SEBA Class 9 Geography Important Chapter 5 অর্থনৈতিক ভূগোলঃ সম্পদের ধারণা ও শ্রেণিবিভাগ Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 Geography Important Chapter 5 অর্থনৈতিক ভূগোলঃ সম্পদের ধারণা ও শ্রেণিবিভাগ Solutions and select need one. Class 9 Elective Geography Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 Elective Geography Additional Question Answer.
SEBA Class 9 Geography Important Chapter 5 অর্থনৈতিক ভূগোলঃ সম্পদের ধারণা ও শ্রেণিবিভাগ
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines.SEBA Class 9 Geography Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Geography Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
অর্থনৈতিক ভূগোলঃ সম্পদের ধারণা ও শ্রেণিবিভাগ
Chapter: 5
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। সম্পদ কাকে বলে?
উত্তরঃ বেঁচে থাকার জন্য এবং উন্নতির পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য মানুষের প্রয়োজনীয় ও ব্যবহারোপযোগী প্রাকৃতিক এবং মানুষের নিজের তৈরি করা বস্তুসমূহকে সম্পদ বলে।
২। বেঁচে থাকার জন্য জীবের প্রয়োজনীয় কয়েকটি সাধারণ প্রাকৃতিক উপাদানের নাম লেখো।
উত্তরঃ বেঁচে থাকার জন্য জীবের প্রয়োজনীয় কয়েকটি সাধারণ প্রাকৃতিক উপাদান হলো মাটি, বায়ু, সৌরশক্তি এবং জল।
৩। মানুষ কোন কোন গুণ বা ক্ষমতার প্রয়োগ করে প্রাকৃতিক উপাদানসমূহকে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলে?
উত্তরঃ মানুষ নিজের শারীরিক শক্তি, বিদ্যাবুদ্ধি এবং বিশেষ কৌশল প্রয়োগ করে প্রাকৃতিকভাবে লাভ করা বস্তুসমূহকে নিজের ব্যবহারের উপযোগী করে তোলে।
৪। সম্পদের আহরণ ও ব্যবহার মানুষের কোন গুণাবলীর ওপর নির্ভর করে?
উত্তরঃ সম্পদের আহরণ ও ব্যবহার মূলত মানুষের নিজস্ব যোগ্যতা এবং দক্ষতার ওপর নির্ভর করে।
৫। অসমে চা গাছের ব্যবসায়িক প্রচলন কারা শুরু করেছিলেন?
উত্তরঃ অসমে চা গাছের ব্যবসায়িক প্রচলন ইংরেজরা প্রথম শুরু করেছিলেন।
৬। অসমের চা গাছের ইতিহাস থেকে সম্পদের রূপান্তর সম্পর্কে কী প্রমাণিত হয়?
উত্তরঃ সময়ের স্রোতে ঘটা সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন এক সময়ের নগণ্য বস্তুকেও পরবর্তীতে মূল্যবান সম্পদে পরিণত করতে পারে তা প্রমাণিত হয়।
৭। জনসংখ্যা বৃদ্ধি কীভাবে সম্পদের ওপর প্রভাব ফেলে?
উত্তরঃ বর্ধিত জনসংখ্যার চাহিদা পূর্ণ করার জন্য মানুষ কিছু কিছু সম্পদ প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে ব্যবহার করতে বাধ্য হয়।
৮। কয়লা এবং খনিজ তেলের মতো জীবাশ্ম ইন্ধনের ভাণ্ডার সংকুচিত হওয়ার ফলে মানুষ বর্তমানে কীসের ওপর নির্ভর করছে?
উত্তরঃ মানুষ বিকল্প শক্তি হিসেবে জলবিদ্যুৎ এবং পারমাণবিক শক্তির ওপর নির্ভর করছে।
৯। অরণ্য ফুরিয়ে আসার সাথে সাথে ঘরবাড়ি নির্মাণ কার্যে কাঠের বিকল্প হিসেবে মানুষ কী ব্যবহার করছে?
উত্তরঃ অরণ্য ফুরিয়ে আসার সাথে সাথে মানুষ ঘরবাড়ি নির্মাণ কার্যে কাঠের বদলে লোহা বা ওই ধরনের ধাতব পদার্থ ব্যবহার করছে।
১০। সৃষ্টির উৎসের ওপর ভিত্তি করে সম্পদকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তরঃ সৃষ্টির উৎসের ওপর ভিত্তি করে সম্পদকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
১১। সৃষ্টির উৎসের ওপর ভিত্তি করে ভাগ করা সম্পদের প্রকারভেদগুলো কী কী?
উত্তরঃ সৃষ্টির উৎসের ওপর ভিত্তি করে ভাগ করা সম্পদের প্রকারভেদগুলো হলো প্রাকৃতিক সম্পদ, মানব সৃষ্ট সম্পদ এবং মানব সম্পদ।
১২। প্রাকৃতিক সম্পদের উৎস কী?
