Class 9 Science Chapter 6 কলা Notes to each chapter is provided in the list so that you can easily browse throughout different chapter Class 9 Science Chapter 6 কলা and select needs one.
Class 9 Science Chapter 6 কলা
Also, you can read SCERT book online in these sections Class 9 Science Chapter 6 কলা Solutions by Expert Teachers as per SCERT (CBSE) Book guidelines. Class 9 Science Chapter 6 কলা These solutions are part of SCERT All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Science in Bengali Chapter 6 কলা for All Subject, You can practice these here…
কলা
Chapter – 6
পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ
প্রশ্ন ১। কলা কি?
উত্তরঃ গঠনগত এবং কার্যগত দিক দিয়ে এক বা অভিন্ন কোষসমষ্টিকে কলা (Tissue) বলা হয়।
প্রশ্ন ২। বহুকোষী প্রাণী বা উদ্ভিদে কলার কি প্রয়োজন?
উত্তরঃ উদ্ভিদ দেহের কলাসমূহ উদ্ভিদকে স্থিতিস্থাপকতা দেয় অর্থাৎ গঠনগত ক্ষমতা প্রদান করে। এই সব কলার বেশীর ভাগই মৃত যেহেতু মৃত কোষ জীবিত কোষের মতই যান্ত্রিক শক্তি দিতে পারে এবং এদের রক্ষণাবেক্ষণ করারও খুব একটা প্রয়োজন হয় না।
আবার প্রাণীরা নিজেদের খাদ্য, সঙ্গী এবং আশ্রয় ইত্যাদির খোঁজে ঘোরাফেরা করতে পারে। এরা উদ্ভিদের চেয়ে বেশী শক্তি খরচ করে। এদের বেশীর ভাগ কলাই জীবিত। উদ্ভিদের বৃদ্ধির সীমাবদ্ধতা থাকে কিন্তু প্রাণীর তা থাকে না। উদ্ভিদের কোন কলা সারাজীবন ধরে বিভাজিত হয় কিন্তু প্রাণীর কলা-কোষের বৃদ্ধি সব জায়গায় সমান থাকে।
প্রশ্ন ৩। বিভিন্ন ধরনের সরল কলার নাম লেখ।
উত্তরঃ বিভিন্ন ধরনের সরল কলা হল-
(a) প্যারেনকাইমা (Parenchyma)
(b) কোলেনকাইমা (Collenchyma)
(c) স্কেরেনকাইমা (Sclerenchyma)
প্রশ্ন ৪। অগ্ৰস্থ ভাজক কলা কোথায় পাওয়া যায় ?
উত্তরঃ অগ্রস্থ ভাজক কলা শিকড় এবং কাণ্ডের অগ্রভাগে থাকে এবং এটি শিকড় এবং কাণ্ডের বৃদ্ধি ঘটায়।
প্রশ্ন ৫। নারকেলের আবরণ কি ধরনের কলা দিয়ে গঠিত ?
উত্তরঃ নারকেলের আবরণ স্কেরেনকাইমা কলা দ্বারা গঠিত। এই কলার কোষগুলি মৃত।
প্রশ্ন ৬। ফ্লোয়েম কলা কি দিয়ে গঠিত ?
উত্তরঃ ফ্লোয়েম কলা চার রকম কোষ দিয়ে গঠিত। এরা হল সীভনল, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা ও ফ্লোয়েম তন্তু।
প্রশ্ন ৭। আমাদের দেহে সঞ্চালন করতে পারা পেশীর নাম কর।
উত্তরঃ আমাদের দেহে সঞ্চালন করতে পারা পেশীর নাম হল- পেশী কোষ (Muscle Cell)
প্রশ্ন ৮। স্নায়ুকোষ কি রকম দেখতে ?
উত্তরঃ একটি স্নায়ুকোষে নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম থাকে এবং লম্বা হয়। এ থেকে চুলের মত অংশ বের হয়। এতে লম্বা অংশ এ্যাক্সন (Axon) এবং শাখাযুক্ত অংশ ডেনড্রাইট (Dendrite) থাকে। এটি 1 মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। নীচে স্নায়ুকোষের চিত্র দেওয়া হল।

