Class 9 Science Chapter 12 শব্দ Notes to each chapter is provided in the list so that you can easily browse throughout different chapter Class 9 Science Chapter 12 শব্দ and select needs one.
Class 9 Science Chapter 12 শব্দ
Also, you can read SCERT book online in these sections Class 9 Science Chapter 12 শব্দ Solutions by Expert Teachers as per SCERT (CBSE) Book guidelines. Class 9 Science Chapter 12 শব্দ These solutions are part of SCERT All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Science in Bengali Chapter 12 শব্দ for All Subject, You can practice these here…
শব্দ
Chapter – 12
পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তরঃ
প্রশ্ন ১। কম্পনরত বস্তুর দ্বারা কোন মাধ্যমে উৎপন্ন শব্দ কিভাবে তোমার কানে পৌঁছায়?
উত্তরঃ একটি সুরশলাকাকে রাবার প্যাডে আঘাত করলে শব্দের সৃষ্টি হয় এবং তা আমরা শুনতে পারি। এখন যদি কম্পমান শলাকাকে হাত দ্বারা স্পর্শ করি তবে কম্পন অনুভূত হবে এবং শব্দ থেমে যাবে। এ থেকে বুঝা যায় যে কম্পনের ফলেই শব্দ আমাদের কানে পৌঁছায়। কোন বস্তুর কম্পন বস্তুটির চারিদিকের মাধ্যমের কণিকাসমূহকে কম্পনশীল করে। কম্পনরত বস্তুর সংস্পর্শে থাকা মাধ্যমের কণাগুলি প্রথমে তাদের সাম্য অবস্থা থেকে বিচ্যুত হয়। এবং পার্শ্ববর্তী কণার উপর বল প্রয়োগ করে। ফলে পার্শ্ববর্তী কণা তাদের স্থির অবস্থা থেকে বিচ্যুত হয়। পার্শ্ববর্তী কণাকে স্থানচ্যুত করে পূর্ববর্তী কণা তাদের স্বস্থানে ফিরে যায়। মাধ্যমের মধ্যে এই প্রক্রিয়া ক্রমাগত চলতে থাকে যতক্ষণ না শব্দ শ্রোতার কানে পৌঁছায়।
প্রশ্ন ২। তোমার বিদ্যালয়ের ঘণ্টা কিভাবে শব্দ সৃষ্টি করে ব্যাখ্যা কর।
উত্তরঃ যখন স্কুলে হাতুড়ি দিয়ে ঘণ্টাটি বাজানো হয় তখন ঘণ্টার কম্পনের ফলে শব্দের সৃষ্টি হয়। আমরা আস্তে করে ঘণ্টাটি ধরলে কম্পন অনুভূত হবে এবং শব্দ থেমে যাবে। এ থেকে বুঝা যায় যে ঘণ্টার কম্পনের ফলেই শব্দের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রশ্ন ৩। শব্দ তরঙ্গকে যান্ত্রিক তরঙ্গ বলা হয় কেন?
উত্তরঃ শব্দের বিস্তারের জন্য যে কোন মাধ্যমের প্রয়োজন যেমন বায়ু, জল, ইস্পাত ইত্যাদি। মাধ্যমের কণাগুলির এটা একটা বৈশিষ্ট্য। সেইজন্য শব্দ তরঙ্গকে যান্ত্রিক তরঙ্গ বলা হয়।
প্রশ্ন ৪। মনে কর তুমি এবং তোমার বন্ধু চন্দ্রে আছো। তোমার বন্ধুর দ্বারা উৎপন্ন শব্দ তুমি শুনতে পাবে কি?
উত্তরঃ না, কারণ চন্দ্রে কোন ধরনের আবহাওয়া বা শব্দবিস্তারের মাধ্যম নাই। শব্দ বিস্তার লাভ করার জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন।
প্রশ্ন ৫। কোন তরঙ্গ বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে।
(a) তীক্ষ্ণতা (loudness)
(b) পিচ (Pitch)?
উত্তরঃ (a) তীক্ষ্ণতা দ্বারা শব্দের তীব্রতা (intensity) নির্ধারণ করা হয়।
(b) পিচের দ্বারা কম্পনাংক (frequency) নির্ধারণ করা হয়।
প্রশ্ন ৬। আন্দাজ কর কোন শব্দের পিচ উচ্চতর গিটার বা গাড়ীর হর্ণ?
উত্তরঃ গিটারের শব্দের পিচ উচ্চতর।
প্রশ্ন ৭। শব্দ তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য, কম্পনাংক, পর্যায়কাল এবং বিস্তার কাকে বলে?
