🪔 Diwali Maha Offer Class 10 & 12 Bundles @ ₹299 ₹599
Ends in:
03d
14h
35m
40s

Class 11 Environmental Studies Important Chapter 6 সামাজিক বিষয় এবং পরিবেশ

Class 11 Environmental Studies Important Chapter 6 সামাজিক বিষয় এবং পরিবেশ Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters ASSEB Class 11 Environmental Studies Important Chapter 6 সামাজিক বিষয় এবং পরিবেশ Solutions and select need one. AHSEC Class 11 Environmental Education Additional Notes Download PDF. HS 1st Year Environmental Education Important Solutions.

Class 11 Environmental Studies Important Chapter 6 সামাজিক বিষয় এবং পরিবেশ

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Environmental Studies Additional Question Answer are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Environmental Education Important Notes for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 6

IMPORTANT QUESTION AND ANSWER

(ক) অতি চমু প্রশ্ন উত্তর।

১। ‘বহনক্ষম উন্নয়ন’ বা ‘Sustainable Development’ ধারণাটি কখন জনপ্রিয় হয়? 

উত্তরঃ বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে এই ধারণাটি জনপ্রিয় হয়।

২। ১৯৮৭ সালে কোন সংস্থা ‘আওয়ার কমন ফিউচার’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে? 

উত্তরঃ পরিবেশ এবং উন্নয়নের বিশ্ব সংস্থা এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।

৩। জি.এইচ.ব্রুন্ডটল্যান্ড কে ছিলেন? 

উত্তরঃ জি.এইচ.ব্রুন্ডটল্যান্ড ছিলেন নরওয়ের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর।

৪। বহনক্ষম উন্নয়নের সংজ্ঞা অনুযায়ী এটি কোন প্রজন্মের প্রয়োজন মেটানোর কথা বলে? 

উত্তরঃ এটি বর্তমান প্রজন্মের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রয়োজন মেটানোর ক্ষমতাকেও অক্ষুণ্ণ রাখার কথা বলে।

৫। ‘ধরিত্রী সম্মেলন’ কোথায় এবং কত সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল? 

উত্তরঃ ১৯৯২ সালের জুন মাসে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও-তে ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

৬। রিও ঘোষণাপত্রে বহনক্ষম উন্নয়নের জন্য কয়টি নীতির তালিকা করা হয়েছিল? 

উত্তরঃ এই সম্মেলনে বহনক্ষম উন্নয়নের জন্য মোট ২৭টি নীতি তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল।

৭। ‘এজেন্ডা ২১’ কী? 

উত্তরঃ এটি একুশ শতকের বহনক্ষম উন্নয়নের জন্য একটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা যা রিও সম্মেলনে গৃহীত হয়েছিল।

৮। শক্তি বলতে কী বোঝায়? 

উত্তরঃ সাধারণ অর্থে কাজ করার ক্ষমতাকেই শক্তি বলা হয়।

৯। শক্তির উৎসগুলিকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? 

উত্তরঃ শক্তির উৎসগুলিকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়, যথা— নবীকরণযোগ্য বা অপ্রচলিত শক্তি এবং অনবীকরণযোগ্য বা প্রচলিত শক্তি।

১০। নবীকরণযোগ্য শক্তির তিনটি উদাহরণ দাও। 

উত্তরঃ নবীকরণযোগ্য শক্তির তিনটি উদাহরণ হলো— সৌর শক্তি,বায়ু শক্তি এবং জলবিদ্যুৎ শক্তি।

১১। অনবীকরণযোগ্য বা জীবাশ্ম জ্বালানি কোনগুলি?

উত্তরঃ কয়লা,পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস হলো অনবীকরণযোগ্য বা জীবাশ্ম জ্বালানি।

১২। বৃষ্টির জল সংগ্ৰহ বা রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং কী? 

উত্তরঃ পাকা বাড়ি বা টিনের ঘরের চাল থেকে বৃষ্টির জল বিজ্ঞানসম্মতভাবে সংরক্ষণ করার কৌশলকে বৃষ্টির জল সংগ্ৰহ বলা হয়।

১৩। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর মতে স্বাস্থ্য কী? 

উত্তরঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে,স্বাস্থ্য হলো মানুষের শারীরিক,মানসিক এবং সামাজিক কল্যাণের একটি পূর্ণ ব্যবস্থা।

১৪। ভারতের কত শতাংশ রোগ জলবাহিত? 

উত্তরঃ ভারতে প্রায় ৮০ শতাংশের বেশি রোগ হলো জলবাহিত রোগ।

১৫। প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাসগুলি কী কী? 

