Class 12 Advance Bengali Important Chapter 3 সনেট

Class 12 Advance Bengali Important Chapter 3 সনেট Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Advance Bengali Important Chapter 3 সনেট Solutions and select need one. Class 12 Advance Bengali Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Advance Bengali Important Notes.

Class 12 Advance Bengali Important Chapter 3 সনেট

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Advance Bengali Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Advance Bengali Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 3

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘সনেট’ কবিতাটি কার লেখা? 

উত্তরঃ কবিতাটি কবি হুমায়ুন কবিরের লেখা।

২। হুমায়ুন কবিরের জন্ম কত সালে এবং কোথায় হয়েছিল? 

উত্তরঃ কবি হুমায়ুন কবিরের জন্ম ১৯০৬ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি ঢাকার ফরিদপুরে হয়েছিল।

৩। হুমায়ুন কবির কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে এম.এ পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়েছিলেন? 

উত্তরঃ কবি হুমায়ুন কবির কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে এম. এ পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়েছিলেন।

৪। তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোন কোন বিষয়ে প্রথম হয়েছিলেন? 

উত্তরঃ তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন, অর্থনীতি ও রাজনীতি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিলেন।

৫। হুমায়ুন কবির প্রথম এশিয়াবাসী হিসেবে কোথায় বক্তৃতা দিয়েছিলেন? 

উত্তরঃ তিনি প্রথম এশিয়াবাসী হিসেবে অক্সফোর্ড ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘হার্বার্ট স্পেনসার’ বক্তৃতা দিয়েছিলেন।

৬। হুমায়ুন কবির সম্পাদিত ত্রৈমাসিক সাহিত্যপত্রটির নাম কী? 

উত্তরঃ হুমায়ুন কবির সম্পাদিত ত্রৈমাসিক সাহিত্যপত্রটির নাম হলো ‘চতুরঙ্গ’।

৭। হুমায়ুন কবিরের লেখা একটি উপন্যাসের নাম লেখো। 

উত্তরঃ হুমায়ুন কবিরের লেখা একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো ‘নদী ও নারী’।

৮। কবির লেখা দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম কী কী? 

উত্তরঃ কবির লেখা দুটি কাব্যগ্রন্থ হলো ‘স্বপ্নসাধ’ এবং ‘সাথী’।

৯। কবি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শশাস্ত্রের অধ্যাপক ছিলেন? 

উত্তরঃ কবি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শশাস্ত্রের অধ্যাপক ছিলেন।

১০। ‘অমরা’ শব্দের অর্থ কী? 

উত্তরঃ ‘অমরা’ শব্দের অর্থ হলো ইন্দ্রপুরী, স্বর্গ বা অমরলোক।

১১। ‘অনাহত’ শব্দের অর্থ কী? 

উত্তরঃ ‘অনাহত’ শব্দের অর্থ হলো আহূত হয়নি এমন বা যা নিজে থেকে আসে।

১২। ‘খসিয়া’ শব্দের অর্থ কী? 

উত্তরঃ ‘খসিয়া’ শব্দের অর্থ হলো শ্বাস-প্রশ্বাস নেয় এমন।

১৩। ‘নিবন্ধ’ শব্দের অর্থ কী? 

উত্তরঃ ‘নিবন্ধ’ শব্দের অর্থ হলো আটকানো অবস্থা বা অবরুদ্ধ।

১৪। ‘সনেট’ বলতে কী বোঝায়? 

উত্তরঃ সনেট হলো চৌদ্দটি পঙক্তিতে সম্পূর্ণ বিশেষ ধরণের কবিতা।

১৫। হুমায়ুন কবির কোন কোন পত্রিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন? 

উত্তরঃ তিনি ‘কৃষক’, ‘নবযুগ’, ‘নয়াবালো’ ও ‘Now’ পত্রিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। কবি হুমায়ুন কবিরের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।

উত্তরঃ হুমায়ুন কবির  বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি,প্রাবন্ধিক এবং শিক্ষাবিদ ছিলেন। তিনি বর্তমান বাংলাদেশের ফরিদপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শিক্ষাজীবন ছিল অত্যন্ত কৃতিত্বপূর্ণ; তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. এ পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হওয়ার পর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও দর্শন, অর্থনীতি ও রাজনীতিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। কর্মজীবনে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন এবং প্রথম এশিয়াবাসী হিসেবে অক্সফোর্ড ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মানজনক ‘হার্বার্ট স্পেনসার’ বক্তৃতা প্রদান করেন। সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তাঁর অবাধ বিচরণ ছিল। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘স্বপ্নসাধ’, ‘সাথী’, ‘অষ্টাদশী’ অন্যতম। এছাড়াও তাঁর সমালোচনা গ্রন্থ ‘বাংলার কাব্য’ এবং উপন্যাস ‘নদী ও নারী’ পাঠকমহলে সমাদৃত। তিনি ‘চতুরঙ্গ’ নামক একটি বিখ্যাত সাহিত্যপত্রিকা সম্পাদনা করতেন এবং সমসাময়িক আরও অনেক পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

২। ‘সনেট’ কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।

উত্তরঃ হুমায়ুন কবির তাঁর এই কবিতাটির নাম দিয়েছেন ‘সনেট’ যা মূলত একটি কাব্যরীতি বা বিশেষ আঙ্গিকের কবিতার নাম। ‘সনেট’ বলতে আমরা বুঝি এমন একটি কবিতা যা চৌদ্দটি চরণে বা পঙক্তিতে সীমাবদ্ধ থাকে। কবি এখানে সনেটের প্রথাগত নিয়ম মেনে চতুর্দশপদী কবিতার আঙ্গিককে ব্যবহার করেছেন। কবিতার নামকরণের মাধ্যমে কবি পাঠককে শুরুতেই এর গঠনশৈলী সম্পর্কে একটি ধারণা দিয়েছেন। কবিতার বিষয়বস্তু দুটি অংশে বিভক্ত—প্রথম অংশে একটি শান্ত গৃহকোণের মায়া ও পারিবারিক শান্তির চিত্র এবং দ্বিতীয় অংশে অযোধ্যার করুণ বিলাপ ও সীতার বিরহ-ব্যথার চিত্র ফুটে উঠেছে। সনেটের প্রচলিত কাঠামোর মতো এখানেও ভাবের একটি পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। তাই আঙ্গিক ও গঠনগত দিক বিচারে কবিতাটির নামকরণ ‘সনেট’ সার্থক ও যথাযথ হয়েছে।

৩। ‘সনেট’ কবিতাটির মূল বিষয়বস্তু নিজের ভাষায় আলোচনা করো।

উত্তরঃ ‘সনেট’ কবিতাটি দুটি স্তবকে বা অংশে বিভক্ত। প্রথম অংশে কবি একটি প্রশান্ত গৃহকোণের বর্ণনা দিয়েছেন। যেখানে মেহগনি গাছের মায়াভরা ছায়া, প্রিয়জনদের প্রতি টান এবং অম্লান সৌরভের মতন প্রীতিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করে। কবির মতে, জীবনের সকল আনন্দ ও গৌরব এই ছোট গৃহকোণকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে, যেখানে জীবন একটি প্রশান্ত সাগরের মতো শান্তিতে পূর্ণ থাকে। কিন্তু কবিতার দ্বিতীয় অংশে কবির ভাবের আমূল পরিবর্তন ঘটে। তিনি নিদ্রার ঘোরে যেন এক স্বর্ণপুরী অযোধ্যার করুণ চিত্র দেখতে পান। সেখানে সীতার বিরহ-বেদনায় সমগ্র পুরী অন্ধকার হয়ে আছে, মানুষের হাহাকারে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। নিদাঘের তপ্ত রোদে অযোধ্যার শ্রীহীন রূপ দেখে কবির স্বপ্ন ভেঙে যায়। এইভাবে কবি ব্যক্তিগত জীবনের শান্তি এবং পৌরাণিক বিয়োগান্তক ঘটনার এক চমৎকার বৈপরীত্য তাঁর কবিতার মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।

