🪔 Diwali Maha Offer Class 10 & 12 Bundles @ ₹299 ₹599
Ends in:
03d
14h
35m
40s

Class 11 Environmental Studies Important Chapter 5 পরিবেশ দূষণ

Class 11 Environmental Studies Important Chapter 5 পরিবেশ দূষণ Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters ASSEB Class 11 Environmental Studies Important Chapter 5 পরিবেশ দূষণ Solutions and select need one. AHSEC Class 11 Environmental Education Additional Notes Download PDF. HS 1st Year Environmental Education Important Solutions.

Class 11 Environmental Studies Important Chapter 5 পরিবেশ দূষণ

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Environmental Studies Additional Question Answer are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Environmental Education Important Notes for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 5

IMPORTANT QUESTION AND ANSWER

(ক) অতি চমু প্রশ্ন উত্তর।

১। ‘পরিবেশ দূষণ’ প্রবন্ধটি কোন বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে লেখা?

উত্তরঃ প্রবন্ধটি মূলত পরিবেশের অবনতি এবং দূষণের কারণ, প্রভাব ও তার প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করে। 

২। ‘Pollution’ শব্দটি কোন মূল শব্দ থেকে উদ্ভূত হয়েছে?

উত্তরঃ ‘Pollution’ শব্দটি ল্যাটিন শব্দ ‘Pollution’ থেকে এসেছে। 

৩। ‘Pollution’ শব্দটির অর্থ কী?

উত্তরঃ এই ল্যাটিন শব্দটির অর্থ হলো অপবিত্র বা অশুচি করা।

৪। পরিবেশ দূষণ প্রধানত কয়টি ভাগে বিভক্ত?

উত্তরঃ পরিবেশ দূষণকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়— বায়ু দূষণ, জল দূষণ এবং ভূমি দূষণ। 

৫। দুটি মুখ্য দূষকের নাম লেখো।

উত্তরঃ সালফার ডাই-অক্সাইড এবং নাইট্রোজেন অক্সাইড হলো দুটি মুখ্য দূষকের উদাহরণ। 

৬। গৌণ দূষক বলতে কী বোঝ?

উত্তরঃ মুখ্য দূষকসমূহ থেকে রাসায়নিক বিক্রিয়া বা প্রাকৃতিক কারণে যে দূষক সৃষ্টি হয় তাকে গৌণ দূষক বলে।

৭। বায়ু দূষণের একটি প্রাকৃতিক উৎসের নাম লেখো।

উত্তরঃ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত হলো বায়ু দূষণের একটি অন্যতম প্রাকৃতিক উৎস। 

৮। যানবাহনের ধোঁয়া থেকে নির্গত একটি বিষাক্ত গ্যাসের নাম লেখো।

উত্তরঃ যানবাহনের ধোঁয়া থেকে কার্বন মনোক্সাইড নামক বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়। 

৯। SPM-এর সম্পূর্ণ নাম কী?

উত্তরঃ SPM-এর সম্পূর্ণ নাম হলো (Suspended Particulate Matter)। 

১০। বায়ু দূষণের ফলে মানবদেহে কী ধরণের সমস্যা দেখা দিতে পারে?

উত্তরঃ বায়ু দূষণের ফলে শ্বাসকষ্ট, মাথাব্যথা এবং ফুসফুসের বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে।

১১। জল দূষণ বলতে কী বোঝ?

উত্তরঃ জলের ভৌত, রাসায়নিক বা জৈবিক গুণাগুণের যে পরিবর্তন মানুষ ও জলজ প্রাণীর ক্ষতি করে তাকে জল দূষণ বলে। 

১২। জলবাহিত দুটি মহামারীর নাম লেখো।

উত্তরঃ কলেরা এবং টাইফয়েড হলো জল দূষণের ফলে সৃষ্ট দুটি মারাত্মক রোগ।

১৩। ভূমি দূষণের একটি প্রধান কারণ উল্লেখ করো।

উত্তরঃ কৃষিকার্যে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার ভূমি দূষণের একটি প্রধান কারণ। 

