Class 12 Advance Bengali Important Chapter 19 মেরুর ডাক Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Advance Bengali Important Chapter 19 মেরুর ডাক Solutions and select need one. Class 12 Advance Bengali Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Advance Bengali Important Notes.
Class 12 Advance Bengali Important Chapter 19 মেরুর ডাক
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Advance Bengali Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Advance Bengali Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
মেরুর ডাক
Chapter: 19
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘মেরুর ডাক’ কবিতাটির কবির নাম কী?
উত্তরঃ ‘মেরুর ডাক’ কবিতাটির কবি হলেন প্রমথনাথ বিশী।
২। কবি প্রমথনাথ বিশীর জন্ম ও মৃত্যু সাল কত?
উত্তরঃ কবির জন্ম ১৯০১ সালে এবং মৃত্যু ১৯৮৫ সালে।
৩। প্রমথনাথ বিশীর শিক্ষা জীবন কোথায় শুরু হয়েছিল?
উত্তরঃ কবির শিক্ষা জীবন শুরু হয়েছিল শান্তিনিকেতনে।
৪। কবি প্রমথনাথ বিশী কোন কোন সাহিত্যিক বিভাগে পারদর্শী ছিলেন?
উত্তরঃ তিনি গল্প, উপন্যাস,কবিতা,নাটক,প্রবন্ধ এবং সমালোচনা সাহিত্যের সকল বিভাগেই পারদর্শী ছিলেন।
৫। প্রমথনাথ বিশী কোন সংবাদপত্রের সহকারী সম্পাদক ছিলেন?
উত্তরঃ তিনি কিছুকাল দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার সহকারী সম্পাদক ছিলেন।
৬। কবির লেখা দুটি বিখ্যাত উপন্যাসের নাম লেখো।
উত্তরঃ কবির লেখা দুটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো ‘কেরী সাহেবের মুন্সী’ এবং ‘লালকেল্লা’।
৭। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প নিয়ে লেখা কবির বিখ্যাত বইটির নাম কী?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প নিয়ে লেখা তাঁর বিখ্যাত সমালোচনা গ্রন্থটি হলো ‘রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প’।
৮। প্রমথনাথ বিশীর রচনার অন্যতম বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তরঃ তাঁর রচনার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো Wit বা মার্জিত বাক-চাতুর্য।
৯। ‘তুষার-মেরু’ কোথায় অবস্থিত বলে কবি উল্লেখ করেছেন?
উত্তরঃ কবি তুষার-মেরু উত্তরের দিকে অবস্থিত বলে উল্লেখ করেছেন।
১০। কবি তাঁর পালের রঙ কেমন বলেছেন?
উত্তরঃ কবি তাঁর পালের রঙ ‘মরণ-শাদা’ বলেছেন।
১১। মেরু অঞ্চলে কোন পাখির উল্লেখ পাওয়া যায়?
উত্তরঃ মেরু অঞ্চলে পেঙ্গুইন পাখির উল্লেখ পাওয়া যায়।
১২। ‘নিদাঘ’ ও ‘মাস্তুল’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘নিদাঘ’ শব্দের অর্থ গ্রীষ্মকাল এবং ‘মাস্তুল’ শব্দের অর্থ নৌকাদির পাইল দণ্ড।
১৩। ‘মেরু’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘মেরু’ বলতে সুমেরু পর্বত বা পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্তকে বোঝানো হয়।
১৪। দিগন্তের ধারে সূর্যকে কেমন দেখা যাচ্ছে?
উত্তরঃ দিগন্তের ধারে রবি বা সূর্যকে নিস্তেজ দেখা যাচ্ছে।
১৫। কবি কোথায় জয়গাথা ব্যর্থ হবে বলে মনে করেছেন?
