Class 12 Advance Bengali Important Chapter 22 পনেরো-আনা Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Advance Bengali Important Chapter 22 পনেরো-আনা Solutions and select need one. Class 12 Advance Bengali Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Advance Bengali Important Notes.
Class 12 Advance Bengali Important Chapter 22 পনেরো-আনা
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Advance Bengali Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Advance Bengali Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
পনেরো-আনা
Chapter: 22
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘পনেরো-আনা’ প্রবন্ধটির লেখক কে?
উত্তরঃ প্রবন্ধটির লেখক হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
২। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
৩। ‘পনেরো-আনা’ প্রবন্ধে লেখক মানুষকে কয়টি শ্রেণীতে বিভক্ত করেছেন?
উত্তরঃ লেখক মানুষকে দুটি শ্রেণীতে বিভক্ত করেছেন— পনেরো-আনা এবং এক-আনা।
৪। লেখকের মতে, ‘এক-আনা’ মানুষ কেমন প্রকৃতির হয়?
উত্তরঃ ‘এক-আনা’ মানুষ অত্যন্ত আবশ্যক এবং অশান্ত প্রকৃতির হয়।
৫। ‘পনেরো-আনা’ বলতে লেখক কাদের বুঝিয়েছেন?
উত্তরঃ সমাজের সেই বৃহৎ অংশকে বুঝিয়েছেন যারা বিশেষ কোনো বড় কাজ না করে সাধারণ জীবনযাপন করে এবং জগতের আনন্দ বজায় রাখে।
৬। নীতিবেত্তারা সময় নষ্ট করা সম্পর্কে কী বলেন?
উত্তরঃ নীতিবেত্তারা সময় নষ্ট করাকে নিন্দা করেন এবং বলেন— “ওঠো, জাগো, কাজ করো, সময় নষ্ট করিয়ো না”।
৭। লেখক ‘উপকারী মানুষকে’ কিসের সঙ্গে তুলনা করেছেন?
উত্তরঃ লেখক উপকারী মানুষকে একটি সংকীর্ণ প্রাচীর ঘেরা ঘরের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
৮। ‘পনেরো-আনা’ মানুষদের লেখক কোন গ্যাসের সঙ্গে তুলনা করেছেন?
উত্তরঃ লেখক তাঁদের বাতাসের শান্ত ও স্থির ‘নাইট্রোজেন’ গ্যাসের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
৯। ‘এক-আনা’ মানুষদের লেখক কোন গ্যাসের সঙ্গে তুলনা করেছেন?
উত্তরঃ তিনি তাঁদের চলনশীল ও জ্বলনধর্মী ‘অক্সিজেন’ গ্যাসের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
১০। লেখক ‘ধান’ ও ‘ঘাসের’ মধ্যে কোনটিকে পনেরো-আনার প্রতীক হিসেবে দেখিয়েছেন?
উত্তরঃ লেখক ‘ঘাসকে’ পনেরো-আনার প্রতীক হিসেবে দেখিয়েছেন,কারণ এটি পৃথিবীর ধূলিকে শ্যামলতায় ঢেকে রাখে।
১১। গীতিনাট্য ‘বড়দাদা’ বা ‘চিত্রাঙ্গদা’ কার রচনা?
উত্তরঃ এগুলি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা যদিও উৎসে কাব্য ও নাটকের সাধারণ উল্লেখ আছে।
১২। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম ছোটগল্পের নাম কী?
উত্তরঃ তাঁর প্রথম ছোটগল্পের নাম ‘ভিখারিণী’।
১৩। শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম কত সালে স্থাপিত হয়?
উত্তর: ১৯০১ সালের ২২শে ডিসেম্বর শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম স্থাপিত হয়।
১৪। ‘Song Offerings’ কী?
উত্তরঃ এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ।
১৫। প্রবন্ধ অনুযায়ী, কারা পৃথিবী থেকে যাওয়ার সময় কোনো খ্যাতি রেখে যায় না?