উত্তরঃ প্রাকৃতিক সম্পদের মূল উৎস হলো আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশ।
১৩। কয়েকটি প্রকৃতির প্রত্যক্ষ সৃষ্টি বা প্রাকৃতিক সম্পদের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ কয়েকটি প্রাকৃতিক সম্পদের উদাহরণ হলো মাটি, জল, উদ্ভিদ, খনিজ পদার্থ এবং বন্যপ্রাণী।
১৪। প্রাকৃতিক সম্পদকে প্রধানত কোন দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়?
উত্তরঃ প্রাকৃতিক সম্পদকে প্রধানত জৈবিক এবং অজৈবিক এই দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।
১৫। জৈবিক ও অজৈবিক সম্পদের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ উদ্ভিদ ও জীবজন্তু হলো জৈবিক সম্পদের উদাহরণ এবং সৌরশক্তি, জল, লোহা ও সোনা হলো অজৈবিক সম্পদের উদাহরণ।
দীঘল প্রশ্ন উত্তর।
১। সম্পদ বলতে কী বোঝায়? সম্পদ আহরণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে মানুষের ভূমিকা আলোচনা করো।
উত্তরঃ মানুষের বেঁচে থাকার জন্য এবং উন্নতির পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অনেক জিনিসের প্রয়োজন হয়। মানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সাধারণ প্রাকৃতিক উপাদানসমূহ (যেমন— মাটি, বায়ু, সৌরশক্তি, জল ইত্যাদি) ছাড়াও খাদ্যবস্তু, বস্ত্র, বাসস্থান ইত্যাদির প্রয়োজন পূরণ করার জন্য মানুষের নানা রকমের জিনিসের দরকার পড়ে। মানুষ এই জিনিসগুলো প্রধানত প্রকৃতির বুক থেকেই বিভিন্ন উপায়ে আহরণ করে থাকে।
সম্পদ আহরণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে মানুষের ভূমিকা: সম্পদ সৃষ্টি, আহরণ এবং ব্যবহারের প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত সক্রিয় ও বহুমুখী।
মানুষের এই বিশিষ্ট ভূমিকা আলোচনা করা হলো—
(i) বুদ্ধি ও কৌশলের প্রয়োগ: মানুষ প্রকৃতি থেকে লাভ করা বিভিন্ন উপাদান সরাসরি ব্যবহার করতে পারে না। মানুষ নিজের শারীরিক শক্তি, বিদ্যাবুদ্ধি এবং বিশেষ কৌশল প্রয়োগ করে প্রকৃতির এই উপাদানগুলোকে নিজের ব্যবহারের উপযোগী সম্পদে রূপান্তর করে।
(ii) মানব সম্পদ হিসেবে ভূমিকা: সম্পদের আহরণ এবং এর সঠিক ব্যবহার যেহেতু মানুষের যোগ্যতা, দক্ষতা এবং কর্মক্ষমতা বা গুণাগুণের ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে, তাই বিশেষ অর্থে মানুষকেও সম্পদের মধ্যে ফেলা হয়।
(iii) মূল্যহীন বস্তুকে মূল্যবান সম্পদে রূপান্তর: মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সাথে সাথে কোনো একটি এক সময়ের নগণ্য বা অব্যবহৃত বস্তুর উপযোগিতা বৃদ্ধি পায়।
(iv) পরিবেশ রক্ষা ও বর্জ্য নিষ্কাশন: সম্পদ আহরণ ও ব্যবহারের পর যেসব বর্জ্য পদার্থ বা আবর্জনা সৃষ্টি হয়, সেগুলো যাতে আমাদের চারপাশের পরিবেশ দূষিত না করে, সেদিকে লক্ষ্য রাখা মানুষের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
২। অসমে চা শিল্পের বিকাশ কীভাবে সম্পদের ধারণাকে স্পষ্ট করে তা বুঝিয়ে লেখো।
উত্তরঃ অসমে চা শিল্পের বিকাশ কীভাবে সম্পদের ধারণাকে স্পষ্ট করে তা আলোচনা করা হলো:
(ক) ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও আদিম অবস্থা: ইংরেজরা অসমে আসার আগে এই রাজ্যটিতে চা-গাছের বিশেষ কোনো ব্যবহারিক বা অর্থনৈতিক মূল্য ছিল না। যদিও স্থানীয় কোনো কোনো জনগোষ্ঠী অত্যন্ত সীমিত পরিসরে নিজেদের পারিবারিকভাবে এটি ব্যবহার করতো, তবুও সামগ্রিকভাবে এটি তখন সম্পদ হিসেবে সমাজে পরিচিতি পায়নি।
(খ) ইংরেজদের উদ্যোগ ও ব্যবসায়িক রূপান্তর: অসমের স্থানীয় চা-গাছের গুণাগুণ ও উপযোগিতা চিহ্নিত করে অসমে চায়ের ব্যবসায়িক বা বাণিজ্যিক প্রচলন প্রথম শুরু করেছিল ইংরেজরাই। তাদের এই বিশেষ উদ্যোগ ও উন্নত কৌশলের ব্যবহারের ফলেই বনের সাধারণ চা-গাছটি মূল্যবান একটি বাণিজ্যিক ফসল বা সম্পদে রূপান্তরিত হয়।
