Class 12 Advance Bengali Important Chapter 15 বংশীনাদে Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Advance Bengali Important Chapter 15 বংশীনাদে Solutions and select need one. Class 12 Advance Bengali Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Advance Bengali Important Notes.
Class 12 Advance Bengali Important Chapter 15 বংশীনাদে
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Advance Bengali Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Advance Bengali Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
বংশীনাদে
Chapter: 15
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘বংশীনাদে’ কবিতাটির রচয়িতা কে?
উত্তরঃ কবিতাটির রচয়িতা হলেন বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি বড়ু চণ্ডীদাস।
২। বড়ু চণ্ডীদাস কোন গ্রামের অধিবাসী ছিলেন?
উত্তরঃ তিনি বীরভূমের নান্নুর গ্রামের অধিবাসী ছিলেন বলে মনে করা হয়।
৩। বড়ু চণ্ডীদাস কোন দেবীর পূজারী ছিলেন?
উত্তরঃ বড়ু চণ্ডীদাস বাসলী বা বিশালাক্ষী দেবীর পূজারী ছিলেন।
৪। ‘চণ্ডীদাস সমস্যা’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ পদাবলীর চণ্ডীদাস এবং বড়ু চণ্ডীদাস এক ব্যক্তি নাকি ভিন্ন ব্যক্তি, তা নিয়ে যে বিতর্ক রয়েছে তাকেই চণ্ডীদাস সমস্যা বলা হয়।
৫। ‘বিপ্রবেশে অর্জুন’ কাব্যাংশটির কবির নাম কী?
উত্তরঃ এই কাব্যাংশটির কবির নাম কাশীরাম দাস।
৬। কাশীরাম দাসের নিবাস কোথায় ছিল?
উত্তরঃ তাঁর নিবাস ছিল বর্তমান কাটোয়ার নিকটবর্তী ইন্দ্রাণী পরগণার সিঙ্গি গ্রামে।
৭। কাশীরাম দাসের পিতার নাম কী ছিল?
উত্তরঃ কাশীরাম দাসের পিতার নাম ছিল কমলাকান্ত দেব।
৮। কাশীরাম দাসের ভাইদের নাম কী ছিল?
উত্তরঃ তাঁর দুই ভাইয়ের নাম ছিল কৃষ্ণদাস ও গদাধর।
৯। কাশীরাম দাস কোথায় পাঠশালায় পড়াতেন?
উত্তরঃ তিনি মেদিনীপুরের আউগ্রামগড়ের রাজার আশ্রয়ে থেকে পাঠশালায় পড়াতেন।
১০। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের ‘বড়াই’ চরিত্রটি কে?
উত্তরঃ বড়াই হলেন রাধার সহচরী ও দূতী যিনি রাধার সঙ্গে কৃষ্ণের মিলনে প্রধান ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন।
১১। ‘কালিনী’ বলতে কোন নদীকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ ‘কালিনী’ বলতে কালিন্দী নদীকে বোঝানো হয়েছে।
১২। ‘পরাণী’ এবং ‘মেদিনী’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘পরাণী’ শব্দের অর্থ হলো প্রাণ এবং ‘মেদিনী’ শব্দের অর্থ হলো পৃথিবী।
১৩। ‘বংশীনাদে’ কবিতায় কৃষ্ণের বাঁশির সুরে রাধার মনের অবস্থা কেমন হয়েছিল?
উত্তরঃ কৃষ্ণের বাঁশির সুর শুনে রাধার শরীর আকুল এবং মন বেয়াকুল হয়ে উঠেছিল।
১৪। কৃষ্ণ কার পুত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন?
উত্তরঃ কৃষ্ণ নন্দ রাজের পালক পুত্র হওয়ায় তিনি ‘নন্দের নন্দন’ নামে পরিচিত ছিলেন।
১৫। ‘বিপ্রবেশে অর্জুন’ অংশে অর্জুনের লক্ষ্য বিঁধতে যাওয়া দেখে রাজারা কী করেছিলেন?
