SEBA Class 9 History Important Chapter 1 আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ

SEBA Class 9 History Important Chapter 1 আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 History Important Chapter 1 আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ Solutions and select need one. Class 9 History Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 History Additional Question Answer.

Class 9 History Important Chapter 1 আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. SEBA Class 9 History Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 History Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 1

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। আমেরিকা মহাদেশ কে আবিষ্কার করেছিলেন এবং কবে আবিষ্কৃত হয়েছিল?

উত্তরঃ ইতালির নাবিক ক্রিস্টোফার কলম্বাস ১৪৯২ খ্রিস্টাব্দে আমেরিকা মহাদেশ আবিষ্কার করেছিলেন।

২। কার নামানুসারে নতুন ভূখণ্ডটির নাম ‘আমেরিকা’ রাখা হয়েছিল?

উত্তরঃ ইতালির ফ্লোরেন্স নগরের আমেরিগো ভেসপুসি নামক এক সওদাগরের নামানুসারে এই নতুন ভূখণ্ডের নাম ‘আমেরিকা’ রাখা হয়েছিল।

৩। আমেরিকার আদি অধিবাসীদের কী নামে অভিহিত করা হয়?

উত্তরঃ আমেরিকার আদি অধিবাসীদের ‘ইন্ডিয়ান’ বা ‘রেড ইন্ডিয়ান’ বলে অভিহিত করা হয়।

৪। আমেরিকার প্রথম ইংরেজ উপনিবেশ ‘ভার্জিনিয়া’ কার নামানুসারে রাখা হয়েছিল?

উত্তরঃ ইংল্যান্ডের কুমারী রানি এলিজাবেথের নামানুসারে এই উপনিবেশটির নাম রাখা হয়েছিল ‘ভার্জিনিয়া’।

৫। আমেরিকায় মোট কতটি ইংরেজ উপনিবেশ গড়ে উঠেছিল?

উত্তরঃ আমেরিকায় মোট ১৩টি ইংরেজ উপনিবেশ গড়ে উঠেছিল।

৬। ‘ফিলাডেলফিয়া’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘ফিলাডেলফিয়া’ শব্দের অর্থ হচ্ছে ভ্রাতৃত্বের প্রেম-নগরী।

৭। বস্টন টি পার্টি ঘটনাটি কবে ঘটেছিল?

উত্তরঃ বস্টন টি পার্টি ঘটনাটি ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত হয়েছিল।

৮। আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ইংল্যান্ডের রাজা কে ছিলেন?

উত্তরঃ আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ইংল্যান্ডের রাজা ছিলেন তৃতীয় জর্জ।

৯। ‘কমন সেন্স’  নামক বিখ্যাত পুস্তিকাটি কে রচনা করেছিলেন?

উত্তরঃ ‘কমন সেন্স’ নামক পুস্তিকাটি টমাস পেইন রচনা করেছিলেন।

১০। আমেরিকার স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রধান সেনাধক্ষ্য কে ছিলেন?

উত্তরঃ আমেরিকার স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রধান সেনাধক্ষ্য ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন।

১১। আমেরিকার ‘স্বাধীনতা ঘোষণা পত্র’ কে রচনা করেছিলেন?

উত্তরঃ আমেরিকার ‘স্বাধীনতা ঘোষণা পত্র’ রচনা করেছিলেন বিখ্যাত চিন্তাবিদ ও গণতন্ত্রের প্রবক্তা টমাস জেফারসন।

১২। আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণা পত্র কবে গৃহীত হয়েছিল?

উত্তরঃ ১৭৭৬ খ্রিস্টাব্দের ৪ঠা জুলাই ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত মহাসভায় আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণা পত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছিল।

১৩। কোন যুদ্ধের পর ইংরেজ সেনাপতি কর্নওয়ালিস আত্মসমর্পণ করেছিলেন?

