Class 9 Science Chapter 1 আমাদের পরিবেশে থাকা পদার্থ

Class 9 Science Chapter 1 আমাদের পরিবেশে থাকা পদার্থ Notes to each chapter is provided in the list so that you can easily browse throughout different chapter Class 9 Science Chapter 1 আমাদের পরিবেশে থাকা পদার্থ and select needs one.

Class 9 Science Chapter 1 আমাদের পরিবেশে থাকা পদার্থ

Join Telegram channel
Follow us:
facebook sharing button
whatsappp sharing button
instagram sharing button

Also, you can read SCERT book online in these sections Class 9 Science Chapter 1 আমাদের পরিবেশে থাকা পদার্থ Solutions by Expert Teachers as per SCERT (CBSE) Book guidelines. Class 9 Science Chapter 1 আমাদের পরিবেশে থাকা পদার্থ These solutions are part of SCERT All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Science in Bengali Chapter 1 আমাদের পরিবেশে থাকা পদার্থ for All Subject, You can practice these here…

আমাদের পরিবেশে থাকা পদার্থ

               Chapter – 1

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ

প্রশ্ন ১। নীচের কোনগুলি পদার্থ?

চেয়ার, বায়ু, ভালবাসা, গন্ধ, ঘৃণা, বাদাম, চিন্তা, ঠাণ্ডা, ঠাণ্ডা পানীয়, পারফিউমের গন্ধ।

উত্তরঃ চেয়ার, বায়ু, বাদাম, ঠাণ্ডা পানীয় এবং পারফিউমের গন্ধ হল পদার্থ।

প্রশ্ন ২। কারণ দর্শাও- ভাজা হচ্ছে এমন গরম ও রসালো খাবারের গন্ধ কয়েক মিটার দূর থেকেই ভেসে আসে কিন্তু ঠাণ্ডা খাবারের গন্ধ পেতে হলে কাছে যেতে হয়।

উত্তরঃ গরম কোনো খাদ্যের গন্ধ অনেক দূরের থেকে আমরা পাই কারণ গরম পদার্থ খুব তাড়াতাড়ি পরিব্যাপ্ত হয় কিন্তু ঠাণ্ডা পদার্থ পরিব্যাপ্ত হতে অনেক সময় লাগে বলে পদার্থটির খুব কাছে যেতে হয়।

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Join Now

প্রশ্ন ৩। সুইমিং পুলে ডুবুরী জল ভেদ করে চলে যায়। পদার্থের কোন ধর্ম এটাতে পরিলক্ষিত হয়?

উত্তরঃ জলের কণাগুলি একে অপরকে আকর্ষণ করে। কিন্তু এই আকর্ষণ বল খুব শক্তিশালী না হওয়ার জন্য সুইমিং পুলে একজন ডুবুরী অতি অনায়াসে জল কেটে অগ্রসর হতে পারে।

প্রশ্ন ৪। পদার্থের কণাগুলোর বৈশিষ্ট্যগুলো কি কি?

উত্তরঃ পদার্থের কণাগুলির বৈশিষ্ট্য হল-

(ক) পদার্থের কণাগুলির মধ্যে যথেষ্ট জায়গা থাকে।

(খ) পদার্থের কণাগুলি সর্বদা স্থান পরিবর্তন করতে থাকে ফলে এরা গতিশক্তি লাভ করে।

(গ) পদার্থের কণাগুলি একে অপরকে আকর্ষণ করে। এবং এই আকর্ষণ বল বিভিন্ন পদার্থের ক্ষেত্রে বিভিন্ন হয়।

প্রশ্ন ৫। কোন একটি পদার্থের প্রতি একক আয়তনে থাকা ভরই হচ্ছে পদার্থটির ঘনত্ব।

(ঘনত্ব = ভর/আয়তন) 

নিম্নোক্ত পদার্থগুলোকে ক্রমবর্ধমান ঘনত্ব হিসাবে সাজাও- বায়ু, চিমনী থেকে নির্গত অনাবশ্যক গ্যাস, মধু, জল, চক, তুলো এবং লোহা।

