Class 12 Advance Bengali Important Chapter 17 কপোতাক্ষ নদ

Class 12 Advance Bengali Important Chapter 17 কপোতাক্ষ নদ Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Advance Bengali Important Chapter 17 কপোতাক্ষ নদ Solutions and select need one. Class 12 Advance Bengali Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Advance Bengali Important Notes.

Class 12 Advance Bengali Important Chapter 17 কপোতাক্ষ নদ

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Advance Bengali Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Advance Bengali Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 17

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘কপোতাক্ষ নদ’ কবিতাটির কবির নাম কী?

উত্তরঃ কবিতাটির কবির নাম হলো মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

২। মাইকেল মধুসূদন দত্ত কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তরঃ তিনি ১৮২৪ সালের ২৫শে জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।

৩। কবি মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান কোথায়?

উত্তরঃ তিনি যশোর জেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

৪। কবির পিতা ও মাতার নাম কী ছিল?

উত্তরঃ কবির পিতার নাম ছিল রাজনারায়ণ দত্ত এবং মাতার নাম ছিল জাহ্নবী দেবী।

৫। কবি মধুসূদন দত্ত কেন এবং কোথায় খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হন?

উত্তরঃ বিলেত ভ্রমণের প্রবল ইচ্ছা চরিতার্থ করার জন্য তিনি খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হন।

৬। মধুসূদন দত্তের লেখা প্রথম ইংরেজি কাব্যগ্রন্থের নাম কী?

উত্তরঃ তাঁর প্রথম ইংরেজি কাব্যগ্রন্থের নাম হলো ‘Captive Lady’।

৭। বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক কে?

উত্তরঃ বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

৮। ‘কপোতাক্ষ নদ’ কবিতাটি কবি যখন লিখেছিলেন তখন তিনি কোথায় ছিলেন?

উত্তরঃ কবি তখন ফ্রান্সের ভার্সাই নগরে বসবাস করছিলেন।

৯। ‘সতত’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘সতত’ শব্দের অর্থ হলো সর্বদা।

১০। ‘বিরলে’ শব্দটির অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘বিরলে’ শব্দটির অর্থ হলো নির্জনে।

১১। ‘ভ্রান্তির ছলনে’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তরঃ ভ্রান্তির ছলনে বলতে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে,সুদূর প্রবাসে থেকেও তিনি যেন কপোতাক্ষ নদের কলকল শব্দ শুনতে পান, যা প্রকৃতপক্ষে তাঁর মনের কল্পনা বা স্মৃতি।

১২। ‘বারিরূপ কর’ কথাটির অর্থ কী?

উত্তরঃ এখানে ‘বারিরূপ কর’ বলতে বোঝানো হয়েছে যে, কপোতাক্ষ নদ সাগরকে জলরূপ কর বা রাজস্ব প্রদান করে।

১৩। কবির শ্রেষ্ঠ মহাকাব্যের নাম কী?

উত্তরঃ মাইকেল মধুসূদন দত্তের শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য হলো ‘মেঘনাদবধ কাব্য’।

১৪। মধুসূদন দত্তের রচিত একটি সার্থক নাটকের নাম লেখো।

উত্তরঃ তাঁর রচিত একটি সার্থক নাটক হলো ‘কৃষ্ণকুমারী’।

১৫। চতুর্দশপদী কবিতার প্রথম আটটি লাইনকে কী বলা হয়?

উত্তরঃ চতুর্দশপদী কবিতার প্রথম আটটি লাইনকে ‘অষ্টক’ বা ‘Octave’ বলা হয়।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। ‘কপোতাক্ষ নদ’ কবিতায় কবির স্মৃতিকাতরতা ও নস্টালজিয়া কীভাবে প্রকাশিত হয়েছে?

উত্তরঃ ‘কপোতাক্ষ নদ’ কবিতাটিতে কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রবল দেশপ্রেম ও জন্মভূমির প্রতি গভীর টান ফুটে উঠেছে। সুদূর ফ্রান্সের ভার্সাই নগরে বসে কবি যখন প্রবাস জীবন কাটাচ্ছিলেন, তখন তাঁর শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত কপোতাক্ষ নদের কথা বারবার মনে পড়ছিল। তিনি নির্জনে সবসময় এই নদের কথা চিন্তা করতেন। কবি পৃথিবীর অনেক দেশ ঘুরেছেন এবং অনেক নদ-নদী দেখেছেন, কিন্তু কপোতাক্ষের মতো পরম শান্তি তিনি আর কোথাও পাননি। তাঁর মনে হয়েছে, এই নদের জল যেন তাঁর জন্মভূমি-মায়ের স্তনদুগ্ধের সমান। নদের কলকল ধ্বনি তিনি ঘুমের ঘোরেও শুনতে পেতেন এবং এই স্মৃতিকাতরতাই কবিতাটির মূল সুর হয়ে উঠেছে।