উত্তরঃ ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে ইয়র্কটাউনের যুদ্ধে যৌথ মার্কিন ও ফরাসি বাহিনীর আক্রমণের মুখে ইংরেজ সেনাপতি কর্নওয়ালিস আত্মসমর্পণ করেছিলেন।

১৪। কোন চুক্তির মাধ্যমে ইংল্যান্ড আমেরিকার ১৩টি উপনিবেশের স্বাধীনতা স্বীকার করে নেয়?

উত্তরঃ ১৭৮৩ খ্রিস্টাব্দের ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে স্বাক্ষরিত ভার্সাই সন্ধিপত্রের মাধ্যমে ইংল্যান্ড আমেরিকার ১৩টি উপনিবেশের স্বাধীনতা স্বীকার করে নেয়।

১৫। আমেরিকার সংবিধানে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুনিশ্চিত করা প্রথম দশটি সংশোধনীকে একত্রে কী বলা হয়?

উত্তরঃ আমেরিকার সংবিধানে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুনিশ্চিত করা প্রথম দশটি সংশোধনীকে একত্রে ‘অধিকারের বিধি’ বা ‘বিল অব রাইটস’ বলা হয়।

দীঘলীয়া প্রশ্ন উত্তর।

১। আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রধান কারণগুলি আলোচনা করো।

উত্তরঃ আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রধান কারণগুলি আলোচনা করা হলো: 

(ক) আমেরিকার স্বাধীন মনোভাব: আমেরিকার উপনিবেশগুলি কোনো ব্রিটিশ সরকারের প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠেনি, বরং বিভিন্ন ব্যক্তি বা বাণিজ্যিক কোম্পানির উদ্যোগে গড়ে উঠেছিল। ফলে প্রথম থেকেই তাদের শাসন প্রণালীতে এক ধরণের স্বাধীনচেতা গণতান্ত্রিক মনোভাব বজায় ছিল।

(খ) ইংল্যান্ডের প্রতি আনুগত্যহীন মনোভাব: উপনিবেশ স্থাপনকারীদের অনেকেই ইংল্যান্ডের ধর্মীয় ও সামাজিক নির্যাতন থেকে বাঁচতে আমেরিকায় এসেছিলেন। ফলে মাতৃভূমি ইংল্যান্ডের প্রতি তাদের কোনো বিশেষ আনুগত্য বা অনুরাগ ছিল না। 

(গ) ধর্মীয় ও সামাজিক ব্যবধান: ইংল্যান্ডের সমাজ যেখানে কঠোর স্তরভেদ ও বৈষম্যে বিভক্ত ছিল, আমেরিকার সমাজ ছিল অনেক বেশি সমতাভিত্তিক এবং সেখানে কোনো লর্ড বা ডিউকের মতো উপাধিধারী অভিজাত শ্রেণী ছিল না। 

(ঘ) ব্রিটিশ সরকারের অর্থনৈতিক শোষণ: ইংল্যান্ড নিজের স্বার্থে উপনিবেশগুলির ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর বিভিন্ন অর্থনৈতিক বাধা-নিষেধ আরোপ করেছিল। যেমন- উৎপাদিত তুলা, তামাক, চিনি প্রভৃতি সামগ্রী বাধ্যতামূলকভাবে শুধুমাত্র ইংল্যান্ডেই পাঠাতে হতো এবং তা ব্রিটিশ জাহাজে করেই পরিবহন করতে হতো। 

২। বস্টন টি পার্টি ঘটনার প্রেক্ষাপট এবং গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ বস্টন টি পার্টি ঘটনার প্রেক্ষাপট এবং গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

(i) বস্টন টি পার্টির প্রেক্ষাপট: বস্টন টি পার্টি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না, বরং এটি ছিল দীর্ঘদিনের ব্রিটিশ অর্থনৈতিক শোষণ এবং ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। 

এর মূল কারণ বা প্রেক্ষাপটগুলি দেওয়া হলো:

ঔপনিবেশিক অসন্তোষ ও কর নীতি: সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধের পর ব্রিটিশ সরকার আমেরিকার উপনিবেশগুলির ওপর একের পর এক কর আরোপ করতে শুরু করে। সুগার বা চিনি আইন এবং স্ট্যাম্প আইন প্রবর্তনের ফলে আমেরিকার অধিবাসীদের মনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

