🪔 Diwali Maha Offer Class 10 & 12 Bundles @ ₹299 ₹599
Ends in:
03d
14h
35m
40s

Class 11 Environmental Studies Important Chapter 7 দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: দায়িত্ব ও সাবধানতা

Class 11 Environmental Studies Important Chapter 7 দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: দায়িত্ব ও সাবধানতা Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters ASSEB Class 11 Environmental Studies Important Chapter 7 দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: দায়িত্ব ও সাবধানতা Solutions and select need one. AHSEC Class 11 Environmental Education Additional Notes Download PDF. HS 1st Year Environmental Education Important Solutions.

Class 11 Environmental Studies Important Chapter 7 দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: দায়িত্ব ও সাবধানতা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Environmental Studies Additional Question Answer are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Environmental Education Important Notes for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 7

IMPORTANT QUESTION AND ANSWER

(ক) অতি চমু প্রশ্ন উত্তর।

১। দুর্যোগকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা যায় ও কি কি?

উত্তরঃ দুর্যোগকে প্রধানত দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়, যথা: প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মানবসৃষ্ট দুর্যোগ।

২। দুটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ দুটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের উদাহরণ হলো ভূমিকম্প এবং বন্যা।

৩। দুটি মানবসৃষ্ট দুর্যোগের উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ দুটি মানবসৃষ্ট দুর্যোগের উদাহরণ হলো সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ এবং মহামারী।

৪। খ্রিষ্টপূর্ব ৭৯ সনে কোন শহরটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছিল?

উত্তরঃ খ্রিষ্টপূর্ব ৭৯ সনে ভিলুভিয়াস আগ্নেয়গিরির উদগিরণের ফলে মনোরম পম্পেই শহরটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছিল।

৫। ভূপাল গ্যাস দুর্ঘটনা কত সালে এবং ভারতের কোন রাজ্যে হয়েছিল?

উত্তরঃ ভূপাল গ্যাস দুর্ঘটনা ১৯৮৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যে হয়েছিল।

৬। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার স্তর কয়টি?

উত্তরঃ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মোট তিনটি স্তর রয়েছে।

৭। জরুরি সেবার জন্য ভারতের সাধারণ টোল ফ্রি নম্বরটি কি?

উত্তরঃ জরুরি সেবার জন্য ভারতের সাধারণ টোল ফ্রি নম্বরটি হলো ১০০।

৮। NDMA-এর সম্পূর্ণ নাম কি?

উত্তরঃ NDMA-এর সম্পূর্ণ নাম হলো National Disaster Management Authority.

৯। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের একটি প্রধান ভূমিকা কি হতে পারে?

উত্তরঃ শিক্ষার্থীরা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার বিষয়ে বিদ্যালয়ে পাওয়া প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ পরিবারের সদস্যদের সাথে আলোচনা করে পরিবারকে প্রস্তুত করে তুলতে পারে।

১০। ভূমিকম্পের সময় নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য একটি জায়গার নাম বলো।

উত্তরঃ ভূমিকম্পের সময় দরজার চৌকাঠ অথবা ঘরের কোণে আশ্রয় নেওয়া নিরাপদ।

১১। NDRF-এর পূর্ণ রূপ কি?

উত্তরঃ NDRF-এর পূর্ণ রূপ হলো National Disaster Response Force.

১২। ভারতের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন কত সালে গঠিত হয়েছিল?

উত্তরঃ ভারতের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০০৫ সালে গঠিত হয়েছিল।

১৩। ASDMA-এর প্রধান কার্যালয় অসমের কোথায় অবস্থিত?

উত্তরঃ ASDMA-এর প্রধান কার্যালয় অসমের গুয়াহাটির দিসপুর নামক স্থানে অবস্থিত।

১৪। সুনামির ফলে ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছিল এমন একটি দেশের নাম লেখো।

উত্তরঃ সুনামির ফলে ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছিল এমন একটি দেশ হলো ভারত।

১৫। ভূমিকম্পের সময় কোন স্থানে আশ্রয় নেওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক?

