Class 9 Science Chapter 7 জীবের বৈচিত্র্য

Class 9 Science Chapter 7 জীবের বৈচিত্র্য Notes to each chapter is provided in the list so that you can easily browse throughout different chapter Class 9 Science Chapter 7 জীবের বৈচিত্র্য and select needs one.

Class 9 Science Chapter 7 জীবের বৈচিত্র্য

Join Telegram channel
Follow us:
facebook sharing button
whatsappp sharing button
instagram sharing button

Also, you can read SCERT book online in these sections Class 9 Science Chapter 7 জীবের বৈচিত্র্য Solutions by Expert Teachers as per SCERT (CBSE) Book guidelines. Class 9 Science Chapter 7 জীবের বৈচিত্র্যThese solutions are part of SCERT All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Science in Bengali Chapter 7 জীবের বৈচিত্র্য for All Subject, You can practice these here…

জীবের বৈচিত্র্য

               Chapter – 7

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ

প্রশ্ন ১। আমরা কেন জীবের শ্রেণিবিভাগ করি ?

উত্তরঃ জীবের শ্রেণিবিভাগ করার কারণ হল-

(i) শ্রেণিবিভাগের দ্বারা বিভিন্ন প্রজাতির জীবকে অধ্যয়ন করতে সুবিধা হয়।

(ii) এর দ্বারা সমস্ত ধরনের জীবের একটি পরিষ্কার চিত্র চোখের সম্মুখে দেখা যায়। 

(iii) ইহা বিভিন্ন শ্রেণির জীবের মধ্যে থাকা সম্পর্ককে আমাদের বুঝতে সাহায্য করে। 

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Join Now

(iv) ইহা উদ্ভিদ এবং প্রাণীর ভৌগোলিক বিন্যাসে সাহায্য করে।

(v) ইহা বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখার সহিত সম্পর্ক রাখে, যেমন- কৃষি, জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ বিজ্ঞান ইত্যাদি।

প্রশ্ন ২। তুমি তোমার চারিপাশে দেখতে পাও এরকম তিনটি বৈচিত্র্য থাকা জীবের উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ উদাহরণসহ বিভিন্ন বৈচিত্র্য হল-

(i) রং – যেমন কিছু কিছু জীবের রং একই মনে করি সাদা থাকে, গরু, ঘোড়া, কুকুর ইত্যাদি। কিছু কিছু পাখি উভচর বর্ণের হয় আবার ফুলের রংও উজ্জ্বল হয়।

(ii) আবার – কিছু জীব এত ছোট যে খালি চোখে দেখা যায় না, যেমন- এ্যামিবা। আবার কিছু জীব খুব বড় হয়, যেমন- মহিষ, গরু ইত্যাদি।

(iii) সময় – যেখানে গরু, কুকুর বছরের পর বছর বাসা করে সেখানে কিছু দিনের জন্য হলেও মশা থাকে।

প্রশ্ন ৩। বিভিন্ন জীবের শ্রেণিবিভাগ করার জন্য মৌলিক বৈশিষ্ট্য কি বলে মনে কর ?

(a) বসবাস করার স্থান।

(b) যে সব কোষ দিয়ে তাদের দেহ গঠিত। কেন?

উত্তরঃ শ্রেণি বিভাজনের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য হল- যে সব জীবের সুষ্ঠু নিউক্লিয়াস বা অন্যান্য কোষ অংগাণু থাকে না তাদের বিভিন্ন উপায়ে জৈব রাসায়নিক পদ্ধতির উপর নির্ভর করতে হয়। তাই প্রত্যেক কোষের গঠন বা কাজের উপর এর প্রভাব পড়ে। আবার নিউক্লিয়াসযুক্ত কোষ বিশেষ বিশেষ কাজ করতে পারার ক্ষমতা থাকার জন্যে বহুকোষী জীব সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়।

