Class 12 Advance Bengali Important Chapter 4 সুদূরের আহ্বান Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Advance Bengali Important Chapter 4 সুদূরের আহ্বান Solutions and select need one. Class 12 Advance Bengali Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Advance Bengali Important Notes.
Class 12 Advance Bengali Important Chapter 4 সুদূরের আহ্বান
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Advance Bengali Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Advance Bengali Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
সুদূরের আহ্বান
Chapter: 4
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘সুদূরের আহ্বান’ কবিতাটি কার লেখা?
উত্তরঃ কবিতাটি কবি প্রেমেন্দ্র মিত্রের লেখা।
২। প্রেমেন্দ্র মিত্রের জন্ম কত সালে এবং কোথায় হয়েছিল?
উত্তরঃ কবি প্রেমেন্দ্র মিত্রের জন্ম ১৯০৪ সালে বারাণসীতে হয়েছিল।
৩। প্রেমেন্দ্র মিত্রের প্রথম কবিতাটির নাম কী এবং কত সালে প্রকাশিত হয়?
উত্তরঃ তাঁর প্রথম কবিতাটির নাম ‘খোলক’, যা ১৯১৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
৪। প্রেমেন্দ্র মিত্রের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী এবং এটি কবে প্রকাশিত হয়?
উত্তরঃ তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম ‘প্রথমা’,যা ১৯৩২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
৫। প্রেমেন্দ্র মিত্রের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কাব্যগ্রন্থের নাম উল্লেখ করো।
উত্তরঃ তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো ‘সম্রাট’,’ফেরারী ফৌজ’,’সাগর থেকে ফেরা’ এবং ‘হরিণ চিতা-চিল’।
৬। কোন কাব্যগ্রন্থের জন্য কবি প্রেমেন্দ্র মিত্র সাহিত্য আকাদেমি ও রবীন্দ্র পুরস্কার পান?
উত্তরঃ ‘সাগর থেকে ফেরা’ কাব্যগ্রন্থের জন্য কবি ১৯৫৭ সালে সাহিত্য আকাদেমি এবং ১৯৫৮ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার পান।
৭। ‘রানার’ কবিতাটি কার লেখা?
উত্তরঃ ‘রানার’ কবিতাটি কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের লেখা।
৮। সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম ও মৃত্যু কত সালে হয়েছিল?
উত্তরঃ সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯২৬ সালে এবং মৃত্যু ১৯৪৭ সালে হয়েছিল।
৯। সুকান্ত ভট্টাচার্যকে কেন সাধারণ মানুষের কবি বলা হয়?
উত্তরঃ তিনি অল্প বয়সেই দুঃখী মানুষের সেবা এবং জন্মযুদ্ধের আন্দোলনে যোগ দিয়ে সাধারণ মানুষের কথা বলেছিলেন বলে তাঁকে সাধারণ মানুষের কবি বলা হয়।
১০। সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যুর পর প্রকাশিত কয়েকটি কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো।
উত্তরঃ তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো ‘ছাড়পত্র ‘ঘুম নেই’ এবং ‘পূর্বাভাস’।
১১। ‘তূরঙ্গ’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘তূরঙ্গ’ শব্দের অর্থ হলো দ্রুতগমনকারী বা ঘোড়সওয়ার।
১২। ‘শিঞ্জিনী’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘শিঞ্জিনী’ শব্দের অর্থ নূপুরের ধ্বনি বা ধনুকের ছিলার টঙ্কার।
১৩। ‘হ্রেষা’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘হ্রেষা’ শব্দের অর্থ হলো ঘোড়ার ডাক।
১৪। ‘রানার’ কবিতায় রানার কিসের বোঝা হাতে নিয়ে ছুটে চলেছে?
উত্তরঃ রানার খবরের বোঝা এবং চিঠিপত্র হাতে নিয়ে ছুটে চলেছে।
১৫। রানার কখন তার কাজ করে?
উত্তরঃ রানার রাত্রির পথে পথে ক্লান্তহীনভাবে তার কাজ করে এবং নতুন খবরের জাহাজ নিয়ে দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছুটে চলে।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘সুদূরের আহ্বান’ কবিতার নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো।
উত্তরঃ ‘সুদূরের আহ্বান’ কবিতায় কবি প্রেমেন্দ্র মিত্র অজানার প্রতি মানুষের চিরন্তন আকর্ষণকে নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। কবি নিজেকে এমন এক দলের প্রতিনিধি হিসেবে তুলে ধরেছেন যারা ঘরের নিরাপদ কোণে বসে থাকতে চায় না; যাদের হৃদয় সমুদ্রের মতো অস্থির এবং যারা আগুনের অক্ষরে আকাশে নিজেদের নাম লিখতে চায়।কবিতায় ‘সুদূর’ কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক দূরত্ব নয়, বরং তা মানুষের কল্পনা এবং অজেয়কে জয় করার এক প্রবল আকাঙ্ক্ষা।অজানার সেই ডাক কবিকে গৃহের সুখ-শান্তি ভুলিয়ে বাইরে বের করে আনে,যেখানে উত্তর মেরু বা দক্ষিণ মেরুর টান তাঁর কাছে গৃহকোণের পূর্ণিমা-শশীর চেয়েও বেশি শক্তিশালী।এই রহস্যময় সুদূরের টানই যেহেতু কবিতার কেন্দ্রীয় ভাব, তাই এর নামকরণ অত্যন্ত সার্থকতা লাভ করেছে।
২। ‘সুদূরের আহ্বান’ কবিতার মূল ভাববস্তু সংক্ষেপে নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তরঃ ‘সুদূরের আহ্বান’ কবিতার মূল ভাববস্তু হলো অজানাকে জানার অদম্য বাসনা এবং গতানুগতিক জীবনের গণ্ডি পেরিয়ে অজানার সন্ধানে বেরিয়ে পড়া।কবি মনে করেন, যারা সত্যিকারের অভিযাত্রী, তাদের জীবন চার দেওয়ালের মাঝে বন্দি থাকে না; তাদের মন বিভাগী হয়ে অরণ্য,সাগর আর আকাশের বিশালতার মাঝে মুক্তি খুঁজে পায়।কবিতায় কবি সেই সব সাহসী মানুষের কথা বলেছেন যারা রক্তের গতিতে এক অন্যরকম নেশা অনুভব করে এবং সৃষ্টির আদি লগ্ন থেকে চলে আসা জয়ের অভিযানে শামিল হয়। তুহিন তুষার-শয়ন বা দুর্গম পাহাড়ের টানে তারা প্রিয়তমার মায়া ত্যাগ করতেও দ্বিধা করে না।পরিশেষে কবি স্পষ্ট করেন যে,তিনি সেই সব অস্থির হৃদয়ের মানুষেরই একজন যারা চিরকাল সুদূরের হাতছানিতে সাড়া দিয়ে নতুন পথের সন্ধান করে।
৩। ‘সুদূরের আহ্বান’ কবিতায় কবি কাদের কথা বলেছেন? কেন বলেছেন “অন্তরে আমি তাদেরই দলের দলৗ?”