উত্তরঃ ভূমিকম্পের সময় বৈদ্যুতিক তারের নিচে বা গাছের তলায় আশ্রয় নেওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক।

(খ) দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মানবসৃষ্ট দুর্যোগের মধ্যে পার্থক্য উদাহরণসহ বিস্তারিত আলোচনা করো।

উত্তরঃ প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মানবসৃষ্ট দুর্যোগের মধ্যে পার্থক্য উদাহরণসহ:

                প্রাকৃতিক দুর্যোগ                        মানবসৃষ্ট দুর্যোগ
প্রকৃতির বুকে অনবরত ঘটে চলা বিভিন্ন প্রাকৃতিক ঘটনার ফলে হঠাৎ যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয় এবং যা মানুষের জীবন ও সম্পত্তির বিপুল ক্ষতি করে, তাকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে।মানুষের অবিবেচক কার্যাবলি, অবহেলা বা দুর্ঘটনার ফলে যে দুর্যোগের সৃষ্টি হয়, তাকে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ বলা হয়।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ সাধারণত মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকে না, তবে সচেতনতার মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানো সম্ভব।মানুষের দায়িত্ববোধ, সতর্কতা এবং সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে এই ধরণের দুর্যোগ অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব।
এই দুর্যোগ মূলত প্রাকৃতিক পরিবর্তন বা ভৌগোলিক কারণে ঘটে থাকে।এই দুর্যোগের মূল কারণ হলো মানুষের অপরিকল্পিত কাজ, প্রযুক্তির ভুল ব্যবহার বা হিংসাত্মক কার্যকলাপ।
ভূমিকম্প, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, আগ্নেয়গিরির উদগিরণ, খরা, সুনামি, ভূমিধস এবং দাবানল।শিল্পক্ষেত্রে দুর্ঘটনা (যেমন: ভূপাল গ্যাস দুর্ঘটনা),রেল বা বিমান দুর্ঘটনা, সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ,সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ এবং মহামারী।

২। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করো।

উত্তরঃ  দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের ভূমিকা:

(i) পরিবারকে সচেতন করা: বিদ্যালয় বা মহাবিদ্যালয় থেকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও মোকাবিলা সংক্রান্ত যে প্রশিক্ষণ বা পরামর্শ শিক্ষার্থীরা পায়,তা তারা পরিবারের সদস্যদের সাথে আলোচনা করতে পারে। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের পরিবারকে যেকোনো দুর্যোগের জন্য আগাম প্রস্তুত করে তুলতে পারে।

(ii) মানসিক দৃঢ়তা ও সঠিক পদক্ষেপ: ভূমিকম্পের মতো ভয়াবহ দুর্যোগের সময় আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকা এবং বিশেষজ্ঞদের দেওয়া পরামর্শ মেনে চলা শিক্ষার্থীদের একটি প্রধান দায়িত্ব। যেমন— ভূমিকম্পের সময় দরজার চৌকাঠ,ঘরের কোণে অথবা মজবুত টেবিল বা বিছানার নিচে আশ্রয় নেওয়া এবং বৈদ্যুতিক তার বা গাছপালা থেকে দূরে থাকা।

(iii) জরুরি সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা: দুর্যোগকালীন জরুরি ব্যবহারের জন্য বাড়ির প্রধান দরজার কাছে একটি ব্যাগে প্রয়োজনীয় পানীয় জল,শুকনো খাবার, টর্চ,শিস এবং প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম গুছিয়ে রাখতে তারা সাহায্য করতে পারে।

(iv) বিপজ্জনক পরিস্থিতি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে জানানো: রাস্তাঘাটে কোনো বিপজ্জনক পরিস্থিতি যেমন— ঝুলে থাকা বিদ্যুৎ পরিবাহী তার, খোলা ম্যানহোল,ফাটল ধরা অট্টালিকা বা রেললাইনে কোনো ত্রুটি দেখলে শিক্ষার্থীরা তৎক্ষণাৎ টোল ফ্রি নম্বর (যেমন- ১০০) বা সংশ্লিষ্ট বিভাগকে জানিয়ে বড় কোনো দুর্ঘটনা রোধে অগ্রণী ভূমিকা নিতে পারে।

৩। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার তিনটি প্রধান স্তর সম্পর্কে আলোচনা করো।

উত্তরঃ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার তিনটি প্রধান স্তর সম্পর্কে হলো:

(i) দুর্যোগ পূর্ববর্তী স্তর: এটি দুর্যোগ আসার আগের প্রস্তুতিমূলক পর্যায়। এই স্তরে মূলত সম্ভাব্য দুর্যোগের মোকাবিলা করার জন্য প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বন করা হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়। 

(ii) দুর্যোগকালীন স্তর: যখন কোনো দুর্যোগ সংঘটিত হতে থাকে, তখন এই স্তরের কার্যক্রম শুরু হয়। এই স্তরে দুর্যোগের ধরন অনুযায়ী (যেমন— ভূমিকম্প, বন্যা বা অগ্নিকাণ্ড) বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া এবং দ্রুত উদ্ধারকার্য ও তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা এই স্তরের প্রধান কাজ।

(iii) দুর্যোগ পরবর্তী স্তর: দুর্যোগ শেষ হওয়ার পর এই স্তরে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানোর জন্য কাজ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সাহায্য ও ত্রাণ প্রদান করা, ঘরবাড়ি হারানো ব্যক্তিদের পুনর্বাসন বা পুনর্সংস্থাপন নিশ্চিত করা। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট ও যোগাযোগ ব্যবস্থার পুনর্নির্মাণ করা এবং মহামারীর হাত থেকে রক্ষা পেতে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এই স্তরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

৪। উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযানের সময় কোন কোন বিশেষ পদক্ষেপ বা সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত?

