) কাঠ। 

(ঝ) বায়ু।

উত্তরঃ বিশুদ্ধ পদার্থ হল-

(ক) বরফ ।

(খ) লোহা ।

(ঘ) হাইড্রোক্লোরিক এসিড ।

(ঙ) ক্যালসিয়াম অক্সাইড ।

(চ) পারদ ।

প্রশ্ন ৮। নিম্নোক্ত দ্রব্যগুলোর মধ্যে কোনগুলো বণ ?

(ক) মাটি । 

(খ) সাগরের জল ।

(গ) বায়ু ।

(ঘ) কয়লা ।

(ঙ) সোডা ওয়াটার।

উত্তরঃ দ্রবণ হল- সমুদ্রের জল, বায়ু এবং সোডা জল।

প্রশ্ন ৯। নিম্নোক্ত দ্রব্যগুলোর মধ্যে কোনটি টিন্ডেল প্রভাব (Tyndall effect) প্রদর্শন করে ?

(ক) নুনের দ্রবণ। 

(খ) দুধ।

(গ) কপার সালফেট দ্রবণ।

(ঘ) শ্বেতসার দ্রবণ (Starch Solution)

উত্তরঃ (খ) দুধ । এবং 

(ঘ) ষ্টার্চ (শ্বেতসার) দ্রবণ হল কলয়ডীয় দ্রবণ যারা (Tyndall effect) দেখায়।

প্রশ্ন ১০। নিম্নোক্তগুলিকে মৌল, যৌগ ও মিশ্রণে ভাগ কর-

(ক) সোডিয়াম।

(খ) মাটি।

(গ) চিনির দ্রবণ।

(ঘ) রূপা।

(ঙ) কেলসিয়াম কার্বনেট।

(চ) টিন।

(ছ) সিলিকন। 

(জ) কয়লা।

(ঝ) বায়ু।

(ঞ) সাবান। 

(ট) মিথেন।

(ঠ) কার্বন-ডাই অক্সাইড।

(ড) রক্ত।

উত্তরঃ মৌল- সোডিয়াম, সিল্ভার, টিন, সিলিকন।

যৌগ- কেলসিয়াম কার্বনেট, মিথেন, কার্বন-ডাই-অক্সাইড।

মিশ্রণ- মাটি, চিনির দ্রবণ, কয়লা, বায়ু সাবান, রক্ত।

প্রশ্ন ১১। নিম্নোক্ত প্রক্রিয়াগুলোর মধ্যে কোনগুলো রাসায়নিক বিক্রিয়া ?

(ক) উদ্ভিদের বৃদ্ধি। 

(খ) লোহায় মরিচা ধরা। 

(গ) লৌহ চূর্ণ ও বালি মিশ্রিত করা। 

(ঘ) খাদ্য রন্ধন। 

(ঙ) খাদ্যের পরিপাক। 

(চ) জলের হিমায়ন (freezing of water) 

(ছ) মোমের প্রজ্বলন।

উত্তরঃ রাসায়নিক পরিবর্তনগুলি হল-

(ক) উদ্ভিদের বৃদ্ধি।

(খ) লোহায় মরিচা ধরা। 

(গ) খাদ্য রন্ধন করা।

(ঘ) খাদ্য পাচন হওয়া প্রণালী।

(ঙ) মোমের জ্বলা।

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তরঃ

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

This will close in 0 seconds

Scroll to Top