SEBA Class 9 Geography Important Chapter 3 জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বিতরণ Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 Geography Important Chapter 3 জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বিতরণ Solutions and select need one. Class 9 Elective Geography Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 Elective Geography Additional Question Answer.
SEBA Class 9 Geography Important Chapter 3 জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বিতরণ
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines.SEBA Class 9 Geography Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Geography Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বিতরণ
Chapter: 3
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘জন-প্রব্রজন’ কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো লোক বা জনগোষ্ঠী তাদের বাসস্থান ত্যাগ করে অন্য স্থানে গিয়ে দীর্ঘকালের জন্য বসবাস করার প্রক্রিয়াকে জন-প্রব্রজন বলে।
২। খ্রিস্টাব্দের শুরুতে পৃথিবীর জনসংখ্যা কত ছিল?
উত্তরঃ খ্রিস্টাব্দের শুরুতে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিল আনুমানিক ২০০ নিযুত বা ২০ কোটি।
৩। কোন সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা প্রথম এক মহানিযুত (১০০০ নিযুত) অতিক্রম করেছিল?
উত্তরঃ আনুমানিক ১৮০৮ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা প্রথম এক মহানিযুত অর্থাৎ ১০০০ নিযুত বা ১০০ কোটি অতিক্রম করেছিল।
৪। ‘জনবিস্ফোরণ’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ ১৯৫০-২০০০ সালের মধ্যবর্তী মাত্র ৫০ বছরে পৃথিবীর জনসংখ্যা অতি দ্রুত গতিতে ২৫০ কোটি থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৬০০ কোটিতে পৌঁছানোর ঘটনাকে জনবিস্ফোরণ বলা হয়।
৫। জাতিসংঘের ঘোষণা অনুযায়ী পৃথিবী কোন তারিখে ৭০০ কোটি জনসংখ্যা পূর্ণ করেছিল?
উত্তরঃ জাতিসংঘের ঘোষণা অনুসারে ২০১১ সালের ৩১ অক্টোবর তারিখে পৃথিবীর জনসংখ্যা ৭০০ কোটি পূর্ণ করেছিল।
৬। ২০১০ সালের তথ্য অনুযায়ী পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ এশিয়া মহাদেশে বসবাস করে?
উত্তরঃ ২০১০ সালের তথ্য অনুযায়ী পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার বৃহত্তম ৬১ শতাংশ এশিয়া মহাদেশে বসবাস করে।
৭। ওসেনিয়া মহাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে কত জন?
উত্তরঃ ওসেনিয়া মহাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে মাত্র ৪ জন।
৮। দেশের সীমানার ভেতরে সংঘটিত হওয়া প্রব্রজনকে কী বলা হয়?
উত্তরঃ দেশের সীমানার ভেতরে সংঘটিত হওয়া প্রব্রজনকে অন্তঃপ্রব্রজন বা অন্তর্দেশীয় প্রব্রজন বলা হয়।
৯। কোনো এক দেশ থেকে অন্য দেশে সংঘটিত হওয়া প্রব্রজনকে কী বলা হয়?
উত্তরঃ কোনো এক দেশ থেকে অন্য দেশে সংঘটিত হওয়া প্রব্রজনকে বহিঃপ্রব্রজন বা আন্তর্জাতিক প্রব্রজন বলা হয়।
১০। এভারেট লিপ্রব্রজনের বিকর্ষী ও আকর্ষী কারকসমূহকে যথাক্রমে কী নামে অভিহিত করেছেন?
উত্তরঃ এভারেট লি প্রব্রজনের বিকর্ষী কারকসমূহকে ঋণাত্মক এবং আকর্ষী কারকসমূহকে ধনাত্মক কারক বলে অভিহিত করেছেন।
১১। দেশের অভ্যন্তরে প্রব্রজন বা অন্তর্দেশীয় প্রব্রজন সাধারণত কত প্রকারের হতে পারে?
উত্তরঃ অন্তর্দেশীয় প্রব্রজন সাধারণত মোট চার প্রকার হতে পারে, যথা— গ্রাম থেকে নগরে, নগর থেকে গ্রামে, নগর থেকে নগরে এবং গ্রাম থেকে গ্রামে।
১২। কোন ধরনের প্রব্রজনে মহিলাদের অনুপাত সবচেয়ে বেশি দেখা যায়?
উত্তরঃ সামাজিক কারকের অন্তর্গত বৈবাহিক কারণে হওয়া প্রব্রজনে মহিলাদের অনুপাত সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
১৩। ২০১০ সালের আনুমানিক তথ্য অনুসারে ওসেনিয়া মহাদেশের মোট জনসংখ্যা কত ছিল?
উত্তরঃ ২০১০ সালের আনুমানিক তথ্য অনুসারে ওসেনিয়া মহাদেশের মোট জনসংখ্যা ছিল ৩৬ নিযুত বা ৩.৬ কোটি।
১৪। প্রব্রজনের প্রধান দুটি নিয়ন্ত্রক বা কারক কী কী?
উত্তরঃ প্রব্রজনের প্রধান দুটি কারক হলো বিকর্ষী কারক এবং আকর্ষী কারক।
১৫। কোন দুই শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে ইউরোপীয়দের দ্বারা পৃথিবীর বৃহত্তম জন-প্রব্রজন ঘটেছিল?
উত্তরঃ সপ্তদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়সীমায় ইংল্যান্ডসহ ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নতুন পৃথিবীতে ইউরোপীয়দের দ্বারা বৃহত্তম জন-প্রব্রজন ঘটেছিল।
দীঘল প্রশ্ন উত্তর।
১। পৃথিবীর জনসংখ্যা বৃদ্ধির ধারা সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ পৃথিবীর জনসংখ্যা বৃদ্ধির ধারা অত্যন্ত গতিশীল এবং এটি ইতিহাস জুড়ে অসমভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে—
(ক) খ্রিস্টাব্দের শুরুতে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিল মাত্র ২০০ নিযুত বা ২০ কোটি।
(খ) উনিশ শতকের শুরুতে অর্থাৎ আনুমানিক ১৮০৮ সালে এই জনসংখ্যা ১০০০ নিযুত বা ১০০ কোটি অতিক্রম করে।
(গ) পরবর্তী ২০০ বছরে জনসংখ্যা প্রায় ৭ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৭০০০ নিযুতে পৌঁছায়।
(ঘ) বিশেষ করে বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি অত্যন্ত দ্রুত হয়, যেখানে ১৯৫০-২০০০ সালের মাত্র ৫০ বছরে জনসংখ্যা ২৫০ কোটি থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৬০০ কোটি হয়, যাকে ‘জনবিস্ফোরণ’ বলা হয়।
(ঙ) জাতিসংঘের তথ্যমতে, ২০১১ সালের ৩১ অক্টোবর পৃথিবীর জনসংখ্যা ৭০০ কোটি স্পর্শ করে এবং ধারণা করা হয় যে ২০৫০ সালে তা ৯৫০ কোটি অতিক্রম করবে।
২। ২০১০ সালের তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের বিভিন্ন মহাদেশের জনসংখ্যা ও ঘনত্বের আঞ্চলিক তারতম্য আলোচনা করো।
উত্তরঃ ২০১০ সালের তথ্য অনুযায়ী মহাদেশভিত্তিক জনসংখ্যা ও ঘনত্বের ক্ষেত্রে চরম অসমতা বা তারতম্য দেখা যায়—
(ক) এশিয়া মহাদেশ: জনসংখ্যা সর্বাধিক ৪,২৫২ নিযুত (বিশ্বের ৬১%), এবং প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ঘনত্বও সবচেয়ে বেশি, অর্থাৎ ৯৩ জন।
(খ) আফ্রিকা মহাদেশ: জনসংখ্যা ১,০২২ নিযুত (বিশ্বের ১৪.৭%) এবং জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৪ জন।
(গ) ইউরোপ মহাদেশ: জনসংখ্যা ৭৩২ নিযুত (বিশ্বের ১০.৫%) এবং জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৭৪ জন।
(ঘ) উত্তর ও ল্যাটিন আমেরিকা: উত্তর আমেরিকার জনসংখ্যা ৩৫১ নিযুত (ঘনত্ব ১৭ জন) এবং ল্যাটিন আমেরিকার জনসংখ্যা ৫৮০ নিযুত (ঘনত্ব ২৮ জন)।
(ঙ) ওসেনিয়া মহাদেশ: জনসংখ্যা সবচেয়ে কম, মাত্র ৩৬ নিযুত (বিশ্বের ০.৫%) এবং জনসংখ্যার ঘনত্বও সবচেয়ে কম, মাত্র ৪ জন প্রতি বর্গ কিলোমিটারে।
৩। জন-প্রব্রজন কাকে বলে? প্রব্রজন প্রধানত কত প্রকারের হতে পারে তা ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ কোনো লোক বা জনগোষ্ঠী তাদের মূল বাসস্থান ত্যাগ করে অন্য কোনো স্থানে গিয়ে দীর্ঘকালের জন্য বসবাস করার প্রক্রিয়াকে জন-প্রব্রজন বলে।
প্রব্রজন প্রধানত দুই প্রকার।
(ক) ভৌগোলিক সীমানার ভিত্তিতে: প্রব্রজন প্রধানত দুই প্রকার।
(i) প্রথমটি হলো দেশের সীমানার ভেতরে হওয়া ‘অন্তঃপ্রব্রজন বা অন্তর্দেশীয় প্রব্রজন।
(ii) দ্বিতীয়টি হলো এক দেশ থেকে অন্য দেশে হওয়া ‘বহিঃপ্রব্রজন বা আন্তর্জাতিক প্রব্রজন’।
(খ) অন্তর্দেশীয় প্রব্রজনের প্রকারভেদ: দেশের ভেতরের প্রব্রজন মোট চার প্রকার হতে পারে— গ্রাম থেকে নগরে, নগর থেকে গ্রামে, নগর থেকে নগরে এবং গ্রাম থেকে গ্রামে।
