Class 11 Environmental Studies Important Chapter 3 জৈব বৈচিত্র্য এবং তার সংরক্ষণ Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters ASSEB Class 11 Environmental Studies Important Chapter 3 জৈব বৈচিত্র্য এবং তার সংরক্ষণ Solutions and select need one. AHSEC Class 11 Environmental Education Additional Notes Download PDF. HS 1st Year Environmental Education Important Solutions.
Class 11 Environmental Studies Important Chapter 3 জৈব বৈচিত্র্য এবং তার সংরক্ষণ
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Environmental Studies Additional Question Answer are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Environmental Education Important Notes for All Chapters, You can practice these here.
জৈব বৈচিত্র্য এবং তার সংরক্ষণ
Chapter: 3
| IMPORTANT QUESTION AND ANSWER |
(ক) অতি চমু প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘জৈব বৈচিত্র্য’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ জীবের সংখ্যা,পৃথিবীর সমস্ত ধরনের প্রাণীর বিভিন্নতা এবং স্বকীয়তা বোঝাতে জৈব বৈচিত্র্য শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
২। জৈব বৈচিত্র্যকে সাধারণতঃ কয়টি পর্যায়ে বর্ণনা করা যায়?
উত্তরঃ জৈব বৈচিত্র্যকে সাধারণতঃ তিনটি পর্যায়ে বর্ণনা করা হয়: জিনগত, প্রজাতিগত এবং পরিস্থিতিগত জৈব বৈচিত্র্য।
৩। জিনগত জৈব বৈচিত্র্যের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ বাসমতী চাল এবং জোহা চালের মধ্যে যে পার্থক্য দেখা যায় তা হলো জিনগত জৈব বৈচিত্র্যের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
৪। পরিস্থিতিগত জৈব বৈচিত্র্য বা বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য কী?
উত্তরঃ বিভিন্ন প্রকারের জীবের পারস্পরিক এবং অজৈব উপাদানসমূহের সঙ্গে চলমান আন্তঃক্রিয়াই হলো পরিস্থিতিগত জৈব বৈচিত্র্য।
৫। ‘উপভোক্তামূলক ব্যবহার’ কী?
উত্তরঃ মানুষ প্রাচীনকাল থেকে জ্বালানি, খাদ্য, ঔষধ ইত্যাদি হিসেবে জৈব বৈচিত্র্যের উপাদানসমূহ সরাসরি যেভাবে ব্যবহার করে আসছে,তাকে উপভোক্তামূলক ব্যবহার বলা হয়।
৬। বিশ্বের খাদ্যের কত শতাংশ উদ্ভিদ প্রজাতি থেকে আসে?
উত্তরঃ বিশ্বের খাদ্যের প্রায় ৯০ শতাংশই উদ্ভিদ প্রজাতিসমূহ থেকে আসে।
৭। কুইনাইন ঔষধটি কোন গাছ থেকে পাওয়া যায়?
উত্তরঃ কুইনাইন ঔষধটি ‘সিঙ্কোনা’ গাছের ছাল থেকে পাওয়া যায়।
৮। ‘উৎপাদনমূলক ব্যবহার’ বলতে কী বোঝো?
উত্তরঃ জৈব বৈচিত্র্যের বিভিন্ন উৎস থেকে বাণিজ্যিকভাবে প্রস্তুত বা উৎপাদিত সামগ্রীকেই উৎপাদনমূলক সামগ্রী বা ব্যবহার বলা হয়।
৯। সামাজিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোন কোন ফুল দেব-দেবীর পূজায় ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ দেবীর পূজায় জবা ফুল এবং শিবের পূজায় ধুতুরা ফুল অর্পণ করা হয়।
১০। ‘পবিত্র অরণ্য’ কাকে বলে?
উত্তরঃ ভারতসহ অন্যান্য দেশে কোনো কোনো অরণ্যকে বিশেষ দেবতার বাসস্থান বলে বিশ্বাস করে স্থানীয় সমাজ যুগ যুগ ধরে সংরক্ষণ করে আসছে, এদের পবিত্র অরণ্য বলা হয়।
১১। জৈব বৈচিত্র্যের প্রতি প্রধান হুমকি বা বিপদগুলি কী কী?
উত্তরঃ বাসস্থানের ধ্বংস, বন্যপ্রাণীর চোরাশিকার, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং জলবায়ু পরিবর্তন হলো জৈব বৈচিত্র্যের প্রধান হুমকি।
১২। ‘বায়োপাইরেসি’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ কোনো দেশ থেকে জৈব সম্পদ হস্তান্তর করে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়া এবং তার মাধ্যমে উৎপাদিত দ্রব্যের পেটেন্ট বা অধিকার আদায় করাকে বায়োপাইরেসি বলে।
১৩। ‘অন্ত-সংরক্ষণ’ কী?
উত্তরঃ উদ্ভিদ ও প্রাণীকে তাদের নিজস্ব প্রাকৃতিক বাসস্থানেই সংরক্ষণ করাকে অন্ত-সংরক্ষণ বলা হয়, যেমন: জাতীয় উদ্যান বা অভয়ারণ্য।
১৪। ‘বহি-সংরক্ষণ’ কী?
উত্তরঃ উদ্ভিদ ও প্রাণীকে তাদের প্রাকৃতিক বাসস্থান থেকে সরিয়ে অন্য কোনো নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ করাকে বহি-সংরক্ষণ বলে, যেমন: চিড়িয়াখানা বা উদ্ভিদ উদ্যান।
১৫। অসমের দুটি জাতীয় উদ্যানের নাম লেখো।
উত্তরঃ অসমের দুটি জাতীয় উদ্যান হলো কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান এবং মানস জাতীয় উদ্যান।
(খ) দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। জৈব বৈচিত্র্যের বিভিন্ন মূল্য বা উপযোগিতা সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তরঃ জৈব বৈচিত্র্য আমাদের জীবনের প্রতিটি দিককে স্পর্শ করে। এর বিভিন্ন মূল্যগুলি হলো:
(i) উপভোক্তামূলক ব্যবহার: মানুষ প্রাচীনকাল থেকে জ্বালানি, খাদ্য, ঔষধ এবং তন্তুর জন্য সরাসরি প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে আসছে। বিশ্বের খাদ্যের প্রায় ৯০ শতাংশই বিভিন্ন উদ্ভিদ প্রজাতি থেকে সংগৃহীত হয়। এছাড়া, উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ঐতিহ্যগত ভেষজ ঔষধের ওপর নির্ভরশীল।
(ii) উৎপাদনমূলক ব্যবহার: জৈব বৈচিত্র্যের বিভিন্ন উৎস থেকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে প্রস্তুত বা উৎপাদিত সামগ্রীকে উৎপাদনমূলক সামগ্রী বলা হয়। বর্তমানে অনেক ঐতিহ্যবাহী সম্প্রদায় তাদের দৈনিক প্রয়োজনে যেমন— খাদ্য, বাসস্থান, ঔষধ এবং সারের জন্য এই সম্পদগুলোর ওপর নির্ভরশীল।
(iii) সামাজিক ব্যবহার: ভারতসহ পৃথিবীর বহু দেশে ধর্মীয় রীতিনীতি, উৎসব ও পূজাপার্বণে উদ্ভিদ ও প্রাণীর ব্যবহার সুদূর অতীত থেকে চলে আসছে। ধর্মীয় আচারে জবা ফুল দেবী কালীর পূজায় এবং ধুতুরা ফুল শিবের পূজায় অর্পণ করা হয়।
(iv) নৈতিক মূল্য: প্রতিটি প্রজাতির এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকার এক অনন্য অধিকার আছে এবং কোনো প্রজাতিকে নিশ্চিহ্ন করার অধিকার মানুষের নেই। মানুষ হিসেবে আমাদের নৈতিক কর্তব্য হলো প্রতিটি জীবের অস্তিত্ব রক্ষা করা।
২। জৈব বৈচিত্র্যের প্রতি আসা প্রধান হুমকিগুলি বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করো।
উত্তরঃ জৈব বৈচিত্র্যের প্রতি আসা প্রধান হুমকিগুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:
(i) বাসস্থানের ধ্বংস: জৈব বৈচিত্র্যের বিনাশের অন্যতম প্রধান কারণ হলো জীবের প্রাকৃতিক বাসস্থানের বিনাশ। বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অপরিণামদর্শীভাবে গাছ কাটা, কৃষি জমির সম্প্রসারণ এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার জন্য বসতি স্থাপন করতে গিয়ে ব্যাপকহারে বনাঞ্চল ধ্বংস করা হচ্ছে।
(ii) গবাদি পশুর অনিয়ন্ত্রিত বিচরণ: ঘাসযুক্ত বনাঞ্চল বা চারণভূমিগুলি সীমিত হওয়ার কারণে সেখানে গবাদি পশুর অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত বিচরণ জৈব বৈচিত্র্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। পশুর পায়ের চাপে ও অতিরিক্ত ঘাস খাওয়ার ফলে মাটির উপরিভাগের পৃষ্ঠের ক্ষয় বৃদ্ধি পায় এবং বনের স্বাভাবিক উদ্ভিদের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, যা পরোক্ষভাবে বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি করে।
(iii) চোরাশিকার: আন্তর্জাতিক বাজারে বন্যপ্রাণীর বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের আকাশছোঁয়া চাহিদার কারণে অবৈধ শিকার বা চোরাশিকার জৈব বৈচিত্র্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও হাতির দাঁত, গণ্ডারের খড়্গ,বাঘের চামড়া ও হাড় এবং বিভিন্ন প্রাণীর লোম পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়মিত শিকার চালানো হচ্ছে।
(iv) প্রাকৃতিক দুর্যোগ: মানুষসৃষ্ট কারণ ছাড়াও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ জৈব বৈচিত্র্যের অপূরণীয় ক্ষতি করে। প্রবল বন্যা, ভূমিকম্প,সুনামি এবং সামুদ্রিক ঝড় বা সাইক্লোনের ফলে অগণিত উদ্ভিদ ও প্রাণী মারা যায়।
৩। জৈব বৈচিত্র্য সংরক্ষণের পদ্ধতিগুলি উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ জৈব বৈচিত্র্য সংরক্ষণের প্রধানত দুটি পদ্ধতি রয়েছে:
(i) অন্ত-সংরক্ষণ: জীবকুলকে যখন তাদের নিজস্ব প্রাকৃতিক বাসস্থানেই সংরক্ষণ করা হয়, তখন তাকে অন্ত-সংরক্ষণ বলে। অর্থাৎ,অরণ্যের উদ্ভিদ ও প্রাণীকে তাদের স্বাভাবিক পরিবেশে রেখেই সুরক্ষা দেওয়া হয়।
গুরুত্ব: ভারতে এই পদ্ধতির সংরক্ষণের এক দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে [২৬]। বর্তমানে সারা দেশে ৫৩৩টিরও বেশি জাতীয় উদ্যান এবং অভয়ারণ্য রয়েছে, যা দেশের মোট ভূ-খণ্ডের প্রায় ৪.৩ শতাংশ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
(ii) বহি-সংরক্ষণ: যখন কোনো উদ্ভিদ বা প্রাণী প্রজাতি তাদের প্রাকৃতিক বাসস্থানে বিলুপ্তির হুমকির মুখে পড়ে বা সংকটাপন্ন হয়, তখন তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে অন্য কোনো নিরাপদ ও কৃত্রিম পরিবেশে সংরক্ষণ করাকে বহি-সংরক্ষণ বলে।
পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে কৃত্রিম পরিবেশে জীবদের বংশবৃদ্ধি ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন শস্য,পশু, পাখি ও মৎস্য প্রজাতির জিন সংগ্রহের মাধ্যমে তাদের অস্তিত্ব রক্ষার চেষ্টা করা হয়।
উদাহরণ: চিড়িয়াখানা,উদ্ভিদ উদ্যান, কৃষি গবেষণা কেন্দ্র এবং জিন ব্যাংক ।
৪। ভারতে জৈব বৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য প্রচলিত প্রধান আইনগুলি কী কী?