বস্টন হত্যাকাণ্ড: ১৭৭০ সালের মে মাসে বস্টন বন্দরে ব্রিটিশ সৈন্য এবং স্থানীয় বস্টনবাসীর মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে, যা ইতিহাসে ‘বস্টন হত্যাকাণ্ড’ নামে পরিচিত। আমেরিকার স্বাধীনতা সংগ্রামের এই প্রথম রক্তপাতের পর থেকেই বস্টন শহরটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়।

(ii) বস্টন টি পার্টি ঘটনাটি: ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চা বোঝাই জাহাজ বস্টন বন্দরে এসে পৌঁছায়। কিন্তু আমেরিকার ক্ষুব্ধ দেশপ্রেমিকরা এই চা খালাস করতে দিতে অস্বীকার করে। ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দের ১৬ই ডিসেম্বর রাতে স্থানীয় কিছু বিপ্লবী ব্যক্তি আমেরিকার আদি অধিবাসী ‘রেড ইন্ডিয়ান’-দের ছদ্মবেশ ধারণ করে বস্টন বন্দরে দাঁড়িয়ে থাকা সেই চা বোঝাই জাহাজে উঠে পড়েন।

(iii) বস্টন টি পার্টির গুরুত্ব ও ফলাফল: 

আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধকে অনিবার্য করে তোলার ক্ষেত্রে বস্টন টি পার্টির গুরুত্ব ছিল অপরিসীম:

ব্রিটিশ সরকারের কঠোর দমননীতি: বস্টন টি পার্টির ঘটনায় ব্রিটিশ সরকার অত্যন্ত ক্ষুব্ধ ও অপমানিত বোধ করে। তারা এই বৈপ্লবিক কর্মকাণ্ড দমন করতে বস্টন বন্দরের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং বন্দরটি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়। 

উপনিবেশগুলির ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন: ব্রিটিশ সরকারের এই চরম দমনমূলক নীতি আমেরিকার মানুষের স্বাধিকার আন্দোলনকে স্তব্ধ করতে পারেনি, বরং তা তেরটি উপনিবেশের মানুষকে আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হতে সাহায্য করে। 

৩। আমেরিকার স্বাধীনতা সংগ্রামে জর্জ ওয়াশিংটনের ভূমিকা মূল্যায়ন করো।

উত্তরঃ আমেরিকার স্বাধীনতা সংগ্রামে জর্জ ওয়াশিংটনের ভূমিকা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

(i) প্রধান সেনাধিনায়ক পদে নিযুক্তি: ১৭৭৫ খ্রিস্টাব্দে ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত আমেরিকার উপনিবেশগুলির মহাসভায় জর্জ ওয়াশিংটনকে উপনিবেশগুলির সম্মিলিত সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাধিনায়ক বা সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়। 

(ii) বস্টন পুনরুদ্ধার ও প্রাথমিক সাফল্য: সেনাপতির দায়িত্ব লাভ করার পরেই ওয়াশিংটন তাঁর অসামান্য সামরিক দূরদর্শিতার পরিচয় দেন। ১৭৭৬ খ্রিস্টাব্দে তাঁর নেতৃত্বে আমেরিকান বাহিনী বস্টনে মোতায়েন ইংরেজ সেনাবাহিনীর ওপর জোরালো আক্রমণ চালায়।

(iii) ধৈর্য, দেশপ্রেম ও অনুপ্রেরণার উৎস: আমেরিকার নিয়মিত বাহিনীতে কোনো পেশাদার প্রশিক্ষণ বা উন্নত অস্ত্রশস্ত্র ছিল না। তদুপরি ব্রিটিশ বাহিনীর আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র ও শক্তির সামনে আমেরিকার সৈন্যদের টিকে থাকা কঠিন ছিল। পাঠ্যপুথি অনুসারে, জর্জ ওয়াশিংটন হয়তো খুব উঁচু মানের সামরিক রণকৌশলী বা যোদ্ধা ছিলেন না, কিন্তু তাঁর কর্তব্যপরায়ণতা, অসীম ধৈর্য এবং গভীর দেশপ্রেম আমেরিকার সাধারণ সৈনিক ও জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে জয়লাভের পথ প্রশস্ত করেছিল। 