১৪। শব্দ দূষণের একটি শ্রবণ-সংক্রান্ত প্রভাব উল্লেখ করো।

উত্তরঃ শব্দ দূষণের ফলে মানুষের শ্রবণ শক্তি ধীরে ধীরে হ্রাস পেতে পারে এবং মানুষ বধির হয়ে যেতে পারে।

১৫। পরিবেশ দূষণ রোধে একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের কথা বলো।

উত্তরঃ অধিক পরিমাণে বৃক্ষরোপণ করা পরিবেশ দূষণ রোধের একটি অত্যন্ত কার্যকর পদক্ষেপ।

(খ) দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। বায়ু দূষণের বিভিন্ন উৎস এবং পরিবেশের ওপর এর প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করো।

উত্তরঃ বায়ু দূষণের উৎস এবং এর প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

বায়ু দূষণের উৎসসমূহ: উৎস অনুযায়ী বায়ু দূষণকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়— প্রাকৃতিক উৎস এবং মানবসৃষ্ট উৎস।

(i) পরিবেশের ওপর প্রভাব: বায়ু দূষণ শুধুমাত্র মানুষের ক্ষতি করে না, এটি সমগ্র বাস্তুসংস্থানের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে।

(ii) বিশ্ব উষ্ণায়ন: কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অন্যান্য গ্রিনহাউস গ্যাসের আধিক্যের কারণে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা মেরু অঞ্চলের বরফ গলিয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়িয়ে দিচ্ছে।

(iii) জীববৈচিত্র্যের হ্রাস: বায়ু দূষণের ফলে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং অনেক বন্যপ্রাণী তাদের স্বাভাবিক বাসস্থান হারায়, যার ফলে জীববৈচিত্র্য হ্রাস পায়। 

(iv) মাটির উর্বরতা নষ্ট: দূষিত বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টির জলের সাথে এসিড মিশে মাটির উর্বরতা কমিয়ে দেয়। পরিশেষে বলা যায়,বায়ু দূষণ একটি ভয়াবহ সমস্যা যা মানবসভ্যতা ও প্রাকৃতিক ভারসাম্যকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সঠিক পরিকল্পনা, বনাঞ্চল রক্ষা এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমেই এই বিপদ মোকাবিলা করা সম্ভব।

২। জল দূষণের কারণ এবং এটি মানব স্বাস্থ্যের ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলে তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ জল দূষণের কারণসমূহ: 

জলের গুণমান নষ্ট হওয়ার পেছনে প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট উভয় কারণই দায়ী, তবে বর্তমান বিশ্বে মানুষের কর্মকাণ্ডই এর প্রধান উৎস।

জল দূষণের প্রধান উৎসগুলি হলো:

(i) গৃহস্থালির বর্জ্য: ঘরবাড়ি থেকে নির্গত নোংরা জল ও আবর্জনা সরাসরি জলাশয়ে মিশে জলকে দূষিত করে। 

(ii) শিল্পজাত বর্জ্য: বিভিন্ন রাসায়নিক কারখানা, কাগজ কল, বস্ত্র কল এবং তেল শোধনাগার থেকে নির্গত বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ও তরল বর্জ্য নদীর জলে মিশে যায়।

(iii) কৃষি বর্জ্য: অধিক ফলনের জন্য কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক বৃষ্টির জলের সাথে ধুয়ে জলাশয়ে পড়ে জলকে বিষাক্ত করে তোলে। 

(iv) তেল দূষণ: সমুদ্র বা বড় নদীতে চলাচলকারী জাহাজ বা তেলবাহী ট্যাঙ্কার থেকে দুর্ঘটনাবশত তেল চুইয়ে পড়ে জলের উপরিভাগে স্তরের সৃষ্টি করে,যা অক্সিজেন চলাচলে বাধা দেয়।

মানব স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব: 

(i) জলবাহিত রোগসমূহ: দূষিত জলের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও পরজীবী মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। এর ফলে কলেরা,টাইফয়েড ,আমাশয়,ডায়েরিয়া এবং মারাত্মক গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিস হতে পারে।