উত্তরঃ মেরুর সে গান যেখানে ব্যর্থ হবে সেখানে জয়গাথা থাকবে বলে কবি মনে করেছেন।
দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর।
১। প্রমথনাথ বিশীর সাহিত্যিক পরিচয় ও কর্মজীবন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করো।
উত্তরঃ প্রমথনাথ বিশী বাংলা সাহিত্যের একজন প্রথিতযশা কবি, ঔপন্যাসিক এবং সমালোচক ছিলেন। তাঁর শিক্ষাজীবন শান্তিনিকেতনের মুক্ত পরিবেশে শুরু হয়েছিল এবং পরবর্তীকালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘকাল অধ্যাপনা করেছেন। সাহিত্যিক হিসেবে তিনি বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘কেরী সাহেবের মুন্সী’, ‘লালকেল্লা’, ‘জোড়াদীঘির চৌধুরী পরিবার’ ইত্যাদি। এছাড়া নাটক ও রম্যরচনার ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। সমালোচনা সাহিত্যে তিনি অত্যন্ত দক্ষতা দেখিয়েছেন, যার প্রমাণ তাঁর ‘রবীন্দ্র কাব্যপ্রবাহ’ ও ‘রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প’ গ্রন্থ দুটি। বুদ্ধিনির্ভর হাস্যরস বা ‘Wit’ এবং মার্জিত শব্দপ্রয়োগ তাঁর রচনার প্রধান সম্পদ।
২। ‘মেরুর ডাক’ কবিতায় কবির মানসিক অস্থিরতা ও অভিযাত্রী মনের পরিচয় দাও।
উত্তরঃ ‘মেরুর ডাক’ কবিতায় কবি প্রমথনাথ বিশী এক রোমাঞ্চকর অভিযানের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। কবি অনুভব করেছেন যে, সুদূর উত্তর মেরুর তুষাররাজ্য তাঁকে বারবার হাতছানি দিয়ে ডাকছে। এই ডাক কবির মনে এক অস্থিরতা তৈরি করেছে, যার ফলে তিনি ঘরের নিরাপদ আশ্রয়ে আর স্থির থাকতে পারছেন না। তিনি তাঁর মনের রূপক জাহাজে ‘মরণ-শাদা’ পাল তুলে সমস্ত বিপদ উপেক্ষা করে বেরিয়ে পড়তে চান। ঘরের আরাম এবং ঘাটের বাঁধন ছিঁড়ে তাঁর মন অজানা দেশের উদ্দেশ্যে পাড়ি দিতে ব্যাকুল। এই অভিযাত্রী সত্তা কোনো বাধা মানতে রাজি নয় এবং অজানাকে জানার তীব্র আকাঙ্ক্ষায় কবি ব্যাকুল হয়ে উঠেছেন।
৩। কবিতায় মেরু অঞ্চলের যে প্রাকৃতিক বর্ণনা কবি দিয়েছেন তা বুঝিয়ে লেখো।
উত্তরঃ কবিতায় মেরু অঞ্চলকে কবি এক দুর্গম ও তুষার-শুভ্র দেশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সেখানে সূর্যের আলো নিস্তেজ হয়ে পড়ে এবং দিগন্তজুড়ে বরফের রাশি দেখা যায়। কবি মেরু অঞ্চলের প্রাণহীন নিস্তব্ধতাকে তুলে ধরেছেন যেখানে সবুজ বনের দেখা মেলে না, শুধু বরফ আর তুষাররাশি দিগন্ত বিস্তৃত হয়ে থাকে। সেখানে পেঙ্গুইন পাখিরা বিজ্ঞের মতো চেয়ে থাকে এবং বরফের চাঁই সমুদ্রের দাঁতের মতো জেগে থাকে। মেরুর আকাশে হাজার তারার আলো দ্বিগুণ হয়ে ফুটে ওঠে এবং মেরুপ্রভা বা রঙিন আলোর ঝিলিক দেখা যায়। এই অঞ্চলটি যেমন ভয়ংকর তেমনি শান্ত ও রহস্যময়।
৪। কবি কেন ‘বিষুব রেখার অন্তর’ ছেড়ে মেরুর দিকে যেতে চান?
উত্তরঃ কবি বিষুব রেখার প্রচণ্ড উত্তাপ বা ‘রুদ্র নিদাঘ জ্বালা’ থেকে মুক্তি পেতে চান। বিষুব অঞ্চলে সূর্যের তীব্র তাপ যেন তপের আগুনের মতো দাহ সৃষ্টি করে,যা কবিকে ক্লান্ত করে দেয়। এর বিপরীতে মেরু অঞ্চল হলো শীতল ও তুষারাবৃত, যেখানে প্রাণের চাঞ্চল্য স্তব্ধ থাকলেও এক গভীর প্রশান্তি রয়েছে। কবির কাছে মেরু অঞ্চলের সেই মৃত্যু-শীতল পরিবেশই বেশি কাম্য মনে হয়েছে কারণ সেখানে জীবনের জরাজীর্ণতা নেই,বরং বরফের হাজার রূপে এক অদ্ভুত জয়গাথা লুকিয়ে আছে। তাই তিনি প্রচণ্ড গরমের দেশ ছেড়ে শীতল মেরুরাজ্যে আশ্রয় খুঁজতে চান।
৫। ‘মেরুর ডাক’ কবিতায় ‘মুক্তি’ ও ‘মৃত্যু’র ধারণা কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে?
উত্তরঃ কবিতায় ‘মুক্তি’ ও ‘মৃত্যু’ একে অপরের পরিপূরক হিসেবে ধরা দিয়েছে। কবি যখন বলেন “তরণীর কাছে তীরের কাছে চাইছে এবার মুক্তি গো”,তখন তিনি সাংসারিক নিয়ম ও নিরাপত্তার খাঁচা থেকে মুক্তি পেতে চাইছেন। এই মুক্তির পথ কিন্তু সহজ নয়,এটি ‘প্রলয় শ্বাসে’ ভরা। কবির কাছে এই যাত্রা হলো মরণের দেশে যাত্রা, যেখানে তিনি ‘মরণ-শাদা পাল’ তুলে দিচ্ছেন। কবি মৃত্যুকে ভয় পান না, বরং মেরুর সেই তুষার শীতল মৃত্যুকে তিনি জীবনের শেষ সার্থকতা বা জয়গাথা হিসেবে গ্রহণ করতে প্রস্তুত। তাঁর কাছে মরণ সেখানে এক প্রশান্তি হিসেবে দেখা দেয়, যা তাঁকে পার্থিব জরা ও উত্তাপ থেকে মুক্তি দেবে।