উত্তরঃ সাধারণ ‘পনেরো-আনা’ মানুষরা কোনো খ্যাতি বা বড় চিহ্ন না রেখেই পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘পনেরো-আনা’ প্রবন্ধের নামকরণের তাৎপর্য আলোচনা করো।
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘পনেরো-আনা’ প্রবন্ধে মানব সমাজের একটি বিশেষ দিক তুলে ধরেছেন। সাধারণ হিসেবে ষোলো আনায় পূর্ণাঙ্গ ধরা হয়,সেখানে লেখক পনেরো-আনাকে গুরুত্ব দিয়েছেন। এই পনেরো-আনা হলো সমাজের সেই সাধারণ মানুষ যারা জগতের কোনো বড় বা ‘আবশ্যক’ কাজ করে না,বরং তাদের অস্তিত্বই জগতের ভারসাম্য ও আনন্দ রক্ষা করে। লেখক দেখিয়েছেন যে, জীবনে কেবল প্রয়োজনীয় বা কাজের অংশটুকু থাকলেই চলে না, তার বাইরে যে বিশাল ‘অপ্রয়োজনীয়’ বা অবসরের অংশ সেটিই জীবনকে সুন্দর ও সহনীয় করে তোলে। এই অপ্রয়োজনীয় পনেরো-আনাই হলো জীবনের রস ও মাধুর্য, যা ছাড়া জীবন মরুভূমির মতো শুষ্ক হয়ে যেত। তাই নামকরণের মাধ্যমে লেখক জীবনের এই বৃহত্তর ও আনন্দময় অংশকেই মহিমান্বিত করেছেন।
২। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেন মানুষকে ‘এক-আনা’ এবং ‘পনেরো-আনা’ এই দুই ভাগে ভাগ করেছেন? ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ লেখক সমাজের মানুষকে কাজের প্রকৃতি ও প্রয়োজনীয়তার নিরিখে দুটি ভাগে ভাগ করেছেন। তাঁর মতে, এক শ্রেণীর মানুষ হলো ‘এক-আনা’,যারা অত্যন্ত কর্মতৎপর, অশান্ত এবং উন্নতির নেশায় মত্ত। তারা সমাজের অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত আবশ্যক, কিন্তু তাদের সংখ্যা কম এবং তারা সব সময় একটা উত্তেজনার মধ্যে থাকে। অন্যদিকে, ‘পনেরো-আনা’ মানুষ হলো সমাজের বিশাল অংশ যারা শান্ত, স্থির এবং কোনো বিশেষ লক্ষ্য ছাড়াই জীবন কাটায়। লেখক তাদের তুলনা করেছেন নাইট্রোজেন গ্যাসের সঙ্গে,যা পরিমাণে অনেক এবং পরিবেশকে স্থিতিশীল রাখে। যদি সবাই কেবল ‘এক-আনা’ বা অক্সিজেনের মতো জ্বলনধর্মী হতো,তবে সমাজ পুড়ে ছাই হয়ে যেত। তাই সমাজের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য এই পনেরো-আনা মানুষের সাধারণ অস্তিত্ব অত্যন্ত জরুরি।
৩। প্রবন্ধ অনুসরণে ‘উপকারী মানুষ’ এবং ‘বাহুল্যপূর্ণ মানুষ’-এর মধ্যে লেখকের করা পার্থক্যটি বুঝিয়ে লেখো।
উত্তরঃ লেখকের মতে, উপকারী মানুষ কেবল উপকারের সংকীর্ণ দিক দিয়েই আমাদের স্পর্শ করে। তারা একটি প্রাচীর ঘেরা ঘরের মতো, যেখানে গিয়ে আমরা অভাবের কথা জানাই এবং তারা দান করে। কিন্তু তাদের এই উপকারের বাইরে হৃদয়ের কোনো উদারতা বা সঙ্গ পাওয়া যায় না। অন্যদিকে, বাহুল্যে পূর্ণ মানুষ কোনো প্রাচীর দিয়ে ঘেরা নয়; তারা একটি খোলা বাগানের মতো। তাদের কাছ থেকে আমরা হয়তো সরাসরি কোনো বস্তুগত সাহায্য পাই না, কিন্তু তাদের সঙ্গ আমাদের আনন্দ দেয় এবং হৃদয়ের প্রসারণ ঘটায়। এই বাহুল্যপূর্ণ মানুষেরাই আমাদের দুঃখ-সুখের সঙ্গী এবং জীবনের প্রকৃত বন্ধু। লেখক বলতে চেয়েছেন যে, উপকারী মানুষের সাহায্য কেবল প্রয়োজন মেটায়, কিন্তু বাহুল্যপূর্ণ মানুষ জীবনকে ঐশ্বর্যমণ্ডিত করে তোলে।
৪। লেখক কেন ‘ঘাস’-কে ‘ধান’-এর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন এবং একে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কীভাবে তুলনা করেছেন?