উত্তরঃ বায়ু < চিমনী হতে নির্গত অনাবশ্যক গ্যাস < তুলো < জল < মধু চেক < লোহা।

প্রশ্ন ৬। (ক) পদার্থের বিভিন্ন অবস্থার বৈশিষ্ট্যসমূহের পার্থক্যগুলো তালিকাবদ্ধ কর।

(খ) নিম্নলিখিতগুলো সম্বন্ধে যা জান লিখ –

কাঠিন্য, সংকোচনশীলতা, প্রবাহীতা, গ্যাসপাত্রকে গ্যাস দিয়ে পূর্ণ করা, আকৃতি, গতিশক্তি এবং ঘনত্ব।

উত্তরঃ

কঠিনতরলগ্যাসীয়
১। এরা খুব শক্ত এবং সহজে সংকোচনশীল হয় না।১। এরা শক্ত নয় এবং ছোটো ছোটো অণুতে সহজেই সংকুচিত হয়।১। এরা শক্ত নয় এবং অতি সহজেই সংকুচিত হয়।
২। এদের নির্দিষ্ট আকার এবং আয়তন আছে।২। এদের নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু এরা পাত্রের আকার ধারণ করে।২। এদের নির্দিষ্ট কোন আকার বা আয়তন নাই।
৩। এতে জলীয় পদার্থ পদার্থ থাকে না এবং এরা প্রবাহিত হতে পারে না।৩। এরা পিচ্ছিল এবং উপর হতে নীচে প্রবাহিত হয়।৩। এরা সবদিকে প্রবাহিত হতে পারে।
৪। পাত্র ছাড়াও এদের রাখা যায়।৪। এদের যে কোন পাত্রে রাখা যায়।৪। এদের বন্ধ পাত্রে রাখতে হয়।
৫। এদের আন্তঃ আণবিক বল খুব বেশী।৫। এদের আন্তঃআনবিক বল কঠিন হতে কম কিন্তু গ্যাসীয় হতে বেশী।৫। এদের আন্তঃ আণবিক বল খুবই কম।
৬। আন্তঃ আণবিক ফাঁক কম।৬। আন্তঃ আণবিক ফাঁক কঠিন হতে বেশী কিন্তু তরল হতে কম।৬। এদের আন্তঃ আণবিক ফাঁক সবচেয়ে বেশী।

(খ) কাঠিন্য (Rigidity) – কাঠিন্যর অর্থ হল যে এদের আকারের পরিবর্তন সহজে সম্ভব নয়। যেকোন কঠিন পদার্থই হল কাঠিন্য যুক্ত।

সংকোচনশীলতা (Compressibility) – ইহার অর্থ হইল যেকোন বল প্রয়োগ করে বস্তুর আয়তন কমানো বা সংকুচিত করা যায়।

প্রবাহীতা (Fluidity) – এর অর্থ হল যে কোন তরল পদার্থ যা অতি অনায়াসে একস্থান হতে নীচের দিকে গতি করতে পারে।

গ্যাস পাত্রকে গ্যাস দিয়ে পূর্ণ করা – গ্যাসের কণাগুলির মধ্যে নিজস্ব কোনো আকর্ষণ বল থাকে না ফলে এরা যে কোন দিকে যেতে পারে। এই ধর্মের উপর ভিত্তি করে গ্যাস পাত্রকে গ্যাস দ্বারা পূর্ণ করা হয়।

আকৃতি – এর অর্থ হল নির্দিষ্ট সীমা।

গতিশক্তি – এর অর্থ হল এক ধরনের শক্তি যার দ্বারা কোন পদার্থ গতিশীল হতে পারে।

ঘনত্ব – ইহা প্রতি একক আয়তনে ভর বুঝায়। অর্থাৎ ঘনত্ব = ভর /আয়তন।

প্রশ্ন ৭। কারণ দর্শাও-

(ক) যে পাত্রে গ্যাস রাখা হয় সেই পাত্রটি সম্পূর্ণভাবে গ্যাস দ্বারা পূর্ণ হয়।

(খ) গ্যাস যে পাত্রে থাকে সেই পাত্রের দেওয়ালে চাপ সৃষ্টি করে।

(গ) একটি কাঠের টেবিলকে কঠিন পদার্থ বলা হয়।

(ঘ) আমরা সহজেই বাতাসের মধ্য দিয়ে হাত চালাতে পারি কিন্তু কাঠের খণ্ডের মধ্য দিয়ে তা করতে হলে একজন ক্যারাটে অভিজ্ঞের প্রয়োজন হবে।

