SEBA Class 9 Geography Chapter 2 মানব ভূগোল: পৃথিবীর মানুষ

SEBA Class 9 Geography Chapter 2 মানব ভূগোল: পৃথিবীর মানুষ Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 Geography Chapter 2 মানব ভূগোল: পৃথিবীর মানুষ Solutions and select need one. SEBA Class 9 Geography Chapter 2 মানব ভূগোল: পৃথিবীর মানুষ Notes Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 Elective Geography Question Answer.

SEBA Class 9 Geography Chapter 2 মানব ভূগোল: পৃথিবীর মানুষ

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines.SEBA Class 9 Geography Textbook Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Geography Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 2

Textual Question Answer

১। ‘মানব ভূগোল’-এর একটি সংজ্ঞা দাও এবং এর প্রধান শাখাগুলো উল্লেখ করো।

উত্তরঃ মানব ভূগোলের সংজ্ঞা: ভূগোলের যে বিভাগে প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক এবং এর ফলে মানুষের সৃষ্ট মানব পরিবেশের স্থান-কাল সাপেক্ষ অধ্যয়ন করা হয়, তাকে মানব ভূগোল বলে।

মানব ভূগোলের প্রধান শাখাগুলো হলো:

(i) বসতি ভূগোল। 

(ii) নগরীয় ভূগোল।

(iii) জনসংখ্যা ভূগোল।

(iv) সাংস্কৃতিক ভূগোল।

(v) রাজনৈতিক ভূগোল।

(vi) সমাজ ভূগোল।

(vii) অর্থনৈতিক ভূগোল।

২। মানব ভূগোলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে সংক্ষেপে লিখ।

উত্তরঃ মানব ভূগোলের বিষয়বস্তু মূলত মানুষ, ভূ-পৃষ্ঠে মানুষের নানাবিধ কার্যকলাপের বিস্তার ও বৈচিত্র্য এবং পরিবেশের সঙ্গে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে। 

এর পরিধি ও মূল বিষয়বস্তুর অন্তর্ভুক্ত দিকগুলো দেওয়া হলো:

(i) জনসংখ্যা ও মানবগোষ্ঠী: পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের জনসংখ্যা বৃদ্ধি, ঘনত্ব ও বণ্টন, প্রধান মানবগোষ্ঠী বা জাতি এবং মানুষের আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পরিযান।

(ii) সাংস্কৃতিক ও সামাজিক পরিবেশ: মানুষের সমাজ, বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী, গ্রামীণ ও নগরীয় বসতির উৎপত্তি এবং তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক।

(iii) অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপ: মানুষের জীবন ধারণের জন্য নিয়োজিত বিভিন্ন অর্থনৈতিক কাজ (যেমন— প্রাথমিক, দ্বিতীয়ক, তৃতীয়ক ও চতুর্থক বৃত্তি) এবং সম্পদের ব্যবহার ও বণ্টন।

(iv) শাখাভিত্তিক বিষয়বস্তু: মানব ভূগোলের প্রধান শাখাগুলো যেমন— বসতি ভূগোল, নগরীয় ভূগোল, জনসংখ্যা ভূগোল, সাংস্কৃতিক ভূগোল, রাজনৈতিক ভূগোল, সমাজ ভূগোল, অর্থনৈতিক ভূগোল, স্বাস্থ্য ভূগোল, ঐতিহাসিক ভূগোল এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পরিকল্পনা ভূগোলের সামগ্রিক পঠন-পাঠনই এর মূল বিষয়বস্তু।

৩। ‘মানবজাতি’ বলতে যা বোঝ সংক্ষেপে লিখ।

উত্তরঃ পৃথিবীতে বসবাসকারী সমস্ত মানুষকে তাদের জৈবিক একতা ও পরিবেশগত বৈচিত্র্যের ওপর ভিত্তি করে একত্রে মানবজাতি বলা হয়।

একই প্রজাতি: পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মধ্যে বাহ্যিক অবয়ব, দৈহিক গঠন ও রঙের পার্থক্য দেখা গেলেও, জৈবিক দিক থেকে তারা সকলেই একই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত। আধুনিক জীববিজ্ঞানের পরিভাষায় পৃথিবীর সকল মানুষ ‘হোমো সেপিয়েন্স’ নামক একটি একক প্রজাতির অন্তর্গত।