(ii) অন্যান্য সংক্রমণ: দূষিত জল ব্যবহারের ফলে জ্বর,ঘা বা ক্ষত,মায়োকার্ডাইটিস, মেনিনজাইটিস এবং পোলিও-র মতো রোগ হতে পারে।

(iii) দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি: অনেক সময় জলের স্বাদ বা বর্ণ ঠিক থাকলেও তাতে অদৃশ্য ক্ষতিকর রাসায়নিক মিশে থাকতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে এই রাসায়নিক মিশ্রিত জল পান করলে শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যাপক ক্ষতি হয় এবং ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। 

(iv) প্রোটোজোয়া ঘটিত রোগ: দূষিত জলের উৎসে থাকা এমিবা বা জিয়ারডিয়ার মতো প্রোটোজোয়া থেকে আমাশয় বা জিয়ারডিয়াসিস সংক্রমণ ঘটে। 

৩। ভূমি বা মাটি দূষণের উৎসগুলি কী কী? মাটি দূষণ রোধে কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত?

উত্তরঃ মাটি দূষণের উৎসসমূহ: 

(i) শিল্পজাত বর্জ্য: বিভিন্ন কলকারখানা থেকে নির্গত বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ, এসিড, ক্ষার এবং ধাতব অবশিষ্টাংশ সরাসরি মাটিতে ফেলার ফলে মাটি বিষাক্ত হয়ে পড়ে।

(ii) শহরের আবর্জনা: দ্রুত নগরায়নের ফলে উৎপন্ন হওয়া গৃহস্থালির বর্জ্য,প্লাস্টিক,কাঁচ এবং অন্যান্য পচনশীল ও অপচনশীল আবর্জনা মাটির স্তূপ আকারে জমা হয়ে দূষণ ঘটায়।

(iii) কৃষিজাত বর্জ্য ও রাসায়নিক: অধিক ফলনের আশায় কৃষ জমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সার, কীটনাশক এবং আগাছানাশক মাটির উর্বরতা কমিয়ে দেয় এবং উপকারী অণুজীবদের ধ্বংস করে।

মাটি দূষণ রোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা: 

(i) শিল্প বর্জ্য শোধন: কলকারখানার বর্জ্য পদার্থ মাটিতে ফেলার আগে সেগুলিকে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে শোধন করে ক্ষতিকারক রাসায়নিক দূর করতে হবে। 

(ii) আবর্জনা পৃথকীকরণ ও বিজ্ঞানসম্মত নিষ্কাশন: শহরের আবর্জনাকে উৎসস্থলেই ‘জৈব-বিয়োজ্য’ এবং ‘জৈব-অবিয়োজ্য’ এই দুই ভাগে ভাগ করতে হবে। জৈব অংশ থেকে সার তৈরি করা এবং অজৈব অংশকে বৈজ্ঞানিক উপায়ে ধ্বংস বা রিসাইকেল করতে হবে। 

(iii) জৈব সারের ব্যবহার: রাসায়নিক সারের পরিবর্তে কৃষকদের জৈব সার ও কম্পোস্ট সার ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হবে। 

(iv) কীটনাশক নিয়ন্ত্রণ: ক্ষতিকর রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে সমন্বিত মশা ও পতঙ্গ দমন পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

৪। শব্দ দূষণ বলতে কী বোঝ? শব্দ দূষণের ফলে মানুষের ওপর কী ধরণের কুপ্রভাব পড়ে?