উত্তরঃ তরঙ্গ দৈর্ঘ্য প্রতিটি তরঙ্গের দুইটি ক্রমিক তরঙ্গশীর্ষ বা দুইটি ক্রমিক তরঙ্গ পাদের মধ্যবর্তী দূরত্বকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বলে। একে গ্রীক অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এর S. I. একক মিটার।

কম্পনাংক – একক সময়ে কম্পন বা দোলনের সংখ্যাকে শব্দ তরঙ্গের কম্পনাংক বলে। কম্পনাংক গ্রীক অক্ষর v (নিউ) দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এর S. I. একক হার্টজ (Hz)।
পর্যায় কাল – মাধ্যমের ঘনত্বে একটি সম্পূর্ণ কম্পন বা দোলনের জন্য যে সময় লাগে তাকে শব্দ তরঙ্গের পর্যায়কাল বলে। ইহা T প্রতীকের সাহায্যে প্রকাশ করা হয়। এর S. I. একক সেকেণ্ড।
বিস্তার – সাক্ষ্য অবস্থান থেকে কোন মাধ্যমের কণিকার উভয়দিকে সরণের সর্বোচ্চ মানকে তরঙ্গের বিস্তার বলে। বিস্তার সাধারণতঃ A অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। শব্দের ক্ষেত্রে ঘনত্ব বা চাপের একই বিস্তারের একক।
প্রশ্ন ৮। শব্দের বেগের সঙ্গে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য এবং কম্পনাংকের সম্পর্ক কি?
উত্তরঃ শব্দের বেগ = কম্পনাংক × তরঙ্গ দৈর্ঘ্য।
∴ v = vλ
প্রশ্ন ৯। কোন বিশেষ মাধ্যমে শব্দতরঙ্গের কম্পনাংক 220 Hz এবং 440 m/s বেগ হলে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য নির্ণয় কর।
উত্তরঃ তরঙ্গ দৈর্ঘ্য
= 440m/s / 220S⁻¹
= 2 মিটার।
প্রশ্ন ১০। শব্দের উৎস থেকে 450 m দূরে বসে এক ব্যক্তি 500 Hz বিশিষ্ট একটি স্বর শুনতে পেল। উৎস থেকে দুইটি ক্রমিক সংকোচনের মধ্যে সময়ের অন্তরাল (ব্যবধান) কত?
উত্তরঃ মনে করি উৎস থেকে দুইটি ক্রমিক সংকোচনের মধ্যে সময়ের অন্তরাল = T
∴ T = 1/λ
= 1/550 Hz
= 1/550S⁻¹
= 0.002 সেকেণ্ড।
প্রশ্ন ১১। কোন নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় জল, বায়ু এবং লোহা এই তিনটি মাধ্যমের কোনটিতে শব্দের রেগ সবচেয়ে বেশী?
উত্তরঃ লোহায় শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশী। ইহা 5950ms⁻¹
প্রশ্ন 12 কোন প্রতিধ্বনি 3s পরে প্রত্যাবর্তন করে। উৎস এবং প্রতিফলকের দূরত্ব নির্ণয় কর। শব্দের বেগ 342 ms⁻¹
উত্তরঃ শব্দের বেগ v = 342ms⁻¹
প্রতিধবনি শোনার সময় T = 3s.
শব্দের অতিক্রান্ত দূরত্ব = V.T
= 342 x 3
= 1026 মিটার।
3 সেকেণ্ডে শব্দ প্রতিফলকের দূরত্ব এবং উৎসের মধ্যে 2 বার যাতায়াত করে।
∴ উৎস থেকে প্রতিফলকের দূরত্ব = 1026/2 = 513 মিটার।
প্রশ্ন ১৩। সঙ্গীতশালার সিলিং বক্রতল করা হয় কেন?

উত্তরঃ উপরের চিত্রে দেখানো মত সঙ্গীতশালার সিলিং বক্রতল হওয়ার জন্য শব্দ সিলিং দ্বারা প্রতিফলিত হয়ে সমস্ত অংশে পৌঁছিতে পারে।
প্রশ্ন ১৪। মানুষের কানের সাধারণ শ্রাব্যসীমা কত?
উত্তরঃ মানুষের কানের সাধারণ শ্রাব্যসীমা হল 20 Hz থেকে 20,000 Hz.
প্রশ্ন ১৫। অবশব্দ এবং অতিশব্দের কম্পনাংকের পরিসর কত?
