SEBA Class 9 Geography Chapter 7 কৃষি

SEBA Class 9 Geography Chapter 7 কৃষি Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 Geography Chapter 7 কৃষি Solutions and select need one. SEBA Class 9 Geography Chapter 7 কৃষি Notes Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 Elective Geography Question Answer.

SEBA Class 9 Geography Chapter 7 কৃষি

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines.SEBA Class 9 Geography Textbook Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Geography Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 7

Textual Question Answer

১। কৃষি বলতে কী বোঝায়? কৃষিকে প্রভাবান্বিত করে যে কারকগুলো সেগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত আভাস দাও।

উত্তরঃ কৃষি: সাধারণ অর্থে জমি চাষ করে ফসল উৎপাদন করার অর্থনৈতিক কাজকে কৃষি বলা হয়। তবে আধুনিক ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক পরিভাষায়—কেবল ফসল উৎপাদনই নয়, এর সাথে পশুপালন, হাঁস-মুরগি পালন, মৎস্য চাষ, রেশম চাষ, মৌমাছি পালন এবং বনায়ন ইত্যাদিকেও কৃষির অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

কৃষিকে প্রভাবান্বিতকারী কারকসমূহ কৃষিকার্য মূলত দুটি প্রধান কারকের ওপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে:

(i) প্রাকৃতিক বা ভৌগোলিক কারক:

ভূ-প্রকৃতি: সমতল ভূমি কৃষিকাজের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। পার্বত্য বা ঢালু অঞ্চলে চাষাবাদ করা বেশ কঠিন।

জলবায়ু (উষ্ণতা ও বৃষ্টিপাত): ভিন্ন ভিন্ন ফসলের জন্য ভিন্ন জলবায়ুর প্রয়োজন হয়। যেমন—ধান চাষের জন্য বেশি উষ্ণতা ও বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন হয়।

মাটি: মাটির উর্বরতা ও গুণাগুণ ফসল উৎপাদন নির্ধারণ করে। যেমন—গম চাষের জন্য এঁটেল ও বেলে মাটি উপযোগী।

(ii) সামাজিক ও অর্থনৈতিক কারক:

শ্রমিক: কৃষিকাজের বিভিন্ন স্তরে পর্যাপ্ত ও দক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজন হয়।

পুঁজি: উন্নত বীজ, আধুনিক যন্ত্রপাতি এবং রাসায়নিক সার ক্রয়ের জন্য পর্যাপ্ত মূলধনের প্রয়োজন হয়।

বাজার ও যাতায়াত: উৎপাদিত ফসল দ্রুত বিক্রির জন্য সুগম পরিবহন ব্যবস্থা এবং বাজার থাকা আবশ্যক।

২। পৃথিবীর সব জায়গায় এক ধরনের কৃষি না-হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ পৃথিবীর সব জায়গায় এক ধরনের কৃষি পদ্ধতি গড়ে না ওঠার প্রধান কারণগুলো হলো প্রাকৃতিক ও মানবীয় উপাদানের বৈচিত্র্য বা তারতম্য:

(i) জলবায়ুর বৈচিত্র্য: পৃথিবীর সব অঞ্চলের জলবায়ু এক নয়। কোনো অঞ্চলে অতিবৃষ্টি হয়, আবার কোনো অঞ্চলে অনাবৃষ্টি বা মরু জলবায়ু বিরাজ করে। ফলে জলবায়ুর পার্থক্যের কারণে ফসলের ধরন ও চাষের পদ্ধতি বদলে যায়।

(ii) ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতা: সমতলভূমি, মালভূমি এবং পার্বত্য অঞ্চলের মাটির গঠন ও ঢাল ভিন্ন। পার্বত্য ঢালে যেখানে জুম চাষ বা ধাপ চাষ করতে হয়, সমতলভূমিতে সেখানে স্থায়ী বা নিবিড় পদ্ধতিতে চাষ করা যায়।

