Class 9 Science Chapter 14 প্রাকৃতিক সম্পদ 

Class 9 Science Chapter 14 প্রাকৃতিক সম্পদ Notes to each chapter is provided in the list so that you can easily browse throughout different chapter Class 9 Science Chapter 14 প্রাকৃতিক সম্পদ and select needs one.

Class 9 Science Chapter 14 প্রাকৃতিক সম্পদ

Join Telegram channel
Follow us:
facebook sharing button
whatsappp sharing button
instagram sharing button

Also, you can read SCERT book online in these sections Class 9 Science Chapter 14 প্রাকৃতিক সম্পদ Solutions by Expert Teachers as per SCERT (CBSE) Book guidelines. Class 9 Science Chapter 14 প্রাকৃতিক সম্পদ These solutions are part of SCERT All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Science in Bengali Chapter 14 প্রাকৃতিক সম্পদ for All Subject, You can practice these here…

প্রাকৃতিক সম্পদ 

               Chapter – 14

পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ

প্রশ্ন ১। শুক্রগ্রহ এবং মঙ্গলগ্রহের বায়ুমণ্ডলের সঙ্গে আমাদের বায়ুমণ্ডলের কি পার্থক্য?

উত্তরঃ আমাদের বায়ুমণ্ডল কতকগুলি বিভিন্ন গ্যাসের সমন্বয়ে গঠিত, যেমন— নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন- ডাই-অক্সাইড এবং জলীয় বাষ্প। যাদের দ্বারা আমরা পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে পারি। কিন্তু শুক্র বা মঙ্গল গ্রহে বায়ুর মুখ্য অংশ হল কার্বন-ডাই অক্সাইড (95%-97%) যা আমাদের বেঁচে থাকার বিপক্ষে কাজ করে।

প্রশ্ন ২। বায়ুমণ্ডল কিভাবে কম্বলের মত কাজ করে?

উত্তরঃ আমাদের বায়ুমণ্ডল কম্বলের মত কাজ করে কারণ—

(i) ইহা সমস্ত দিন ধরে পৃথিবীতে গড় তাপমাত্রা বজায় রাখে।

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Instagram Join Now

(ii) দিনের বেলা হঠাৎ উষ্ণতা বৃদ্ধির হাত থেকে বায়ুমণ্ডল আমাদের রক্ষা করে।

(iii) রাত্রিবেলা ধীরে ধীরে বহিঃস্তরে তাপ বর্জন করে।

প্রশ্ন ৩। বাতাস কিসের থেকে সৃষ্টি হয়?

উত্তরঃ স্থলভূমি ও জলভূমির উপর অসমানভাবে উত্তপ্ত হওয়া বায়ু বাতাস সৃষ্টি করে। অর্থাৎ এক অঞ্চল থেকে অন্য আরেক অঞ্চলে বায়ুর প্রবাহের ফলে বাতাসের সৃষ্টি হয়।

প্রশ্ন ৪। মেঘ কিভাবে সৃষ্টি হয়?

উত্তরঃ ভূপৃষ্ঠের বৃহৎ জলরাশি বাষ্পীভূত হয়ে উপরে উঠে বায়ুর সঙ্গে মিলে যায়। কিছু জৈবিক কার্যকলাপের ফলেই জলীয় বাষ্প বায়ুর সঙ্গে মিশে যায়। গরম বায়ু উপরে উঠে যায় যাতে জলীয় বাষ্প থাকে। উপরে উঠে তা ঠাণ্ডা হয় এবং ঘনীভবনের ফলে বিন্দু বিন্দু জলকণায় পরিণত হয়ে ভেসে বেড়ায়। এইভাবেই মেঘের সৃষ্টি হয়।

প্রশ্ন ৫। মানুষের তিনটি কাজের উল্লেখ কর, যে কাজের ফলে বায়ুপ্রদূষণ হয় বলে তুমি মনে কর।

উত্তরঃ মানুষের দ্বারা বায়ু প্ৰদূষিত হওয়া তিনটি কাজ হল—

(i) গাড়ীর পেট্রল এবং ডিজেলের দহণের ফলে প্রদূষণ।

(ii) কারখানা, ষ্টিম ইঞ্জিন, তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ইত্যাদিতে কয়লার দহণের ফলে প্ৰদূষণ।

(iii) ধূমপানের ফলে বায়ু প্ৰদূষণ।

প্রশ্ন ৬। জীবের জলের প্রয়োজন হয় কেন?