যে সমস্ত কোষ শ্রেণিবদ্ধভাবে থাকে তারা নিজেদের কাজ নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়। এই প্রকার দেহের সব কোষ এক রকম দেখতে হয় না। তার বদলে অনেক কোষ একসঙ্গে বিশেষ কাজ করতে পারে। এর ফলে বিভিন্ন জীবের দেহের আকৃতি বিভিন্ন রকম হয়। ফলে এমিবা বা অন্য কৃমির মধ্যে অনেক বৈসাদৃশ্য আছে।

যে সব জীব নিজেদের খাদ্য তৈরী করতে পারে তাদের থেকে যারা নিজেদের খাদ্যের জন্য অন্যের উপর নির্ভর করে তারা অনেক আলাদা।

উদ্ভিদের শ্রেণিবিভাগ করতে দেহের আকৃতির বিশেষত্ব একটি উদ্ভিদকে একটি প্রাণী থেকে পৃথক করে দেয়। কারণ মৌলিক আকার আকৃতি পৃথক, উদ্ভিদের ক্ষেত্রে নিজেদের খাদ্য প্রস্তুত করার জন্য প্রয়োজনীয় আকৃতি প্রাণীর ক্ষেত্রে নিজের খাদ্য প্রস্তুত না করার জন্য প্রয়োজনীয় আকৃতির মধ্যে বিস্তর পার্থক্য আছে। অতএব এইসব আকৃতিগত পার্থক্য বড় বড় শ্রেণিতে বিভক্ত না করে ছোট ছোট শ্রেণিতে বিভক্ত করতে সাহায্য করে।

প্রশ্ন ৪। জীবের প্রথম শ্রেণিবিভাগ করতে প্রধান বৈশিষ্ট্য কি ?

উত্তরঃ যখন আমরা কোনও পৃথক শ্রেণি তৈরী করতে চাই, তখন আমাদের দেখতে হবে যে এই ধরনের প্রাণীদের কোন্ কোন্ বৈশিষ্ট্য এক। এইসব বৈশিষ্ট্য হল আকৃতি, বা ব্যবহারের বিশদ বিবরণ অর্থাৎ তাদের গঠন বা কার্য।

প্রশ্ন ৫। কিসের উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদ এবং প্রাণীকে পৃথক পৃথক শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয় ?

উত্তরঃ খাদ্যের উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদ এবং প্রাণীকে পৃথক পৃথক শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়।

যেমন- উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজেরা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার দ্বারা প্রস্তুত করে অপরদিকে প্রাণীরা বাইরে থেকে খাদ্য গ্রহণ করে।

প্রশ্ন ৬। কোন্ কোন্ জীবকে পুরাতন বলা হয় এবং তারা কিভাবে তথাকথিত নবীন প্রজন্মের থেকে পৃথক ?

উত্তরঃ যে সমস্ত জীবের মধ্যে বেশী পরিবর্তন হয় না সেই সমস্ত জীবকে পুরাতন (Primitive) বলা হয়।

নবীন প্রজন্মের জীবের দৈহিক গঠনে কিছু অর্জিত গুণের ফলে পরিবর্তন লক্ষিত হয়।

পুরাতন অপেক্ষা নবীন প্রজন্মের জীবের গঠন জটিল হয়।

প্রশ্ন ৭। নবীন প্রজন্মের জীবেরাই কি জটিল জীব ? কেন ?

উত্তরঃ নবীন প্রজন্মের জীবরাই জটিল জীব কারণ এদের বেঁচে থাকার জন্য রীতিমত সংগ্রাম করতে হয় ফলে গঠনগত পরিবর্তন এবং উচ্চাকাঙ্খাযুক্ত মনোভাবের জন্য এরা নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করে।

প্রশ্ন ৮। মোনেরা বা প্রোটিষ্টা রাজ্যের অন্তর্গত জীবের শ্রেণীবিভাগের জন্য কি কি লক্ষণ থাকা প্রয়োজন ?

