Class 12 Advance Bengali Important Chapter 13 রামকানাইয়ের নির্বুদ্ধিতা

Class 12 Advance Bengali Important Chapter 13 রামকানাইয়ের নির্বুদ্ধিতা Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Advance Bengali Important Chapter 13 রামকানাইয়ের নির্বুদ্ধিতা Solutions and select need one. Class 12 Advance Bengali Additional Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Advance Bengali Important Notes.

Class 12 Advance Bengali Important Chapter 13 রামকানাইয়ের নির্বুদ্ধিতা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Advance Bengali Additional Notes are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 2nd Year Advance Bengali Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 13

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘রামকানাইয়ের নির্বুদ্ধিতা’ এবং ‘খোকাখাবুর প্রত্যাবর্তন’ গল্প দুটির লেখক কে?

উত্তরঃ গল্প দুটির লেখক হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

২। গুরুচরণ চক্রবর্তীর ভাইয়ের নাম কী ছিল?

উত্তরঃ গুরুচরণ চক্রবর্তীর ভাইয়ের নাম ছিল রামকানাই।

৩। গুরুচরণ তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সমস্ত বিষয়সম্পত্তি কাকে উইল করে দিয়ে যান?

উত্তরঃ গুরুচরণ তাঁর সমস্ত সম্পত্তি তাঁর পত্নী শ্রীমতী বরদাসুন্দরীকে উইল করে দিয়ে যান।

৪। গুরুচরণের উইলের সাক্ষী কে ছিলেন?

উত্তরঃ গুরুচরণের উইলের লেখক এবং সাক্ষী স্বয়ং রামকানাই ছিলেন।

৫। নবদ্বীপ কে ছিলেন?

উত্তরঃ নবদ্বীপ ছিলেন গুরুচরণের একমাত্র পুত্র।

৬। নবদ্বীপের মা কেন তাকে হুগলিতে চাকরি করতে দেননি?

উত্তরঃ নবদ্বীপের মা তাকে চোখের আড়াল করতে চাননি বলেই হুগলিতে চাকরি করতে দেননি।

৭। রামকানাইয়ের স্ত্রীর নাম কী ছিল?

উত্তরঃ প্রদত্ত উৎস অনুযায়ী রামকানাইয়ের স্ত্রীর কোনো নির্দিষ্ট নাম পাওয়া যায়নি,তাঁকে কেবল নবদ্বীপের মা বা রামকানাইয়ের গৃহিণী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

৮। নবদ্বীপ কেন তাঁর বাবাকে কাশীতে পাঠিয়েছিলেন?

উত্তরঃ নবদ্বীপ তাঁর বাবাকে কাশীতে পাঠিয়েছিলেন যাতে তিনি উইলের জাল করার বিষয়ে কোনো বাধা দিতে না পারেন।

৯। আদালতে রামকানাই কার পক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন?

উত্তরঃ আদালতে রামকানাই তাঁর ভ্রাতৃবধূ বরদাসুন্দরীর পক্ষে এবং নিজের পুত্রের জালিয়াতির বিপক্ষে সত্য সাক্ষ্য দিয়েছিলেন।

১০। রামকানাইয়ের মৃত্যুর সময় কার নাম তাঁর মুখে উচ্চারিত হচ্ছিল?

উত্তরঃ রামকানাইয়ের মৃত্যুর সময় বিকারের ঘোরে কেবল তাঁর পুত্র নবদ্বীপের নাম উচ্চারিত হচ্ছিল।

১১। রাইচরণ যখন প্রথম কাজে আসে তখন তার বয়স কত ছিল?

উত্তরঃ রাইচরণ যখন অনুকূল বাবুদের বাড়িতে প্রথম কাজে আসে তখন তার বয়স ছিল ১২ বছর।

১২। রাইচরণ কোন জেলার লোক ছিল?

উত্তরঃ রাইচরণ যশোর জেলার লোক ছিল।

১৩। রাইচরণের প্রধান কাজ কী ছিল?

উত্তরঃ রাইচরণের প্রধান কাজ ছিল অনুকূল বাবুর এক বছর বয়সী শিশুর রক্ষণাবেক্ষণ করা।

১৪। অনুকূল বাবুদের বাড়িতে নতুন কে এসেছিলেন যার ফলে রাইচরণের কর্তৃত্বে টান পড়েছিল?

উত্তরঃ অনুকূল বাবুর বিবাহ হওয়ার পর তাঁর শ্রী বা গৃহিণী বাড়িতে এসেছিলেন।

১৫। রাইচরণ কোন জাতির লোক ছিল?

উত্তরঃ রাইচরণ কায়স্থ জাতির লোক ছিল।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। গুরুচরণের উইল লেখাকে কেন্দ্র করে রামকানাইয়ের পারিবারিক অশান্তির কারণ আলোচনা করো।