উত্তরঃ ভারত সরকার জৈব বৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষার জন্য বেশ কিছু শক্তিশালী আইন প্রণয়ন করেছে।
উল্লেখযোগ্য আইনগুলি হলো:
(i) বন আইন, ১৯২৭: যা সংরক্ষিত ও গ্রাম্য বনাঞ্চলের ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে।
(ii) বন্যপ্রাণী (সুরক্ষা) আইন, ১৯৭২ (সংশোধিত ১৯৯১): যা বন্যপ্রাণী শিকার নিষিদ্ধ করে এবং জাতীয় উদ্যান ও অভয়ারণ্য স্থাপনে সহায়তা করে।
(iii) বন সুরক্ষা আইন, ১৯৮০: বনভূমিকে অন্য কাজে ব্যবহার করা নিয়ন্ত্রণ করে।
(iv) পরিবেশ সুরক্ষা আইন, ১৯৮৬: যা শিল্পায়ন নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষতিকারক পদার্থের নির্গমন রোধ করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।
৫। জৈব বৈচিত্র্যের নান্দনিক এবং নৈতিক গুরুত্ব আলোচনা করো।
উত্তরঃ নান্দনিক ও নৈতিক গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:
(i) নান্দনিক গুরুত্ব: জৈব বৈচিত্র্য এই পৃথিবীকে বৈচিত্র্যময় ও সৌন্দর্যমণ্ডিত করে রাখার প্রধান কারিগর। প্রকৃতির প্রতিটি সৃষ্টি মানুষকে এক অনাবিল আনন্দ প্রদান করে।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য: সাগরের বিশালতার মাঝে সূর্যাস্ত দেখা,বনের হরিণের ছন্দময় নৃত্য,কিংবা শান্ত ভোরে পাখির মিষ্টি গান মানুষের মনকে প্রফুল্ল করে তোলে। এই যে প্রশান্তি,তা কোনো কৃত্রিম বা যান্ত্রিক উপায়ে পাওয়া অসম্ভব।
অনন্য অনুভূতি: প্রথম বৃষ্টির পর মাটির সেই বিশেষ সোঁদা গন্ধ মানুষের অনুভূতিতে এক বিশেষ দাগ কাটে। প্রকৃতির এই সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্যই মানুষ দূর-দূরান্তের জাতীয় উদ্যান বা অভয়ারণ্যগুলোতে ভ্রমণে যায়।
(ii) নৈতিক গুরুত্ব: নৈতিকতার দৃষ্টিতে বিচার করলে দেখা যায়, প্রতিটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণীর এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকার সমান অধিকার রয়েছ।
অস্তিত্বের অধিকার: প্রতিটি প্রজাতি পৃথিবীতে অনন্য এবং তাদের নিজস্ব মর্যাদা রয়েছে। কোনো প্রজাতি মানুষের কোনো কাজে আসুক বা না আসুক, তাকে নিশ্চিহ্ন করার কোনো অধিকার মানুষের নেই।
মানুষের কর্তব্য: নৈতিকতা আমাদের শেখায় কোনটি সঠিক এবং কোনটি ভুল। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রতিটি জীবের ভূমিকা অনস্বীকার্য, তাই তাদের রক্ষা করা মানুষের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য।
Subject Ka Complete Video Solution Dekhein
Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:



