SEBA Class 9 Geography Chapter 6 অর্থনৈতিক কার্য বা বৃত্তি

SEBA Class 9 Geography Chapter 6 অর্থনৈতিক কার্য বা বৃত্তি Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 Geography Chapter 6 অর্থনৈতিক কার্য বা বৃত্তি Solutions and select need one. SEBA Class 9 Geography Chapter 6 অর্থনৈতিক কার্য বা বৃত্তি Notes Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 Elective Geography Question Answer.

SEBA Class 9 Geography Chapter 6 অর্থনৈতিক কার্য বা বৃত্তি

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines.SEBA Class 9 Geography Textbook Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Geography Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 6

Textual Question Answer

১। বৃত্তি বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ বৃত্তি বলতে আমরা সাধারণত জীবিকা নির্বাহের জন্য মানুষের করা বিভিন্ন কাজকর্মকেই বুঝি। জীবিকা উপার্জনের জন্য মানুষ নানা ধরনের পথ বা কাজের অবলম্বন করতে পারে।

২। বৃত্তি প্রধানত কত প্রকার? উদাহরণসহকারে প্রতিটি বৃত্তির নাম লিখ।

উত্তরঃ মানুষের আর্থিক কাজকর্ম বা বৃত্তিকে কর্মব্যবস্থা এবং তার বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে প্রধানত চারটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়:

(ক) প্রাথমিক বৃত্তি: যেসব অর্থনৈতিক কাজ সরাসরি প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল এবং প্রকৃতি থেকে প্রত্যক্ষভাবে সম্পদ আহরণ করে। 

উদাহরণস্বরূপ: কৃষি, পশুপালন, মাছ ধরা, বনজ সম্পদ আহরণ এবং খনিজাত সম্পদ আহরণ ইত্যাদি।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণি বা মধ্যম বৃত্তি: প্রাথমিক কাজের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য বা প্রাকৃতিক কাঁচামালকে রূপান্তর বা প্রক্রিয়াকরণ করে ব্যবহারোপযোগী করার কাজ। 

উদাহরণস্বরূপ: শিল্প উৎপাদন, সংগৃহীত মাছকে উপযুক্ত প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত বা টিনজাতকরণ ইত্যাদি।

(গ) তৃতীয় শ্রেণির বৃত্তি: উৎপাদিত পণ্য বিতরণ ও অন্যান্য সেবাধর্মী কাজ। 

উদাহরণস্বরূপ: যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থা, পাইকারি ও খুচরো ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পর্যটন ইত্যাদি।

(ঘ) চতুর্থ শ্রেণির বৃত্তি: অত্যন্ত উন্নত সেবা এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও গবেষণামূলক কাজ। 

উদাহরণস্বরূপ: ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, জীবন বিমা, প্রশাসন, গবেষণা, যোগাযোগ ও প্রচার মাধ্যম ইত্যাদি।

৩। প্রাথমিক বৃত্তি কাকে বলে?

উত্তরঃ যেসব অর্থনৈতিক কাজ বা বৃত্তি প্রকৃতি থেকে প্রত্যক্ষভাবে সম্পদ আহরণের সাথে যুক্ত, সেগুলোকে প্রাথমিক বৃত্তি বলে। এর ভেতরে রয়েছে কৃষি, মাছ ধরা, পশুপালন, বনজ ও খনিজাত সম্পদ আহরণ ইত্যাদি। 

8। দ্বিতীয় শ্রেণির বৃত্তি ও প্রাথমিক বৃত্তির মধ্যে পার্থক্য কী উল্লেখ কর।

উত্তরঃ দ্বিতীয় শ্রেণির বৃত্তি ও প্রাথমিক বৃত্তির মধ্যে পার্থক্য:

                    প্রাথমিক বৃত্তি                        দ্বিতীয় শ্রেণির বৃত্তি
প্রকৃতি থেকে সরাসরি বা প্রত্যক্ষভাবে সম্পদ আহরণ করার অর্থনৈতিক কাজকে প্রাথমিক বৃত্তি বলে।প্রাথমিক বৃত্তির মাধ্যমে আহরিত কাঁচামালকে রূপান্তর ও প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে ব্যবহারোপযোগী করে তোলার কাজকে দ্বিতীয় শ্রেণির বৃত্তি বলে।
এই বৃত্তি সরাসরি প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর নির্ভরশীল।এই বৃত্তি সরাসরি প্রকৃতির ওপর নয়, বরং প্রাথমিক বৃত্তির মাধ্যমে উৎপাদিত কাঁচামালের ওপর নির্ভরশীল।
এর মূল কাজ হলো প্রাকৃতিক সম্পদ সংগ্রহ করা (যেমন: খনি থেকে আকরিক উত্তোলন, বন থেকে কাঠ সংগ্রহ ইত্যাদি)।এর মূল কাজ হলো সংগৃহীত কাঁচামালের শোধন, রূপান্তর এবং নতুন পণ্য উৎপাদন করা।
এই বৃত্তিতে উৎপাদিত দ্রব্যের বেশিরভাগই সরাসরি ব্যবহার করা যায় না, সেগুলোকে শোধন বা রূপান্তর করতে হয়।এই বৃত্তিতে উৎপাদিত পণ্য সরাসরি মানুষের ব্যবহারের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকে।

৫। কী ধরনের অর্থনৈতিক কার্যকে তৃতীয় শ্রেণির বৃত্তি বলে অভিহিত করা হয়?

উত্তরঃ উৎপাদিত পণ্য উপভোক্তার কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য যে বিতরণ ব্যবস্থা রয়েছে এবং এর সাথে জড়িত যাবতীয় সেবাধর্মী কাজকে তৃতীয় শ্রেণির বৃত্তি বলে অভিহিত করা হয়। এই বিতরণ ব্যবস্থায় যাতায়াত-পরিবহন এবং বাজার (পাইকারি ও খুচরো ব্যবসা) মুখ্য ভূমিকা পালন করে। এছাড়া যাতায়াত, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পর্যটন ইত্যাদি সেবামূলক কাজও এই শ্রেণির বৃত্তির অন্তর্গত।

৬। চতুর্থ শ্রেণির বৃত্তির গুরুত্ব সম্বন্ধে আলোচনা কর।

উত্তরঃ চতুর্থ শ্রেণির বৃত্তির গুরুত্ব সম্বন্ধে আলোচনা করা হলো:

(i) পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে অভিযোজন: সমাজের বাকি তিনটি বৃত্তি বা অর্থনৈতিক কাজকে (প্রাথমিক, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির বৃত্তি) পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে চতুর্থ শ্রেণির বৃত্তি অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

(ii) বিশ্বায়নের প্রভাব ও বাজার সম্প্রসারণ: উৎপাদন ব্যবস্থা ও বাণিজ্য বিশ্বায়নের প্রভাবে পড়ায় চতুর্থ শ্রেণির বৃত্তির গুরুত্ব স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেড়েছে। এর মাধ্যমে উৎপাদকেরা আন্তর্জাতিক বাজার এবং গ্রাহকদের সাথে সহজে সংযোগ স্থাপন করতে পারছে।

(iii) প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজার সৃষ্টি: পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার বিকাশ এবং চতুর্থ শ্রেণির বৃত্তির বিস্তার আর্থিক পরিবেশকে অনেক বেশি প্রতিযোগিতামূলক করে তুলেছে। এর ফলে উৎপাদকেরা পণ্যের মান ও বাজারে গ্রহণযোগ্যতার প্রতি অধিক সচেতন হতে বাধ্য হচ্ছে।

(iv) উন্নত ও আধুনিক সেবার বিকাশ: এটি সমাজকে আধুনিক করতে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, জীবন বিমা, প্রশাসন, গবেষণা, যোগাযোগ ও প্রচার মাধ্যমের মতো অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং আধুনিক সেবামূলক কাজের সুযোগ বৃদ্ধি করে।

৭। অর্থনৈতিক উন্নয়ন কীভাবে বৃত্তির পরিবর্তন ঘটায় লিখ?