উত্তরঃ গুরুচরণ তাঁর মৃত্যুকালে সমস্ত সম্পত্তি তাঁর স্ত্রী বরদাসুন্দরীর নামে উইল করে দিয়ে যান,এবং এই উইলটি স্বহস্তে লেখেন তাঁর ভাই রামকানাই। এই ঘটনার পর নবদ্বীপের মা,যিনি রামকানাইয়ের স্ত্রী,অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হন কারণ এতে তাঁর পুত্র নবদ্বীপ বিষয়সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। তিনি রামকানাইকে তাঁর ‘বুদ্ধিনাশ’ হয়েছে বলে তিরস্কার করেন এবং বলেন যে দাদার উইলে তাঁর নিজেরও কিছু বলা উচিত ছিল। নবদ্বীপ নিজেও এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁর বাবাকে অপমানিত করে, এমনকি তাঁর মুখদর্শন করতেও অস্বীকার করে। পারিবারিক এই চাপের মুখেও রামকানাই তাঁর সত্যনিষ্ঠা বজায় রেখেছিলেন, যা শেষ পর্যন্ত এক বড় বিবাদের রূপ নেয়।

২। আদালতে রামকানাই যে সত্য সাক্ষ্য দিয়েছিলেন, তার বর্ণনা দাও।

উত্তরঃ নবদ্বীপ যখন তাঁর মায়ের প্ররোচনায় একটি জাল উইল তৈরি করে আদালতের দ্বারস্থ হয়, তখন রামকানাইকে সাক্ষী হিসেবে তলব করা হয়। আদালতের চতুর ব্যারিস্টার যখন তাঁকে জেরা করতে শুরু করেন,তখন বৃদ্ধ রামকানাই অত্যন্ত দুর্বল হওয়া সত্ত্বেও কম্পিত কণ্ঠে সত্য কথাটিই বলেন। তিনি বিচারকের উদ্দেশ্যে জোড়হাতে নিবেদন করেন যে, তাঁর দাদা গুরুচরণ মৃত্যুকালে সমস্ত সম্পত্তি বরদাসুন্দরীর নামেই উইল করে গিয়েছিলেন এবং নবদ্বীপ যে উইলটি দাখিল করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এই সত্যভাষণের ফলে নবদ্বীপের জালিয়াতি ধরা পড়ে যায়,কিন্তু পুত্রস্নেহের কারণে এই সত্য বলা রামকানাইয়ের জন্য মানসিক যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

৩। রামকানাইয়ের চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি উৎস অনুসারে বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ রামকানাইয়ের চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তাঁর অটল সত্যনিষ্ঠা এবং সরলতা। যদিও সমাজ ও তাঁর পরিবার তাঁকে ‘নির্বোধ’ বলে মনে করত, কিন্তু নৈতিকতার প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপসহীন। নিজের স্ত্রী ও একমাত্র পুত্রের প্রবল বিরোধিতা এবং মানসিক অত্যাচার সহ্য করেও তিনি মিথ্যার আশ্রয় নেননি। এমনকি পুত্রের ভবিষ্যৎ নষ্ট হতে পারে জেনেও তিনি আদালতে সত্য সাক্ষ্য দিতে দ্বিধা করেননি। তাঁর এই চারিত্রিক দৃঢ়তা একদিকে যেমন প্রশংসনীয়, অন্যদিকে তাঁর এই আদর্শবাদই তাঁকে শেষ জীবনে একাকী এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছিল, যা তাঁর মৃত্যুর অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

৪। ‘খোকাখাবুর প্রত্যাবর্তন’ গল্পাংশে রাইচরণ ও খোকাবাবুর সম্পর্কের প্রাথমিক পরিচয় দাও।

উত্তরঃ রাইচরণ অনুকূল বাবুর বাড়িতে একজন অত্যন্ত বিশ্বস্ত ভৃত্য হিসেবে কাজ করত। অনুকূলের ছেলে অর্থাৎ খোকাবাবুর জন্মের পর থেকে তাকে দেখাশোনা করার ভার ছিল রাইচরণের ওপর। রাইচরণ শিশুটিকে পরম মমতায় লালনপালন করত। সে খোকাবাবুকে আকাশে ছুঁড়ে খেলা করত, তার অবোধ্য প্রশ্নের উত্তর দিত এবং শিশুটির আনন্দেই নিজের আনন্দ খুঁজে পেত। এমনকি অনুকূল বাবুর স্ত্রী আসার পর রাইচরণের অধিকারে কিছুটা ভাগ বসলেও, শিশুটির প্রতি তাঁর টান একটুও কমেনি। রাইচরণের সমস্ত জগত জুড়েই ছিল সেই ছোট্ট খোকাবাবু।

৫। নবদ্বীপের চরিত্রটি গল্পের প্রেক্ষাপটে কীভাবে ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ নবদ্বীপকে এক লোভী, ধূর্ত এবং পিতৃভক্তিহীন যুবক হিসেবে দেখানো হয়েছে। সে তাঁর জ্যাঠামশায়ের সম্পত্তি দখল করার জন্য জালিয়াতির আশ্রয় নিতেও দ্বিধা বোধ করে না। যখন সে দেখে যে প্রকৃত উইলে তাঁর নাম নেই, তখন সে নিজের বাবাকে কৌশলে কাশীতে পাঠিয়ে দিয়ে একটি জাল উইল তৈরি করে। সে অত্যন্ত স্বার্থপর, কারণ বাবার সত্যনিষ্ঠাকে সে ‘নির্বুদ্ধিতা’ মনে করে এবং নিজের অপরাধ ঢাকতে বাবাকে আদালতে বিপদে ফেলতে চায়। বাবার প্রতি তাঁর কোনো শ্রদ্ধা ছিল না,বরং তাঁর সমস্ত কর্মকাণ্ড ছিল কেবল বিষয়সম্পত্তি আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যেই পরিচালিত।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top