উত্তরঃ মোনেরা (Monera) – এই শ্রেণীর জীবের কোষে নিউক্লয়াস বা অন্যান্য কোষ অংগাণু থাকে না বা এদের কারোর বহুকোষী জীবের দৈহিক গঠন হয় না। এদের কারও কারও কোষের কোষপ্রাচীর থাকে আবার কারও থাকে না।

কারও কারও নিজের খাদ্য তৈরী করার ক্ষমতা থাকে (স্বভোজী) আবার কেউ কেউ খাদ্যের জন্য পরিবেশের উপর নির্ভর করে (পরভোজী)। এই শ্রেণিতে ব্যাক্টেরিয়া, নীল-সবুজ শৈবাল বা সারানো ব্যাক্টেরিয়া এবং মাইকোপ্লাজমা পড়ে।

প্রটিষ্টা (Protista) – এই বিভাগে অনেক ধরনের এককোষী ইউকেরিওটিক জীব আছে। এদের মধ্যে অনেকে উপাঙ্গ ব্যবহার করে, যেমন-

চলাফেরার জন্য চুলের মত দেখতে লোম (Cilia) অথবা চাবুকের আকৃতির ফ্ল্যাজেলা ব্যবহার করে। এদের পুষ্টির পদ্ধতি স্বপোষণ বা পরপোষণ হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ শৈবাল, ডায়াটম এবং প্রোটোজোয়া।

প্রশ্ন ৯। এককোষী, ইউক্যারিওটিক এবং সালোকসংশ্লেষণ করতে পারা জীবকে তুমি কোন শ্রেণিতে রাখবে ?

উত্তরঃ প্রটিষ্টা (Protista)

প্রশ্ন ১০। শ্রেণিবিভাগের বর্গক্রমে বা হায়ার আর্কিতে কোন দলের সবচাইতে বেশী সাধারণ বৈশিষ্ট্য থাকা সবচেয়ে কম সংখ্যার জীব বা সবচাইতে বেশী সংখ্যার জীব থাকে ?

উত্তরঃ প্রজাতি (Species) তে সবচেয়ে বেশী সাধারণ বৈশিষ্ট্য থাকা সবচেয়ে কম সংখ্যার জীব এবং রাজ্যে (kingdom) সবচেয়ে বেশি সংখ্যক জীব থাকে।

প্রশ্ন ১১। উদ্ভিদের কোন বিভাগে সবচাইতে সরল জীবগুলো অবস্থিত ?

উত্তরঃ থেলাফাইটা (Thallophyta)

প্রশ্ন ১২। টেরিডোফাইট এবং সপুষ্পক উদ্ভিদের মধ্যে পার্থক্য কি ?

উত্তরঃ টেরিডোফাইট গোষ্ঠী বা দলের উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড এবং পাতায় গঠিত এবং এদের একস্থান থেকে অন্যস্থানে জল বা অন্যান্য বস্তু সংবহন করার জন্য বিশেষ কলা যেমন সংবহন কলা থাকে। উদাহরণস্বরূপ- মার্শেলিয়া, ফার্ন এবং হর্সটেইল।

অপরদিকে যে সব উদ্ভিদের সুগঠিত প্রজনন অংশ থাকে এবং বীজ ধারণ করে সেই সব উদ্ভিদকে সপুষ্পক উদ্ভিদ বা ফ্যানেরোগাম (Phanerogam) বলে। প্রজনন পদ্ধতির ফলে বীজ উৎপন্ন হয়। বীজের ভিতর খাদ্যসহ ভ্রুণ থাকে এবং অংকুরনের সময় এই খাদ্যই ভ্রুণের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

প্রশ্ন ১৩। ব্যক্তবীজী বা নগ্নবীজী উদ্ভিদ এবং গুপ্তবীজী উদ্ভিদের মধ্যে কি কি পার্থক্য থাকে ?

উত্তরঃ 

নগ্নবীজীগুপ্তবীজী
(ক) এদের বীজ ফল দ্বারা আবৃত নয়।(ক) এদের বীজ ফল দ্বারা আবৃত।
(খ) এরা বৃক্ষজাতীয়, কাণ্ড কাষ্ঠল এবং শক্ত, বহুবর্ষজীবী, ফুলগুলি একলিঙ্গ।(খ) এরা শাক-বনজাতীয় হতে আগাছা, বৃক্ষ এবং লতা জাতীয় হয়।
(গ) সাইকাম্, পাইন, নেটাস, টেক্লাম্ ইত্যাদি এই শ্রেণির উদ্ভিদ।(গ) আখ, কাঁঠাল, ধান, নারিকেল  ইত্যাদি এই শ্রেণির উদ্ভিদ।

প্রশ্ন ১৪। পরিফেরা পর্ব এবং সিলেণ্টটেরেটা পর্বের প্রাণীদের মধ্যে কি পার্থক্য ?