উত্তরঃ অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে মানুষের বৃত্তির পরিবর্তনের একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে:

(i) স্থান ও কালভেদে পরিবর্তন: স্থান ও কালভেদে মানুষের অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপের পরিবর্তন ঘটে। আর এই আর্থিক ক্রিয়াকলাপের পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করেই মানুষের বৃত্তিরও রূপান্তর ঘটে।

(ii) প্রাথমিক থেকে উন্নত বৃত্তিতে রূপান্তর: প্রাচীনকালে মানুষের জীবনযাত্রার মান সরল ছিল এবং বেশিরভাগ মানুষ নিজের মৌলিক চাহিদা মেটাতে সরাসরি প্রকৃতির ওপর নির্ভর করত (প্রাথমিক বৃত্তি)। কিন্তু অর্থনৈতিকভাবে উন্নত হওয়ার সাথে সাথে মানুষ কাঁচামাল প্রক্রিয়াজাতকরণ (দ্বিতীয় শ্রেণির বৃত্তি), ব্যবসা-বাণিজ্য ও সেবা এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও গবেষণার দিকে ধাবিত হয়।

(iii) সেবামূলক কাজের প্রসার: দেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রশাসনিক ও পরিবহন সেবা এবং সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংক, বীমা, গবেষণা ও প্রচার মাধ্যমের দ্রুত প্রসারের ফলে মানুষ ক্রমশ উন্নত ও আধুনিক বৃত্তিতে নিয়োজিত হচ্ছে। 

৮। বৃত্তির ক্ষেত্রে অসমে ঘটে যাওয়া পরিবর্তনের একটি সংক্ষিপ্ত আভাস দাত্ত।

উত্তরঃ বৃত্তির ক্ষেত্রে অসমে ঘটে যাওয়া পরিবর্তনের একটি সংক্ষিপ্ত আভাস দেওয়া হলো:

(i) স্বাধীনতা-পরবর্তী পরিবর্তন: দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে অসমে প্রশাসনিক ও পরিবহন ইত্যাদি সেবামূলক ক্ষেত্রে প্রচুর মানুষ নিয়োজিত হতে শুরু করে। এর ফলে রাজ্যটিতে তৃতীয় শ্রেণির বৃত্তির ক্রমশ ব্যাপক প্রসার ঘটে।

(ii) সাম্প্রতিক পরিবর্তন: সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অসমে ব্যাংক, আর্থিক বা বিত্তীয় প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং আধুনিক যোগাযোগ ও প্রচার মাধ্যমের দ্রুত সম্প্রসারণ ঘটেছে। এর ফলে রাজ্যে চতুর্থ শ্রেণির বৃত্তিতেও কর্মী বা নিয়োজিত মানুষের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

৯। আমাদের রাজ্যটিতে বৃত্তিগত ক্ষেত্রে যেসব পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় সেগুলোর কিছু কারক উল্লেখ কর।

উত্তরঃ আমাদের রাজ্যটিতে বৃত্তিগত ক্ষেত্রে যেসব পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় সেগুলোর কিছু কারকগুলো হলো:

(i) পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব বিকাশ: যাতায়াত ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের ফলে মানুষের নতুন ধরনের সেবামূলক কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

(ii) ব্যাংক ও আর্থিক খাতের সম্প্রসারণ: ব্যাংক এবং অন্যান্য বিত্তীয় প্রতিষ্ঠানের দ্রুত প্রসারের ফলে অনেক মানুষ চতুর্থ শ্রেণির বৃত্তিতে যুক্ত হচ্ছে।

(iii) বিশ্বায়নের প্রভাব: বিশ্বায়নের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে দেশীয় বাজারের যোগাযোগ সহজ হয়েছে, যা বৃত্তির আধুনিকীকরণ ঘটিয়েছে।

(iv) প্রশাসনিক ও সেবা খাতের বৃদ্ধি: দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সরকারি প্রশাসন এবং বিভিন্ন সেবামূলক কাজের পরিসর বৃদ্ধি পাওয়া।

(v) আধুনিক গবেষণা ও প্রযুক্তি: নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বৃদ্ধি মানুষকে সনাতন কাজ থেকে সরিয়ে আধুনিক জীবিকার দিকে ধাবিত করছে।

১০। তোমরা যে অঞ্চলে বসবাস কর সে অঞ্চলের মানুষরা কোন কোন বৃত্তিতে জড়িত হয়ে পড়েছে? বৃত্তি অনুসারে মানুষগুলোর শ্রেণি বিভাজন কর।

উত্তরঃ ছাত্র-ছাত্রীরা নিজে চেষ্টা করো।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top