প্রশ্ন ৯। হৃৎপেশীর তিনটি গঠনগত বৈশিষ্ট্য লেখ।
উত্তরঃ (i) হৃৎপেশী হল অনৈচ্ছিক পেশী।
(ii) হৃৎপেশীর তত্ত্বসমূহ দীর্ঘ, ঐচ্ছিক পেশীর তন্তুর মত কিন্তু এটি শাখাযুক্ত হয়ে একটি অন্যটির সাথে লেগে থাকে।
(iii) হৃৎপেশীকলার তন্তুগুলোর কোষে মাত্র একটাই কোষকেন্দ্র থাকে।
প্রশ্ন ১০। এ্যারিওলার কলার কাজ কি কি?
উত্তরঃ এ্যারিওলার কলার কাজ হল- এরা বিভিন্ন অঙ্গাণুর মধ্যবর্তী স্থানে থাকে এবং ভিতরের অঙ্গাণুগুলিকে দৃঢ়তা দেয় এবং কলার ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।
অনুশীলনীর প্রশ্নোত্তরঃ
প্রশ্ন ১। ‘কলা’র সংজ্ঞা লিখ।
উত্তরঃ যেসব কোষ আকৃতি, আকার, উৎপত্তির স্থান এবং কাজের দিক থেকে এক গুণবিশিষ্ট সেইসব কোষের সমষ্টিকে একসঙ্গে কলা (Tissue) বলে।
প্রশ্ন ২। কত ধরনের উপাদান মিলে জাইলেম কলা গঠিত হয় ?
উত্তরঃ জাইলেম কলা চাররকম কোষ দিয়ে গঠিত। এরা হল- ট্রাকিড, বাহিকা, জাইলেম প্যারেনকাইমা এবং জাইলেম তন্তু।
প্রশ্ন ৩। উদ্ভিদের সরল কলা ও জটিল কলার পার্থক্য লিখ।
উত্তরঃ
| সরল কলা | জটিল কলা |
| (i) একই ধরনের গঠন, আকৃতি এবং কাজ করা স্থায়ী কোষের সমষ্টিকে সরল কলা বলে। | (i) গঠন এবং আকৃতিতে ভিন্নতা থাকা এবং একই বা ভিন্ন ভিন্ন কাজ করা কোষের সমষ্টিকে জটিল কলা বলে ৷ |
| (ii) সরল কলা তিন প্রকার প্যারেনকাইমা, কোলেনকাইমা এবং স্কেরেনকাইমা। | (ii) জটিল কলা দুই প্রকার- জাইলেম বা বাষ্ট এবং ফ্লোয়েম বাষ্ট। |
| (iii) এটি উদ্ভিদকে শক্তি প্রদান করে। | (iii) এটি উদ্ভিদকে বিস্তারণ শক্তি প্রদান করে। উদ্ভিদগুলি বাতাস, ঝড় ইত্যাদিতে নষ্ট হয় না। |
প্রশ্ন ৪। কোষপ্রাচীরের উপর ভিত্তি করে প্যারেনকাইমা, কোলেনকাইমা এবং স্ক্লেরেনকাইমার পার্থক্য লিখা।
উত্তরঃ প্যারেনকাইমা কলার কোষগুলি সমান ব্যাসযুক্ত, গোলাকৃতি অথবা বহুভুজাকৃতি। কোষগুলি সজীব এবং কোষপ্রাচীর সেলুলোজ দ্বারা গঠিত। কোষে পেকটিন থাকে না। কোষে বায়ুগহ্বর থাকে এবং কোষের মধ্যভাগে একটি বা দুইটি রসধানী দেখা যায়।
কোলেনকাইমা কোষের আকৃতি গোলাকার নহে এবং সামান্য দীর্ঘ আকৃতির। কোষগুলি সজীব এবং কিছু পরিমাণে হরিৎকণা দেখা যায়। কোষে পেক্টিন থাকার জন্য কোষাবরণ শক্ত হয়। কোষে বায়ুগহ্বর থাকে না। কোষের মধ্যভাগে রসধানী দেখা যায় না।
স্ক্লেরেনকাইমা’ কলার কোষ দীর্ঘচ্ছেদে লম্বা এবং দুইপ্রান্ত সূচের মত সরু, প্রস্থচ্ছেদে ষড়ভূজাকৃতি হয়। কোষে লিগনিন থাকার জন্য কোষপ্রাচীর শক্ত ও মোটা হয়। এই কোষগুলো সরু, লম্বা, আঁশের মত হওয়ার জন্যে স্ক্লেরেনকাইমা কোষকে তন্ত্র এবং কলাকে তন্তুকলা বলে।
প্রশ্ন ৫। পত্ররন্ধ্রের কাজ কি কি ?
উত্তরঃ পত্ররন্ধ্রগুলো দুটো করে কিডনীর মত দেখতে রক্ষীকোষ (Guard cell) দিয়ে বেষ্টন করে থাকে। পরিবেশের সাথে গ্যাসের দেওয়া নেওয়াতে এরা উদ্ভিদের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। পত্ররন্ধ্র দিয়ে উদ্ভিদের প্রস্বেদন বা transpiration হয়।
প্রশ্ন ৬। তিন ধরনের পেশীতন্ত্রের পার্থক্য চিত্র সহকারে দেখাও।
উত্তরঃ পেশীতন্ত্র লম্বা লম্বা কোষ দিয়ে গঠিত। পেশীগুলিতে বিশেষ ধরনের প্রোটিন থাকে যাদের সংকোচনশীল বলে, যে প্রোটিন সংকোচন এবং প্রসারণ দ্বারা সঞ্চালন করতে সাহায্য করে।
পেশীতন্ত্র তিন ধরনের-
(i) সরেখ পেশী (Striated muscle)
(ii) মসৃণ পেশী (Smooth muscle
(iii) হৃদ পেশী (Cardiac muscle)
সরেখ পেশী হল একপ্রকার ঐচ্ছিক পেশী। এই কলার প্রতিটি কোষ লম্বা নলাকার, শাখাহীন এবং বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত। মসৃণ পেশী হল অনৈচ্ছিক পেশী। এই পেশীর কোষ লম্বা, মাকুর আকারের এবং একটিমাত্র নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়।
হৃদ পেশী ছন্দময় সংকোচন এবং প্রসারণ ঘটায়। এই পেশীর কোষ বেলনাকার বা নলাকার এবং একটি নিউক্লিয়াস যুক্ত।
নীচে তিন ধরনের পেশীতন্ত্রের চিত্র দেওয়া হল-