উত্তরঃ অবশব্দের পরিসর 20 Hz থেকে কম।
অতিশব্দের পরিসর থেকে 20,000 Hz. বেশী।
প্ৰশ্ন ১৬। একটি সাবমেরিন সোনার সংকেত প্রেরণ করে বা সমুদ্রতলবর্তী পাহাড় চূড়া থেকে 1.02 S -এ ফিরে আসে। যদি লবণজলে শব্দের বেগ 1531 m/s হয়, পাহাড় চূড়ার দূরত্ব নির্ণয় কর।
উত্তরঃ সোনর সংকেত পাহাড় চূড়া থেকে ঘুরে আসতে সময় লাগে, t = 1.02 সেকেণ্ড।
লবণ জলে শব্দের বেগ, v = 1531m/s.
মনে করি, পাহাড় চূড়ার দূরত্ব = d.
∴ শব্দের অতিক্রান্ত দূরত্ব = 2 d.
কিন্তু 2d = শব্দের বেগ × সময়
= v x t
= 1531 x 1.02m.
∴ d = 1531×1-02/2 মিটার
= d = 780.81 মিটার
অনুশীলনীর প্রশ্নোত্তরঃ
প্রশ্ন ১। শব্দ কি এবং কিভাবে শব্দ উৎপন্ন হয়?
উত্তরঃ শব্দ একপ্রকার শক্তি ইহা আমাদের কানে শ্রবণ স্নায়ুর মাধ্যমে বৈদুতিক সংকেতসমূহ মস্তিষ্কে পাঠায় এবং শব্দের অনুভূতি সৃষ্টি করে। মাধ্যমের কম্পনের ফলেই শব্দের সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন ২। শব্দের উৎসের নিকটে বায়ুতে কিভাবে সংকোচন এবং প্রসারণ ঘটে চিত্রসহ বর্ণনা কর।
উত্তরঃ বায়ুতে শব্দ অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গের আকারের সঞ্চালিত হয়। চিত্রে দেখানো মত একটি সুর শলাকা (tuning) রাবার প্যাডে আঘাত করে শব্দের সৃষ্টি করা হইল। আমরা সুর শলাকার B প্রান্ত দ্বারা আঘাত করিলাম। প্রথমে

এটি বায়ুকে সংকুচিত করে B, অবস্থানে যাবে এবং পরমুহূর্তে বায়ু প্রসারিত করে B2-তে আসবে। এইভাবে সংকোচন এবং প্রসারণের মাধ্যমে শব্দের বিস্তার হয়ে থাকে। এই সংকোচন এবং প্রসারণ অন্তঃকর্ণে অবস্থিত কর্ণাবর্তে চাপের সৃষ্টি করে বৈদ্যুতিক সংকেতে পরিবর্তিত করে। শ্রবণ স্নায়ুর মাধ্যমে এই বৈদ্যুতিক সংকেতসমূহ মস্তিষ্কে যায় এবং ফলে শব্দের অনুভূতির সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন ৩। শব্দের সঞ্চালনের জন্য পদার্থের মাধ্যমের প্রয়োজনীয়তা একটি পরীক্ষার দ্বারা প্রমাণ কর।
উত্তরঃ শব্দের সঞ্চালনের জন্য পদার্থের মাধ্যমের প্রয়োজন। এইটি আমরা বেলজার পরীক্ষার সাহায্যে পরীক্ষা করে দেখবো। একটি বন্ধ বেলজারের ভিতর একটি ইলেক্ট্রিক বেল (বৈদ্যুতিক ঘণ্টা) রাখলাম। বেলজারের সঙ্গে একটি ভ্যাকুয়াম পাম্প সংযুক্ত করে ইলেক্ট্রিক বেলের তার একটি বায়ুনিরুদ্ধ কর্কের ভিতর দিয়ে নিয়ে ব্যাটারীর সঙ্গে যুক্ত করলাম। ইলেক্ট্রিক বেলে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলাম। ঘণ্টার শব্দ শোনা যাবে। এবার ভ্যাকুয়াম পাম্পের সাহায্যে ধীরে ধীরে বেলজারের ভিতরের বায়ু বের করে নিলাম। শব্দ আস্তে আস্তে কমে যাবে এবং অবশেষে আর শব্দ শোনা যাইবে না। ইলেক্ট্রিক বেলের দিকে লক্ষ্য করলে দেখবো যে ঘণ্টার হাতুড়ীটি ধাতুর কাঠিতে আঘাত করেই যাচ্ছে অথচ শব্দ শোনাই যাচ্ছে না। বেলজার থেকে বায়ু অপসারণের জন্য এটি এরূপ হয়েছে। সুতরাং যান্ত্রিক তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন।

প্রশ্ন ৪। শব্দ তরঙ্গকে অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ বলে কেন?
