Class 12 Advance Bengali Important Chapter 21 ভালবাসার অত্যাচার

Class 12 Advance Bengali Important Chapter 21 ভালবাসার অত্যাচার Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Advance Bengali Important Chapter 21 ভালবাসার অত্যাচার Solutions and select need one. Class 12 Advance Bengali Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Advance Bengali Important Notes.

Class 12 Advance Bengali Important Chapter 21 ভালবাসার অত্যাচার

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Advance Bengali Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Advance Bengali Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 21

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘ভালবাসার অত্যাচার’ প্রবন্ধটির লেখক কে? 

উত্তরঃ ‘ভালবাসার অত্যাচার’ প্রবন্ধটির লেখক হলেন সাহিত্য-সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

২। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত সালে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? 

উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালের ২৬শে জুন ২৪ পরগনার কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

৩। বঙ্কিমচন্দ্রের পিতার নাম কী ছিল? 

উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্রের পিতার নাম ছিল যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

৪। বঙ্কিমচন্দ্র কোন পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন? 

উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র ১৮৫৮ সালের এপ্রিল মাসে নবপ্রবর্তিত এন্ট্রান্স পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন।

৫। বঙ্কিমচন্দ্র কোন কলেজ থেকে শিক্ষালাভ করেন? 

উত্তরঃ তিনি হুগলি কলেজ এবং প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে শিক্ষালাভ করেন।

৬। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি কোন পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন? 

উত্তরঃ তিনি যশোরের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর পদে নিযুক্ত হয়ে কর্মজীবন শুরু করেন।

৭। বঙ্কিমচন্দ্র কত বছর সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত ছিলেন? 

উত্তরঃ তিনি সুদীর্ঘ তেত্রিশ বছর অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে সরকারি কাজ পরিচালনা করেছিলেন।

৮। ব্রিটিশ সরকার তাঁকে কী কী উপাধিতে ভূষিত করেন? 

উত্তরঃ ব্রিটিশ সরকার তাঁকে ‘রায় বাহাদুর’ ও ‘সি.আই.ই.’উপাধিতে ভূষিত করেন।

৯। বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম কী? 

উত্তরঃ তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হলো ‘ললিতা ও মানস’ নামক একটি কাব্যগ্রন্থ।

১০। বঙ্কিমচন্দ্রের রচিত প্রথম ইংরেজি উপন্যাসের নাম কী? 

উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্রের রচিত প্রথম ইংরেজি উপন্যাসের নাম হলো ‘রাজমোহনস ওয়াইফ’।

১১। বঙ্কিমচন্দ্রের রচিত প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাসের নাম কী? 

উত্তরঃ তাঁর রচিত প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাসের নাম হলো ‘দুর্গেশনন্দিনী’।

১২। ‘বন্দে মাতরম্’ গানটি তাঁর কোন উপন্যাস থেকে নেওয়া হয়েছে? 

উত্তরঃ ‘বন্দে মাতরম্’ গানটি তাঁর বিখ্যাত ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাস থেকে নেওয়া হয়েছে।

১৩। বঙ্কিমচন্দ্রকে কী কী বিশেষ নামে বা উপাধিতে ডাকা হয়? 

উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্রকে ‘সাহিত্য-সম্রাট’ এবং ‘ঋষি বঙ্কিম’ নামে অভিহিত করা হয়।

১৪। বঙ্কিমচন্দ্রের রচিত দুটি প্রবন্ধ বা রম্যরচনার নাম লেখো। 

উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্রের রচিত দুটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো ‘লোকরহস্য’ ও ‘কমলাকান্তের দপ্তর’।

১৫। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত সালে পরলোক গমন করেন? 

উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৯৪ সালের ৮ই এপ্রিল মাত্র ৫৬ বছর বয়সে পরলোক গমন করেন।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শিক্ষাজীবন ও কর্মজীবনের পরিচয় দাও।

উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় শৈশব থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন। তিনি হুগলি কলেজ থেকে ১৮৪৯ খ্রিষ্টাব্দে জুনিয়র স্কলারশিপ এবং ১৮৫৩ খ্রিষ্টাব্দে সিনিয়র স্কলারশিপ লাভ করেন। ১৮৫৮ সালে তিনি নবপ্রবর্তিত এন্ট্রান্স পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। কর্মজীবনে তিনি যশোরের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর হিসেবে কাজে যোগ দেন। সুদীর্ঘ তেত্রিশ বছর তিনি অত্যন্ত যোগ্যতার সাথে সরকারি দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৮৯১ সালে চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

২। ঔপন্যাসিক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বঙ্কিমচন্দ্রের অবদান আলোচনা করো। 

উত্তরঃ বাংলা উপন্যাসের ধারায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্যক্তিত্ব। তাঁর হাত ধরেই বাংলা উপন্যাস পূর্ণতা লাভ করে। তাঁর রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। এরপর একে একে তিনি ‘কপালকুণ্ডলা’, ‘মৃণালিনী’, ‘বিষবৃক্ষ’, ‘চন্দ্রশেখর’, ‘রজনী’, ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ এবং ‘আনন্দমঠ’-এর মতো কালজয়ী উপন্যাস রচনা করেন। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে শুরু করে সামাজিক জটিলতা—সবই তাঁর নিপুণ লেখনীতে জীবন্ত হয়ে উঠেছে, যা তাঁকে ‘সাহিত্য-সম্রাট’ আসনে বসিয়েছে।