প্রশ্ন ৭। হৃদপেশীর নির্দিষ্ট কাজ কি ?
উত্তরঃ হৃদপেশীর নির্দিষ্ট কাজ হল হৃদপিন্ডের পেশীর ছন্দময় সংকোচন ও প্রসারণ ঘটানো।
প্রশ্ন ৮। আকৃতি এবং অবস্থান বিচার করে সরেখ, অরেখ এবং হৃদপেশীর পার্থক্য বোঝাও।
উত্তরঃ (i) সরেখ বা ঐচ্ছিক পেশী দীর্ঘ, চোঙাকৃতি, শাখাবিহীন তত্ত্বকোষ দ্বারা গঠিত। কোষ প্ররসে একাধিক কোষকেন্দ্র পাওয়া যায়। পেশীতন্তুগুলির গায়ে অনুপস্থভাবে কিছু স্বচ্ছ এবং অস্বচ্ছ রেখা থাকে। এদের পেশীতে সারকোলেমা নামক একটি আবরণ থাকে।
(ii) অরেখ বা অনৈচ্ছিক পেশী দীর্ঘ এবং টাকু আকৃতির কিন্তু পেশীতত্ত্ব দ্বারা গঠিত। তন্তুগুলির কোষ প্ররসে একটি স্পষ্ট কোষ কেন্দ্র থাকে। এদের গায়ে কোন অনুপ্রস্থীয় রেখা থাকে না। এই পেশীর তন্তুকোষে সারকোলেমা থাকে না।
(iii) হৃদপেশীর পেশী অনৈচ্ছিক এবং তত্তসমূহ দীর্ঘ, কিন্তু এটি শাখাযুক্ত হয়ে একটি অন্যটির সঙ্গে সংযোজিত থাকে। তন্তুগুলির অনুপ্রস্থীয় রেখা থাকে না। এই কলার তন্তুকোষে একটি মাত্র কোষকেন্দ্র থাকে।
প্রশ্ন ৯। স্নায়ুকোষের লেবেল চিত্র আঁক।
উত্তরঃ

