Class 12 Advance Bengali Important Chapter 5 রানার

Class 12 Advance Bengali Important Chapter 5 রানার Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Advance Bengali Important Chapter 5 রানার Solutions and select need one. Class 12 Advance Bengali Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Advance Bengali Important Notes.

Class 12 Advance Bengali Important Chapter 5 রানার

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Advance Bengali Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Advance Bengali Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 5

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘রানার’ কবিতাটি কার লেখা?

উত্তরঃ কবিতাটি কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের লেখা।

২। সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মারা যান?

উত্তরঃ সুকান্ত ভট্টাচার্য মাত্র ২১ বছর বয়সে ১৯৪৭ সালে মারা যান।

৩। রানারের পিঠে কীসের বোঝা রয়েছে?

উত্তরঃ রানারের পিঠে জানা-অজানার খবরের বোঝা রয়েছে।

৪। রানার যখন ছোটে তখন হাতে কী বাজে?

উত্তরঃ রানার যখন ছোটে তখন হাতে ঝুমঝুম ঘণ্টা বাজে।

৫। রানার কার চেয়েও বেশি বেগে বা আবেগে ছোটে?

উত্তরঃ রানার হরিণের চেয়েও বেশি বেগে ছোটে।

৬। রানার রাতে পথ চলার সময় হাতে কী রাখে?

উত্তরঃ রানার রাতে পথ চলার সময় হাতে লণ্ঠন রাখে।

৭। রানারকে পথে কে আলো দেয়?

উত্তরঃ রানারকে পথে জোনাকিরা আলো দেয়।

৮। রানারের পিঠে কীসের বোঝা থাকলেও তা ছোঁয়া যাবে না?

উত্তরঃ রানারের পিঠে টাকার বোঝা থাকলেও তা ছোঁয়া যাবে না।

৯। দস্যুর ভয়ের চেয়েও রানারের কাছে বড় ভয় কোনটি?

উত্তরঃ দস্যুর ভয়ের চেয়েও রানারের কাছে বড় ভয় হলো কখন সূর্য উঠে যায়।

১০। রানারের দুঃখের কথা কোথায় পড়া থাকবে?

উত্তরঃ রানারের দুঃখের কথা কালো রাত্রির খামে পড়া থাকবে।

১১। রানারের জন্য ঘরে কে বিনিদ্র রাত জাগে?

উত্তরঃ রানারের জন্য ঘরে তার প্রিয়া বা স্ত্রী একা শয্যায় বিনিদ্র রাত জাগে।

১২। রানার কবিতাটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?

উত্তরঃ ‘রানার’ কবিতাটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘ছাড়পত্র’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

১৩। ‘রানার’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘রানার’ শব্দের অর্থ হলো ডাক-হরকরা।

১৪। রানারের চোখে তারাগুলো কেমনভাবে তাকিয়ে থাকে?

উত্তরঃ রানারের চোখে অবাক রাতের তারাগুলো মিটমিট করে তাকিয়ে থাকে।

১৫। রানার কার জন্য নতুন খবরের বার্তা বয়ে নিয়ে যায়?

উত্তরঃ রানার গ্রামের সাধারণ মানুষের জন্য এবং অগ্রগতির জন্য নতুন খবর নিয়ে যায়।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

২। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো।

উত্তরঃ সুকান্ত ভট্টাচার্য বাংলা কবিতার ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি,যিনি অল্প বয়সেই নিপীড়িত ও সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে শামিল হয়েছিলেন। তাঁর কবিতার মূল উপজীব্য ছিল সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো ‘ছাড়পত্র’, ‘ঘুম নেই’, ‘পূর্বাভাস’ এবং ছড়া সংগ্রহ ‘মিঠে কড়া’। মাত্র ২১ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হলেও তাঁর লেখনী বাংলা সাহিত্যে এক স্বতন্ত্র ধারা তৈরি করেছে।

২। ‘রানার’ কবিতার নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো।

উত্তরঃ ‘রানার’ কবিতার সমগ্র বিষয়বস্তু আবর্তিত হয়েছে একজন রানার বা ডাক-হরকরাকে কেন্দ্র করে। কবিতার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রানারের ক্লান্তিহীন পথ চলা এবং তার প্রবল দায়িত্ববোধের কথা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। রানার কেবল একটি পেশা নয়,সে হলো সময়ের বার্তাবাহক যে সাধারণ মানুষের সংবাদ বহন করে। তাঁর ছুটে চলাই জীবনের প্রধান কাজ,যা কবিতায় বারবার “রানার চলেছে, রানার!” পংক্তিটির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। যেহেতু রানারের জীবন,তার কঠোর পরিশ্রম এবং তার ত্যাগই কবিতার মূল উপজীব্য,তাই ‘রানার’ নামকরণটি অত্যন্ত যথাযথ ও সার্থক হয়েছে।

৩। “পিঠেতে টাকার বোঝা, তবু এই টাকাকে যাবে না ছোঁয়া” — উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ এই পঙক্তিটির মাধ্যমে কবি রানারের চারিত্রিক দৃঢ়তা এবং তার জীবনের করুণ আর্থিক অবস্থার এক বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন। রানার রানার হওয়ার সুবাদে অনেক মূল্যবান সম্পদ ও মনিঅর্ডারের টাকা বহন করে। যদিও তার নিজের ঘরে চরম দারিদ্র্য এবং অভাব অনটন নিত্যসঙ্গী, তবুও সে অন্যের গচ্ছিত অর্থের প্রতি কোনো লোভ পোষণ করে না। তার কাছে তার সততা এবং পেশাগত দায়িত্ব অনেক বড়। পিঠে টাকার বোঝা নিয়েও সে নিঃস্ব অবস্থায় পথ চলে, যা তার চরম কৃচ্ছ্রসাধন এবং মহানুভবতাকে প্রকাশ করে। এই বৈপরীত্যই রানারের চরিত্রকে পাঠকের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র করে তুলেছে।

৪। রানার কবিতায় কবি কীভাবে প্রকৃতির সাথে রানারের সম্পর্ক স্থাপন করেছেন?

উত্তরঃ ‘রানার’ কবিতায় কবি প্রকৃতিকে রানারের যাত্রাপথের সঙ্গী হিসেবে দেখিয়েছেন। যখন রানার রাতের অন্ধকারে দ্রুত গতিতে ছোটে, তখন বনের গাছপালা তার পেছনে স্মৃতির মতো সরে যেতে থাকে। আকাশের তারাগুলো তার এই নিরলস পথচলা দেখে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে। গভীর অন্ধকারে জোনাকিরা তাকে পথ চলতে আলো দিয়ে সাহায্য করে। আবার ভোরের আকাশ যখন লাল হয়ে ওঠে, তখন সেটি রানারের কাছে ক্লান্তির অবসানের সংকেত হয়ে দেখা দেয়। প্রকৃতি এখানে কেবল পটভূমি নয়,বরং রানারের একাকী যাত্রার নিরব সাক্ষী এবং সহযাত্রী হিসেবে কাজ করে।

৫। ‘রানার’ কবিতার সারসংক্ষেপ তোমার নিজের ভাষায় লেখো।

উত্তরঃ ‘রানার’ কবিতাটি শ্রমজীবী মানুষের নিঃস্বার্থ সেবার এক অনন্য দলিল। এখানে রানার হলো এক অতি সাধারণ মানুষ যে রাতের অন্ধকারে পিঠে খবরের বোঝা নিয়ে দৌড়ে বেড়ায়। সে কোনো বাধা মানে না এবং সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে খবর পৌঁছাতে চায়। রানারের ঝুলি মানুষের সুখ-দুঃখের চিঠিতে ভরা থাকলেও তার নিজের জীবন কাটে অভাবে এবং তার প্রিয়া অপেক্ষায় বিনিদ্র রাত কাটায়। অভাবের তাড়নায় সে দিনকে রাত করে পরিশ্রম করে। কবি রানারকে সময়ের সাহসী যোদ্ধা হিসেবে কল্পনা করেছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে একদিন এই দুঃখের রাত কেটে গিয়ে রানারের জীবনেও নতুন সূর্যোদয় বা সোনালী প্রভাত আসবে। কবি তাকে ভয় ও ভীরুতা ত্যাগ করে আরও দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top