উত্তরঃ 

পরিফেরাসিলেণ্টটেরেটা
(ক) এদের দেহে অসংখ্য রন্ধ্র আছে।(ক) এদের দেহে একটি মাত্র রন্ধ্র আছে।
(খ) নলীতন্ত্রের দ্বারা এদের দেহে অনবরত জল চলাচল হয় এবং এর দ্বারা কোষমূহকে অক্সিজেন ও আহার যোগান দেয়।(খ) এদের দেহে জল চলাচল  জন্য কোন নলীতন্ত্র নাই।
(গ) বহিঃকংকাল আছে।(গ) বহিঃকংকাল নাই।
(ঘ) এদের বহুরূপিতা নাই। (ঘ) এদের বহুরূপিতা আছে।
(ঙ) ইউপ্লেক্টেলা, সাইকন, স্পঞ্জিলা ইত্যাদি এর উদাহরণ।(ঙ) হাইড্রা, জোনিপদ, সামুদ্রিক এ্যানিয়ন ইত্যাদি এর উদাহরণ।

প্রশ্ন ১৫। এ্যানিলিডা এবং অর্থোপোডা পর্বের প্রাণীদের মধ্যে কি পার্থক্য ?

উত্তরঃ 

এ্যানিলিডাআর্থোপোডা
(ক) এদের দেহ বলয় দ্বারা গঠিত।(ক) এদের দেহ খণ্ডযুক্ত এবং উপাংগসমূহ সন্ধিযুক্ত।
(খ) দেহ লম্বা, দ্বিপার্শ্বভাবে সমন্বিত এবং ত্রিস্তরীয়।(খ) এদের দেহ তিনটি খণ্ডে বিভক্ত- মাথা, বুক এবং পেট।
(গ) এদের বেশীর ভাগই স্থলে কিছু সাগরীয় এবং কিছু সাধারণ জলে থাকে।(গ) এদের বেশীর ভাগই জলে, থাকে। কিছু জলেও থাকে, যেমন- চিংড়িমাছ।
(ঘ) এর উদাহরণ হল- কেঁচো, জোঁক, নেরিস ইত্যাদি।(ঘ) এর উদাহরণ হল- জোঁক, প্রজাপতি, মাকড়সা, মাছি, পিঁপড়া ইত্যাদি।

প্রশ্ন ১৬। এ্যম্ফিবিয়া বা উভচর এবং রেপ্টিলিয়া বা সরীসৃপ পর্বের প্রাণীর কি পার্থক্য।

উত্তরঃ

এ্যম্ফিবিয়ারেপ্টিলিয়া বা সরীসৃপ
(ক) উভচর প্রাণীর জীবনের প্রথম কাল জলে এবং পরের কাল স্থলে বাস করে।(ক) এরা প্রকৃত স্থলচর।
(খ) দেহের ত্বক গ্রন্থিযুক্ত এবং বাকলহীন।(খ) দেহের ত্বক শুকনো, খসখসে এবং গ্রন্থিহীন।
(গ) এদের হৃৎপিণ্ড তিনকোটা যুক্ত।(গ) এদের হৃৎপিণ্ড তিন কোটা-যুক্ত কিন্তু কুমীরের হৃৎপিণ্ড চার কোটাযুক্ত।
(ঘ) এরা শীতলরক্তী প্রাণী।(ঘ) এরা শীতলরক্তী প্রাণী।
(ঙ) জলের ব্যাঙ, পাতাব্যাঙ, কোলা ব্যাঙ, স্যালামাঙার ইত্যাদি উভচর প্রাণীর উদাহরণ।(ঙ) টিকটিকি, কচ্ছপ, সাপ, কুমীর ইত্যাদি সরীসৃপ।

প্রশ্ন ১৭। এ্যাভিস বা পক্ষী এবং ম্যামেলিয়া বা স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যে কি পার্থক্য ?

