🪔 Diwali Maha Offer Class 10 & 12 Bundles @ ₹299 ₹599
Ends in:
03d
14h
35m
40s

Class 11 Environmental Studies Important Chapter 4 প্রাকৃতিক সম্পদ

Class 11 Environmental Studies Important Chapter 4 প্রাকৃতিক সম্পদ Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters ASSEB Class 11 Environmental Studies Important Chapter 4 প্রাকৃতিক সম্পদ Solutions and select need one. AHSEC Class 11 Environmental Education Additional Notes Download PDF. HS 1st Year Environmental Education Important Solutions.

Class 11 Environmental Studies Important Chapter 4 প্রাকৃতিক সম্পদ

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Environmental Studies Additional Question Answer are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Environmental Education Important Notes for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 4

IMPORTANT QUESTION AND ANSWER

(ক) অতি চমু প্রশ্ন উত্তর।

১। প্রাকৃতিক সম্পদ কাকে বলে?

উত্তরঃ প্রকৃতি থেকে পাওয়া যে সকল সম্পদ থেকে মূল্যবান সামগ্রী লাভ করা সম্ভব, তাদের প্রাকৃতিক সম্পদ বলা হয়।

২। প্রাকৃতিক সম্পদ কয় প্রকার ও কী কী?

উত্তরঃ প্রাকৃতিক সম্পদ দুই প্রকার, যথা:

(ক) নবীকরণযোগ্য সম্পদ এবং। 

(খ) নবীকরণ অযোগ্য সম্পদ।

৩। নবীকরণযোগ্য সম্পদ বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ যে সকল সম্পদ অফুরন্ত এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পুনরায় সৃষ্টি করা সম্ভব,তাদের নবীকরণযোগ্য সম্পদ বলে।

৪। নবীকরণ অযোগ্য সম্পদ কাকে বলে?

উত্তরঃ যে সকল সম্পদ প্রকৃতিতে সীমিত পরিমাণে পাওয়া যায় এবং একবার শেষ হয়ে গেলে পুনরায় সৃষ্টি করা যায় না,তাদের নবীকরণ অযোগ্য সম্পদ বলে।

৫। তিনটি নবীকরণযোগ্য সম্পদের উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ সৌর শক্তি,অরণ্য এবং বনজ সম্পদ হলো নবীকরণযোগ্য সম্পদের উদাহরণ।

৬। তিনটি নবীকরণ অযোগ্য সম্পদের উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ কয়লা,পেট্রোলিয়াম এবং খনিজ সম্পদ হলো নবীকরণ অযোগ্য সম্পদের উদাহরণ।

৭। বনজ সম্পদ থেকে আমরা কী কী বাণিজ্যিক সামগ্রী পাই?

উত্তরঃ গাছ থেকে আমরা কাঠ, জ্বালানি,খাদ্য-বস্ত্র, জীবজন্তুর খাদ্য এবং ওষুধ ইত্যাদি নানা বাণিজ্যিক সামগ্রী পাই।

৮। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় গাছ কীভাবে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে?

উত্তরঃ সবুজ গাছ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন গ্যাস তৈরি করে এবং বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড শোষণ করে গোলকীয় উষ্ণতা বৃদ্ধি হ্রাস করে।

৯। পৃথিবীর মোট ভূ-ভাগের কত শতাংশ বনভূমি?

উত্তরঃ বিশ্বের মোট ভূ-ভাগের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হলো বনভূমি।

১০। পৃথিবীর মোট জলের কত শতাংশ নোনা জল এবং কত শতাংশ পরিষ্কার জল?

উত্তরঃ পৃথিবীর মোট জলের ৯৭ শতাংশ নোনা এবং মাত্র ৩ শতাংশ হলো পরিষ্কার বা পানযোগ্য জল।

১১। উত্তর-পূর্ব ভারতের বৃহত্তম পরিষ্কার জলের হ্রদ কোনটি?

উত্তরঃ উত্তর-পূর্ব ভারতের বৃহত্তম পরিষ্কার জলের হ্রদ হলো মণিপুরের লোকতাক হ্রদ।

১২। এক ইঞ্চি বা ২.৫ সেন্টিমিটার মাটি তৈরি হতে কত বছর সময় লাগে?

উত্তরঃ এক ইঞ্চি বা ২.৫ সেন্টিমিটার মাটি তৈরি হতে প্রায় ২০০ থেকে ১০০০ বছর সময় লাগে।

১৩। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বনভূমি ধ্বংসের দুটি প্রধান কারণ লেখো।

উত্তরঃ কাষ্ঠ উদ্যোগ এবং বনভূমিকে কৃষিজমিতে রূপান্তর করা হলো বনভূমি ধ্বংসের অন্যতম কারণ।

১৪। মেঘালয় কোন কোন খনিজ সম্পদের জন্য বিখ্যাত?