(গ) সময়ের ভিত্তিতে: স্থায়িত্বের ওপর ভিত্তি করে প্রব্রজন স্বল্পকালীন, দীর্ঘকালীন, ঋতুভিত্তিক বা স্থায়ী ও অস্থায়ী প্রকৃতির হতে পারে।
(ঘ) দূরত্বের ভিত্তিতে: এটি হ্রস্ব দূরত্ব বা দীর্ঘ দূরত্বের প্রব্রজন হতে পারে।
৪। জন-প্রব্রজনের পেছনে দায়ী বিকর্ষী কারক এবং আকর্ষী কারক বলতে কী বোঝায়? সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ জন-প্রব্রজন বিভিন্ন ভৌগোলিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক কারক দ্বারা প্রভাবিত হয়। ভৌগোলিক অবস্থান ও পরিস্থিতি ভেদে এই কারকগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়—
(ক) বিকর্ষী কারক: মানুষ যখন কোনো স্থানের প্রতিকূল পরিস্থিতি যেমন— কর্মসংস্থানের অভাব, দারিদ্র্য, রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা সামাজিক বৈষম্যের কারণে নিজের বাসস্থান ত্যাগ করতে বাধ্য হয়, তখন সেই চালিকাশক্তিকে বিকর্ষী কারক বলে। এভারেট লি একে ঋণাত্মক কারক বলেছেন।
(খ) আকর্ষী কারক: কোনো নির্দিষ্ট স্থানের অনুকূল বা আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্যসমূহ যখন মানুষকে অন্য স্থান থেকে সেখানে এসে বসবাস করতে আকৃষ্ট করে, তখন তাকে আকর্ষী কারক বলে। যেমন— উন্নত কর্মসংস্থান, ভালো শিক্ষার সুযোগ, উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা, শান্তি ও নিরাপত্তা এবং উন্নত জীবনযাত্রা। এভারেট লি একে ধনাত্মক কারক বলে গণ্য করেছেন।
৫। ইতিহাস জুড়ে সংঘটিত হওয়া কয়েকটি উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক বা ঐতিহাসিক জন-প্রব্রজনের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ ইতিহাস জুড়ে সংঘটিত হওয়া কয়েকটি উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক বা ঐতিহাসিক জন-প্রব্রজনের উদাহরণ দেওয়া হলো—
(ক) ইউরোপীয়দের বিশ্বব্যাপী প্রব্রজন: সপ্তদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যকার সময়সীমায় ইংল্যান্ডসহ ইউরোপের অন্যান্য অঞ্চল থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন লঘু জনবসতিপূর্ণ স্থানে প্রব্রজন ঘটেছিল। বিশেষ করে নতুন পৃথিবী (অর্থাৎ উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা), এশিয়া, আফ্রিকা এবং অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে উপনিবেশ স্থাপনের জন্য এই প্রব্রজন হয়েছিল, যা ছিল পৃথিবীর ইতিহাসের বৃহত্তম জন-প্রব্রজন।
(খ) এশীয় ও আফ্রিকান শ্রমিকদের প্রব্রজন: ইউরোপীয় উপনিবেশ স্থাপনের পরবর্তী সময়সীমাগুলোতে এশিয়া ও আফ্রিকার উপনিবেশসমূহ থেকে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক শ্রেণির মানুষকে বিভিন্ন কাজের উদ্দেশ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
(গ) বিশ্বযুদ্ধ ও ইউরোপীয় রাজনৈতিক আগ্রাসনজনিত প্রব্রজন: উনিশ এবং বিশ শতকে বিশ্বযুদ্ধ, ইউরোপীয় উপনিবেশগুলোর স্বাধীনতা লাভ এবং শক্তিশালী দেশগুলোর সামরিক আগ্রাসনের ফলে বৃহৎ পরিমাণের প্রব্রজন ঘটেছিল। উদাহরণস্বরূপ, বিশ্বযুদ্ধের কারণে, বিশেষ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের লক্ষ লক্ষ মানুষ বাধ্য হয়ে বিভিন্ন দেশে প্রব্রজিত হয়েছিল।
(ঘ) ভারত বিভাজন ১৯৪৭এবং দেশভাগজনিত শরণার্থী সংকট: ১৯৪৭ সালে অবিভাজিত ভারতের স্বাধীনতার সময় দেশভাগের কারণে এক বিশাল ঐতিহাসিক প্রব্রজন ঘটেছিল। এই সময় প্রায় ১৫ থেকে ২০ নিযুত (দেড় থেকে দুই কোটি) মানুষ অবিভাজিত ভারতবর্ষের এক অংশ থেকে অন্য অংশে উদ্বাস্তু বা শরণার্থী হিসেবে প্রব্রজন করতে বাধ্য হয়েছিল।