(iv) ইয়র্কটাউনের যুদ্ধ ও ইংরেজদের আত্মসমর্পণ: জর্জ ওয়াশিংটনের যুদ্ধ পরিচালনার সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায়টি রচিত হয় ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে। তাঁর চমৎকার কূটনীতি এবং ফরাসি স্থল ও নৌবাহিনীর সহায়তায় তিনি ইয়র্কটাউনে ইংরেজ বাহিনীকে অবরুদ্ধ করে ফেলেন।

৪। আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের ফলাফল ও গুরুত্ব আলোচনা করো।

উত্তরঃ আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের ফলাফল ও গুরুত্ব আলোচনা করা হলো: 

(ক) একটি নতুন রাষ্ট্রের উত্থান: এই যুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্বের মানচিত্রে ‘আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র’ নামে একটি নতুন, স্বাধীন ও সার্বভৌম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্ম হয়। 

(খ) লিখিত সংবিধান ও গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা: ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে আমেরিকা বিশ্বের প্রথম লিখিত সংবিধান রচনা করে এবং ১৭৯১ খ্রিস্টাব্দে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে ‘বিল অব রাইটস’ কার্যকর করা হয়, যা বিশ্বজুড়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথপ্রদর্শক হয়ে ওঠে। 

(গ) ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক নীতির পরিবর্তন: আমেরিকার হাতছাড়া হওয়ার পর ব্রিটিশ সরকার তাদের ঔপনিবেশিক নীতিতে বড় ধরণের পরিবর্তন আনতে বাধ্য হয়। তারা বুঝতে পারে যে বলপ্রয়োগ করে কোনো জাতিকে চিরকাল পরাধীন রাখা সম্ভব নয়। 

(ঘ) ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা: আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধে বহু ফরাসি সেনা ও স্বেচ্ছাসেবক অংশ নিয়েছিলেন। তারা দেশে ফিরে গিয়ে ফরাসি রাজতন্ত্রের অত্যাচার ও স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হন, যা ১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দের ঐতিহাসিক ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত করতে গভীর অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।

৫। আমেরিকার সংবিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করো।

উত্তরঃ আমেরিকার সংবিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি: 

(ক) লিখিত ও সংক্ষিপ্ত রূপ: আমেরিকার সংবিধান অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং সুনির্দিষ্ট। মূল সংবিধানে মাত্র সাতটি অনুচ্ছেদ ছিল। 

(খ) যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থা: আমেরিকার সংবিধানের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী যুক্তরাষ্ট্র গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের পাশাপাশি রাজ্যগুলির নিজস্ব শাসন ব্যবস্থা ও স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখা হয়েছে। 

(গ) ক্ষমতার বিভাজন নীতি: 

শাসন বিভাগের সুপরিচালনার জন্য সংবিধানে সরকারের তিনটি প্রধান অঙ্গের মধ্যে ক্ষমতার স্পষ্ট বিভাজন করা হয়েছে:

(i) কার্যপালিকা (যার প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি)। 

(ii) বিধানমন্ডল বা কংগ্রেস (যার দুটি স্তর, উচ্চ সদন বা সেনেট এবং নিম্ন সদন বা হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস)। 

(iii) ন্যায়পালিকা বা বিচার বিভাগ (যার শীর্ষে রয়েছে সুপ্রিম কোর্ট)।

(ঘ) জনগণের সার্বভৌমত্ব ও মৌলিক অধিকার: সংবিধানের প্রস্তাবনায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে দেশের সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী সাধারণ জনগণ। এছাড়া ১৭৯১ খ্রিস্টাব্দের সংশোধনের মাধ্যমে নাগরিকদের বাক-স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং সম্পত্তি ও বিচারের অধিকার নিশ্চিত করে ‘বিল অব রাইটস’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top