উত্তরঃ (ক) কোন পাত্রে সম্পূর্ণভাবে গ্যাস ভর্তি থাকা বলতে আমরা বুঝি যে, গ্যাসের কণাগুলির মধ্যে কোনো আকর্ষণ বল থাকে না ফলে ওরা যেকোন দিকে যাতায়াত করতে পারে এবং নিজেদের নির্দিষ্ট সীমারেখ মধ্য থাকতে চায়।

(খ) গ্যাসের কণাগুলি সর্বদা উচ্চগতির সাথে সবদিকে গতিশীল হয়। ফলে ওরা নিজেদের মধ্যে এবং পাত্রের দেওয়ালে আঘাত করে। প্রতি বর্গ একক জায়গায় পদার্থ কণাগুলি যে বল প্রয়োগ করে তাই হল ওর উপর চাপ।

(গ) কাঠের টেবিলকে কঠিন বলা হয় কারণ বাইরের থেকে কোনো বল প্রয়োগ করলেও টেবিলের আকারের কোন পরিবর্তন হয় না।

(ঘ) বায়ুতে আমরা আমাদের হাত অনায়াসে ঘোরাতে পারি কারণ বায়ুর গ্যাসীয় কণাগুলি দূরে দূরে থাকে এবং তাদের মধ্যে কোনো আকর্ষণ বল থাকে না। কিন্তু কাঠের একটি টুকরার মধ্যে কণাগুলি’ দৃঢ়ভাবে একসঙ্গে লেগে থাকে ফলে তাদের পৃথক করতে অনেক শক্তির প্রয়োজন। সেইজন্য কাঠের টুকরার মধ্যে আমরা সহজে হাত ঘুরাতে পারি না।

প্রশ্ন ৮। সাধারণত তরল পদার্থের ঘনত্ব কঠিন পদার্থের ঘনত্ব থেকে কম। কিন্তু বরফ জলে ভাসে কেন?

উত্তরঃ তরলের ঘনত্ব কঠিন হতে অনেক কম। কিন্তু বরফের ক্ষেত্রে আমরা দেখতে পাই যে বরফ কঠিন হওয়া সত্ত্বেও জলে ভাসে। কারণ বরফের মধ্যে জলের কণাগুলি অনেক খালি স্থান সৃষ্টি করে রাখে। ফলে বরফ জল অপেক্ষা হাল্কা হয় এবং এর ঘনত্ব কম হয়। সেইজন্য আমরা দেখতে পাই যে বরফ কঠিন হওয়া সত্ত্বেও জলের উপর ভেসে থাকে।

প্রশ্ন 9. নিম্নোক্ত উষ্ণতাগুলোকে সেলসিয়াস স্কেলে পরিণত কর-

(ক) 300k.

(খ) 573k.

উত্তরঃ (ক) 300k

= (300 – 273) °C

= 27°C

(খ) 573k

= (573 – 273) °C

= 300 °C

প্রশ্ন 10. জলের ভৌতিক অবস্থা কি হবে নিম্নোক্ত উষ্ণতায়।

(ক) 250 °C 

(খ) 100 °C

উত্তরঃ (ক) 250°C- এ জলের জৈবিক অবস্থা হবে গ্যাসীয় অবস্থা।

(খ) 100°C-এ জলের ভৌতিক অবস্থা হবে জল এবং বাষ্পের মধ্যে সমতা বজায় রাখা।

প্রশ্ন ১১। কোন পদার্থের অবস্থা পরিবর্তনের সময় উষ্ণতা কেন স্থির থাকে?