দৈহিক বৈচিত্র্যের কারণ: মানুষের দৈহিক বৈশিষ্ট্যের এই পার্থক্যের পেছনে মূল কারণ হলো জলবায়ু এবং দীর্ঘদিনের পরিবেশগত ও ভৌগোলিক প্রভাব। বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক পরিবেশের ভিন্নতার কারণে মানুষের চুল, ত্বক ও দৈহিক গড়নে পরিবর্তন এসেছে। এই বাহ্যিক বৈচিত্র্যের ওপর ভিত্তি করেই মানবজাতিকে প্রধান কয়েকটি প্রধান জাতি বা গোষ্ঠীতে বিভক্ত করা হয়েছে।

8। কোন কোন ভিত্তিতে মানব জাতিকে ভাগ করা হয় সংক্ষেপে লিখ।

উত্তরঃ মানবজাতিকে প্রধানত মানুষের দৃশ্যমান দৈহিক ও বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন জাতি বা গোষ্ঠীতে ভাগ করা হয়। 

এই শ্রেণিবিভাগের প্রধান ভিত্তিগুলো আলোচনা করা হলো:

(i) চামড়ার রং: মানুষের ত্বকের রং জাতি বিভাজনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। ভৌগোলিক অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে মানুষের গায়ের রং কালো সাদা কিংবা হলুদাভ বা তামাটে বর্ণের হতে দেখা যায়।

(ii) চুলের গঠন: চুলের প্রকৃতি ও গঠন মানুষের জাতিগত পরিচয় নির্ধারণে সাহায্য করে। মানুষের চুল সোজা ও মসৃণ, ঢেউখেলানো কিংবা অত্যন্ত কোঁকড়ানো বা পশমের মতো হতে পারে।

(iii) উচ্চতা ও দেহের গঠন: মানুষের শারীরিক উচ্চতা (যেমন— বেঁটে, মাঝারি বা দীর্ঘাঙ্গ) এবং কঙ্কাল ও হাড়ের সামগ্রিক দৈহিক গঠনকেও জাতিগত পার্থক্যের একটি ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়।

(iv) নাকের গঠন: নাকের আকৃতি, দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের তারতম্য বিভিন্ন মানবগোষ্ঠীকে একে অপরের থেকে পৃথক করতে সাহায্য করে।

৫। মানুষ ও মানবজাতির সৃষ্টি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা কর।

উত্তরঃ মানুষ তথা মানবজাতির সৃষ্টি এখনও কিছুটা রহস্যাবৃত। জীববিজ্ঞানী ও নৃতত্ত্ববিদদের মতে, প্লাইস্টোসিন যুগের প্রায় মধ্যভাগে পৃথিবীতে মানুষের আবির্ভাব ঘটেছিল। প্রথমদিকে মানুষ আফ্রিকা মহাদেশের অঞ্চলে বসবাস করত বলে মনে করা হয়। পরবর্তীকালে প্রাকৃতিক পরিবেশের পরিবর্তন ও খাদ্যের সন্ধানে মানুষ পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।

পরিবেশ ও জলবায়ুর পার্থক্যের কারণে বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের দৈহিক গঠন, চামড়ার রং, চুল, চোখ, নাক ইত্যাদির মধ্যে কিছু পার্থক্য দেখা দেয়। 

এই পার্থক্যের ভিত্তিতে মানবজাতিকে প্রধানত তিনটি মানবগোষ্ঠীতে ভাগ করা হয়েছে—

(i) ককেশীয়।

(ii) নিগ্রয়েড। 

(iii) মঙ্গোলীয়।

৬। চুল, নাক, মুখ, উচ্চতা, চামড়া ইত্যাদি দৈহিক বৈশিষ্ট্যর পার্থক্য অনুসারে পৃথিবীর মানবজাতিকে বিভক্ত করো।

উত্তরঃ মঙ্গোলীয় মধ্য ও পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া প্রধানত হলুদাভ বা হলুদ-বাদামি সাধারণত সোজা ও কালো চোখ ছোট ও কিছুটা টানা, মুখ তুলনামূলক চওড়া।

চুল, নাক, মুখ, উচ্চতা, চামড়া ইত্যাদি দৈহিক বৈশিষ্ট্যর পার্থক্য অনুসারে পৃথিবীর মানবজাতিকে বিভক্ত করা হলো:

  মানবগোষ্ঠী  প্রধান বিস্তার  চামড়ার রং      চুলনাক ও মুখের      বৈশিষ্ট্য
  ককেশীয়।ইউরোপ, দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অঞ্চল।সাদা, বাদামি বা কালচে-বাদামি।সাধারণত সোজা বা কিছুটা কোঁকড়ানো।নাক ও মুখের গঠনে বিভিন্নতা দেখা যায়।
  নিগ্রয়েড।প্রধানত আফ্রিকা, দক্ষিণ ভারত, শ্রীলঙ্কা ও কিছু দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় অঞ্চল।সাধারণত কালো বা বাদামি।সাধারণত কোঁকড়ানো।
নাক তুলনামূলক চওড়া, ঠোঁট পুরু।
  মঙ্গোলীয়।মধ্য ও পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।ধানত হলুদাভ বা হলুদ-বাদামি।সাধারণত সোজা ও কালো।চোখ ছোট ও কিছুটা টানা, মুখ তুলনামূলক চওড়া।

৭। পৃথিবীর প্রধান মানবজাতি তিনটির বৈশিষ্ট্যসমূহ উল্লেখ করো।

উত্তরঃ পৃথিবীর প্রধান মানবজাতি তিনটির বৈশিষ্ট্যসমূহ:

(i) ককেশীয় গোষ্ঠী: বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক মানুষ এই গোষ্ঠীর অন্তর্গত।

ইউরোপের নর্ডিক, আলপাইন ও ভূমধ্যসাগরীয় মানুষ এবং দক্ষিণ এশিয়ার কিছু মানুষ এই গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। 

চুল সাধারণত সরল বা কিছুটা পাকা এবং কালো বা বাদামি রঙের।

নাক সাধারণত সরু এবং চোখ ও চোয়াল তুলনামূলকভাবে কম প্রশস্ত।

(ii) নিগ্রোয়েড গোষ্ঠী: এদের প্রধান বসবাস আফ্রিকা মহাদেশে। দক্ষিণ ভারত, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু অংশ এবং ওশেনিয়ার কিছু অঞ্চলও এদের বিস্তৃতির মধ্যে পড়ে।

চামড়ার রং সাধারণত কালো বা বাদামি।

এদের উচ্চতা সাধারণত যথেষ্ট লম্বা হয়।

(iii) মঙ্গোলীয় গোষ্ঠী: এদের প্রধান বসবাস মধ্য ও পূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়।

চীন, জাপান, কোরিয়া, ইন্দোচীন, তিব্বত, ভিয়েতনাম প্রভৃতি অঞ্চলের মানুষ এই গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

চামড়ার রং প্রধানত হলুদ।

চোখ ছোট-ছোট এবং চুল খাড়া-খাড়া ও কালো। এদের বিভিন্ন উপজাতির মধ্যে দৈহিক বৈশিষ্ট্যের কিছু পার্থক্য দেখা যায়।

৮। পৃথিবীর কোন কোন অঞ্চলে সর্বপ্রথম মানুষ সৃষ্টি হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়? চিত্রসহ প্রধান মানবগোষ্ঠীসমূহর বিস্তার এবং বিতরণ সম্পর্কে সংক্ষেপে লিখ।

উত্তরঃ আধুনিক পুরাতাত্ত্বিক তথ্য অনুসারে মানুষের আবির্ভাব হয়েছিল প্রাচীন পৃথিবীর ক্রান্তীয় আফ্রিকার পূর্ব অংশে, আনুমানিক এক লক্ষ বছর পূর্বে। প্রথমদিকে মানুষের দৈহিক গঠন ছিল তিনটি প্রধান মানবগোষ্ঠীর সম্মিলিত রূপের মতো। পরবর্তীকালে জলবায়ু ও অন্যান্য প্রাকৃতিক পরিবর্তনের ফলে মানুষের দৈহিক গঠনে পরিবর্তন ঘটে।

পরবর্তীকালে বিভিন্ন মানবগোষ্ঠী বিভিন্ন দিকে প্রব্রজন করে বিস্তার লাভ করে। প্রধান বিস্তারগুলি হলো—

(i) ককেশীয় গোষ্ঠী: দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া থেকে ককেশীয় মূলের মানুষ বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে। ইউরোপ, উত্তর আফ্রিকা, দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া এবং অন্যান্য অঞ্চলে এদের বিস্তার ঘটে।

(ii) মঙ্গোলীয় গোষ্ঠী: মধ্য এশিয়া থেকে মঙ্গোলীয় গোষ্ঠীর মানুষ পূর্ব, মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।