উত্তরঃ মেঘালয় ইউরেনিয়াম, কয়লা এবং চুনাপাথরের জন্য বিখ্যাত।

১৫। অসমের কোন নদী থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর আগে সোনা আহরণ করা হতো?

উত্তরঃ অসমের সুবনশিরি নদী থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর আগে থেকেই সোনা আহরণ করা হতো।

(খ) দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। পরিবেশ রক্ষায় বনজ সম্পদের ভূমিকা আলোচনা করো।

উত্তরঃ পরিবেশ রক্ষায় বনজ সম্পদের ভূমিকা:

প্রথমত,পৃথিবীর সমস্ত জীবকুলের বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন অপরিহার্য। সবুজ অরণ্য সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন গ্যাস ত্যাগ করে প্রাণীকুলকে সজীব রাখে।

দ্বিতীয়ত,বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রধান সমস্যা হলো গোলকীয় উষ্ণতা বৃদ্ধি। অরণ্য সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার সময় বায়ুমণ্ডল থেকে বিষাক্ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস শোষণ করে নেয়, যা পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে এবং গ্লোবাল ওয়ার্মিং হ্রাসে সহায়তা করে।

তৃতীয়ত,বনভূমি মাটির উপরিভাগের স্তরকে আঁকড়ে ধরে রাখে,যার ফলে মাটির ক্ষয় বা ভূমিক্ষয় রোধ হয়। এটি পাহাড়ী অঞ্চলে ধস নামা প্রতিরোধেও কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

চতুর্থত,অরণ্য হলো জীববৈচিত্র্যের আধার। ক্ষুদ্র কীটপতঙ্গ থেকে শুরু করে বড় বড় বন্যপ্রাণী—হাজার হাজার প্রজাতির প্রাণীকে বনভূমি নিরাপদ আশ্রয় প্রদান করে।

পঞ্চমত,স্থানীয় জলবায়ু নিয়ন্ত্রণেও বনজ সম্পদের গুরুত্ব অনেক। এটি বায়ুমণ্ডলের আর্দ্রতা বজায় রাখে এবং জলচক্র সচল রাখতে সাহায্য করে, যার ফলে নিয়মিত বৃষ্টিপাত হয়।

২। উত্তর-পূর্ব ভারতে বনভূমি ধ্বংসের কারণসমূহ বর্ণনা করো।

উত্তরঃ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বনভূমি ধ্বংসের প্রধান কারণগুলো নিচে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

(i) কাষ্ঠ উদ্যোগের বিস্তার: বাণিজ্যিক প্রয়োজনে এবং কাঠের কল বা কারখানার ক্রমবর্ধমান চাহিদার যোগান দিতে গিয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রচুর গাছ কাটা হচ্ছে। এই অনিয়ন্ত্রিত কাষ্ঠ উদ্যোগ অরণ্য বিনাশের অন্যতম প্রধান কারণ।

(ii) কৃষিজমিতে রূপান্তর: ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্যের চাহিদা মেটানোর জন্য বনভূমি পরিষ্কার করে সেগুলোকে কৃষিজমিতে রূপান্তরিত করা হচ্ছে। এর ফলে বনের আয়তন দিন দিন সংকুচিত হয়ে পড়ছে।

(iii) পরিকাঠামো নির্মাণ: উন্নয়নের খাতিরে এই অঞ্চলের বনাঞ্চলের ওপর দিয়ে রাস্তাঘাট, বড় বড় সেতু এবং অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি পরিকাঠামো নির্মাণ করার ফলে বিপুল পরিমাণ বনজ সম্পদ নষ্ট হচ্ছে।

(iv) অবৈধ অনুপ্রবেশ ও ভূমি দখল: অনেক সময় অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের দ্বারা বনভূমি দখল করে সেখানে বসতি স্থাপন বা চাষাবাদ করার ফলে প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ধ্বংসের মুখে পড়ছে।

(v) বনজ সম্পদের অবৈধ আহরণ: সরকারি নিয়ম অমান্য করে চোরাকারবারীদের দ্বারা বন থেকে অবৈধভাবে কাঠ এবং অন্যান্য মূল্যবান সম্পদ আহরণ করার ফলে বনের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।

