SEBA Class 9 Geography Important Chapter 1 প্রাকৃতিক ভূগোল: আবহাওয়া ও জলবায়ু

SEBA Class 9 Geography Important Chapter 1 প্রাকৃতিক ভূগোল: আবহাওয়া ও জলবায়ু Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 Geography Important Chapter 1 প্রাকৃতিক ভূগোল: আবহাওয়া ও জলবায়ু Solutions and select need one. Class 9 Elective Geography Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 Elective Geography Additional Question Answer.

SEBA Class 9 Geography Important Chapter 1 প্রাকৃতিক ভূগোল: আবহাওয়া ও জলবায়ু

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines.SEBA Class 9 Geography Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Geography Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 1

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। আবহাওয়া কাকে বলে?

উত্তরঃ কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানে কম সময়ের জন্য (যেমন— কয়েক ঘণ্টা, একদিন বা কয়েক সপ্তাহ) পরিলক্ষিত হওয়া বায়ুমণ্ডলের অবস্থাকে আবহাওয়া বলে।

২। জলবায়ু কাকে বলে?

উত্তরঃ কোনো স্থানের আবহাওয়ার উপাদানসমূহের দীর্ঘদিনের (কমপক্ষে ৩০ বছরের) গড় অবস্থাকে জলবায়ু বলে।

৩। আবহাওয়া ও জলবায়ুর প্রধান তিনটি উপাদান কী কী?

উত্তরঃ আবহাওয়া ও জলবায়ুর প্রধান তিনটি উপাদান হলো উত্তাপ, চাপ ও আর্দ্রতা।

৪। ত্রুটি হার বা ল্যাপস রেট বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ ট্রপোস্ফিয়ার স্তরে ভূপৃষ্ঠ থেকে ওপরের দিকে প্রতি এক কিলোমিটার উচ্চতা বৃদ্ধিতে বায়ুর উত্তাপ গড়ে ৬° সেলসিয়াস হারে হ্রাস পাওয়ার হারকে ত্রুটি হার বা ল্যাপস রেট বলে।

৫। পৃথিবী তার নিজের মেরুদণ্ডে কত ডিগ্রী কোণ করে হেলে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে?

উত্তরঃ পৃথিবী তার নিজের মেরুদণ্ডে ২৩ ১/২° কোণ করে হেলে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।

৬। বায়ুর চাপ বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ বায়ুর চাপ বলতে প্রতি একক ক্ষেত্রফলে বায়ুর দ্বারা প্রয়োগ করা বলকে বোঝায়।

৭। সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ পারাস্তম্ভে কত ইঞ্চি বা মিলিমিটার ধরা হয়?

উত্তরঃ সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ ২৯.৯২ ইঞ্চি বা ৭৬০ মিলিমিটার পারাস্তম্ভের সমান ধরা হয়।

৮। ব্যারোমিটারের এক ইঞ্চি পারাস্তম্ভের চাপ কত মিলিবারের সমান?

উত্তরঃ ব্যারোমিটারের এক ইঞ্চি পারাস্তম্ভের চাপ ৩৩.৯ মিলিবারের সমান।

৯। জলচক্র কাকে বলে?

উত্তরঃ ভূপৃষ্ঠ ও বায়ুমণ্ডলের মধ্যে হওয়া জলরাশির নিরন্তর আবর্তন ও বিনিময় প্রক্রিয়াকে জলচক্র বলে।

১০। সম্পৃক্ত বায়ু কাকে বলে?

উত্তরঃ কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ু নির্দিষ্ট উত্তাপে যতখানি জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে, ঠিক ততখানি জলীয়বাষ্প যদি বায়ুটিতে থাকে, তবে তাকে সম্পৃক্ত বায়ু বলে।

১১। বায়ুর আর্দ্রতা প্রকাশের প্রধান দুটি রূপ কী কী?

উত্তরঃ বায়ুর আর্দ্রতা প্রকাশের প্রধান দুটি রূপ হলো চরম আর্দ্রতা এবং আপেক্ষিক আর্দ্রতা।

১২। চরম আর্দ্রতা কাকে বলে?

উত্তরঃ কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে থাকা জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে চরম আর্দ্রতা বলে।

১৩। অধঃক্ষেপের কয়েকটি প্রকারভেদের নাম উল্লেখ করো।

উত্তরঃ অধঃক্ষেপের কয়েকটি প্রকারভেদ হলো শিশির, হিম, ঘন কুয়াশা, হালকা কুয়াশা, তুষারকণাবৃষ্টি, তুষারপাত,বৃষ্টি এবং গুঁড়ো বৃষ্টি।

১৪। ব্রাজিলের ক্রান্তীয় অঞ্চলের তৃণভূমি কী নামে পরিচিত?