(iii) মাটির উর্বরতা: সব জায়গার মাটির গুণাগুণ এক নয়। উর্বর পলি মাটিতে যেভাবে নিবিড় চাষ সম্ভব, অনুর্বর বা পাহাড়ি মাটিতে তা সম্ভব নয়।

(iv) জনসংখ্যার ঘনত্ব ও জমির পরিমাণ: অতি ঘনবসতিপূর্ণ দেশে (যেমন: ভারত, বাংলাদেশ) জমির পরিমাণ কম থাকায় মানুষ নিজের চাহিদা মেটাতে ক্ষুদ্র বা গহন কৃষি  করে। অন্যদিকে, কম জনবসতিপূর্ণ দেশে বিশাল জমিতে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিস্তৃত বা বাণিজ্যিক কৃষি করা হয়।

৩। কৃষির শ্রেণিবিভাজন করে সেগুলোর ভিত্তির বিষয়ে আলোচনা কর।

উত্তরঃ পৃথিবীতে প্রচলিত বিভিন্ন কৃষিকার্যকে প্রধানত চারটি ভিত্তির ওপর নির্ভর করে শ্রেণিবিভাজন করা হয়েছে:

কৃষিক্ষেত্রের স্থায়িত্বের ভিত্তিতে:

(ক) স্থায়ী কৃষি।

(খ) স্থান পরিবর্তনশীল বা জুম কৃষি।

কৃষিক্ষেত্রের আকারের ভিত্তিতে:

(ক) বিশাল বা বিস্তৃত কৃষি।

(খ) ক্ষুদ্র বা গহন কৃষি।

আর্থিক দিক বা কৃষির উদ্দেশ্য অনুসারে:

(ক) বাণিজ্যিক কৃষি।

(খ) আত্মনির্ভরশীল কৃষি।

মাটির গুণাগুণ, জলবায়ু ও কৃষি পদ্ধতি অনুসারে:

(ক) শুষ্ক কৃষি। 

(খ) আর্দ্র কৃষি। 

৪। স্থায়ী কৃষি কী? স্থায়ী কৃষির বৈশিষ্ট্যগুলো সংক্ষেপে লিখ।

উত্তরঃ স্থায়ী কৃষি: যে কৃষি পদ্ধতিতে মানুষ জমি পরিবর্তন না করে একই নির্দিষ্ট জমিতে বছরের পর বছর ধরে স্থায়ীভাবে বসবাস ও চাষাবাদ করে, তাকে স্থায়ী কৃষি বলে।

স্থায়ী কৃষির প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:

(i) ভূমির স্থায়িত্ব: এখানে চাষের জমি পরিবর্তন করা হয় না। একই জমিতে পর্যায়ক্রমে বছরের পর বছর চাষ করা হয়।

(ii) উন্নত কৃষি উপকরণের ব্যবহার: মাটির উর্বরতা বজায় রাখতে এবং উৎপাদন বাড়াতে রাসায়নিক ও জৈব সার, উন্নত বীজ, কীটনাশক ও আধুনিক জলসেচ ব্যবস্থার সাহায্য নেওয়া হয়।

(iii) স্থায়ী বসতি স্থাপন: স্থায়ী কৃষিকে কেন্দ্র করে কৃষকেরা চাষের জমির আসেপাশে স্থায়ী ঘরবাড়ি বা গ্রাম গড়ে তোলে।

(iv) শস্যের আবর্তন: মাটির উর্বরতা রক্ষা করতে সাধারণত একই শস্য বার বার না বুনে শস্য আবর্তন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।

৫। স্থান পরিবর্তনশীল কৃষির (জুম কৃষি) একটি সংক্ষিপ্ত আভাস দাও। এই কৃষি কী ভাবে পরিবেশের ক্ষতিসাধন করে বিশ্লেষণ কর।