৩। উত্তর-পূর্ব ভারতের জল সম্পদের একটি বিবরণ দাও।

উত্তরঃ পরিষ্কার জল সম্পদের ক্ষেত্রে উত্তর-পূর্ব ভারত অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় অনেক এগিয়ে। এই অঞ্চলে বার্ষিক পরিষ্কার জলের সম্ভাবনা ৫৮৫.৮ ঘন কিলোমিটার, যা ভারতের সমস্ত নদীমালার মধ্যে সর্বাধিক এবং বিশ্বে পঞ্চম। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বছরে গড়ে ২০০০ মিমি বৃষ্টিপাত হয় এবং মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে সর্বাধিক ১১,০০০ মিমি বৃষ্টিপাত হয়। ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় প্রায় ৩৫০০-এর বেশি আর্দ্রভূমি রয়েছে এবং মণিপুরের লোকতাক হ্রদ এই অঞ্চলের বৃহত্তম পরিষ্কার জলের উৎস। এ ছাড়া সিকিমে ১০টিরও বেশি প্রাকৃতিক হ্রদ এবং বরাক উপত্যকায় বড় বড় বন্যপ্লাবিত আর্দ্রভূমি দেখা যায়।

৪। প্রাকৃতিক সম্পদ বলতে কী বোঝায়? উদাহরণসহ এর প্রকারভেদ আলোচনা করো।

উত্তরঃ মানুষের সভ্যতা ও কল্যাণের জন্য প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত যেসব প্রয়োজনীয় উপাদান আমরা ব্যবহার করি,সেগুলোকে প্রাকৃতিক সম্পদ বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ— জল, বায়ু,মাটি, খনিজ পদার্থ, কয়লা,বনভূমি এবং বিভিন্ন জীবজন্তু হলো প্রাকৃতিক সম্পদ।

প্রাকৃতিক সম্পদের প্রকারভেদ: 

উৎস অনুযায়ী প্রাকৃতিক সম্পদকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়: 

(i) নবীকরণযোগ্য সম্পদ: যে সম্পদগুলো ব্যবহারের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকৃতিতে পুনরায় ফিরে আসে বা সৃষ্টি করা সম্ভব,সেগুলোকে নবীকরণযোগ্য সম্পদ বলে। যেমন— সৌরশক্তি,বনজ সম্পদ ইত্যাদি। তবে অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে বনভূমি বা ভূ-গর্ভস্থ জলের মতো সম্পদের পরিমাণ হ্রাস পেতে পারে। 

(ii) অনবীকরণযোগ্য সম্পদ: এই সম্পদগুলো প্রকৃতিতে সীমিত পরিমাণে থাকে এবং একবার শেষ হয়ে গেলে তা পুনরায় তৈরি করা সম্ভব নয়। যেমন— কয়লা, পেট্রোলিয়াম এবং বিভিন্ন খনিজ পদার্থ।

৫। খনিজ সম্পদ কয় প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ বিস্তারিত আলোচনা করো।

উত্তরঃ খনিজ দ্রব্যকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 

এগুলোর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

(i) ধাতব খনিজ পদার্থ: যে সকল খনিজ থেকে ধাতু নিষ্কাশন করা হয়,তাদের ধাতব খনিজ বলে। এর উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো আকরিক লোহা (যেমন— হেমাটাইট), তামা (যেমন— ক্যালকোপাইরাইট), সিসা (যেমন— গ্যালেনা) এবং জিংক ব্লেন্ড ইত্যাদি। ভারত লোহা, ম্যাঙ্গানিজ এবং ক্রোশাইটের মতো ধাতব খনিজে বেশ সমৃদ্ধ।

(ii) অধাতব খনিজ পদার্থ: যে সকল খনিজে ধাতব গুণ থাকে না, তাদের অধাতব খনিজ বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ— গ্রাফাইট,হীরা,কোয়ার্টজ এবং ফেল্ডস্পার ইত্যাদি। তবে ভারত তামা, সিসা,গ্রাফাইট এবং দস্তার মতো অধাতব ও কিছু অলৌহজাত খনিজ পদার্থের ক্ষেত্রে খুব একটা উন্নত নয়।

(iii) শক্তি উৎপাদনকারী খনিজ দ্রব্য: যে সকল খনিজ সম্পদ শক্তি বা জ্বালানি উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হয়,তাদের শক্তি উৎপাদনকারী খনিজ বলে। এর প্রধান উদাহরণ হলো কয়লা,পেট্রোলিয়াম এবং ইউরেনিয়াম।

NEW VIDEO CLASS

Subject Ka Complete Video Solution Dekhein

Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top