উত্তরঃ প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাসগুলি হলো কার্বন ডাই অক্সাইড,মিথেন,নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লুরোকার্বন,জলীয় বাষ্প এবং ওজোন।

(খ) দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। বহনক্ষম উন্নয়ন বলতে কী বোঝ? এর মূল লক্ষ্যগুলি আলোচনা কর। 

উত্তরঃ বহনক্ষম উন্নয়ন: বহনক্ষম উন্নয়ন হলো এমন এক বিশেষ উন্নয়ন প্রক্রিয়া যা বর্তমান সমাজের প্রয়োজনগুলি মেটানোর সময় এই বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয় যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিজেদের প্রয়োজন মেটানোর ক্ষমতা কোনোভাবে ব্যাহত বা সংকুচিত না হয়। ২০ শতকের শেষ ভাগে যখন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ফলে পরিবেশের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয় এবং পরিবেশের মানের অবনতি ঘটে,তখন এই উন্নয়নের ধারণাটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

বহনক্ষম উন্নয়নের মূল লক্ষ্যসমূহ: উৎস অনুযায়ী এই উন্নয়নের প্রধান লক্ষ্যগুলি হলো:

(i) সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষা: বহনক্ষম উন্নয়নের অন্যতম মূল লক্ষ্য হলো একদিকে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করা এবং অন্যদিকে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা।

(ii) জীবনের মানোন্নয়ন: পরিবেশকে সুরক্ষিত রেখে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের জীবনের গুণগত মান উন্নত করা এই উন্নয়নের একটি প্রধান উদ্দেশ্য।

(iii) সম্পদ ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার: এটি প্রাকৃতিক সম্পদের আহরণ,বিনিয়োগের মাত্রা এবং প্রযুক্তিগত প্রগতিকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করে যা বর্তমানের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্যও সুরক্ষিত থাকে।

(iv) ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা: এই উন্নয়ন প্রক্রিয়ার মূল দর্শনই হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পৃথিবীকে বাসযোগ্য রাখা এবং তাদের প্রয়োজনীয় সম্পদের সংস্থান নিশ্চিত করা।

২। শক্তির উৎস কয় প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ বিস্তারিত আলোচনা কর। 

উত্তরঃ শক্তির উৎসগুলিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়— নবীকরণযোগ্য শক্তি এবং অনবীকরণযোগ্য শক্তি। 

(i) নবীকরণযোগ্য বা অপ্রচলিত শক্তি: এই শক্তির উৎসগুলি প্রকৃতিতে ক্রমাগত সৃষ্টি হতে থাকে এবং এগুলি অফুরন্ত। অর্থাৎ এই শক্তির উৎসগুলি কখনোই শেষ হয় না এবং এগুলি বারবার ব্যবহার করা যায়। উদাহরণ হিসেবে— সৌর শক্তি, বায়ু শক্তি, জলবিদ্যুৎ শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি, সাগরীয় তাপ শক্তি, জোয়ার-ভাটা শক্তি, কাঠ, জৈব পচন শক্তি, জৈব জ্বালানি এবং হাইড্রোজেন ইত্যাদির কথা বলা যায়। এই শক্তির উৎসগুলি ব্যবহারের ফলে পরিবেশের ক্ষতি কম হয় এবং এগুলিকে শক্তির বিকল্প উৎস হিসেবেও গণ্য করা হয়।

(ii) অনবীকরণযোগ্য বা প্রচলিত শক্তি: এই শক্তির উৎসগুলি প্রকৃতিতে সীমিত পরিমাণে মজুত আছে যা দীর্ঘকাল ধরে ব্যবহারের ফলে নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই শক্তির ভাণ্ডার একবার শেষ হয়ে গেলে সহজে তা পুনরায় পূরণ করা বা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। এর প্রধান উদাহরণগুলি হলো— জীবাশ্ম জ্বালানি (যেমন: কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস) এবং পারমাণবিক জ্বালানি (যেমন: ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম) ইত্যাদি। মানব সমাজ তাদের শক্তির চাহিদা মেটাতে দীর্ঘকাল ধরে এই প্রচলিত উৎসগুলিই ব্যবহার করে আসছে।

৩। বৃষ্টির জল সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা এবং এর সুবিধাগুলি বিস্তারিতভাবে বর্ণনা কর। 

উত্তরঃ জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের ফলে জলের চাহিদা কয়েক গুণ বেড়েছে,তাই বৃষ্টির জল সংরক্ষণ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এর প্রধান উদ্দেশ্যগুলি হলো— জল নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচানো, ভূগর্ভস্থ জলস্তরের ওপর চাপ কমানো এবং জলের মান উন্নত করা। 

সুবিধা: 

(i) এই ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় স্থানে জলের একটি বিকল্প উৎস গড়ে তোলা যায়। 