উত্তরঃ ব্রাজিলের ক্রান্তীয় অঞ্চলের তৃণভূমিকে ক্যাম্পোস নামে অভিহিত করা হয়।

১৫। বিষুবীয় জলবায়ু অঞ্চলে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কত?

উত্তরঃ বিষুবীয় জলবায়ু অঞ্চলে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২০০ সেন্টিমিটারের বেশি।

দীর্ঘ প্রশ্ন ও উত্তর।

১। জলবায়ু নির্ধারণের যেকোনো পাঁচটি প্রধান কারক বা নিয়ন্ত্রক সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তরঃ জলবায়ু নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান বা কারক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রধান পাঁচটি কারক আলোচনা করা হলো—

(ক) অক্ষাংশ: অক্ষাংশ জলবায়ু নির্ধারণের অন্যতম প্রধান নিয়ন্ত্রক বিষুবরেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর দিকে অক্ষাংশ বৃদ্ধির সাথে সাথে সূর্যের কিরণ ক্রমশ বাঁকা বা হেলে পড়ে। হেলে পড়া সূর্যরশ্মি বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে বলে এর উত্তাপের তীব্রতা কমে যায় ফলে বিষুবীয় অঞ্চলে উষ্ণ জলবায়ু এবং মেরু অঞ্চলে অত্যন্ত শীতল জলবায়ু বিরাজ করে।

(খ) উচ্চতা: ভূপৃষ্ঠের উচ্চতার পার্থক্যের জন্য উষ্ণতার তারতম্য ঘটে সাধারণত প্রতি এক কিলোমিটার উচ্চতা বৃদ্ধিতে বায়ুর উত্তাপ প্রায় ৬.৫° সেন্টিগ্রেড হারে হ্রাস পায়। এই কারণে একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও সমভূমি অঞ্চলের চেয়ে উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলের জলবায়ু অনেক শীতল হয়।

(গ) সমুদ্রের সান্নিধ্য: জলভাগ ও স্থলভাগের তাপ গ্রহণ ও বর্জন করার ক্ষমতার পার্থক্যের কারণে সমুদ্রের কাছাকাছি অঞ্চলের জলবায়ু মৃদুভাবাপন্ন হয়। গ্রীষ্মকালে স্থলভাগ দ্রুত উত্তপ্ত হলেও সমুদ্রের শীতল বাতাস পরিবেশকে ঠান্ডা রাখে এবং শীতকালে স্থলভাগ দ্রুত ঠান্ডা হলেও সমুদ্রের উষ্ণ বায়ু চরম ঠান্ডার হাত থেকে রক্ষা করে।

(ঘ) বায়ুপ্রবাহ: কোনো অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বাতাসের বৈশিষ্ট্য সেখানে জলবায়ু নির্ধারণ করে সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বাতাসে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে বলে তা আর্দ্র হয় এবং উপকূলবর্তী অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়।

(ঙ) ভূমির প্রকৃতি: মাটির গঠনগত পার্থক্যের ওপরও জলবায়ুর উষ্ণতা নির্ভর করে। বালিময় বা শিলাময় মাটি সূর্যের তাপে দ্রুত উত্তপ্ত হয় এবং তাপ বিকিরণ করে দ্রুত শীতল হয়ে পড়ে, যা মরু অঞ্চলের চরমভাবাপন্ন জলবায়ুর প্রধান কারণ।

২। বায়ুর উষ্ণতার তারতম্যের প্রধান কারণগুলো বুঝিয়ে লেখো।

উত্তরঃ বায়ুর উষ্ণতার তারতম্য বা হ্রাসের প্রধান কারণগুলো আলোচনা করা হলো—

(ক) উচ্চতার প্রভাব: ট্রপোস্ফিয়ার স্তরে ভূপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুর উত্তাপ কমতে থাকে। প্রতি এক কিলোমিটার উচ্চতা বৃদ্ধিতে উত্তাপ গড়ে ৬° সেলসিয়াস হারে হ্রাস পায়।