উত্তরঃ আমাদের দেহের সমস্ত কোষীয় কার্যকলাপ জলের মাধ্যমেই হয়। আমাদের শরীরের সকল বিক্রিয়ার জন্য এবং কোষের ভিতরের বিক্রিয়ার যে সকল পদার্থের প্রয়োজন হয় সকল পদার্থই জলে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। শরীরের একস্থান থেকে অন্যস্থানে পদার্থের পরিবহণের জন্য জলের প্রয়োজন হয় কারণ ঐ সকল পদার্থ জলে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। অতএব, সকল জীবের বেঁচে থাকার জন্য শরীরের জলের নির্দিষ্ট পরিমাণ সংরক্ষণ করার প্রয়োজন হয়। স্থলের প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য মিষ্টি বা স্বাদু জলের প্রয়োজন কারণ এদের শরীর বেশী লবণযুক্ত জল সহ্য করতে পারে না।

প্রশ্ন ৭। তোমার বাস করা গ্রাম/শহর/নগরে মিষ্টি জলের উৎস কি?

উত্তরঃ মিষ্টি জলের উৎস হল— নদী, কুঁয়া, পুকুর ইত্যাদি।

প্রশ্ন ৮। জল প্রদূষণ করতে পারা কোনও কার্যকলাপ তুমি জান কি?

উত্তরঃ (i) জলাশয়ে অপ্রয়োজনীয় বস্তুর সংমিশ্রণ। এইসব পদার্থ কৃষিভূমিতে ব্যবহৃত সার বা কীটনাশক হতে পারে বা অন্যান্য বিষাক্ত পদার্থও হতে পারে যেমন— কাগজ শিল্পে ব্যবহৃত পারদ লবণ। কলেরা সংক্রমণ করা ব্যাক্টেরিয়া জাতীয় জীবাণুও জল দূষণ ঘটায়।

(ii) প্রয়োজনীয় বস্তু জলাশয় থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ফলেও জল দূষিত হয়। কোনও ভাবে জলে মিশ্রিত অক্সিজেনের পরিমাণ হ্রাস পেলে তার প্রভাব জলজ প্রাণী এবং উদ্ভিদের উপর পড়ে।

(iii) তাপের পরিবর্তন ঘটলে জলজ প্রাণীদের বেঁচে থাকা বা উৎপাদন করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। বিভিন্ন প্রাণীর ডিম বা লার্ভা তাপ পরিবর্তনের পক্ষে সংবেদনশীল।

প্রশ্ন ৯। মাটি কিভাবে সৃষ্টি হয়?

উত্তরঃ পৃথিবী পৃষ্ঠে সবচেয়ে বাইরের স্তরকে ভূত্বক (Crust) বলে। এই স্তরে পাওয়া খনিজ পদার্থ সকল জীবকে বিভিন্ন রকমের পুষ্টি জোগায়। হাজার হাজার বৎসর ধরে ভূত্বকের উপরের এবং নিকটের শিলাখণ্ড বিভিন্ন ভৌতিক, রাসায়নিক এবং জীব বৈজ্ঞানিক কারণে ছোট ছোট টুকরাতে ভেঙ্গে যায়। এই ভাঙ্গনের ফলে ছোট ছোট কণার আকারে মাটি তৈরী হয়। মাটি তৈরীর বিভিন্ন কারক হল— সূর্য, জল, বাতাস এবং জীব।

প্রশ্ন ১০। মাটির ক্ষয় কি?