উত্তরঃ জুম কৃষির সংক্ষিপ্ত আভাস: পাহাড়ি অঞ্চলে বনাঞ্চল কেটে এবং পুড়িয়ে পরিষ্কার করে সাময়িকভাবে যে চাষাবাদ করা হয়, তাকে স্থান পরিবর্তনশীল কৃষি বা জুম কৃষি বলে। উত্তর-পূর্ব ভারতের (যেমন অসমের পাহাড়ি অঞ্চল) পাহাড়ি উপজাতিদের মধ্যে এই কৃষি পদ্ধতির প্রচলন রয়েছে। সাধারণত পাহাড়ের ঢালের জঙ্গল কেটে রোদে শুকানো হয় এবং পরে তাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। পোড়া ছাই জমিতে প্রাকৃতিক সারের কাজ করে। এরপর সেখানে ধান, সবজি ইত্যাদি ফসলের বীজ বোনা হয়। কয়েক বছর চাষের পর জমির উর্বরতা কমে গেলে কৃষকেরা এই স্থান ছেড়ে অন্য কোনো নতুন পাহাড়ি ঢালে গিয়ে আবার একই পদ্ধতিতে চাষ শুরু করে।

পরিবেশের ক্ষতিসাধন:

(i) বনাঞ্চল ধ্বংস: জঙ্গল কেটে পুড়িয়ে ফেলার ফলে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক বনভূমি চিরতরে ধ্বংস হয়ে যায়।

(ii) মৃত্তিকা ক্ষয় ও পাহাড় ধস: গাছ কেটে ফেলায় পাহাড়ের ঢালের মাটি আলগা হয়ে যায়। বর্ষাকালে বৃষ্টির জলের তোড়ে এই আলগা মাটি সহজে ধুয়ে যায়, যা পাহাড়ে মারাত্মক ধস সৃষ্টি করে।

(iii) জীববৈচিত্র্য হ্রাস: বনাঞ্চল ধ্বংসের ফলে পাহাড়ি বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের প্রাকৃতিক বাসস্থান নষ্ট হয় এবং জীববৈচিত্র্য বিপন্ন হয়।

(iv) বায়ু দূষণ: বন পুড়িয়ে দেওয়ার ফলে বাতাসে প্রচুর পরিমাণে ধোঁয়া ও কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস মিশে বায়ুমণ্ডলের ক্ষতি করে।

৬। বিস্তৃত কৃষি ও ক্ষুদ্র কৃষির একটি তুলনামূলক পর্যালোচনা তুলে ধর।

উত্তরঃ বিস্তৃত কৃষি ও ক্ষুদ্র কৃষির একটি তুলনামূলক পর্যালোচনা আলোচনা করা হলো:

(i) ভূমির পরিমাণ ও জনসংখ্যার ঘনত্ব:

বিস্তৃত কৃষি: কম জনবসতিপূর্ণ দেশগুলোতে সাধারণত বিশাল আকারের খামারে বা বৃহৎ কৃষিভূমিতে এই চাষাবাদ করা হয়।

ক্ষুদ্র বা গহন কৃষি: ঘন জনবসতিপূর্ণ দেশগুলোতে কৃষিভূমির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম থাকায় সীমিত বা ক্ষুদ্র জমিতে এই চাষ করা হয়।

(ii) উদ্দেশ্য ও ফসল ব্যবহারের ধরন:

বিস্তৃত কৃষি: এই কৃষি সম্পূর্ণরূপে বাণিজ্য বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে করা হয়। উৎপাদিত শস্য বিক্রির জন্য বাজারে পাঠানো হয়।

ক্ষুদ্র বা গহন কৃষি: উৎপাদিত ফসলের বেশিরভাগ অংশ চাষিদের নিজেদের পরিবারের চাহিদা ও ভরণ-পোষণের (আত্মনির্ভরশীল) কাজে ব্যবহৃত হয়।

(iii) মানব শ্রম ও যান্ত্রিকীকরণ:

বিস্তৃত কৃষি: এই কৃষিতে মানুষের দৈহিক শ্রমের বদলে অত্যাধুনিক যান্ত্রিক পদ্ধতি এবং ভারী যন্ত্রপাতির ব্যবহার সর্বাধিক।

ক্ষুদ্র বা গহন কৃষি: এটি অত্যন্ত শ্রমসাপেক্ষ কৃষি। সীমিত জমিতে অধিক উৎপাদনের জন্য পরিবারের সদস্যদের দৈহিক শ্রমের ওপর বেশি নির্ভর করতে হয়।

(iv) চাষের নিবিড়তা:

বিস্তৃত কৃষি: সাধারণত বিশাল জমিতে বছরে একটি নির্দিষ্ট প্রধান ফসলের (যেমন: গম) চাষ করা হয়।

ক্ষুদ্র বা গহন কৃষি: পরিবারের ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করতে একই জমিতে বছরে দুই থেকে তিনবার শস্যের চাষ (নিবিড় চাষ) করা হয়।

৭। রোপণ কৃষি বলতে কী বোঝায়? এর বিশেষত্ব আলোচনা কর।

উত্তরঃ রোপণ কৃষি: রোপণ কৃষি হলো এক বিশেষ ধরনের বাণিজ্যিক কৃষি পদ্ধতি, যেখানে বিশাল এলাকা জুড়ে বাগিচা আকারে একক কোনো অর্থকরী ফসলের চাষ বৈজ্ঞানিক উপায়ে করা হয়।

রোপণ কৃষির বিশেষত্ব:

(i) ঔপনিবেশিক সূত্রপাত: রোপণ কৃষি মূলত ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শাসকেরা ক্রান্তীয় অঞ্চলে শুরু করেছিলেন। উদাহরণস্বরূপ— ইংরেজরা ভারতে ও শ্রীলঙ্কায় চায়ের চাষ এবং মালয়েশিয়ায় রবারের চাষ প্রবর্তন করেছিল।

(ii) মালিকানার পরিবর্তন: পূর্বে এই বৃহৎ খামারগুলোর মালিকানা বিদেশি কোম্পানির অধীনে থাকলেও, বর্তমানে তা দেশীয় সরকার বা পুঁজিপতিদের নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।

(iii) বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য: এই কৃষি সম্পূর্ণভাবে বাজারমুখী এবং লাভ অর্জনের উদ্দেশ্যে করা হয়। একক ফসলের আধিপত্য: বিশাল খামারে সাধারণত একটি নির্দিষ্ট ফসলেরই (যেমন: চা, রবার, কফি বা কোকো) চাষ করা হয়।

৮। নগরীকরণ ও বাজারকেন্দ্রিক কৃষি সম্বন্ধে একটি আভাস দাও।

উত্তরঃ বাজারকেন্দ্রিক কৃষি: নগরী বা শহরের মানুষের নিত্যদিনের প্রয়োজন মেটানোর জন্য শহরের নিকটবর্তী বা শহরতলি অঞ্চলে নিবিড় পদ্ধতিতে শাক-সবজি, ফল-মূল ও ফুলের যে বিশেষ চাষ করা হয়, তাকে বাজারকেন্দ্রিক কৃষি বা উদ্যান কৃষি বলে।

নগরীকরণ ও বাজারকেন্দ্রিক কৃষির সম্পর্ক:

(i) বাজারের গুরুত্ব বৃদ্ধি: কৃষির অর্থনৈতিক কারকগুলোর মধ্যে বাজার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। দ্রুত নগরীকরণের ফলে শহরে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সেখানে টাটকা শাক-সবজি, ফল ও ফুলের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে।

(ii) উন্নত কৃষি উপকরণের ব্যবহার: এই কৃষিতে অল্প জমিতে সর্বাধিক উৎপাদনের লক্ষ্যে অধিক উৎপাদনক্ষম জাতের বীজের ব্যবহারের সাথে আধুনিক যান্ত্রিক পদ্ধতির প্রয়োগ করা হয়।