(খ) সূর্যরশ্মির পতন কোণ: সূর্যরশ্মি দুপুরে কোনো স্থানে লম্বভাবে পড়ে বলে কম দূরত্ব অতিক্রম করে এবং সীমিত স্থানে তীব্র উত্তাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু সকাল ও বিকালে সূর্যরশ্মি হেলে পড়ে বলে বেশি পথ অতিক্রম করতে হয় এবং বিশাল এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে উত্তাপের তীব্রতা কম অনুভূত হয়।

(গ) পৃথিবীর মেরুদণ্ডের হেলে থাকা: পৃথিবী তার নিজের মেরুদণ্ডে ২৩ ১/২° কোণ করে হেলে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। এর ফলে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধ পর্যায়ক্রমে সূর্যের কাছাকাছি ও দূরে সরে যায় এবং উত্তাপের তারতম্য ঘটে।

৩। বায়ুর চাপের তারতম্যের প্রধান কারণসমূহ ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ বায়ুর চাপের তারতম্য প্রধানত দুটি কারণে সংঘটিত হয়—

(ক) বায়ুর উষ্ণতা: কোনো স্থানে বায়ু উত্তপ্ত হলে তা প্রসারিত ও হালকা হয়ে ওপরে উঠে যায় (উর্ধ্বগামী হয়)। এর ফলে সেখানে বায়ুর নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। বিপরীতভাবে, ঠাণ্ডা বায়ু ভারী এবং সংকুচিত হওয়ায় নিচের দিকে নেমে আসে এবং উচ্চচাপের সৃষ্টি করে।

(খ) পৃথিবী পৃষ্ঠের উচ্চতা: ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি নিচের স্তরের বায়ুর গভীরতা ও ঘনত্ব বেশি থাকে বলে চাপও বেশি হয়। কিন্তু ভূপৃষ্ঠ থেকে ওপরের দিকে গেলে বায়ুর গভীরতা ও ঘনত্ব ক্রমে হ্রাস পায়, যার ফলে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুর চাপও কমতে থাকে।

৪। আপেক্ষিক আর্দ্রতা বলতে কী বোঝায়? এটি কীভাবে নির্ণয় করা হয়?

উত্তরঃ আপেক্ষিক আর্দ্রতা হলো বায়ুর আর্দ্রতা প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি—

(ক) সংজ্ঞা: কোনো নির্দিষ্ট উষ্ণতায় নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প উপস্থিত থাকে, তার ভরের সঙ্গে সেই একই উষ্ণতায় ওই আয়তনের বায়ুকে সম্পৃক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় সর্বোচ্চ জলীয়বাষ্পের ভরের যে অনুপাত, তাকে আপেক্ষিক আর্দ্রতা বলে।

(খ) প্রকাশ ও গুরুত্ব: আপেক্ষিক আর্দ্রতাকে সর্বদা শতকরা বা অনুপাত হিসাবে প্রকাশ করা হয়। এটি বায়ুর শুষ্কতা ও আর্দ্রতা নির্ধারণে সাহায্য করে। যদি আপেক্ষিক আর্দ্রতা ১০০% হয়, তবে বায়ু সম্পৃক্ত হয়ে পড়ে এবং ঘনীভবন প্রক্রিয়া শুরু হয়। উষ্ণ বায়ু বেশি জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে বলে এর আপেক্ষিক আর্দ্রতার মান উষ্ণতার পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়।

৫। শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত কীভাবে সৃষ্টি হয় তা বুঝিয়ে লেখো।

উত্তরঃ শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাতের সৃষ্টির প্রক্রিয়া দেওয়া হলো—

(ক) পাহাড়ে বাধা পাওয়া: ভূপৃষ্ঠের ওপর দিয়ে প্রবাহিত জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাস তার গতিপথে পাহাড় বা পর্বত দ্বারা বাধাগ্রস্ত হয়।

(খ) ওপরে ওঠা ও ঘনীভবন: বাধা পেয়ে এই বাতাস পাহাড়ের ঢাল বেয়ে ওপরে উঠতে বাধ্য হয়। ওপরে ওঠার ফলে বায়ু প্রসারিত ও শীতল হয়। শীতল হওয়ার কারণে বায়ুতে থাকা জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে মেঘে পরিণত হয়।

(গ) বৃষ্টিপাত: পাহাড়ের যে ঢাল বরাবর বাতাস প্রবাহিত হয়ে বাধা পায় এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়, তাকে প্রতিবাত ঢাল বা উইন্ডওয়ার্ড স্লোপ বলে। এই ঢালে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঘনীভূত হয়ে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত ঘটায়।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top