SEBA Class 9 Geography Important Chapter 4 জনবসতি Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 Geography Important Chapter 4 জনবসতি Solutions and select need one. Class 9 Elective Geography Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 Elective Geography Additional Question Answer.
SEBA Class 9 Geography Important Chapter 4 জনবসতি
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines.SEBA Class 9 Geography Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Geography Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
জনবসতি
Chapter: 4
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। জনবসতি কাকে বলে?
উত্তরঃ মানুষের জীবন নির্বাহের জন্য নির্ধারিত বসবাসযোগ্য স্থায়ী বা অস্থায়ী স্থানকে জনবসতি বলে।
২। বসতি ভূগোল কী?
উত্তরঃ ভূগোলের যে শাখায় মানুষের বসতি, বসতির বিস্তার এবং এর সঙ্গে জড়িত প্রাকৃতিক, সাংস্কৃতিক ও আর্থ-সামাজিক কারকসমূহের অধ্যয়ন করা হয়, তাকে বসতি ভূগোল বলে।
৩। বসতি ভূগোলের জন্মদাতা কাকে বলা হয়?
উত্তরঃ জার্মান ভূগোলবিদ কার্ল রিটারকে বসতি ভূগোলের জন্মদাতা বলা হয়।
৪। কার্ল রিটারের পর কোন ভূগোলবিদের পদ্ধতি বসতি ভূগোল অধ্যয়নে বিশেষ সাহায্য করে?
উত্তরঃ প্রখ্যাত ভূগোলবিদ রিচার্ড হার্টশোর্ণের উপাদান ও অঞ্চলভিত্তিক পদ্ধতি বসতি ভূগোল অধ্যয়নে সাহায্য করে।
৫। জীবিকার বা পেশার ওপর নির্ভর করে জনবসতিকে প্রধানত কী কী শ্রেণিতে ভাগ করা যায়?
উত্তরঃ জীবিকার ওপর নির্ভর করে জনবসতিকে গ্রাম্য বসতি এবং পৌর বসতি এই দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
৬। গ্রাম ও নগরের মানুষের প্রধান জীবিকার মূল পার্থক্য কী?
উত্তরঃ গ্রামের মানুষের প্রধান জীবিকা হলো কৃষিকার্য এবং নগরের মানুষের প্রধান জীবিকা হলো শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও চাকরি।
৭। নমুনা বা আকার অনুসারে বসতিকে প্রধানত কী কী শ্রেণিতে ভাগ করা যায়?
উত্তরঃ নমুনা বা আকার অনুসারে বসতিকে প্রধানত বিরল বসতি এবং কেন্দ্রীভূত বসতি এই দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
৮। কেন্দ্রীভূত বসতির প্রকারভেদ নির্ধারণে কোন উপাদানগুলো ভূমিকা পালন করে?
উত্তরঃ জলের উৎস, রাস্তাঘাটের প্রসার এবং নদীর গতিপথ ইত্যাদি উপাদান কেন্দ্রীভূত বসতির প্রকার নির্ধারণ করে।
৯। বৃত্তাকার বসতি কাকে বলে?
উত্তরঃ মানুষ যখন হ্রদ, বিল অথবা বড় পুকুরের কাছাকাছি ঘর-দয়ার সাজিয়ে বসতি গড়ে তোলে, তখন তাকে বৃত্তাকার বসতি বলে।
১০। তারারূপী বসতি কীভাবে গড়ে ওঠে?
উত্তরঃ সমভূমি অঞ্চলের বহু রাস্তার সঙ্গমকেন্দ্রে যখন পাকা বা কাঁচা রাস্তা এসে জড়ো হয় এবং সেই রাস্তাগুলোর দু-পাশে ঘন বাড়িঘর গড়ে ওঠে, তখন তারারূপী বসতি সৃষ্টি হয়।
১১। বসতি শ্রেণিক্রম বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ গ্রাম্য ও পৌর সব ধরনের বসতিকে আকার অনুসারে যখন ছোট থেকে বড় পর্যন্ত একটি নির্ধারিত বা সাজানো ক্রমে প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে বসতি শ্রেণিক্রম বলে।
১২। বসতি শ্রেণিক্রমের সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ স্তরে কোন ধরনের বসতি থাকে?
উত্তরঃ বসতি শ্রেণিক্রমের একেবারে নিম্নস্তরে কৃষিক্ষেত্র ভিত্তিক একক বাসগৃহ এবং সর্বোচ্চ স্তরে নগর সংহতি বা মেগালোপলিস থাকে।
১৩। বিশ্বের সর্বপ্রথম মহানগরী কোনটি এবং এটি কখন এক নিযুতের সীমা অতিক্রম করেছিল?