(iii) দ্রুত পরিবহন ব্যবস্থার নির্ভরতা: উৎপাদিত শাক-সবজি বা ফলমূল দ্রুত পচনশীল হওয়ায় এগুলোকে টাটকা অবস্থায় শহরের বাজারে পৌঁছাতে উন্নত ও দ্রুতগামী পরিবহন ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়।

(iv) অর্থনৈতিক অগ্রগতি: বিশ্বজুড়ে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি, ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ডস এই কৃষিতে এগিয়ে আছে। ভারতেও বিহার, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও হিমাচলপ্রদেশ এই ক্ষেত্রে দ্রুত উন্নতি লাভ করছে এবং উৎপাদিত ফলমূল বিদেশেও রপ্তানি করছে।

৯। ধান চাষের জন্য কোন পরিবেশের প্রয়োজন? এর ভৌগোলিক বিতরণের বিষয়ে সংক্ষেপে লিখ।

উত্তরঃ ধান চাষের জন্য প্রয়োজনীয় ভৌগোলিক পরিবেশ:

(i) জলবায়ু: ধান চাষের জন্য বেশি উষ্ণতা ও আর্দ্র বৃষ্টিপাতযুক্ত জলবায়ুর প্রয়োজন হয়।

উষ্ণতা: ধান চাষের জন্য ২৫° সেলসিয়াস থেকে ৩৫° সেলসিয়াসের ভেতর উষ্ণতা থাকা প্রয়োজন।

(ii) বৃষ্টিপাত: বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১০০ থেকে ২০০ সেন্টিমিটারের ভেতর হলে ধান চাষের পক্ষে ভালো হয়।

ভৌগোলিক বিতরণ:

(i) প্রধান উৎপাদনকারী দেশসমূহ: মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত চীন, ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, জাপান এবং ফিলিপিন্স পৃথিবীর প্রধান ধান উৎপাদনকারী দেশ।

(ii) অন্যান্য দেশ: এশিয়া মহাদেশের বাইরে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও ইজিপ্টেও কিছু পরিমাণে ধানের চাষ হয়।

(iii) শীর্ষস্থান: এশিয়া মহাদেশের চীন দেশে পৃথিবীতে সর্বাধিক ধান উৎপাদন হয় এবং এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। ভারতে মূলত গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা এবং পূর্ব উপকূলীয় সমভূমি অঞ্চলে ধান চাষ বেশি হয়।

১০। গম চাষের একটি বিবরণ দাও।

উত্তরঃ গম চাষের বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:

(i) উপযোগী পরিবেশ ও মাটি: সমতল অঞ্চলের উর্বর এঁটেল ও বেলে মাটি গম চাষের পক্ষে সবচেয়ে উপযোগী।

(ii) জলবায়ু ও তাপমাত্রা: নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু অঞ্চল গম চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। শীতপ্রধান অঞ্চলে এই শস্যের চাষ করতে হলে চাষের সময়কালে বছরে অন্তত তিন মাস বরফমুক্ত পরিবেশ থাকতে হবে।

(iii) বৃষ্টিপাত ও সেচ: গম চাষের জন্য বার্ষিক ৫০-১০০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। তবে যেসব এলাকায় বৃষ্টিপাত কম হয়, সেখানে আজকাল আধুনিক জলসেচ বা জলসিঞ্চন ব্যবস্থার সাহায্যেও সফলভাবে গম চাষ করা হচ্ছে।

ভৌগোলিক বিতরণ:

(i) প্রধান উৎপাদক দেশ: পৃথিবীর প্রধান গম উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে চীন, ভারত, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি এবং পাকিস্তান অন্যতম।

(ii) শীর্ষস্থান: গম উৎপাদনে পৃথিবীর মধ্যে চীন প্রথম স্থান অধিকার করে এবং এরপর আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের স্থান। ভারতের গাঙ্গেয় উপত্যকা গম চাষের জন্য অত্যন্ত বিখ্যাত।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top