Class 11 Environmental Studies Important Chapter 8 পথ সুরক্ষা Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters ASSEB Class 11 Environmental Studies Important Chapter 8 পথ সুরক্ষা Solutions and select need one. AHSEC Class 11 Environmental Education Additional Notes Download PDF. HS 1st Year Environmental Education Important Solutions.
Class 11 Environmental Studies Important Chapter 8 পথ সুরক্ষা
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Environmental Studies Additional Question Answer are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Environmental Education Important Notes for All Chapters, You can practice these here.
পথ সুরক্ষা
Chapter: 8
| IMPORTANT QUESTION AND ANSWER |
(ক) অতি চমু প্রশ্ন উত্তর।
১। পথ সুরক্ষা বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ রাস্তাঘাটে চলার সময় গাড়ি চালনা,সাইকেল চালানো বা হাঁটাচলার সময় সাবধানতা অবলম্বন করে বিপদ-দুর্ঘটনা থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা এবং নিরাপদে গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোকেই পথ সুরক্ষা বলা হয়।
২। সড়ক দুর্ঘটনার জন্য দায়ী প্রধান মানবীয় কারকগুলো কী কী?
উত্তরঃ মদ্যপান করে গাড়ি চালানো, ঘুমের অভাব, অমনোযোগিতা, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইলে কথা বলা এবং পথচারীদের অসাবধানতা হলো দুর্ঘটনার প্রধান মানবীয় কারণ।
৩। পথ সুরক্ষার ক্ষেত্রে ‘4E’ কৌশল বলতে কী কী বোঝায়?
উত্তরঃ পথ সুরক্ষার চারটি কৌশল হলো— ইঞ্জিনিয়ারিং,এনফোর্সমেন্ট,এডুকেশন এবং এমার্জেন্সি।
৪। ভারতে কত সাল থেকে প্রতি বছর ‘পথ সুরক্ষা সপ্তাহ’ পালন করা হয়?
উত্তরঃ ভারতে ১৯৯০ সাল থেকে প্রতি বছরের জানুয়ারি মাসে ‘পথ সুরক্ষা সপ্তাহ’ উদযাপন করা হয়ে আসছে।
৫। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে প্রতি বছর বিশ্বে কত লোক পথ দুর্ঘটনায় মারা যায়?
উত্তরঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী প্রতি বছর সারা পৃথিবীতে প্রায় ১২.৫ লক্ষ লোক পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান।
৬। বিদ্যালয়ের বাস চালানোর জন্য চালকের কত বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন?
উত্তরঃ স্কুল বাস চালকের অন্তত ৫ বছরের ভারী যানবাহন চালানোর অভিজ্ঞতা থাকা প্রয়োজন।
৭। ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার আগে প্রশিক্ষণার্থীর জন্য কোন লাইসেন্স থাকা জরুরি?
উত্তরঃ মূল ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার আগে প্রশিক্ষণার্থীর জন্য লার্নার্স লাইসেন্স থাকা প্রয়োজন।
৮। ট্রাফিক সিগন্যালে হলুদ আলোর সংকেত কী নির্দেশ করে?
উত্তরঃ ট্রাফিক সিগন্যালে হলুদ আলোর অর্থ হলো গাড়ি থামানোর জন্য বা যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হওয়া।
৯। ‘জেব্রা ক্রসিং’কেন ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ পথচারীদের নিরাপদে রাস্তা পার হওয়ার জন্য রাস্তার কিছু অংশে জেব্রা ক্রসিং বা সাদা-কালো রেখা আঁকা থাকে।
১০। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে কোন কোন নথি রাখা বাধ্যতামূলক?
উত্তরঃ ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে পঞ্জীয়ন প্রমাণ পত্র,বিমা,দূষণ নিয়ন্ত্রণ সার্টিফিকেট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স রাখা প্রয়োজন।
১১। হেলমেট পরিধান করলে চালকের মৃত্যুর ঝুঁকি কত শতাংশ কমে?
উত্তরঃ হেলমেট পরিধান করলে চালকের মৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় ৪০ শতাংশ এবং মাথায় গুরুতর আঘাতের সম্ভাবনা ৭০ শতাংশ কমে যায়।
১২। ‘সাইলেন্স জোন’ সাধারণত কোথায় দেখা যায়?
উত্তরঃ হাসপাতাল বা বিদ্যালয়ের নিকটবর্তী এলাকায় সাধারণত ‘সাইলেন্স জোন’ থাকে যেখানে হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ।
১৩। কত বছরের নিচে লার্নার্স লাইসেন্স প্রদান করা হয় না?
উত্তরঃ সাধারণত ১৮ বছরের নিচে লার্নার্স লাইসেন্স দেওয়া হয় না,তবে অভিভাবকের অনুমতি থাকলে ১৬ থেকে ১৮ বছরের ব্যক্তি গিয়ারবিহীন দুচাকা যানের জন্য আবেদন করতে পারেন।
১৪। দূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রমাণপত্র কত সময় অন্তর সংগ্রহ করতে হয়?
উত্তরঃ গাড়ির প্রথম পঞ্জীয়নের এক বছর পর থেকে প্রতি ৬ মাস অন্তর অনুমোদিত কেন্দ্র থেকে দূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রমাণপত্র সংগ্রহ করতে হয়।
১৫। ভারতে সড়ক দুর্ঘটনার কত শতাংশ মানুষের ভুলের জন্য ঘটে?
উত্তরঃ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ভারতে প্রায় ৮৫ শতাংশ পথ দুর্ঘটনা মানুষের ভুলের জন্য সংগঠিত হয়।
(খ) দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। পথ দুর্ঘটনার বিভিন্ন কারক বা কারণগুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করো।
উত্তরঃ পথ দুর্ঘটনার কারণগুলিকে প্রধানত চারটি ভাগে ভাগ করা যায়:
(i) মানবীয় কারক: এটি দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। মদ্যপান করে গাড়ি চালানো,ক্লান্তিবশত ঘুমিয়ে পড়া, সিগন্যাল অমান্য করা এবং গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করার মতো ভুলের কারণে অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটে।
(ii) আন্তঃগাঠনিক কারক: ক্ষতিগ্রস্ত বা অসম রাস্তা এবং রাস্তা নির্মাণের কারিগরি ত্রুটির কারণেও দুর্ঘটনা হতে পারে।
(iii) যান্ত্রিক কারক: চলন্ত অবস্থায় গাড়ির যান্ত্রিক গোলযোগ, ব্রেক ফেল হওয়া বা পুরনো যন্ত্রাংশ ব্যবহারের ফলে দুর্ঘটনা ঘটে।
(iv) পারিপার্শ্বিক কারক: খারাপ আবহাওয়া যেমন কুয়াশা বা বৃষ্টির কারণে এবং প্রতিকূল ভৌগোলিক পরিস্থিতির ফলেও পথ দুর্ঘটনা হতে পারে।
২। পথ সুরক্ষার কৌশল হিসেবে ‘4E’ পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ পথ সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে যে চারটি কৌশল গ্রহণ করা হয় তাকে একত্রে ‘4E’ বলা হয়:
(i) ইঞ্জিনিয়ারিং: বিজ্ঞানসম্মতভাবে রাস্তাঘাট নির্মাণ এবং উন্নত প্রযুক্তির নিরাপদ গাড়ি তৈরি করা যা দুর্ঘটনা রোধে সহায়ক হয়।
(ii) এনফোর্সমেন্ট: যান চলাচলের নিয়মাবলী কঠোরভাবে প্রয়োগ করা এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
(iii) এডুকেশন: সাধারণ মানুষের মধ্যে ট্রাফিক আইন,পথ সংকেত এবং রাস্তার নিয়মাবলী সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
(iv) এমার্জেন্সি: পথ দুর্ঘটনায় আহতদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা বা প্রাথমিক পরিষেবা প্রদান করা। জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি ঘটালে মৃত্যুর হার অনেকটাই কমানো সম্ভব।
৩। গাড়ি চালানোর সময় একজন চালকের পালনীয় প্রধান নিয়মগুলি কী কী?