উত্তরঃ ইংল্যান্ডের লন্ডন শহর হলো বিশ্বের সর্বপ্রথম মহানগরী এবং এটি ১৮১০ সালে এক নিযুত বা ১০ লক্ষ জনসংখ্যার সীমা অতিক্রম করেছিল।
১৪। ভূগোলবিদ সি. এ. ডক্সিয়াডিসের মতে জনবসতির চারটি প্রধান উপাংশ কী কী?
উত্তরঃ ভূগোলবিদ ডক্সিয়াডিসের মতে জনবসতির চারটি উপাংশ হলো সমাঙ্গ অংশ, কেন্দ্রীয় অংশ, পরিসংখ্যান অংশ এবং বিশেষ অংশ।
১৫। ইংল্যান্ডের কোন দুটি মহানগরী বিশ্বখ্যাত শিক্ষানগরী হিসেবে পরিচিত?
উত্তরঃ ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড ও ক্যামব্রিজ মহানগরী দুটি বিশ্বখ্যাত শিক্ষানগরী হিসেবে পরিচিত।
দীঘল প্রশ্ন উত্তর।
১। রৈখিক বসতি বলতে কী বোঝায়? এই বসতি কোথায় এবং কীভাবে গড়ে ওঠে তা আলোচনা করো।
উত্তরঃ যে ধরনের বসতিতে ঘর-দুয়ারগুলো কোনো রাস্তা, রেলপথ ইত্যাদির কাছাকাছি অথবা নদী, জলসিঞ্চন নালা ইত্যাদির পাড়ে এবং পাহাড়িয়া অঞ্চলে, নদী উপত্যকা অঞ্চল বা সাগরের উপকূলীয় অঞ্চলে গড়ে ওঠে, তাকে রৈখিক বসতি বলে।
রৈখিক বসতি এবং এর গড়ে ওঠার স্থান ও কারণসমূহ বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:
(ক) রৈখিক বসতির সংজ্ঞা: যে ধরনের বসতিতে ঘর-দুয়ারগুলো কোনো রাস্তা, রেলপথ, নদী, খাল বা জলসিঞ্চন নালা ইত্যাদির পাড় ঘেঁষে সারিবদ্ধ বা লৈখিকভাবে গড়ে ওঠে, তাকে রৈখিক বসতি বলে।
(খ) গড়ে ওঠার স্থান এ ধরনের বসতি মূলত নিম্নলিখিত ভৌগোলিক বা যাতায়াত অনুকূল স্থানগুলোতে গড়ে ওঠে—
(i) যাতায়াতের সুবিধা থাকা প্রধান রাস্তা বা রেলপথের কাছাকাছি এলাকায়।
(ii) নদী, খাল অথবা জলসিঞ্চন নালার পাড় ঘেঁষে।
(গ) যেভাবে গড়ে ওঠে (গড়ে ওঠার কারণ) রৈখিক বসতি গড়ে ওঠার পেছনে প্রধানত তিনটি ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক কারণ কাজ করে—
(i) পাহাড়ি অঞ্চলে রৈখিক বসতি গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে ওই অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি এবং জলের উপলব্ধতা বা সহজলভ্যতার ওপর মানুষ সবচেয়ে বেশি নির্ভর করে। জলের উৎসের কাছাকাছি ঢালু উপত্যকায় মানুষ সারিবদ্ধভাবে ঘরবাড়ি তৈরি করে।
(ii) সমতল অঞ্চলে নদীর পাড়ে রৈখিক বসতি বিস্তারের ক্ষেত্রে প্রবল বন্যার ভূমিকা অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বন্যার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মানুষ নদীর পাড়ের উঁচু অংশ বা বাঁধ বরাবর রৈখিকভাবে বাড়িঘর গড়ে তোলে।
(ঘ) বাস্তব উদাহরণ আমাদের ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলে এ ধরনের বসতি স্পষ্টভাবে দেখা যায়—
(i) ভারতবর্ষের মধ্য হিমালয় এবং নিম্ন হিমালয় অঞ্চলের নদী উপত্যকাসমূহে এ ধরনের রৈখিক বসতি গড়ে উঠেছে।
(ii) গঙ্গা-যমুনা সমভূমি অঞ্চলে থাকা বিভিন্ন রাস্তা-ঘাটের কাছাকাছি ও দু-পাশে এ ধরনের রৈখিক বসতি ব্যাপকভাবে গড়ে উঠতে দেখা যায়।
২। উদাহরণসহ কার্যকারিতা বা প্রকার্যের ভিত্তিতে নগরসমূহের শ্রেণিবিন্যাস আলোচনা করো।
উত্তরঃ বিভিন্ন শহরের বা নগরসমূহের সৃষ্টি ও বিকাশ সাধারণত তাদের বিশেষ বিশেষ কার্যকারিতার ওপর নির্ভর করে হয়ে থাকে।