(iii) নিগ্রোয়েড গোষ্ঠী: মধ্য আফ্রিকা থেকে নিগ্রোয়েড গোষ্ঠীর মানুষ বিভিন্ন দিকে প্রব্রজন করে আফ্রিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।

৯। পৃথিবীর প্রধান ধর্মগুলো কী কী? এই ধর্মগুলোর জনসংখ্যাসহ বিতরণ এবং মূল বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা কর।

উত্তরঃ পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ কোনো না কোনো ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে পরিচিত। 

পৃথিবীর প্রধান ধর্মগুলি হলো— খ্রিস্টান, ইসলাম, হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্ম। এছাড়াও ইহুদি, শিখ, জৈন, বাহাই, চীনদেশীয় লোকধর্ম প্রভৃতি ধর্ম রয়েছে।

প্রধান ধর্মগুলির বৈশিষ্ট্য ও বিতরণ:

(i) খ্রিস্টান ধর্ম:  ইউরোপের গ্রিক ও রোমান সভ্যতাকে কেন্দ্র করে খ্রিস্টান ধর্মের আবির্ভাব ঘটে। বর্তমানে ইউরোপ, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকার দক্ষিণ অংশ এবং ওশেনিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী মানুষ রয়েছে। এর মূল গ্রন্থ বাইবেল।

(ii) ইসলাম ধর্ম: প্রায় ১৪০০ বছর পূর্বে মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমি অঞ্চলে ইসলাম ধর্মের জন্ম হয়। আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে এর বিস্তার ঘটেছে। ইসলাম ধর্মের দুটি প্রধান ভাগ হলো সিয়া ও সুন্নি এবং এর মূল গ্রন্থ কোরান।

(iii) হিন্দু ধর্ম: হিন্দু ধর্ম পৃথিবীর প্রাচীনতম ধর্মগুলির একটি। এর জন্মভূমি ভারতবর্ষ। এর মূল গ্রন্থ বেদ। ভারতবর্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

(iv) বৌদ্ধ ধর্ম: প্রায় ২৫০০ বছর পূর্বে ভারতবর্ষের বৌদ্ধ গয়া অঞ্চলে গৌতম বুদ্ধের নেতৃত্বে বৌদ্ধ ধর্মের জন্ম হয়। এর প্রধান দুটি ভাগ হলো হীনযান ও মহাযান। এর মূল গ্রন্থ ত্রিপিটক। ভারতবর্ষ ছাড়াও ভুটান, চীন, শ্রীলঙ্কা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বৌদ্ধ ধর্মের বিস্তার ঘটেছে।

১০। ভারতবর্ষের জনসংখ্যার ধর্মীয় গাঁথনি এবং বিতরণ সম্পর্কে সংক্ষেপে লিখ।

উত্তরঃ ভারতবর্ষের জনসংখ্যার ধর্মীয় গাঁথনি: ভারতবর্ষ একটি বহুধর্মীয় দেশ। এখানে হিন্দু, ইসলাম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন প্রভৃতি ধর্মের মানুষ বসবাস করে। এর মধ্যে হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ২০০৬ সালে ভারতে প্রায় ৯০ কোটি হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষ ছিল, যা বিশ্বের মোট হিন্দু জনসংখ্যার প্রায় ১৪ শতাংশ। হিন্দু ধর্মের মূল গ্রন্থ হলো বেদ।

ধর্মীয় বিতরণ: ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের ঘনত্বে পার্থক্য দেখা যায়। হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষ ভারতের প্রায় সর্বত্র বিস্তৃত। ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষ দেশের বিভিন্ন অংশে বসবাস করে। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী মানুষ বিশেষ করে দক্ষিণ ভারত ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়। শিখ ধর্মাবলম্বী মানুষের প্রধান কেন্দ্র পাঞ্জাব অঞ্চলে। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মানুষ হিমালয় সংলগ্ন অঞ্চল ও দেশের কিছু অন্যান্য অংশে এবং জৈন ধর্মাবলম্বী মানুষ প্রধানত পশ্চিম ও মধ্য ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাস করে। এইভাবে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের সহাবস্থানের ফলে ভারতবর্ষের জনসংখ্যায় একটি বৈচিত্র্যময় ধর্মীয় গাঁথনি সৃষ্টি হয়েছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top