প্রশ্ন ১০। নীচের বাক্যগুলো পড়ে নাম লেখ ।
(a) আমাদের মুখগহ্বরের ভেতরের ত্বক বা আবরণের কলা।
(b) মানুষের দেহে পেশীকে অস্থির সঙ্গে যুক্ত করে যে কলা।
(c) উদ্ভিদের দেহে যে কলা খাদ্য সংবহন করে।
(d) আমাদের দেহে যে কলা চর্বি সংরক্ষণ করে।
(e) ম্যাট্রিক্স তরলসহ যোগকলা।
উত্তরঃ (a) স্কোয়ামাস্ এপিথিলিয়াম (Squamous epithelium)
(b) টেন্ডন (Tendon)
(c) ফ্লোয়েম (Floem)
(d) এডিপোস্ টিসু (Adipose tissue)
(e) রক্ত (Blood)
প্রশ্ন ১১। নীচের অঙ্গে যে সব কলা থাকে তাদের নাম বল।
ত্বক, গাছের ছাল, অস্থি, বৃক্কনলীকার ভেতরের ত্বক, সংবহন কলা।
উত্তরঃ ত্বক – সোজা স্কোয়ামাস্ এপিথিলিয়াম। গাছের ছাল : কর্ক সংরক্ষক কলা।
অস্থি – সংযোজক কলা।
বৃক্কনলীকার ভেতরের ত্বক – ঘনকাকার। এপিথিলিয়াম।
সংবহন কলা – পরিবহণ কলা।
প্রশ্ন ১২। প্যারেনকাইমা কলা যে অঞ্চলে পাওয়া যায় সেই অঞ্চলের নাম কি ?
উত্তরঃ প্যারেনকাইমা সাধারণতঃ কর্টেক্স (Cortex) এবং মূল ও কাণ্ডের মধ্যে থাকে। এতে ক্লোরোফিল থাকলে তখন একে বলা হয় ক্লোরেনকাইমা ইহা সবুজ পাতায় দেখা যায়।
প্রশ্ন ১৩। উদ্ভিদের বহিঃত্বকের কাজ কি ?
উত্তরঃ উদ্ভিদের বহিঃত্বক উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান করে। এটি উদ্ভিদকে সমস্ত অংশে দৃঢ়তা দেয়। কোষের এপিডারমিস্ সর্বদা নতুন নতুন স্তর গঠন করে উদ্ভিদকে নিরাপত্তা প্রদান করে।
প্রশ্ন ১৪। কর্ক কিভাবে রক্ষণকারী কলা হিসাবে কাজ করে ?
উত্তরঃ গাছের বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে বাইরের রক্ষণকারী কোষের পরিবর্তন দেখা যায়। কাণ্ডের বহিঃক্তক-এর কোষ নষ্ট হলে সেই জায়গায় গৌণ ভাজক কলা গঠিত হয়। এই স্তরের বাহিরের দিকের কোষগুলো নষ্ট হয়। এইভাবে কয়েকটা স্তরযুক্ত হয়ে পুরু কর্ক জাতীয় গাছের ছাল সৃষ্টি হয়। কর্কের কোষগুলো মৃত হয় এবং কোষ মধ্যবর্তী অঞ্চল ছাড়া কোষগুলো ঘনভাবে সজ্জিত থাকে।

তাদের প্রাচীরে সুবেরিন নামক একরকম রাসায়নিক পদার্থ থাকে যারা এই কোষগুলোকে গ্যাস বা জল চলাচল করতে দেওয়া থেকে আটকায় বা বাধা দেয়।
প্রশ্ন ১৫। নীচের তালিকা সম্পূর্ণ কর।

উত্তরঃ

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

Hi! my Name is Parimal Roy. I have completed my Bachelor’s degree in Philosophy (B.A.) from Silapathar General College. Currently, I am working as an HR Manager at Dev Library. It is a website that provides study materials for students from Class 3 to 12, including SCERT and NCERT notes. It also offers resources for BA, B.Com, B.Sc, and Computer Science, along with postgraduate notes. Besides study materials, the website has novels, eBooks, health and finance articles, biographies, quotes, and more.