উত্তরঃ  

এ্যাভিস বা পক্ষীম্যামেলিয়া বা স্তন্যপায়ী
(ক) এরা দ্বিপদ বা চতুষ্পদ হয়। বাদুড় ছাড়া অন্য স্তন্যপায়ীর ডানা নেই।(ক) এগুলো দ্বিপদী প্রাণী, আগের পা রূপান্তরিত হয়ে ডানার সৃষ্টি করে।
(খ) এদের ডিম হতে বাচ্চার জন্ম হয়।(খ) এদের মহিলারা বাচ্চার জন্ম দেয় এবং জন্মের পর বাচ্চারা মায়ের স্তনদুগ্ধ পান করে বড় হয়। অবশ্য কিছু নিচু স্তরের স্তন্যপায়ী প্রাণী, যেমন- প্ল্যাটিনাম, একিডনা ইত্যাদি বাচ্চার জন্ম দেয় না, ডিম পাড়ে।
(গ) পিছনের পা দৌড়ানো, সাঁতরানো, হাঁটা, খাদ্যবস্তু ধরা বা গাছের ডালে খামচে ধরা ইত্যাদি কাজে ব্যবহার করে। পিছনের পায়ের নীচের দিক বাকলযুক্ত।(গ) স্তন্যপায়ী প্রাণীর পুরো শরীর অথবা শরীরের কিছু অংশ লোম দিয়ে ঢাকা।
(ঘ) এরা উষ্ণরক্তী প্রাণী।(ঘ) এরাও উষ্ণরক্তী প্রাণী।
(ঙ) এদের হৃৎপিণ্ড চারটে কোটা যুক্ত।(ঙ) হৃৎপিণ্ড চার কোটাযুক্ত, শ্বসন অংশ ফুসফুস।
(চ) চোয়ালে দাঁত থাকে না এবং তার বদলে ঠোঁট থাকে।(চ) চোয়ালে দাঁত থাকে।
(ছ) উটপক্ষী বা অস্ট্রিচ, পায়রা, কোকিল, চড়াই, টিয়া ইত্যাদি হল পক্ষীর উদাহরণ।(ছ) ক্যাঙ্গারু, বাদুড়, বাঘ, সিংহ, হাতী, বাঁদর, মানুষ ইত্যাদি হল স্তন্যপায়ী প্রাণীর উদাহরণ।

অনুশীলনীর প্রশ্নোত্তরঃ

প্রশ্ন ১। জীবজগৎকে শ্রেণিবিন্যাস করলে কি সুবিধা হয় ?

উত্তরঃ জীবজগৎকে শ্রেণিবিন্যাস করলে যে সমস্ত সুবিধা হয় তা হল-

(i) শ্রেণিবিন্যাসের দ্বারা জীবজগতের জীববৈচিত্র্যের বিষয়ে জানা সম্ভব হয়।

(ii) শ্রেণিবিন্যাসের দ্বারা আমরা জানতে পারি একটি জীব এককোষী না বহুকোষী, স্বভোজী না পরভোজী, প্রকোষ কেন্দ্রীয় কোষ দ্বারা না সংকোষ কেন্দ্রীয় কোষ দ্বারা গঠিত।

(iii) জীবজগতের পাঁচটি রাজ্য যেমন- মোনেরা, প্রটিষ্টা, ছত্রাক, উদ্ভিদ এবং প্রাণীরাজ্য সম্বন্ধে জানতে পারি।

(iv) উদ্ভিদ এবং প্রাণী রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত জীবসমূহকে তাদের সংগঠনের জটিলতার উপর নির্ভর করে পুনরায় শ্রেণিবিভাজন করার সুবিধা হয়।

(v) শীতলরক্তী প্রাণী এবং উষ্ণরক্তী প্রাণীর সম্বন্ধে জানতে পারা যায়।

(vi) অমেরুদণ্ডী প্রাণী এবং মেরুদণ্ডী প্রাণীর বিভিন্ন ভাগগুলির বিষয়ে জানতে পারা যায়।

প্রশ্ন ২। শ্রেণিবিন্যাসের, (হায়ার আর্কির) বা বর্গক্রমের উন্নতির জন্যে দুটি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে কোনটা পছন্দ করবে ?