উত্তরঃ অর্জুনের লক্ষ্য বিঁধতে যাওয়ার প্রচেষ্টা দেখে ক্ষত্রিয় রাজারা উপহাস ও বিদ্রূপ করেছিলেন।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘বংশীনাদে’ কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।
উত্তরঃ বড়ু চণ্ডীদাসের ‘বংশীনাদে’ কবিতাটির মূল ভিত্তি হলো কৃষ্ণের বাঁশির সুর বা নাদ। এখানে রাধা কৃষ্ণের বাঁশির সুরে বিমোহিত এবং ব্যাকুল। সমগ্র কবিতাটি জুড়ে বাঁশির শব্দের প্রভাব বর্ণনা করা হয়েছে যা রাধার শরীর ও মনকে অস্থির করে তুলেছে। রাধা বারংবার বড়াইকে জিজ্ঞাসা করেছেন,কে সেই জন যে কুলে বা গোষ্ঠ-গোকুলে বাঁশি বাজিয়ে তাঁর চিত্ত হরণ করছে। বাঁশির সুর শুনে রাধার চোখে ঘুম নেই, তিনি তাঁর প্রাণ হারানোর মতো অবস্থা অনুভব করেন। যেহেতু কৃষ্ণের এই অলৌকিক বাঁশির ধ্বনি বা ‘বংশীনাদ’ই রাধার আধ্যাত্মিক ও মানসিক পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দু, তাই কবিতাটির নামকরণ অত্যন্ত সার্থক ও যথাযথ হয়েছে।
২। কৃষ্ণের বংশীনাদ শুনে রাধার অন্তরে যে আকুলতা দেখা দেয় তার পরিচয় দাও।
উত্তরঃ কৃষ্ণের বাঁশির সুর রাধার হৃদয়ে এক গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করে। বাঁশির শব্দ শোনা মাত্রই রাধার শরীর ও মন অত্যন্ত ব্যাকুল হয়ে ওঠে এবং তাঁর রন্ধন কার্যেও ব্যাঘাত ঘটে। তিনি তাঁর আত্মনিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং নিজেকে সেই বংশীবাদকের চরণে সমর্পণ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। রাধার মনে হয় তাঁর নয়নের পাখি সেই বাঁশির সুরে হারিয়ে গেছে এবং তাঁর প্রাণ ওষ্ঠাগত। তিনি বাঁশির সুরে এতটাই আবিষ্ট হন যে,তাঁর কাছে মনে হয় অরণ্যে আগুন লাগলে যেমন বন পুড়ে যায়,তেমনই তাঁর মন কুস্তারের পণী বা কুমোরের পুড়ানো মাটির মতো পুড়ছে। কৃষ্ণের বংশীনাদ রাধার প্রাত্যহিক জীবনের শান্তি কেড়ে নিয়ে তাঁকে এক পরম প্রাপ্তির জন্য ব্যাকুল করে তোলে।
৩। কবি বড়ু চণ্ডীদাসের পরিচয় দাও এবং তাঁর কাব্যপ্রতিভা সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তরঃ বড়ু চণ্ডীদাস বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যের আদি পর্যায়ের এক অবিস্মরণীয় কবি। তিনি বীরভূমের নান্নুর গ্রামের অধিবাসী ছিলেন এবং বাসলী দেবীর একনিষ্ঠ পূজারী ছিলেন। তাঁর রচিত কাব্য ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। তাঁর লেখনীতে রাধাকৃষ্ণের প্রেম কাহিনী এক অনন্য রূপ লাভ করেছে। বড়ু চণ্ডীদাসকে নিয়ে ‘চণ্ডীদাস সমস্যা’ থাকলেও তাঁর কাব্যের সুললিত সংগীত নির্ঝর আজও পাঠকদের মন জয় করে রেখেছে। তাঁর কবিতায় গ্রামীণ বাংলার সহজ-সরল রূপ এবং মানব হৃদয়ের গভীর আর্তি অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। বাসলী দেবীর চরণে মস্তক নত করে তিনি তাঁর কাব্য রচনা করেছেন।
৪। কাশীরাম দাসের জীবন ও তাঁর বাংলা মহাভারত সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো।
উত্তরঃ কাশীরাম দাস ষোড়শ শতাব্দীর শেষভাগে কাটোয়ার সিঙ্গি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তাঁর পিতার তিন পুত্রের মধ্যে মেজো ছিলেন। মেদিনীপুরের আউগ্রামগড়ের রাজার আশ্রয়ে শিক্ষকতা করার সময় তিনি কথকদের মুখে মূল মহাভারতের ব্যাখ্যা শুনে উদ্বুদ্ধ হন এবং সংস্কৃত মহাভারতকে বাংলা অনুবাদে রূপান্তর করেন। কাশীরাম দাসের অনুবাদিত মহাভারত আক্ষরিক অনুবাদ নয়,বরং অনেক জায়গায় তিনি নিজস্ব মৌলিকতা ও বিষয় সংযোজন করেছেন। তাঁর সহজ ও সরল ভাষা এবং ছন্দের সাবলীলতা মহাভারতকে আপামর বাঙালির ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছে। আজও বাঙালির কাছে কাশীরাম দাসের মহাভারত অত্যন্ত সমাদৃত ও পবিত্র গ্রন্থ হিসেবে রক্ষিত হয়।
৫। ‘বিপ্রবেশে অর্জুন’ কাব্যাংশে বর্ণিত পরিস্থিতির বিবরণ দাও।
উত্তরঃ ‘বিপ্রবেশে অর্জুন’ কাব্যাংশটিতে দ্রৌপদীর স্বয়ংবর সভার এক নাটকীয় চিত্র ফুটে উঠেছে। যখন রাজসভার কোনো রাজাই লক্ষ্যভেদ করতে পারলেন না, তখন অর্জুন ব্রাহ্মণের ছদ্মবেশে লক্ষ্য বিঁধতে এগিয়ে আসেন। তাঁর এই প্রয়াস দেখে উপস্থিত ক্ষত্রিয় রাজারা উপহাস শুরু করেন। তাঁরা মনে করেছিলেন যেখানে বড় বড় রাজারা ব্যর্থ হয়েছেন,সেখানে এক সামান্য ব্রাহ্মণের লক্ষ্যভেদ করার চিন্তা হাস্যকর। রাজারা একে অসম্ভব কাজ বলে অবজ্ঞা করেন এবং ব্রাহ্মণদের লজ্জা নেই বলে মন্তব্য করেন। কিন্তু অর্জুন অবিচল থেকে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যান। এখানে অর্জুনের বীরত্ব এবং ক্ষত্রিয়দের অহংকারের বিপরীতে এক টানটান উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