উত্তরঃ আকারের পরিবর্তনের সময় তাপমাত্রা সর্বদা একই থাকে। কারণ এইসময় বস্তুর মধ্যে যে তাপ দেওয়া হয় তা বস্তুর আকারের পরিবর্তন ঘটায়। এই তাপ হল পদার্থের লীন তাপ।

প্রশ্ন ১২ বায়ুমণ্ডলের গ্যাসের তরলীকরণের একটি উপায় প্রস্তাব কর।

উত্তরঃ নিম্ন উষ্ণতায় উচ্চচাপ প্রয়োগ করলে বায়ুমণ্ডলের গ্যাসীয় কণা তরলে পরিণত হয়।

প্রশ্ন ১৩ গরম শুষ্কদিনে ডেসার্ট কুলার (Desert Cooler) কেন বেশী ভালোভাবে ঠাণ্ডা করতে পারে?

উত্তরঃ গরম এবং শুষ্ক দিনে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং আর্দ্রতা হ্রাস পায়। এই উষ্ণতা এবং আর্দ্রতা জলীয় বাষ্প বৃদ্ধির জন্য দায়ী। এর জন্য গরম শুষ্ক দিনে ডেসার্ট কুলার (Desert Cooler) বেশী ভালভাবে ঠাণ্ডা করতে পারে।

প্রশ্ন ১৪। গ্রীষ্মকালে মাটির পাত্রে (মটকা) রাখা জল কিভাবে ঠাণ্ডা হয়?

উত্তরঃ গরমের দিনে মাটির পাত্রে বা মটকাতে জল রাখলে তা খুব শীঘ্রই ঠাণ্ডা হয়ে যায় কারণ মাটির পাত্র হতে অতি সহজে জল বাষ্পীভূত হতে পারে।

প্রশ্ন ১৫। হাতের তালুতে এসিটোন বা পেট্রোল বা কোন সুগন্ধি দ্রব্য ঢাললে আমরা কেন ঠাণ্ডা অনুভব করি?

উত্তরঃ এসিটোন বা পেট্রোল বা কোন সুগন্ধী হল উদ্বায়ী তরল পদার্থ যা অতি সহজেই বাষ্পীভূত হতে পারে এবং নিম্নস্থিরাঙ্ক বিশিষ্ট। সুতরাং এদের হাতের পাতায় নিলে বাষ্পীভবনের জন্য অতিরিক্ত শক্তি শোষণ করে হাতের পাতাকে ঠাণ্ডা রাখে।

প্রশ্ন ১৬। গরম চা বা দুধ আমরা কাপের চেয়ে প্লেট থেকে তাড়াতাড়ি চুমুক দিয়ে খেতে পারি কেন?

উত্তরঃ চা বা গরম দুধ কাপ অপেক্ষা প্লেটে রাখলে তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হয়। কারণ প্লেটের পার্শ্বতলের কালি কাপের পার্শ্বতলের কালি অপেক্ষা বেশী। ফলে বাষ্পীভবনের পরিমাণ প্লেটে বেশী হয়। সেইজন্য গরম চা বা দুধ কাপের পরিবর্তে প্লেটে নিয়ে মুখে দিলে অতিসহজেই তা সেবন করা যায়।

প্রশ্ন ১৭। গ্রীষ্মকালে কি ধরনের পোষাক পরিধান করা উচিত?

উত্তরঃ গরমের দিনে আমরা সাধারণতঃ- সুতির জামা-কাপড় পরিধান করি। কারণ গরমের দিনে আমাদের ঘাম বের হয়। সুতির জামা-কাপড় অতি সহজে তা শোষণ করে বাষ্পীভূত করে দেয়। ফলে আমাদের আরাম অনুভূত হয়।

অনুশীলনীর প্রশ্নোত্তরঃ

প্রশ্ন ১। নিম্নোক্ত উষ্ণতাগুলোকে সেলসিয়াস স্কেলে পরিবর্তিত কর-

(ক) 293k.

(খ) 470k.

উত্তরঃ (ক) 293k

= ( 293 – 273) °C

= 20 °C

(খ) 470k

= (470 – 273) °C

= 197 °C

প্রশ্ন ২। নিম্নোক্ত উষ্ণতাগুলোকে কেলভিন স্কেলে পরিবর্তিত কর-

(ক) 25 °C.

(খ) 373 °C.