উত্তরঃ শ্রেণিবিন্যাসের হায়ার আর্কির বা বর্গক্রমের উপর ভিত্তি করে সকল জীবকে ছোট ছোট বিভাগে বিভক্ত করে আমরা শ্রেণিবিন্যাসের মৌলিক একক প্রজাতিতে (Species) পৌঁছে যাই। সুতরাং এই বৈশিষ্ট্যই আমাদের পছন্দ।

প্রশ্ন ৩। জীবজগৎকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করার মৌলিকতা ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ জীবজগৎকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করার মৌলিকতা হল-

(i) জীবটি প্রোক্যারিওটিক বা প্রকোষকেন্দ্রীয় না ইউক্যারিওটিক বা সংকোষকেন্দ্রীয় কোষ দিয়ে গঠিত।

(ii) প্রাণীটা এককোষী না বহুকোষী এবং তাই জটিল প্রাণী।

(iii) কোষগুলোতে কোষপ্রাচীর আছে এবং এরা স্বপোষী কি না।

(iv) জীবরা নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরী করে নাকি খাদ্যের জন্য অন্যের উপর নির্ভরশীল।

প্রশ্ন ৪। উদ্ভিদ জগতের প্রধান শ্রেণি কয়টা কি কি ? ঐ শ্রেণিবিন্যাসের মূল কি ?

উত্তরঃ উদ্ভিদ জগতের প্রধান শ্রেণি কয়টি হল–

(i) সংযোগদেহী উদ্ভিদ (Thallophyta)

(ii) ব্রায়োফাইটা (Bryophyta)

(iii) ঢেঁকীয়াজাতীয় উদ্ভিদ (Pteridophyta)

(iv) নগ্নবীজী উদ্ভিদ (Gymnosperms)

(v) গুপ্তবীজী উদ্ভিদ (Angiosperms )

এই শ্রেণিবিন্যাসের মূল হল–

(i) আধুনিক বর্গীকরণের সূত্র মতে প্রথম স্তরে দৈহিক গঠনের সরলতা এবং জটিলতার উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিভাগ করা হয়েছে। যেসব উদ্ভিদের দেহের গঠন অতি সরল অর্থাৎ উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন অংশ, যেমন— কাণ্ড, পাতা, মূল আদির সৃষ্টি হয় না সেইরকম উদ্ভিদকে সমাংগশ্রেণিতে স্থান দেওয়া হয়েছে।

(ii) দ্বিতীয় স্তরে উদ্ভিদ দেহের গঠনে জটিলতা থাকা উদ্ভিদগুলো জল, খনিজ লবণ ইত্যাদি সংবহন করার জন্য বিশেষ কলা থাকা বা না থাকার উপর ভিত্তি করে পুনঃ দ্বিবিভাজন করা হয়।

(iii) তৃতীয় স্তরে সংবহন কলা সৃষ্টি হওয়া উদ্ভিদের বীজধারণ করা বা না করার উপর ভিত্তি করে পুনরায় বিভক্ত করা হয়েছে।

(iv) চতুর্থ স্তরে বীজগুলো ফলে ঢাকা বা না ঢাকা চরিত্রের উপর ভিত্তি করে নগ্নবীজী এবং গুপ্তবীজী উদ্ভিদের বীজপত্রের সংখ্যার উপরে ভিত্তি করে একবীজপত্রী এবং দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ শ্রেণী দুইটিতে বিভক্ত করা হয়েছে।

প্ৰশ্ন ৫। উদ্ভিদ জগতকে শ্ৰেণীবিভাগ করা এবং প্ৰাণী জগতকে শ্ৰেণীবিভাগ করার প্দ্ধতির মধ্যে কি পাৰ্থক্য ?