উত্তরঃ শব্দ যখন মানুষের সহনশীলতার সীমা অতিক্রম করে কানের জন্য কষ্টদায়ক হয়ে ওঠে এবং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে,তখন তাকে শব্দ দূষণ বলা হয়। একটি নির্দিষ্ট শব্দ একজনের কাছে মধুর মনে হতে পারে, কিন্তু অন্যের কাছে তা কেবলই অসহ্য ‘গোলমাল’ বা দূষণ হতে পারে। 

মানুষের ওপর শব্দ দূষণের প্রভাব: শব্দ দূষণের প্রভাবকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়— শ্রবণ-সংক্রান্ত প্রভাব এবং অ-শ্রবণ সংক্রান্ত প্রভাব। 

(i) শ্রবণ-সংক্রান্ত প্রভাব: এটি শব্দ দূষণের সবথেকে প্রত্যক্ষ ও তাৎক্ষণিক ক্ষতিকর প্রভাব।

অত্যধিক শব্দের কারণে মানুষের শ্রবণ শক্তি ধীরে ধীরে হ্রাস পায়।

দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ শব্দের পরিবেশে বসবাস করলে বা কাজ করলে মানুষ স্থায়ীভাবে বধির হয়ে যেতে পারে। 

(ii) অ-শ্রবণ সংক্রান্ত প্রভাব: 

শারীরিক শ্রবণ শক্তির ক্ষতি ছাড়াও শব্দ দূষণ মানুষের মানসিক ও স্নায়বিক অবস্থার ওপর গভীর প্রভাব ফেলে: 

মানসিক সমস্যা: উচ্চ শব্দের ফলে মানুষের মধ্যে বিরক্তিভাব, মানসিক উদ্বেগ, উত্তেজনা এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপ তৈরি হয়। 

আচরণগত পরিবর্তন: এর প্রভাবে মানুষের মধ্যে উগ্র বা রুক্ষ আচরণ দেখা দিতে পারে। 

শারীরিক সুস্থতা: শব্দ দূষণ মানুষের স্বাভাবিক শান্তি বিঘ্নিত করে এবং ঘুমের ব্যাঘাত বা অনিদ্রা রোগ ঘটায়।

৫। পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে কী কী সাধারণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে বলে তুমি মনে করো?

উত্তরঃ দূষণ বিভিন্ন ধরণের হলেও,সামগ্রিকভাবে পরিবেশ রক্ষা করতে নিম্নলিখিত সাধারণ পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি:

(i) বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ:

উন্নত জ্বালানির ব্যবহার: যানবাহনে ব্যবহৃত জ্বালানির গুণমান উন্নত করতে হবে এবং পরিষ্কার (জ্বালানি ব্যবহারের ওপর জোর দিতে হবে। জ্বালানিতে সিসার ব্যবহার কমাতে হবে।

আইন বলবৎ করা: যানবাহনের ধোঁয়া নির্গমনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কঠোর নীতি ও নিয়ম বলবৎ করতে হবে।

(ii) জল দূষণ নিয়ন্ত্রণ:

পানীয় জলের সুরক্ষা: পানীয় জলের উৎস (যেমন— কুয়ো বা টিউবওয়েল) যেন শৌচাগার বা আবর্জনার স্তূপ থেকে অন্তত ১০-১৫ মিটার দূরে থাকে,তা নিশ্চিত করতে হবে। কুয়োর মুখ সবসময় ঢেকে রাখা এবং এর চারপাশে পাকা চাতাল তৈরি করা প্রয়োজন।

জল শোধন: সাধারণ মানুষ বালি, পাথর ও কয়লা ব্যবহার করে প্রাথমিক স্তরে জল শোধন করতে পারে। এছাড়া জল ফুটিয়ে পান করা এবং ব্যাকটেরিয়া দমনে ক্লোরিন ব্যবহার করা অত্যন্ত কার্যকর। 

(iii) ভূমি বা মাটি দূষণ নিয়ন্ত্রণ:

আবর্জনা পৃথকীকরণ: বর্জ্য পদার্থকে ‘জৈব-বিয়োজ্য’ এবং ‘জৈব-অবিয়োজ্য’এই দুই ভাগে ভাগ করে বৈজ্ঞানিক উপায়ে ধ্বংস বা রিসাইকেল করার ব্যবস্থা করতে হবে।

জৈব কৃষিকার্য: রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে জৈব সার ব্যবহারের দিকে কৃষকদের উৎসাহিত করতে হবে।

NEW VIDEO CLASS

Subject Ka Complete Video Solution Dekhein

Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top