উত্তরঃ (ক) 25 °C = (25 + 273) 

                        k = 298 k

(খ) 373 °C = (373 + 273) 

               k = 646

প্রশ্ন ৩। কারণ দর্শাও-

(ক) নেপথেলিন বল সময়ের সাথে সাথে অদৃশ্য হয়ে যায় কোন অবশিষ্টাংশ না রেখেই।

(খ) কয়েক মিটার দূর থেকেও আমরা সুগন্ধি দ্রব্যের (Perfume) গন্ধ পাই।

উত্তরঃ (a) নেপথেলিনকে উত্তাপের সাহায্যে বাষ্পে পরিণত করে পুনরায় একে কঠিন করা যায়। নেপথেলিন সহজেই বাষ্পীভূত হয়ে যায় বলে ইহা অদৃশ্য হয়। অর্থাৎ নেপথেলিনের কোন কঠিন অবস্থা থাকে না।

(b) পারফিউম বা সুগন্ধীর বাষ্পীভূত হওয়ার মাত্রা খুব বেশী সেই জন্য সুগন্ধী খুব সহজেই বায়ুর সাথে মিশে যায়। এইজন্য আমরা অনেক দূরে বসে থাকলেও গন্ধ আমাদের নাকে আসে।

প্রশ্ন ৪। পদার্থের কণাগুলির মধ্যে থাকা আকর্ষণ বলের ক্রমবর্ধমান মান অনুযায়ী নিম্নলিখিত পদার্থগুলোকে সাজাও-  জল, চিনি, অক্সিজেন।

উত্তরঃ জল, চিনি এবং অক্সিজেনের আকর্ষণী বল-এর ঊর্দ্ধক্রম হল- অক্সিজেন < জল < চিনি।

প্রশ্ন ৫। নিম্নোক্ত উষ্ণতায় জলের ভৌতিক অবস্থা কি?

(ক) 25 °C.

(খ) 0 °C. 

(গ) 100 °C.

উত্তরঃ (ক) 25 °C তে জল তরল অবস্থায় থাকে।

(খ) 0 °C তে জল কঠিন (বরফ) অবস্থায় থাকে।

(গ) 100 °C – এ জল বাষ্পীভূত হয়।

প্রশ্ন ৬। দুটো কারণ উল্লেখ করে যথার্থতা দেখাও-

(ক) সাধারণ উষ্ণতায় জল একটি তরল পদার্থ।

(খ) সাধারণ উষ্ণতায় লোহার আলমারী হচ্ছে কঠিন পদার্থ।

উত্তরঃ (ক) সাধারণ তাপমাত্রায় জল তরল হয়। কারণ ইহা নীচের দিকে প্রবাহিত হয় এবং পাত্রের আকার ধারণ করে।

(খ) লোহার আলমারি কঠিন হয় কারণ ইহা দৃঢ় এবং এর নির্দিষ্ট আকার আছে।

প্রশ্ন ৭। 273k উষ্ণতায় থাকা বরফ এবং একই উষ্ণতায় থাকা জল- এই দুটির মধ্যে বরফ কেন বেশী ঠাণ্ডা করতে পারে?

উত্তরঃ 273k উষ্ণতায় বরফ জল হতে কম শক্তি ধারক। এবং এই শক্তির পার্থক্য হল লীনতাপের গলন।

প্রশ্ন ৮। দাহজনিত ক্ষত কোনটির ক্ষেত্রে বেশী হয়- ফোটানো জল না জলীয় বাষ্প?

উত্তরঃ ফুটন্ত জল অপেক্ষা বাষ্পের শক্তি ধারণ ক্ষমতা বেশী সেই জন্য বাষ্পে শরীরের বেশী পুড়ে যায়। ফুটন্ত জলও শরীরের ক্ষতি করে তবে এটি চামড়ার সাথে বহু সময় ধরে থাকে।

প্রশ্ন ৯। নীচে দেওয়া অবস্থার পরিবর্তন দর্শানো চিত্রে A, B, C, D, E, এবং F -এর নাম লিখ-

উত্তরঃ 

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তরঃ

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

This will close in 0 seconds

Scroll to Top