উত্তরঃ দুর্যোগের সময় উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে উদ্ধারকারীদের বিশেষ কিছু পদক্ষেপ ও সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। 

সেগুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

(i) মানসিক প্রস্তুতি ও তল্লাশি: উদ্ধারকারীদের সর্বদা শান্ত অথচ দৃঢ় থাকা প্রয়োজন। উদ্ধারকার্য শুরু করার আগে দুর্ঘটনাস্থলটি বিস্তারিতভাবে তল্লাশি করা এবং ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ যাচাই করে নেওয়া উচিত।

(ii) নিরাপদ দূরত্ব ও সরঞ্জাম: উদ্ধারকারীদের দুর্ঘটনাস্থল থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে সাবধানতার সাথে কাজ শুরু করতে হবে। উদ্ধারকার্যের সময় প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম সর্বদা প্রস্তুত রাখা আবশ্যক।

(iii) আহতদের সহায়তা: আহত ব্যক্তিদের উদ্ধারকাজে অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং তাদের শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখার জন্য কম্বল বা ত্রিপল দিয়ে ঢেকে আনতে হবে। এছাড়া আহত ব্যক্তির শরীরের পোশাক ঢিলে করে দিয়ে তাকে আরামদায়ক স্থানে রাখতে হবে।

(iv) জরুরি চিকিৎসা: প্রয়োজন সাপেক্ষে আহত ব্যক্তির রক্তক্ষরণ বন্ধ করার ব্যবস্থা করতে হবে এবং প্রয়োজনে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থা করতে হবে।

(v) ধ্বংসস্তূপ সরানোর সতর্কতা: ধ্বংসস্তূপ থেকে কাঠ,বাঁশ বা অন্য কোনো জিনিস টেনে সরানোর সময় অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে, যাতে অসাবধানবশত টানার ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়ে না যায়।

৫। দুর্যোগের কয়েকটি প্রধান বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো যা মানুষের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তোলে।

উত্তরঃ দুর্যোগের কয়েকটি প্রধান বৈশিষ্ট্য:

(i) অভাবনীয় বা অপ্রত্যাশিত: দুর্যোগের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর পূর্বাভাস পাওয়া অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সম্ভব হয় না। এটি মূলত একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা, যার ফলে সাধারণ মানুষ নিজেকে রক্ষা করার জন্য পর্যাপ্ত সময় বা প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারে না।

(ii) অপরিচিত: অনেক সময় দুর্যোগের ধরণ বা এর প্রভাব সম্পর্কে মানুষের পূর্ব অভিজ্ঞতা বা সঠিক পরিচিতি থাকে না। এই অপরিচিত পরিস্থিতির কারণে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হয়,যা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দেয়।

(iii) অত্যন্ত ক্ষিপ্রতা: দুর্যোগগুলো সাধারণত অত্যন্ত দ্রুত বা ক্ষিপ্র গতিতে সংঘটিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, ভূমিকম্প বা হঠাত আসা বন্যার সময় মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সামান্য সুযোগও পায় না।

(iv) অনিশ্চয়তা: দুর্যোগ কখন সংঘটিত হবে এবং ঠিক কোন নির্দিষ্ট স্থানে আঘাত হানবে, তা নিয়ে সর্বদা একটি অনিশ্চয়তা বজায় থাকে। এই অনিশ্চয়তাই দুর্যোগকে আরও বেশি বিপজ্জনক করে তোলে।

(v) চরম শক্তিশালী: দুর্যোগের ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা অত্যন্ত প্রবল ও শক্তিশালী হয়ে থাকে। এর ফলে মুহূর্তের মধ্যে মানুষের তৈরি বড় বড় অট্টালিকা,রাস্তাঘাট এবং সেতু ধ্বংস হয়ে যেতে পারে, যা মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করে তোলে।

NEW VIDEO CLASS

Subject Ka Complete Video Solution Dekhein

Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top