(ii) এটি অত্যন্ত সাশ্রয়ী এবং প্রতিটি পরিবার সহজেই এই পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারে। 

(iii) বৃষ্টির জলে ফ্লোরাইড,আর্সেনিক বা লোহার মতো ক্ষতিকারক রাসায়নিক থাকে না,যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। 

(iv) শহরাঞ্চলে যেখানে ভূগর্ভস্থ জলের সমস্যা প্রবল, সেখানে বৃষ্টির জল ব্যবহার করলে মাটির তলার জলের ওপর নির্ভরতা কমে।

(v) সরকারি জল সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়লে এটি জরুরিভাণ্ডার হিসেবে কাজ করে।

৪। গ্রিন হাউস প্রভাব কী? এর ফলে গোলকীয় উষ্ণতা বৃদ্ধি বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং কীভাবে ঘটছে?

উত্তরঃ সূর্য থেকে আসা শক্তির ৩০ শতাংশ মহাকাশে প্রতিফলিত হলেও বাকি ৭০ শতাংশ পৃথিবীতে প্রবেশ করে জল,মাটি ও বায়ুকে উত্তপ্ত করে। পৃথিবী এই শোষিত শক্তির কিছু অংশ অবলোহিত রশ্মি হিসেবে বিকিরণ করে। বায়ুমণ্ডলে থাকা কিছু গ্যাস (যেমন— CO2, মিথেন, CFC) এই তাপকে মহাকাশে ফিরে যেতে না দিয়ে পুনরায় ভূপৃষ্ঠে পাঠিয়ে দেয়, একেই গ্রিন হাউস প্রভাব বলে। 

গ্লোবাল ওয়ার্মিং বা গোলকীয় উষ্ণতা বৃদ্ধি: প্রাকৃতিকভাবে এই গ্রিন হাউস প্রভাবের ফলেই পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১৫° সেলসিয়াস থাকে, যা প্রাণের বেঁচে থাকার জন্য অনুকূল। এই প্রভাব না থাকলে পৃথিবীর তাপমাত্রা প্রায় -১৮° সেলসিয়াসে নেমে যেত এবং পৃথিবী জীবকুলের বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ত।

৫। ওজোন স্তরের গুরুত্ব এবং ওজোন স্তর ক্ষয় হওয়ার কারণ ও প্রভাব আলোচনা কর। 

উত্তরঃ ওজোন স্তরের গুরুত্ব: ওজোন স্তরের গুরুত্ব অপরিসীম কারণ এটি সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মিকে শোষণ করে নেয় এবং পৃথিবীকে এই রশ্মির ধ্বংসাত্মক প্রভাব থেকে রক্ষা করে। এই স্তরটি জীবমণ্ডলের ওপর একটি সুরক্ষিত পর্দার মতো কাজ করে। যদি ওজোন স্তর না থাকত, তবে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরের তাপমাত্রা এতটাই বৃদ্ধি পেত যে কোনো জীবের পক্ষেই এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকা সম্ভব হতো না।

ওজোন স্তর ক্ষয়ের কারণ: 

(i) ক্লোরোফ্লুরোকার্বন: এটি ওজোন স্তর ধ্বংসের প্রধান কারিগর। ১৯৩০ সালে আবিষ্কৃত এই রাসায়নিকটি মূলত রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, প্লাস্টিক ফোম, ফাস্ট ফুড প্যাকেজিং, জামাকাপড় ধোলাই, ওষুধ তৈরি, রঙ এবং বার্নিশ শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

(ii) ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা: বায়ুমণ্ডলে নির্গত হওয়ার পর CFC গ্যাস প্রায় ৫০ বছরেরও বেশি সময় স্থায়ী হতে পারে। স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে পৌঁছে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে এটি ভেঙে যায় এবং মুক্ত ক্লোরিন পরমাণু সৃষ্টি করে। একটি মাত্র CFC অণু প্রায় এক লক্ষ ওজোন অণুকে ধ্বংস করতে পারে।

ওজোন স্তর ক্ষয়ের প্রভাব: 

(i) স্বাস্থ্য ঝুঁকি: মানুষের ওপর অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে ত্বকের ক্যান্সার, চোখের ছানি পড়া এবং অন্যান্য চর্মরোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ১ শতাংশ ওজোন হ্রাসের ফলে মানুষের ত্বকের ক্যান্সার হওয়ার প্রবণতা প্রায় ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

(ii) বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি: এটি উদ্ভিদ ও প্রাণিজগতের বাস্তুতন্ত্রের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করছে। 

(iii) উষ্ণতা বৃদ্ধি: ওজোন স্তর না থাকলে নিম্ন বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পায়।

NEW VIDEO CLASS

Subject Ka Complete Video Solution Dekhein

Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top