উত্তরঃ গাড়ি চালকদের দায়িত্বশীল হতে হবে এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলতে হবে:
(i) গাড়ি সর্বদা রাস্তার বাম দিক ঘেঁষে চালানো উচিত এবং বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়িকে ডান দিক দিয়ে যেতে দেওয়া উচিত।
(ii) ওভারটেক করার সময় সর্বদা ডান দিক ব্যবহার করতে হবে এবং সিগন্যাল না পাওয়া পর্যন্ত ওভারটেক করা উচিত নয়।
(iii) অ্যাম্বুলেন্স, দমকল এবং ভিআইপি যাত্রীবাহী গাড়িকে সর্বদা অগ্রাধিকার দেওয়া বাধ্যতামূলক।
(iv) পাহাড়ি রাস্তায় উপরে ওঠা গাড়িকে আগে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে।
(v) মদ্যপান করে বা মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে গাড়ি চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, কারণ এতে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা প্রবল থাকে।
৪। স্কুল বাসের ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত বিশেষ নিরাপত্তা বিধিগুলি আলোচনা করো।
উত্তরঃ স্কুল বাসের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও কঠোর নিয়মাবলী প্রযোজ্য:
(i) চালকের অন্তত ৫ বছরের ভারী যান চালানোর অভিজ্ঞতা থাকতে হবে এবং তিনি কোনো গুরুতর ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারী হতে পারবেন না।
(ii) বাসের গতিবেগ প্রতি ঘণ্টায় ৪০ কিমি-র বেশি হওয়া চলবে না এবং বাসে ‘স্পিড গভর্নর’ থাকা বাধ্যতামূলক।
(iii) বাসের সামনে ও পেছনে ‘স্কুল ডিউটি’ কথাটি স্পষ্ট করে লেখা থাকতে হবে।
(iv) বাসে একজন শিক্ষিত লাইসেন্সধারী কন্ডাক্টর থাকতে হবে এবং বাসের দরজা বন্ধ করার সুব্যবস্থা থাকতে হবে।
(v) বাসের ভেতর ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা অনুমোদিত আসন সংখ্যার ১.৫ গুণের বেশি হওয়া চলবে না।
৫। পথ সংকেত বা রোড সাইন কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ বর্ণনা করো।
উত্তরঃ পথ সংকেত বা রোড সাইন মূলত তিন প্রকারের হয় এবং এগুলি ১৯৮৮ সালের ভারতীয় যান-বাহন বিধিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই সংকেতগুলি ১৯৬৮ সালের ভিয়েনা সম্মেলনের আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।
পথ সংকেতের প্রকারভেদগুলি বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
(i) বাধ্যতামূলক সংকেত: এই সংকেতগুলি সাধারণত গোলাকার আকৃতির হয়। এগুলি অমান্য করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। চালকদের জন্য এই নির্দেশ মেনে চলা বাধ্যতামূলক। উদাহরণস্বরূপ— ‘থামুন ‘রাস্তা দিন’, ‘প্রবেশ নিষেধ ‘একদিকে চলাচল’ ইত্যাদি।
(ii) সতর্কতামূলক সংকেত: এগুলি সাধারণত লাল রঙের ত্রিভুজাকৃতি হয়। এই সংকেতগুলি চালককে সামনের রাস্তার সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে আগে থেকে সতর্ক করে দেয়। যেমন— ‘রাস্তা ডানদিকে বাঁকা’, ‘সামনে স্কুল,’সরু সেতু’,’খাড়া চড়াই’ ইত্যাদি।
(iii) সূচনামূলক বা বিজ্ঞপ্তি সংকেত: এই সংকেতগুলো সাধারণত নীল রঙের চতুর্ভুজাকার হয়। এগুলি রাস্তার পাশের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে পথচারী বা চালকদের তথ্য প্রদান করে। যেমন— ‘হাসপাতাল’, ‘প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র’, ‘বিশ্রামস্থল”পেট্রোল পাম্প’ ইত্যাদি।
Subject Ka Complete Video Solution Dekhein
Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:



