Class 12 Advance Bengali Important Chapter 16 বিপ্রবেশে অর্জুন

Class 12 Advance Bengali Important Chapter 16 বিপ্রবেশে অর্জুন Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Advance Bengali Important Chapter 16 বিপ্রবেশে অর্জুন Solutions and select need one. Class 12 Advance Bengali Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Advance Bengali Important Notes.

Class 12 Advance Bengali Important Chapter 16 বিপ্রবেশে অর্জুন

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Advance Bengali Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Advance Bengali Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 16

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘বিপ্রবেশে অর্জুন’ কবিতাটির কবির নাম কী?

উত্তরঃ ‘বিপ্রবেশে অর্জুন’ কবিতাটির কবির নাম হলো কাশীরাম দাস।

২। কবি কাশীরাম দাসের জন্মস্থান কোথায়?

উত্তরঃ কবি কাশীরাম দাস কাটোয়ার নিকটবর্তী ইন্দ্রাণী পরগণার সিঙ্গীগ্রাম নামক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

৩। কাশীরাম দাসের পিতার নাম ও তাঁর ভাইদের নাম কী ছিল?

উত্তরঃ কবির পিতার নাম ছিল কমলাকান্ত দেব এবং তাঁর দুই ভাইয়ের নাম ছিল কৃষ্ণদাস ও গদাধর।

৪। ‘বিপ্র’ শব্দটির অর্থ কী? অর্জুন কেন এই বেশ ধারণ করেছিলেন?

উত্তরঃ ‘বিপ্র’ শব্দটির অর্থ হলো ব্রাহ্মণ। পাণ্ডবরা তখন ছদ্মবেশে ছিলেন বলে অর্জুন স্বয়ম্বর সভায় ব্রাহ্মণ বেশ ধারণ করেছিলেন।

৫। ‘বিপ্রবেশে অর্জুন’ কবিতায় ‘মনসিজ’ শব্দটি কার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর অর্থ কী?

উত্তরঃ অর্জুনের রূপ বর্ণনা করতে ‘মনসিজ’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, যার অর্থ হলো কন্দর্প বা কামদেব।

৬। অর্জুনের চোখের সৌন্দর্য বর্ণনা করতে কবি কিসের তুলনা দিয়েছেন?

উত্তরঃ অর্জুনের চোখ দুটি পদ্মপত্রের মতো সুন্দর ছিল।

৭। অর্জুনের গায়ের রঙের তুলনা কিসের সাথে দেওয়া হয়েছে?

উত্তরঃ অর্জুনের গায়ের রঙের তুলনা দেওয়া হয়েছে নীলপদ্মের আভার সাথে।

৮। অর্জুনের কটিদেশ বা কোমর কিসের মতো সুগঠিত ছিল?

উত্তরঃ অর্জুনের কটিদেশ ছিল সিংহের মতো বলিষ্ঠ ও সুগঠিত।

৯। ‘আজানুলম্বিত’ বলতে কী বোঝায়? এটি কার বাহুর বর্ণনায় ব্যবহৃত হয়েছে?

উত্তরঃ ‘আজানুলম্বিত’ বলতে বোঝায় যা হাঁটু পর্যন্ত লম্বা। এটি অর্জুনের বাহুর বর্ণনায় ব্যবহৃত হয়েছে।

১০। অর্জুনের চলার ভঙ্গি বা গতি কিসের মতো ছিল?

উত্তরঃ অর্জুনের চলার ভঙ্গি ছিল মদমত্ত হাতির মতো ধীর ও গম্ভীর।

১১। অর্জুনকে দেখে ক্ষত্রিয় রাজারা কী বলে উপহাস করেছিলেন?

উত্তরঃ রাজারা অর্জুনকে দেখে ‘নির্লজ্জ’ এবং ‘বাতুল’ বলে উপহাস করেছিলেন।

১২। রাজাদের মতে অর্জুন যে লক্ষ্য বিদ্ধ করতে যাচ্ছিলেন সেটি কেমন ছিল?

উত্তরঃ রাজাদের মতে লক্ষ্য বিদ্ধ করার কাজটি ছিল ‘অশক্য’ অর্থাৎ যা করা সম্ভব নয় বা অসাধ্য।

১৩। ‘কপোতাক্ষ নদ’ কবিতাটির কবির নাম কী এবং তাঁর জন্ম কোথায়?

উত্তরঃ কবিতাটির কবি হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তাঁর জন্ম যশোর জেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে।

১৪। ‘বংশীনাদে’ কবিতায় ‘বড়াই’ বা ‘বড়ামায়ি’ কে?

উত্তরঃ বড়াই হলেন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রাধার সহচরী ও দূতী।

১৫। ‘মেদিনী’ এবং ‘পরাণী’ শব্দ দুটির অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘মেদিনী’ শব্দের অর্থ হলো পৃথিবী এবং ‘পরাণী’ শব্দের অর্থ হলো প্রাণ।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। কবি কাশীরাম দাসের জীবন ও তাঁর সাহিত্যকৃতি সম্পর্কে একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ লেখো।

উত্তরঃ সপ্তদশ শতাব্দীর শেষভাগে বর্ধমান জেলার সিঙ্গীগ্রামে কাশীরাম দাস জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মেদিনীপুরের আওয়াসগড়ের রাজার আশ্রয়ে থেকে পাঠশালায় শিক্ষকতা করতেন। রাজবাড়িতে কথকদের মুখে মূল মহাভারতের কাহিনী শুনে তিনি অনুপ্রাণিত হন এবং সাধারণ মানুষের জন্য বাংলা ভাষায় মহাভারত রচনা করেন। তাঁর এই রচনাটি আক্ষরিক অনুবাদ না হলেও এতে তাঁর নিজস্ব মৌলিকতা ও সাবলীল বর্ণনাশৈলী ফুটে উঠেছে। সহজ ও সরল ভাষায় মহাভারতের কাহিনী বর্ণনা করার জন্য তাঁর কাব্য আজও বাঙালির ঘরে ঘরে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং শ্রদ্ধার সাথে পঠন-পাঠন করা হয়।

২। ‘বিপ্রবেশে অর্জুন’ কবিতায় অর্জুনের যে দৈহিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে তা সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তরঃ কবি কাশীরাম দাস অর্জুনকে এক অপূর্ব ও বীরত্বব্যঞ্জক মূর্তিতে চিত্রিত করেছেন। তাঁর রূপ ছিল কামদেবের মতো মনোহর এবং গায়ের রং ছিল নীলপদ্মের মতো শ্যামল। অর্জুনের চোখ দুটি ছিল পদ্মপত্রের মতো আয়ত এবং উজ্জ্বল। তাঁর কোমর ছিল সিংহের মতো এবং নাসিকা ছিল পক্ষীরাজ গরুড়ের মতো উন্নত। অর্জুনের বাহু দুটি ছিল দীর্ঘ ও আজানুলম্বিত এবং তাঁর চলন ছিল মদমত্ত হাতির মতো গম্ভীর। অর্জুনের এই তেজস্বী রূপ দেখে মনে হচ্ছিল যেন মেঘের আড়ালে প্রচণ্ড শক্তিশালী সূর্য ঢাকা পড়ে আছে, যা তাঁর বীরত্বেরই পরিচয় বহন করে।

৩। লক্ষ্যভেদে অর্জুনকে অগ্রসর হতে দেখে রাজসভায় উপস্থিত রাজাদের প্রতিক্রিয়া বর্ণনা করো।

উত্তরঃ অর্জুন যখন ব্রাহ্মণ বেশে লক্ষ্য বিদ্ধ করার জন্য উঠে দাঁড়ালেন, তখন সভায় উপস্থিত ক্ষত্রিয় রাজাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। রাজারা বিস্ময় ও অবজ্ঞার সাথে অর্জুনের এই প্রচেষ্টাকে উপহাস করতে শুরু করেন। তাঁদের মতে,যেখানে বিশ্বের বড় বড় শক্তিশালী রাজারা লক্ষ্য বিদ্ধ করতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছেন,সেখানে একজন কৃশকায় ব্রাহ্মণের পক্ষে এই দুঃসাধ্য সাধন করা একেবারেই অসম্ভব। রাজারা অর্জুনকে ‘নির্লজ্জ’ বলে গালি দেন এবং কেউ কেউ তাঁকে শাস্তি দেওয়ার কথাও ভাবেন। তবে তাঁর অলৌকিক তেজ দেখে অনেকেই সন্দিহান হয়েছিলেন যে তিনি কোনো সাধারণ মানুষ কি না।

৪। মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সংক্ষিপ্ত কবি পরিচয় দাও।

উত্তরঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫শে জানুয়ারি যশোর জেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম ছিল রাজনারায়ণ দত্ত এবং মাতা জাহ্নবী দেবী। শৈশব থেকেই তিনি অত্যন্ত প্রতিভাবান ছিলেন এবং ইংরেজি সাহিত্যের প্রতি তাঁর প্রগাঢ় অনুরাগ ছিল। তিনি পরবর্তীকালে খ্রিষ্টধর্মে দীক্ষিত হন এবং ইংরেজি ও বাংলা উভয় ভাষাতেই কাব্যচর্চা করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে ‘মেঘনাদবধ কাব্য’,’বীরাঙ্গনা কাব্য’, ‘তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য’ এবং বাংলা সাহিত্যে চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তন। তাঁর রচনা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য ভাবধারার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ।

৫। ‘বংশীনাদে’ কবিতায় কৃষ্ণের বাঁশির সুরে রাধার মনের যে আকুলতা প্রকাশিত হয়েছে তা বুঝিয়ে দাও।

উত্তরঃ ‘বংশীনাদে’ কবিতায় কবি চণ্ডীদাস দেখিয়েছেন যে, কৃষ্ণের মোহন বাঁশির সুর রাধার মনকে প্রচণ্ডভাবে ব্যাকুল করে তুলেছে। বাঁশির সেই সুমধুর সুর শুনে রাধা ঘরে স্থির থাকতে পারছেন না, তাঁর প্রাণ যেন দেহ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য ছটফট করছে। এই সুরের দহন তাঁর হৃদয়ে আগুনের শিখার মতো অনুভূত হচ্ছে এবং তাঁর কাছে সমস্ত জাগতিক সুখ তুচ্ছ হয়ে গেছে। বাঁশির ধ্বনি রাধার মনে এক গভীর বিরহ ও আকুলতা তৈরি করেছে, যার ফলে তিনি তাঁর অস্তিত্বের মধ্যে এক পরম শূন্যতা ও অস্থিরতা অনুভব করছেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top