উত্তরঃ প্রকৃতিতে ধান অত্যন্ত প্রয়োজনীয় খাদ্যশস্য,যা কেবল নির্দিষ্ট ঋতুতে এবং নির্দিষ্ট যত্নে জন্মায়। কিন্তু ঘাস সারাবছর পৃথিবীর ধূলিকে শ্যামলতায় আবৃত করে রাখে। ঘাসের কোনো বিশেষ ‘উপকারিতা’ ধানের মতো নেই বলে একে অনেকে তুচ্ছ মনে করে। কিন্তু লেখক মনে করেন, ঘাস তার বিনম্র উপস্থিতির মাধ্যমে পৃথিবীর কঠোরতাকে দূর করে তাকে কমনীয় ও সুন্দর করে তোলে। সাধারণ পনেরো-আনা মানুষও এই ঘাসের মতো। তারা ধানের মতো কোনো বড় ‘ফল’ দেয় না ঠিকই, কিন্তু তাদের সাধারণ হাসি-কান্না এবং জীবনযাপন জগতের আনন্দ প্রবাহকে সচল রাখে। তারা বিখ্যাত হওয়ার চেষ্টা না করেই নিঃশব্দে পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে রাখে, যা ধানের মতো খ্যাতিমান ব্যক্তিদের পক্ষে সব সময় সম্ভব হয় না।
৫। নীতিবেত্তাদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে পার্থক্য ‘পনেরো-আনা’ প্রবন্ধের নিরিখে আলোচনা করো।
উত্তরঃ নীতিবেত্তারা সব সময় কাজ এবং সময়ের সঠিক ব্যবহারের ওপর জোর দেন। তাঁরা আলস্য বা কোনো লক্ষ্যহীন কাজকে ঘৃণা করেন এবং উপদেশ দেন যে জীবনকে কেবল মহৎ ও প্রয়োজনীয় কাজে উৎসর্গ করতে হবে। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ এই দৃষ্টিভঙ্গির বিরোধিতা করেছেন। তাঁর মতে, জীবন কেবল কাজের সমষ্টি নয়। যারা কোনো বড় কাজ করে না বা সময় ‘নষ্ট’ করে, তাদেরও জীবনে সার্থকতা আছে। লেখক মনে করেন, বিধাতা কেবল কাজের জন্যই মানুষ সৃষ্টি করেননি, বরং জগতের আনন্দ উপভোগ করার জন্যও করেছেন। এই তথাকথিত ‘ব্যর্থ’ বা ‘অকেজো’ পনেরো-আনা মানুষেরাই জগতের প্রকৃত বৈচিত্র্য রক্ষা করে। নীতিবেত্তারা জীবনের কেবল ‘উপযোগিতা’ দেখেন, কিন্তু লেখক জীবনের ‘পূর্ণতা’ ও ‘মাধুর্য’ খুঁজে পান সাধারণ মানুষের এই অনাবশ্যক জীবনযাপনের মধ্যেই।