উত্তরঃ সূর্যের তাপ, জল এবং বাতাসের ফলে শিলাখণ্ড ঘর্ষণের জন্য চূর্ণ চূর্ণ হয়ে যায় এবং ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। মাটির উপরিভাগের সার বা অন্যান্য পদার্থ। জলের স্রোতে বা বাতাসের ফলে চলে যাওয়াই হল মাটির ক্ষয়।

প্রশ্ন ১১। মাটির ক্ষয় প্রতিরোধ করার বা হ্রাস করার কি কি পদ্ধতি আছে?

উত্তরঃ মাটি ক্ষয়ে যাওয়া রোধ করতে গাছের শিকড়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। যেখানে মাটি ক্ষয়ের সম্ভাবনা আছে সেখানে ঘাস, জাতিয় গাছ লাগালে মাটিকে ক্ষয় হতে রক্ষা করে। তাছাড়া আগাছা নিয়ন্ত্রণ, শস্য, রোপণ ইত্যাদি মাটির ক্ষয় প্রতিরোধ করে।

প্রশ্ন ১২। জলচক্রের আবর্তনের সময় জলকে কি কি অবস্থায় পাওয়া যায়?

উত্তরঃ জলচক্রে তিনটি অবস্থায় জলকে পাওয়া যায়। এরা হল কঠিন (বরফ), তরল (জল) এবং বাষ্প (জলীয় বাষ্প)।

প্রশ্ন ১৩। নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেন থাকা জৈবিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দুইটি যৌগের নাম বল।

উত্তরঃ প্রোটিন এবং নিউক্লিক এসিড (ডি. এন. এ এবং আর এন. এ)।

প্রশ্ন ১৪। মানুষের কার্যকলাপের ফলে বায়ুমণ্ডলের কার্বন-ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধি করা তিনটি কার্যকারিতার তালিকা বানাও।

উত্তরঃ মানুষের নিম্নলিখিত কাজের জন্য বায়ুতে কার্বন ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধি পায়।

(i) জীবাশ্ম ইন্ধনের দহণ যেমন পেট্রোলিয়াম, ডিজেল, কয়লা ইত্যাদির দহণের ফলে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বায়ুতে বৃদ্ধি পায়।

(ii) কোন কিছু গরম করা বা রান্নার সময় কাঠ বা চারকোল জ্বালালে বায়ুতে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধি পায়।

(iii) গাছ কাটার ফলে সবুজ উদ্ভিদ কমে যায় ফলে সালোক সংশ্লেষণ কম হয় এবং অক্সিজেন কমে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধি পায়।

প্রশ্ন ১৫। সবুজ গৃহ প্রভাব কি?

উত্তরঃ সবুজ গৃহ নামটি একটি বায়ুমণ্ডলীয় প্রক্রিয়াতে ব্যবহৃত হয়। কিছু কিছু গ্যাস পৃথিবী থেকে তাপ বাইরে বেরিয়ে যেতে দেয় না। বায়ুমণ্ডলে এই গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে পৃথিবীব্যাপী গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে এবং একেই সবুজ গৃহ প্রভাব বলা হয়। কার্বন-ডাই-অক্সাইড হল সবুজ গৃহের গ্যাসের মধ্যে একটি গ্যাস। বায়ুমণ্ডলে কার্বন- ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধি পেলে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং এর ফলেই গ্লোবাল ওয়ার্মিং (Global warming) হয়।

প্রশ্ন ১৬। বায়ুমণ্ডল পাওয়া অক্সিজেন-এর দুটি রূপ-এর নাম কি?