উত্তরঃ উদ্ভিদের শ্ৰেণী বিভাগ করতে দেহের আকৃতির বিশেষত্ব একটি উদ্ভিদকে একটি প্ৰাণী থেকে পৃথক করে দেয়। কারণ মৌলিক আকার পৃথক, উদ্ভিদের ক্ষেত্রে নিজেদের খাদ্য প্রস্তুত করার জন্য প্রয়োজনীয় আকৃতি প্রাণীর ক্ষেত্রে নিজের খাদ্য প্রস্তুত না করার জন্য প্রয়োজনীয় আকৃতির মধ্যে বিস্তর পার্থক্য আছে। সুতরাং এইসব আকৃতিগত (উদাহরণস্বরূপ প্রাণীর শরীরে কঙ্গাল থাকা) পার্থক্য বড় বড় শ্রেণিতে বিভক্ত না করে ছোট ছোট শ্রেণিতে বিভক্ত করতে সাহায্য করে।

সালোকসংশ্লেষণ পদ্ধতির দ্বারা খাদ্য প্রস্তুত করা জীবের (উদ্ভিদ) দেহের সংগঠন প্রাণীজগৎ থেকে আলাদা।

জীবের দেহের সব কোষ একরকম না হওয়ার জন্য জীবের দেহের আকৃতি বিভিন্ন রকম হয়, ফলে একটি এ্যামিবা বা অন্য কৃমির মধ্যে অনেক বৈসাদৃশ্য আছে।

আবার উদ্ভিদের পরিবহণ কলা আছে। তারা বীজ গঠন করতে পারে এবং ফল দ্বারা বীজ ঢাকা থাকে। কিন্তু প্রাণীর ক্ষেত্রে এইরূপ হয় না।

প্রশ্ন ৬। মেরুদণ্ডী প্রাণীদের পরবর্তী কি কি ভাগে ভাগ করা হয় ?

উত্তরঃ মেরুদণ্ডী প্রাণীর পৃষ্ঠদণ্ড অস্থি বা উপাস্থির দ্বারা গঠিত এবং বহু খণ্ডযুক্ত। এই খণ্ডগুলোকে কশেরুকা বলে। কশেরুকা দ্বারা গঠিত অস্থিতিস্থাপক পৃষ্ঠদণ্ডকে মেরুদণ্ড বলে। মেরুদণ্ডী প্রাণীর দেহ দ্বিপার্শ্বসমন্বিত এবং ত্রিস্তরীয়। প্রকৃত দেহ গুহা পাওয়া যায়। এদের দেহের পৃষ্ঠীয় দিকে একটা স্নায়ুরজ্জু থাকে। মেরুদণ্ডী প্রাণীকে পাঁচটা শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। 

(i) মৎস। 

(ii) উভচর।

(iii) সরীসৃপ। 

(iv) পক্ষী। এবং 

(v) স্তন্যপায়ী।

মৎস্য ফুলকার দ্বারা শ্বাসক্রিয়া সম্পন্ন করে। উভচর প্রাণীর হৃৎপিণ্ড তিন কোঠাযুক্ত। শ্বাসক্রিয়া ফুলকা, ফুসফুস এবং দেহত্বকের দ্বারা সম্পাদিত হয়।

সরীসৃপের হৃৎপিণ্ড তিন কোঠাযুক্ত কিন্তু কুমীরের হৃৎপিণ্ড চার কোঠাযুক্ত। পক্ষীর হৃৎপিণ্ড চারটি কোঠাযুক্ত। শ্বাস-প্রশ্বাস ফুসফুসের দ্বারা সম্পন্ন করে। স্তন্যপায়ী প্রাণীর হৃৎপিণ্ড চার কোঠাযুক্ত এবং এদের শ্বসন অংশ ফুসফুস। এই পার্থক্যের উপর নির্ভর করেই মেরুদণ্ডী প্রাণীর বিভাগ করা হয়।

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তরঃ

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

This will close in 0 seconds

Scroll to Top