উত্তরঃ কবিতায় কবি প্রেমেন্দ্র মিত্র সেই সব সাহসী ভবঘুরে,অভিযাত্রী এবং অস্থির হৃদয়ের মানুষের কথা বলেছেন যারা পৃথিবীর বিশালতা আর আকাশের অসীম সীমা অনুভব করতে সমর্থ। এরা হলো সেই সব মানুষ যারা সাংসারিক সুখ-সুবিধার মায়া ত্যাগ করে রহস্যময় সুদূরের টানে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে। কবি নিজেকে তাদের দলের লোক বলেছেন কারণ তাঁর নিজের হৃদয়েও সেই একই অদম্য গতির নেশা বিদ্যমান। সাধারণ মানুষের মতো গৃহকোণে বন্দি থেকে নিশ্চিন্ত জীবন যাপন করা কবির স্বভাববিরুদ্ধ; তাঁর মনও অজানার সন্ধানে আগুনের অক্ষরে নিজের অস্তিত্বের প্রমাণ রাখতে চায় এবং সমুদ্রের কল্লোল বা অরণ্য পথের গভীরতায় নিজেকে খুঁজে পেতে চায়। তাঁর রক্তের ধারায় সেই চিরন্তন গতির তেজ প্রবাহিত হচ্ছে বলেই তিনি নিজেকে সেই অভিযাত্রী দলের অন্তর্ভুক্ত মনে করেন।
৪। বাংলা কবিতার ইতিহাসে সুকান্ত ভট্টাচার্যের অবদান সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ বাংলা কবিতার ইতিহাসে সুকান্ত ভট্টাচার্য এক অনন্য এবং অবিস্মরণীয় প্রতিভা। মাত্র ২১ বছরের অতি সংক্ষিপ্ত জীবনে তিনি সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের দুঃখ-দুর্দশা এবং তাঁদের সংগ্রামের কথা অত্যন্ত বলিষ্ঠ ভাষায় তুলে ধরেছেন।তাঁকে ‘কিশোর কবি’ হিসেবে অভিহিত করা হলেও তাঁর কবিতার বিষয়বস্তু ছিল অত্যন্ত গভীর ও বিপ্লবী। সুকান্তের কবিতা শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে এক শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছে। তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত ‘ছাড়পত্র’, ‘ঘুম নেই’ এবং ‘পূর্বাভাস’ কাব্যগ্রন্থগুলো বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদে পরিণত হয়েছে। মানুষের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা এবং সাম্যবাদী আদর্শ তাঁর সাহিত্যকর্মকে এক কালজয়ী মর্যাদা দান করেছে, যা আজও সকল স্তরের মানুষকে অনুপ্রাণিত করে।
৫। ‘রানার’ কবিতায় রানারের জীবন ও সংগ্রামের চিত্র কীভাবে ফুটে উঠেছে?
উত্তরঃ ‘রানার’ কবিতায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য একজন সাধারণ ডাকহরকরা বা রানারের কঠোর ও নিঃস্বার্থ জীবন সংগ্রামের কথা বর্ণনা করেছেন। রানার রাতের অন্ধকারে খবরের ভারী বোঝা কাঁধে নিয়ে এক দিগন্ত থেকে অন্য দিগন্তে বিরামহীনভাবে ছুটে চলে।তাঁর হাতে থাকে চিঠিপত্র আর সংবাদের বিশাল সম্ভার, যা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া তাঁর মহান দায়িত্ব। অন্ধকার রাত্রি,বনের ভয় বা ক্লান্তির বাধা কোনো কিছুই তাঁকে কর্তব্যচ্যুত করতে পারে না। রানার খুব ভালো করে জানে যে সূর্য ওঠার আগেই তাকে গন্তব্যে পৌঁছাতে হবে, কারণ তাঁর ব্যাগের ভেতরে থাকা চিঠিতে কারও আনন্দ, কারও বেদনা বা জরুরি কোনো সংবাদ লুকিয়ে থাকে। রানারের এই নিরলস পথ চলা আসলে সাধারণ মেহনতি মানুষের দায়িত্বশীলতা, ধৈর্য এবং ত্যাগের এক মূর্ত প্রতীক।