৩। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বৈচিত্র্যময় সাহিত্যকীর্তির সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও। 

উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় শুধুমাত্র উপন্যাসেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না,সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তাঁর সমান দক্ষতা ছিল। তাঁর সাহিত্য জীবন শুরু হয়েছিল ‘ললিতা ও মানস’ কাব্যগ্রন্থ দিয়ে। উপন্যাস ছাড়াও তিনি ‘বিবিধ প্রবন্ধ’,‘লোকরহস্য’ এবং ‘কমলাকান্তের দপ্তর’-এর মতো চিন্তাদ্দীপক প্রবন্ধ ও রস-রচনা লিখেছিলেন। ধর্মতত্ত্ব ও দর্শন বিষয়েও তাঁর গভীর জ্ঞান ছিল, যা তাঁর ‘ধর্মতত্ত্ব’ ও ‘কৃষ্ণচরিত্র’ গ্রন্থে প্রতিফলিত হয়েছে। এছাড়া ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকার মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন সমালোচনার ধারা তৈরি করেছিলেন।

৪। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে কেন ‘সাহিত্য-সম্রাট’ এবং ‘ঋষি’ বলা হয়? 

উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের একচ্ছত্র অধিপতি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি চিন্তাশীল প্রবন্ধ, সার্থক উপন্যাস এবং রস-রচনা সৃষ্টির মাধ্যমে তৎকালীন সময়ের শ্রেষ্ঠ লেখকের মর্যাদা লাভ করেন,তাই তাঁকে ‘সাহিত্য-সম্রাট’ বলা হয়। অন্যদিকে, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে তাঁর ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসের ‘বন্দে মাতরম্’ গানটি বিপ্লবীদের মনে গভীর দেশপ্রেম ও প্রেরণা জাগিয়েছিল। জাতীয়তাবাদের এই মহামন্ত্র দাতা হিসেবে এবং তাঁর গভীর জীবনদর্শনের কারণে তাঁকে ‘ঋষি বঙ্কিম’ নামেও শ্রদ্ধা জানানো হয়।

৫। বঙ্কিমচন্দ্রের রচিত কয়েকটি বিখ্যাত উপন্যাসের নাম লিখে তাঁর সাহিত্যিক গুরুত্ব বুঝিয়ে বলো। 

উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্রের রচিত বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে ‘দুর্গেশনন্দিনী’, ‘কপালকুণ্ডলা’, ‘মৃণালিনী’, ‘বিষবৃক্ষ’,‘চন্দ্রশেখর’, ‘আনন্দমঠ’, ‘দেবী চৌধুরাণী’ ইত্যাদি। তাঁর প্রতিটি উপন্যাসে ভাষার গাম্ভীর্য এবং চরিত্রের গভীর মনস্তত্ত্ব ফুটে উঠেছে।

সাহিত্যিক গুরুত্ব: 

(i) বাংলা উপন্যাসের সার্থক রূপকার: বঙ্কিমচন্দ্রের মাধ্যমেই বাংলা উপন্যাস প্রথম এক সুসংহত এবং সার্থক রূপ লাভ করে। ‘দুর্গেশনন্দিনী’ প্রকাশের মাধ্যমে তিনি বাংলা গদ্য সাহিত্যের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন এবং একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছিলেন।

(ii) বিচিত্র বিষয়বস্তুর প্রয়োগ: তাঁর লেখনীতে ঐতিহাসিক রোমান্স থেকে শুরু করে সামাজিক জটিলতা—সবই নিপুণভাবে ধরা পড়েছে। একদিকে যেমন ‘কপালকুণ্ডলা’ বা ‘দুর্গেশনন্দিনী’তে ইতিহাসের ছোঁয়া ও উচ্চাঙ্গের রোমান্টিকতা আছে,তেমনি ‘বিষবৃক্ষ’ বা ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’-এর মতো উপন্যাসে সামাজিক সমস্যার গভীর চিত্র ও চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ রয়েছে।

(iii) দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদের মন্ত্রদাতা: তাঁর ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসটি ভারতীয় জাতীয়তাবাদের ইতিহাসে এক অনন্য দলিল। এই উপন্যাসে অন্তর্ভুক্ত ‘বন্দে মাতরম্’ গানটি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের মনে দেশপ্রেমের জোয়ার এনেছিল এবং এটি বিপ্লবীদের মূল মন্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছিল। 

(iv) চিন্তাশীল প্রবন্ধ ও রস-রচনা: তিনি শুধু ঔপন্যাসিক ছিলেন না,একজন গভীর চিন্তাশীল প্রবন্ধকার হিসেবেও তিনি শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়েছেন। ‘বিবিধ প্রবন্ধ’,‘ধর্মতত্ত্ব’,কৃষ্ণচরিত্র’ এবং ‘লোকরহস্য’ বা ‘কমলাকান্তের দপ্তর’-এর মতো রচনার মাধ্যমে তিনি তৎকালীন সমাজকে মননশীলতা ও হাস্যরসের এক নতুন স্বাদ উপহার দিয়েছিলেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top