(গ) প্রধান শিল্পে রূপান্তর: কালের বিবর্তনে এবং মানুষের ক্রমাগত চাহিদা ও প্রযুক্তির বিকাশের ফলে সম্প্রতি চা শিল্প অসমের একটি প্রধান ও অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক শিল্প হিসেবে গড়ে উঠেছে। এটি বর্তমানে অসমের অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে।
(ঘ) নগণ্য বস্তুর মহামূল্যবান সম্পদে রূপান্তর: অসমের চা শিল্পের এই বিকাশ সরাসরি প্রমাণ করে যে, সময়ের স্রোতে ঘটা নানাবিধ সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন এক সময়ের অত্যন্ত সাধারণ বা নগণ্য বস্তুকেও পরবর্তীতে মহামূল্যবান সম্পদে পরিণত করতে পারে।
৩। সম্পদের ধারণাকে প্রভাবিত করে এমন প্রধান কারকগুলো কী কী তা উল্লেখ করো।
উত্তরঃ সম্পদের ধারণাকে প্রভাবিত করা প্রধান কারকসমূহ বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো:
(i) প্রথম কারকটি হলো সাংস্কৃতিক প্রমূল্য, যা মানুষের সংস্কৃতির ভিত্তিতে সম্পদের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করে।
(ii) দ্বিতীয় কারকটি হলো প্রযুক্তিবিদ্যা যার সাহায্যে মানুষ অব্যবহৃত বস্তুকে সম্পদে রূপান্তর করতে পারে।
(iii) তৃতীয় কারকটি হলো অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যা সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন ও ব্যবহারে প্রভাব ফেলে।
(iv) চতুর্থত, সময়ের সাথে সাথে মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনও সম্পদের ধারণাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
৪। বর্ধিত জনসংখ্যা সম্পদের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলে তা আলোচনা করো।
উত্তরঃ জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে সম্পদের ওপর যে ক্ষতিকর ও পরিবর্তনশীল প্রভাব পড়ে তা আলোচনা করা হলো:
(ক) প্রথমত, জনসংখ্যা দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর মানুষের চাহিদা বহুগুণ বেড়ে যায়।
(খ) দ্বিতীয়ত, এই বর্ধিত চাহিদা পূরণ করার জন্য মানুষ কিছু কিছু প্রাকৃতিক সম্পদকে অতি মাত্রায় ব্যবহার করতে শুরু করে।
(গ) তৃতীয়ত, প্রাকৃতিকভাবে নতুন করে তৈরি হতে না পারার কারণে কালক্রমে সেইসব অতি-ব্যবহৃত সম্পদের তীব্র অভাব দেখা দেয়।
(ঘ) চতুর্থত, মানুষ বাধ্য হয়ে ফুরিয়ে যাওয়া জীবাশ্ম জ্বালানির বদলে জলবিদ্যুৎ বা পারমাণবিক শক্তি এবং কাঠের বদলে লোহা বা ধাতুর মতো বিকল্প সন্ধান করে।
৫। সৃষ্টির উৎসের ওপর ভিত্তি করে সম্পদের যে বিভাগগুলো পাওয়া যায় তা সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ সৃষ্টির উৎসের ওপর ভিত্তি করে সম্পদকে যে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায় ব্যাখ্যা করা হলো:
(ক) প্রাকৃতিক সম্পদ: যেসব সম্পদ প্রাকৃতিক পরিবেশ বা প্রকৃতির প্রত্যক্ষ সৃষ্টি থেকে লাভ করা যায়, যেমন— মাটি, জল, উদ্ভিদ, খনিজ পদার্থ এবং বন্যপ্রাণী।
(খ) মানব সৃষ্ট সম্পদ: মানুষ নিজের প্রযুক্তিবিদ্যা ও বুদ্ধি খাটিয়ে প্রাকৃতিক উপাদান থেকে যেসব নতুন বস্তু তৈরি করে, যেমন— ঘরবাড়ি ও কলকারখানা।
(গ) মানব সম্পদ: মানুষের যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতা যার সাহায্যে অন্য সম্পদ সৃষ্টি ও ব্যবহার করা সম্ভব হয়, তাকেই মানব সম্পদ বলা হয়। এ ছাড়াও প্রাকৃতিক সম্পদকে প্রাণ বা জীবনের ভিত্তিতে জৈবিক (উদ্ভিদ, জীবজন্তু) ও অজৈবিক (সৌরশক্তি, জল, সোনা) এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