২। মধুসূদন দত্তের জীবন ও সাহিত্যে পাশ্চাত্য প্রভাব এবং তাঁর স্বজাত্যবোধের পরিচয় দাও।

উত্তরঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাল্যকাল থেকেই পাশ্চাত্য ভাবধারায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছিলেন এবং ইংরেজদের আদব-কায়দা ও বিলেত যাওয়ার প্রবল আকাঙ্ক্ষা তাঁর ছিল। বিলেত যাওয়ার আশায় তিনি নিজের ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন এবং প্রথমদিকে ইংরেজি ভাষায় ‘Captive Lady’ কাব্য রচনা করেন। তবে পরবর্তী জীবনে তিনি বুঝতে পারেন যে,তাঁর নিজের ভাষা ও সাহিত্যের গুরুত্ব কতখানি। তিনি পাশ্চাত্য সাহিত্যের আঙ্গিক ও মধুমাখা বাংলা ভাষার সংমিশ্রণে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেন। অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও চতুর্দশপদী কবিতার মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার জোয়ার আনেন,যা তাঁর গভীর প্রতিভা ও মাতৃভাষার প্রতি দায়বদ্ধতার পরিচয় দেয়।

৩। ‘কপোতাক্ষ নদ’ কবিতাটিকে একটি সার্থক সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা বলা হয় কেন?

উত্তরঃ ‘কপোতাক্ষ নদ’ একটি সার্থক সনেট কারণ এতে সনেটের সমস্ত গঠনগত বৈশিষ্ট্য বর্তমান। এই কবিতায় মোট চৌদ্দটি লাইন রয়েছে এবং প্রতিটি লাইনে চৌদ্দটি করে অক্ষর আছে। সনেটের নিয়ম অনুযায়ী এটি দুটি ভাগে বিভক্ত: প্রথম আটটি লাইনকে ‘অষ্টক’ বলা হয়, যেখানে কবি তাঁর ভাব বা চিন্তার প্রবর্তনা করেছেন। পরবর্তী ছয়টি লাইনকে বলা হয় ‘ষষ্ঠক’,যেখানে ভাবের পরিণতি ঘটেছে। অষ্টক অংশে কবি নদের প্রতি তাঁর স্মৃতি ও অনুরাগের কথা বর্ণনা করেছেন এবং ষষ্ঠক অংশে তিনি তাঁর জন্মভূমির কাছে মিনতি ও গভীর ভালোবাসা নিবেদন করেছেন। এই সুশৃঙ্খল গঠন এবং সংহত আবেগের জন্য এটি একটি সার্থক চতুর্দশপদী কবিতা।

৪। “আর কি হে হবে দেখা?”— কবির এই আক্ষেপের কারণ কী? নদের কাছে তাঁর মিনতিই বা কী?

উত্তরঃ কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত যখন প্রবাসে ছিলেন,তখন তাঁর মনে ব্যাকুল সন্দেহ জেগেছিল যে, তিনি কি আর কোনোদিন তাঁর জন্মভূমির প্রিয় কপোতাক্ষ নদের দেখা পাবেন। এই বিচ্ছেদের বেদনা থেকেই তিনি এমন আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। তবে এই আক্ষেপের পাশাপাশি তিনি কপোতাক্ষের কাছে একটি বিশেষ প্রার্থনা জানিয়েছেন। তিনি চেয়েছেন, কপোতাক্ষ নদ যেন কবিকে তাঁর বন্ধু হিসেবে মনে রাখে। কবি যেভাবে বিদেশে বসেও নদের কথা পরম প্রেমে স্মরণ করছেন এবং নদের গান গাইছেন,ঠিক সেভাবেই কপোতাক্ষ নদ যেন বঙ্গবাসীদের কাছে কবির নাম সসম্মানে পৌঁছে দেয়। নদের প্রতি কবির এই প্রগাঢ় মমতা ও মিনতি তাঁর নিঃস্বার্থ দেশপ্রেমেরই বহিঃপ্রকাশ।

৫। মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রধান সাহিত্যকীর্তিগুলির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।

উত্তরঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের একজন অসাধারণ প্রতিভাবান কবি ছিলেন,যিনি পাশ্চাত্য সাহিত্যের বৈচিত্র্য বাংলা সাহিত্যে যুক্ত করেছিলেন। তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো ‘মেঘনাদবধ কাব্য’, যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও সার্থক মহাকাব্য। তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য, বীরাঙ্গনা কাব্য এবং ব্রজাঙ্গনা কাব্য রচনা করে বাংলা কাব্যজগতে বিপ্লব ঘটান। নাট্যকার হিসেবেও তিনি সমান সফল ছিলেন; ‘কৃষ্ণকুমারী’ ও ‘শর্মিষ্ঠা’ তাঁর উল্লেখযোগ্য সার্থক নাটক। এছাড়াও ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ এবং ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ নামক প্রহসন দুটি আজও সমাজ-সচেতনতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিচিত। বাংলা সাহিত্যে চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের সূচনা করে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top