৪। কবিতাটিতে বর্ণিত অযোধ্যার করুণ চিত্রটি বর্ণনা করো।

উত্তরঃ ‘সনেট’ কবিতার দ্বিতীয় অংশে কবি নিদ্রার ঘোরে এক বিষাদগ্রস্ত অযোধ্যার ছবি এঁকেছেন। সেখানে রাজপ্রাসাদ বা পথঘাট কোথাও কোনো আনন্দ নেই; বরং শত শত নর-নারীর কান্নায় সারা আকাশ ছেয়ে গেছে। সীতার বিরহ-ভয়ে সমগ্র পুরী যেন অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে আছে এবং আকাশও যেন রুদ্ধ ক্রন্দনে ভেঙে পড়ছে। কবি দেখেছেন, নিদাঘের রোদ্রদহনে সারা ভুবন যেন মূর্ছিত হয়ে পড়েছে। অযোধ্যার স্টেশন-অঙ্গনে শ্রীহীনতার সুর বাজছে, ধূসর ধুলোর ওপর বসে আছে বানরের দল এবং দূর থেকে সূর্যালোকে কেবল কয়েকটি স্বর্ণচূড়া মন্দিরের রূপ চোখে পড়ছে।

 এই বর্ণনার মাধ্যমে কবি অযোধ্যার এক শ্রীভ্রষ্ট ও বিষাদময় রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন যা পাঠককে এক গভীর শূন্যতার অনুভূতি দেয়।

৫। সনেট কবিতাটির গঠনশৈলী ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে যা জানো লেখো।

উত্তরঃ ‘সনেট’ কবিতাটির গঠনশৈলী ও বৈশিষ্ট্য:

(i) নির্দিষ্ট গঠন ও পঙক্তি সংখ্যা: ‘সনেট’ শব্দের অর্থ হলো চৌদ্দটি পঙক্তিতে সম্পূর্ণ একটি বিশেষ ধরণের কবিতা। কবি হুমায়ুন কবির সনেটের এই ধ্রুপদী নিয়ম মেনে কবিতাটি রচনা করেছেন, যেখানে মাত্র চৌদ্দটি লাইনের মধ্যে একটি সুসংহত ভাব প্রকাশ পেয়েছে।

(ii) দুই স্তবকের বিন্যাস ও ভাবের পরিবর্তন: কবিতাটি মূলত দুটি প্রধান অংশে বা স্তবকে বিভক্ত। সনেটের প্রথাগত নিয়ম অনুযায়ী এর ভাবেও একটি স্পষ্ট বিভাজন লক্ষ্য করা যায়। প্রথম অংশে কবি তাঁর গৃহকোণের শান্তি,আত্মীয়-পরিজনের প্রীতি এবং একটি শান্ত জীবনের চিত্র এঁকেছেন। 

(iii) চিত্রকল্পের ব্যবহার: কবি এখানে অত্যন্ত নিপুণভাবে শব্দ ও চিত্রকল্প ব্যবহার করেছেন। প্রথম স্তবকে ‘মেহগনি ছায়া’, ‘অমরার মায়া’ বা ‘তটিনী-সম পরিণতি’র মতো শান্ত ও স্নিগ্ধ উপমা ব্যবহার করা হয়েছে। অন্যদিকে, দ্বিতীয় স্তবকে ‘সীতার বিরহ-ভয়’, ‘গগন খসিয়া ওঠা নিরুদ্ধ ক্রন্দন’ এবং ‘তপ্ত নিদাঘের মূর্ছিত ভুবন’—এই চিত্রকল্পগুলো এক বিষণ্ণ ও গাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে।

(iv) ব্যক্তিগত ও পৌরাণিক ভাবের সমন্বয়: এই কবিতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো ব্যক্তিগত অনুভূতির সঙ্গে পৌরাণিক কাহিনীর মেলবন্ধন। কবি নিজের জীবনের প্রশান্তির কথা বলতে বলতেই হঠাৎ অযোধ্যার সেই চিরন্তন হাহাকারের বর্ণনায় চলে যান। সীতার বিরহে শ্রীহীন অযোধ্যা এবং বর্তমানের শুষ্ক বাস্তবতাকে তিনি একই সুতোয় গেঁথেছেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top