উত্তরঃ শব্দ তরঙ্গ মাধ্যমের সংকোচন এবং প্রসারণের ফলে সৃষ্টি হয়। সংকোচনের সময় মাধ্যমের কণাসমূহের ঘনত্ব বাড়ে আবার প্রসারণের সময়

ঘনত্ব কমে। একইভাবে সংকোচনের সময় চাপ বাড়ে এবং প্রসারণের সময় চাপ কমে। সেইজন্য শব্দ তরঙ্গকে অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ বলে।
প্রশ্ন ৫। অন্ধকার ঘরে অন্যদের সঙ্গে বসে থাকা তোমার বন্ধুর কণ্ঠস্বর সনাক্ত করতে শব্দের কোন বৈশিষ্ট্য তোমাকে সহায়তা করে?
উত্তরঃ শব্দের গুণমান, পিচ এবং তীক্ষ্ণতার মত বৈশিষ্ট্য অন্ধকার ঘরে বন্ধুর কণ্ঠস্বর সনাক্ত করতে সহায়তা করে।
প্রশ্ন 6। বিদ্যুৎ ঝলক এবং বজ্রপাত যুগপৎ (একই সঙ্গে) ঘটে। কিন্তু বিদ্যুৎ ঝলক দেখার কয়েক সেকেণ্ড পরে বজ্রপাতের শব্দ শোনা যায় কেন?
উত্তরঃ বায়ুতে শব্দের বেগ 344 ms⁻¹ এবং আলোকের বেগ 3×10⁸ms⁻¹ যেহেতু বায়ুতে শব্দের বেগ আলোকের বেগ অপেক্ষা অনেক কম সেইজন্য বিদ্যুৎ ঝলক দেখার কয়েক সেকেণ্ড পর বজ্রপাতের শব্দ শোনা যায়।
প্রশ্ন ৭। মানুষের শ্রাব্য সীমা 20 হার্জ থেকে কিলো 20 কিলো হার্জ। বায়ুতে এই দুইটি বিশেষ কম্পনাংকের শব্দ তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য নির্ণয় কর। ধরে নাও বায়ুতে শব্দের বেগ 344m/s
উত্তরঃ বায়ুতে শব্দের বেগ, v = 344 m/s
কম্পনাংক, v₁ = 20 হার্জ
এবং v₂ = 20 কিলোহার্জ
= 20,000 হার্জ।
20 হার্জের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য, λ₁
= V/V₁
= 344/20
= 17.2m.
20 কিলো হার্জে তরঙ্গের দৈর্ঘ্য, λ₂
= V/V₂
= 344/20,000
প্রশ্ন ৮। দুইটি শিশু একটি এলুমিনিয়াম দণ্ডের বিপরীত প্রান্তে আছে। একজন পাথর দিয়ে দণ্ডের প্রান্তে আঘাত করলো। বায়ু এবং এলুমিনিয়ামের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় শিশুর কাছে শব্দ তরঙ্গ পৌঁছাতে যে সময় লাগে তার অনুপাত নির্ণয় কর।
উত্তরঃ মনে করি এলুমিনিয়াম রডের দৈর্ঘ্য = d মিটার। বায়ুতে শব্দের বেগ = 344m/s.
∴ বায়ুর মধ্য দিয়ে যেতে শব্দের সময় লাগে = d/344 সেকেণ্ড।
এলুমিনিয়ামের মধ্য দিয়ে শব্দের বেগ = 6420 m/s.