উত্তরঃ বায়ুমণ্ডলে পাওয়া অক্সিজেনের দুইটি রূপ হল—

(i) ডায়াটোমিক-রাসায়নিক সংকেত 02 (diatomic)

(ii) ট্রাইয়াটোমিক-রাসায়নিক সংকেত 0₃, (triatomic) একে ওজন বলে।

অনুশীলনীর প্রশ্নোত্তরঃ

প্রশ্ন ১। জীবনের জন্য বায়ুমণ্ডলের প্রয়োজন হয় কেন?

উত্তরঃ বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর উপরিভাগের গড় তাপমাত্রাকে স্থির অবস্থায় ধরে রাখে। দিনের বেলা তাপমানের হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়াকে বায়ুমণ্ডল নিয়ন্ত্রণ করে বা প্রতিরোধ করে। আবার রাত্রিবেলা তাপ যদি মহাশূন্যে বেরিয়ে গিয়ে পৃথিবীকে শীতল করে দেয় সেটাও হ্রাস করে।

প্রশ্ন ২। জীবনের জন্য জলের প্রয়োজন হয় কেন?

উত্তরঃ জীবনের জন্য জলের প্রয়োজন কারণ—

(i) জীবকোষে জলের মাধ্যমে সমস্ত জীবন প্রক্রিয়া চলে থাকে।

(ii) শরীরের অভ্যন্তরে বস্তুগুলি জলের মাধ্যমে দ্রবীভূত হয়ে একস্থান হতে অন্যস্থানে পরিবাহিত হয়।

প্রশ্ন ৩। জীবিত বস্তু কিভাবে মাটির উপর নির্ভরশীল হয়? জলজ প্রাণীরা কি সম্পদ হিসাবে মাটি ছাড়াই জীবন যাপন করে?

উত্তরঃ জীবিত বস্তুরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাটির উপর নির্ভরশীল। কারণ জীবিত বস্তুরা শক্তি (খাদ্যে)-র জন্য সবুজ উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল। মাংসাশী প্রাণীরা অন্য প্রাণীর উপর নির্ভর করে যারা সবুজ উদ্ভিদ খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করে।

উদ্ভিদের বেঁচে থাকার জন্য মাটির প্রয়োজন কারণ উদ্ভিদ মাটি থেকে পায় খনিজ লবণ যা সালোক সংশ্লেষণ উদ্ভিদের খাদ্য তৈরী করতে প্রয়োজন হয় এবং মাটি গাছকে শক্তভাবে ধরে রাখে।

সুতরাং সমস্ত জীবিত বস্তুই মাটির উপর নির্ভরশীল। জলজ প্রাণীরা যে মাটির উপর নির্ভর করে না তা নয়। কারণ জলজ উদ্ভিদেরও শক্তি অন্যান্য বস্তু প্রয়োজন। উহারা জল হতে খনিজ লবণ গ্রহণ করে। এই খনিজ লবণ মাটি হতেই বৃষ্টির জল, নদীর জলের মাধ্যমে আসে। যদি জলে মাটি থেকে খনিজ লবণ না আসত তবে অতি শীঘ্রই জল লবণমুক্ত হত।

সুতরাং জলজ প্রাণীরা সম্পদ হিসাবে সঠিক ছাড়া জীবন যাপন করতে পারে না।

প্রশ্ন ৪। তুমি দূরদর্শনে এবং খবরের কাগজে আবহাওয়া বার্তা দেখেছ। তুমি কিভাব যে আমরা আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলতে পারি?

উত্তরঃ বায়ুর ধরন বা বৃষ্টির ধরন দেখে আমরা বলতে পারি যে আবহাওয়া কেমন হবে। এটা বায়ুর নিম্নচাপ বা ঊর্দ্ধচাপ থাকা ক্ষেত্রকে চিহ্নিত করে। ভারতের বৃহৎ অংশে বৃষ্টি সাধারণতঃ দক্ষিণ-পশ্চিম অথবা উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে হয়ে থাকে।

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তরঃ

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

This will close in 0 seconds

Scroll to Top