উদাহরণসহ প্রকার্যের ভিত্তিতে নগরসমূহের প্রধান শ্রেণিসমূহ আলোচনা করা হলো:
(ক) বহু কার্যকারিতাভিত্তিক মহানগরী: যেসব শহর কোনো একটি নির্দিষ্ট কাজের ওপর নির্ভর না করে একাধিক রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কাজের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে, তাদের বহু কার্যকারিতাভিত্তিক শহর বা মহানগরী বলে। উদাহরণস্বরূপ, ভারতবর্ষের কলকাতা, মুম্বাই এবং গুয়াহাটি মহানগরীসমূহ বহু কার্যকারিতার ওপর প্রতিষ্ঠিত।
(খ) প্রশাসনিক মহানগরী: যেসব শহর বা নগর কোনো দেশ বা রাজ্যের প্রশাসনিক কাজকর্ম ও সরকারি শাসনকার্য পরিচালনার মূল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে, সেগুলোকে প্রশাসনিক মহানগরী বলে। উদাহরণস্বরূপ,ভারতবর্ষের গান্ধীনগর এবং চণ্ডীগড় হলো এ ধরনের প্রশাসনিক মহানগরী।
(গ) শিল্পভিত্তিক বা শৈল্পিক নগরী: কোনো স্থানে কলকারখানা ও শিল্পের ব্যাপক প্রসারের ফলে যখন বসতি গড়ে ওঠে, তখন তাকে শিল্পভিত্তিক বা শৈল্পিক নগরী বলে। উদাহরণস্বরূপ, ভারতের জামসেদপুর, ভিলাই এবং বোকারো হলো ভারতবর্ষ জুড়ে খ্যাত কয়েকটি বিখ্যাত শৈল্পিক নগরী।
(ঘ) তীর্থনগরী বা ধর্মীয় শহর: ধর্মীয় বিশ্বাস, উপাসনালয় এবং তীর্থস্থানকে কেন্দ্র করে যেসব ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক নগর গড়ে ওঠে, সেগুলোকে তীর্থনগরী বলে।
উদাহরণস্বরূপ, ভারতের বারানসী, পুরী এবং ঋষিকেশ হলো অন্যতম বিখ্যাত তীর্থনগরী।
৩। একটি গ্রাম্য বসতি কীভাবে কালক্রমে পৌর বসতিতে বা নগরে রূপান্তরিত হতে পারে তা আলোচনা করো।
উত্তরঃ একটি গ্রাম্য বসতির নগরে রূপান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়া আলোচনা করা হলো:
(ক) উর্বরা ভূমি ও প্রয়োজনীয় সুযোগ: শুরুতে সব বসতিই মূলত গ্রাম হিসেবে গড়ে ওঠে। যেখানে উর্বর মাটি, সমতল ভূমি, পর্যাপ্ত জল এবং জীবন ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা থাকে, সেখানে সহজে গ্রাম গড়ে ওঠে।
(খ) কার্যকলাপের পরিবর্তন: সময়ের সাথে সাথে গ্রামীণ এলাকার আকার এবং মানুষের কার্যকলাপের রূপান্তর ঘটে। কোনো বিশেষ ভৌগোলিক অবস্থান বা সুবিধার কারণে গ্রামের মানুষ কৃষি কাজ ছেড়ে ব্যবসা-বাণিজ্যের দিকে ঝুঁকে পড়ে এবং গ্রামটি ধীরে ধীরে শহরে পরিণত হয়।
(গ) খনিজ সম্পদের প্রভাব: কোনো গ্রামীণ অঞ্চলের কাছাকাছি যদি মূল্যবান খনিজ সম্পদের সন্ধান পাওয়া যায়, তবে সেই গ্রামটিতে দ্রুত উদ্যোগের বিকাশ ঘটে। এর ফলে গ্রামটি ধীরে ধীরে একটি শিল্পভিত্তিক বা উদ্যোগিক নগরীতে রূপান্তরিত হয়।
(ঘ) যাতায়াত ও বাণিজ্য: পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নদীর পাড়ে অবস্থিত মৎস্যজীবী বা কোনো বাণিজ্য গ্রামের অনুকূল ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে কালক্রমে তা গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক বা পৌর কেন্দ্রে পরিণত হয়।
৪। ভূগোলবিদ ডক্সিয়াডিসের মতে জনবসতির উপাংশগুলো গ্রাম ও শহরের ক্ষেত্রে কীভাবে গঠিত হয় তা বুঝিয়ে লেখো।
উত্তরঃ ভূগোলবিদ সি. এ. ডক্সিয়াডিসের মতে, প্রতিটি জনবসতি চারটি প্রধান উপাংশ নিয়ে গঠিত:
(ক) সমাঙ্গ অংশ: গ্রাম্য বসতির ক্ষেত্রে এই সমাঙ্গ অংশটি মূলত চাষের ক্ষেতখামার বা কৃষিজমি নিয়ে গঠিত হয়। অন্যদিকে, পৌর বা নগর বসতির ক্ষেত্রে সমাঙ্গ অংশটি গড়ে ওঠে মানুষের আবাসিক অঞ্চল নিয়ে।
(খ) কেন্দ্রীয় অংশ: গ্রামের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় অংশ বলতে মানুষের ঘরবাড়ি ও বসতভিটাকে বোঝায়। কিন্তু শহরের বা পৌর এলাকার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় অংশটি বাণিজ্যিক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ দ্বারা গঠিত হয়।
(গ) পরিসংখ্যান অংশ: গ্রামীণ অঞ্চলে রাস্তাঘাট ও যাতায়াতের পথগুলো এই অংশটি তৈরি করে। শহরের ক্ষেত্রেও সড়কপথ, রেলপথ ও যাতায়াত ব্যবস্থার নেটওয়ার্ক এই পরিসংখ্যান অংশটি গঠন করে।
(ঘ) বিশেষ অংশ: গ্রামে স্কুল বা অন্য কোনো সামাজিক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিশেষ অংশ গড়ে ওঠে। শহরের ক্ষেত্রে বিশেষ অংশটি বিভিন্ন বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও বিশেষায়িত সংস্থার দ্বারা তৈরি হয়।
৫। বসতি শ্রেণিক্রম বলতে কী বোঝায়? এর বিভিন্ন স্তরগুলো সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ আকার, জনসংখ্যা, কার্যকারিতা এবং সুযোগ-সুবিধার ওপর ভিত্তি করে গ্রাম্য ও পৌর সব ধরনের বসতিকে যখন ছোট থেকে বড় হিসেবে একটি নির্দিষ্ট বা নির্ধারিত ক্রমে সাজানো হয়, তখন তাকে বসতি শ্রেণিক্রম বলা হয়।
বসতি শ্রেণিক্রমের বিভিন্ন স্তরসমূহ:
সাধারণত সম্পূর্ণ বসতি শ্রেণিক্রমকে ছোট থেকে বড় স্তরের ভিত্তিতে দুটি প্রধান পর্যায়ে সাজিয়ে আলোচনা করা যায়,যা সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করা হলো—
(i) গ্রামীণ পর্যায়ের স্তরসমূহ একক বাসগৃহ: এটি বসতি শ্রেণিক্রমের একেবারে নিম্নস্তরে বা শুরুর স্তরে অবস্থিত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কৃষিক্ষেত্র ভিত্তিক একক ঘরবাড়ির রূপ।
(ii) ক্ষুদ্র পল্লি: একক বাসগৃহ থেকে শুরু হওয়ার পর এই ক্রমে ক্রমান্বয়ে গড়ে ওঠা ক্ষুদ্র বসতিকে ক্ষুদ্র পল্লি বা হ্যামলেট বলা হয়।
(iii) গ্রাম: এটি গ্রামীণ পর্যায়ের শেষ বা সর্বোচ্চ স্তর। এখানে হ্যামলেটের চেয়ে বেশি জনসংখ্যা থাকে এবং মানুষের প্রধান উপজীবিকা বা জীবিকা কৃষিকার্যের সাথে জড়িত থাকে।
পৌর বা নগর পর্যায়ের স্তরসমূহ:
(i) নগর: পৌর বা নগর পর্যায়ের শুরুতেই নগরের অবস্থান দেখা যায়। এখানে জনসংখ্যা গ্রামের চেয়ে বেশি এবং যাতায়াত ও সুযোগ-সুবিধা উন্নত থাকে।
(ii) মহানগর: এটি সাধারণ নগরের চেয়ে অনেক বড় এবং অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় কার্যকারিতা বিশিষ্ট স্তর।
(iii) নগরপুঞ্জ: যখন কয়েকটি নগর বা শহর ক্রমান্বয়ে প্রসারিত হয়ে পরস্পরের সাথে মিলিত হয়ে একটি বড় নগর অঞ্চল গড়ে তোলে, তখন তাকে নগরপুঞ্জ বা কোনারবেশন বলা হয়।
(iv) নগর সংহতি বা মেগালোপলিস: এটি বসতি শ্রেণিক্রমের শীর্ষ স্তরে বা একেবারে সর্বোচ্চ স্থানে অবস্থান করে। এটি একাধিক মহানগর ও নগরপুঞ্জের সমন্বয়ে গঠিত একটি অতি বৃহৎ এবং জটিল নগর অঞ্চল।