∴ এলুমিনিয়ামের মধ্য দিয়ে যেতে শব্দের সময় লাগে = d/6420 সেকেণ্ড।
∴ বায়ু এবং এলুমিনিয়ামের মধ্য দিয়ে যাওয়া সময়ের অনুপাত
= d/344 / d/6429
= d/344 × 6420/d
= 6420/344
=18.66
প্রশ্ন ৯। কোন শব্দের উৎসের কল্পনাংক 100 হার্জ। এক মিটার সময়ের মধ্যে এর কম্পনের সংখ্যা নির্ণয় কর।
উত্তরঃ শব্দের উৎসের কম্পনাংক = 100 হার্জ।
1 সেকেণ্ডে কম্পনের সংখ্যা = 100
∴ 1 মিনিট বা 60 সেকেণ্ডে কম্পনের সংখ্যা =100 x 60
= 6000
প্রশ্ন ১০। শব্দ কি আলোকের মত অনুরূপ প্রতিফলনের সূত্র অনুসরণ করে? ব্যাখ্যা কর।
উত্তরঃ হ্যাঁ, শব্দ, আলোকের মত অনুরূপ প্রতিফলনের সূত্র অনুসরণ করে। শব্দের আপাতন কোণ এবং প্রতিফলন কোণ অভিলম্বের সঙ্গে সমান এবং এরা একই প্রতিফলক মধ্যকের উপর অবস্থিত। উদাহরণস্বরূপ ইকোরেনজিং পদ্ধতিতে সোনার যন্ত্র ব্যবহার করে সমুদ্রের গভীরতা এবং জলের নিম্নবর্তী পাহাড়, উপত্যকা, সাবমেরিন, হিমবাহ, ডুবন্ত জাহাজ থেকে সমুদ্রতলের গভীরতা নির্ণয় করা যায়।
প্রশ্ন ১১। শব্দ যখন কোন দূরবর্তী বস্তু থেকে প্রতিফলিত হয় প্রতিধ্বনি উৎপন্ন হয়। ধরা হইল প্রতিফলক পৃষ্ঠ এবং শব্দের উৎসের দূরত্ব অপরিবর্তিত থাকে। উষ্ণতর দিনে তুমি কি প্রতিধ্বনি শুনতে পাবে?
উত্তরঃ গরমের দিনে শব্দের বেগ বেড়ে যায়। সুতরাং শব্দের প্রতিফলিত রশ্মি 0.1 সেকেণ্ড আগেই উৎসে ফিরে আসে। সেইজন্য গরমের দিনে প্রতিধবনি শোনা যাবে না।
প্রশ্ন ১২। শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলনের দুইটি বাস্তব প্রয়োগের উল্লেখ কর।
উত্তরঃ (i) ডাক্তাররা যখন স্টেথোস্কোপ (Stethoscope) দ্বারা রোগীকে পরীক্ষা করে তখন রোগীর হৃদস্পন্দন শব্দের বিভিন্ন প্রতিফলনের দ্বারা ডাক্তারের কানে এসে পৌঁছায়।
(ii) প্রেক্ষাগৃহের দেওয়াল এবং সিলিং এমনভাবে তৈরী করা হয় যাতে শব্দের বিভিন্ন প্রতিফলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে।
প্রশ্ন ১৩। 500m উচ্চ স্তম্ভের উপর থেকে একটি বস্তু স্তম্ভের নিচে থাকা পুকুরের জলে ফেলে দেওয়া হল। পতনের শব্দ স্তম্ভের উপর থেকে কত সময় পরে শোনা যাবে? দেওয়া আছে, g=10 m/s² এবং শব্দের বেগ, v = 340m/s
উত্তরঃ প্রথমে আমরা পাথরটি স্তম্ভের উপর থেকে নীচে পড়ার সময় নির্ণয় করব।
S = ut + 1/2 = gt²
এখানে S = 500m
u = 0
g = 10 m/s⁻²
∴ 500 = 0 + 1/2 × 10⁵ x t²
= t² = 500/5
= t² = 100
= t = 10 সেকেণ্ড।
ভূমি থেকে স্তম্ভের উপরে শব্দ প্রতিফলিত হতে সময় লাগে,
t = দূরত্ব/সময়ের বেগ
= 500m/340m/s
= 1.47 সেকেণ্ড।
প্রশ্ন ১৪। একটি শব্দ তরঙ্গের বেগ 339 m/s. যদি এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 1.5 cm. হয়, তরঙ্গের কম্পনাংক কত? এই শব্দ শ্রবণযোগ্য হবে কি?
উত্তরঃ শব্দ তরঙ্গের বেগ, v = 339 m/s
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য, λ = 1.5 cm.
= 0.015 m
কম্পনাংক, V = v/λ
= 339/0.015
= 22,600 হার্টজ।
∴ কম্পনাংক 20,000 হার্টজ-এর থেকে বেশী সেইজন্য এই শব্দ শোনা যাবে না।
অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তরঃ

Hi! my Name is Parimal Roy. I have completed my Bachelor’s degree in Philosophy (B.A.) from Silapathar General College. Currently, I am working as an HR Manager at Dev Library. It is a website that provides study materials for students from Class 3 to 12, including SCERT and NCERT notes. It also offers resources for BA, B.Com, B.Sc, and Computer Science, along with postgraduate notes. Besides study materials, the website has novels, eBooks, health and finance articles, biographies, quotes, and more.


