Class 11 Environmental Studies Important Chapter 2 বাস্তব্যবিদ্যা সম্পর্কিত ধারণা Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters ASSEB Class 11 Environmental Studies Important Chapter 2 বাস্তব্যবিদ্যা সম্পর্কিত ধারণা Solutions and select need one. AHSEC Class 11 Environmental Education Additional Notes Download PDF. HS 1st Year Environmental Education Important Solutions.
Class 11 Environmental Studies Important Chapter 2 বাস্তব্যবিদ্যা সম্পর্কিত ধারণা
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Environmental Studies Additional Question Answer are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Environmental Education Important Notes for All Chapters, You can practice these here.
বাস্তব্যবিদ্যা সম্পর্কিত ধারণা
Chapter: 2
| IMPORTANT QUESTION AND ANSWER |
(ক) অতি চমু প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘ইকোলজি’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে উৎপত্তি হয়েছে?
উত্তরঃ ‘ইকোলজি’ শব্দটি গ্রিক শব্দ ‘ওইকোস’ এবং ‘লগোস’ থেকে উৎপত্তি হয়েছে।
২। ‘ওইকোস’ এবং ‘লগোস’ শব্দ দুটির অর্থ কী কী?
উত্তরঃ ‘ওইকোস’ শব্দের অর্থ হলো গৃহ এবং ‘লগোস’ শব্দের অর্থ হলো অধ্যয়ন।
৩। বাস্তব্যবিদ্যা বা ইকোলজি বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ বাস্তব্যবিদ্যা হলো জীবকুলের স্বাভাবিক বাসস্থান এবং তাদের চারপাশের পরিবেশের সাথে পারস্পরিক আন্তঃক্রিয়ার অধ্যয়ন।
৪। বাস্তুসংস্থান কাকে বলে?
উত্তরঃ বাস্তুসংস্থান হলো জীব সম্প্রদায় এবং জড় উপাদানের মধ্যে জৈবিক ও ভৌগোলিক আন্তঃক্রিয়ার একটি গতিশীল কর্মজাল।
৫। বাস্তুসংস্থান মূলত কয় প্রকার ও কী কী?
উত্তরঃ বাস্তুসংস্থান মূলত দুই প্রকার, যথা – প্রাকৃতিক বাস্তুসংস্থান এবং কৃত্রিম বা মানুষের দ্বারা সৃষ্ট বাস্তুসংস্থান।
৬। প্রাকৃতিক বাস্তুসংস্থানের দুটি উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ প্রাকৃতিক বাস্তুসংস্থানের উদাহরণ হলো বনাঞ্চল এবং মরুভূমি।
৭। কৃত্রিম বা মানুষের দ্বারা সৃষ্ট বাস্তুসংস্থান কোনটি?
উত্তরঃ শস্যভূমি বা মৎস্য পালন ব্যবস্থা হলো মানুষের দ্বারা সৃষ্ট কৃত্রিম বাস্তুসংস্থান।
৮। স্বভোজী জীব বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ যারা সূর্যের আলোর সাহায্যে নিজেদের খাদ্য নিজেরাই তৈরি করতে পারে,তাদের স্বভোজী বা উৎপাদক বলা হয়।
৯। উপভোক্তা বা পরভোজী কারা?
উত্তরঃ যারা নিজেদের খাদ্য নিজেরা তৈরি করতে পারে না এবং খাদ্যের জন্য উৎপাদকের ওপর নির্ভর করে,তাদের উপভোক্তা বলা হয়।
১০। তৃণভোজী বা প্রাথমিক উপভোক্তা কারা?
উত্তরঃ যে সমস্ত প্রাণী খাদ্যের জন্য সরাসরি উদ্ভিদের ওপর নির্ভর করে, যেমন— গোরু,ছাগল বা হরিণ।
১১। মাংসভোজী বা গৌণ উপভোক্তা বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ যে সমস্ত প্রাণী খাদ্যের জন্য অন্য প্রাণীদের ওপর নির্ভর করে, যেমন— ব্যাঙ বা সাপ।
১২। সর্বভুক প্রাণী কাদের বলা হয়?
উত্তরঃ যারা উদ্ভিদ এবং প্রাণী উভয়কেই খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে, যেমন— মানুষ বা শিয়াল।
১৩। বিয়োজক বা পচনকারক কাদের বলা হয়?
উত্তরঃ যে সমস্ত অণুজীব মৃত জৈব বস্তুকে পচিয়ে পুষ্টি সংগ্রহ করে, যেমন— ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক।
১৪। খাদ্যশৃঙ্খল কী?
উত্তরঃ বাস্তুসংস্থানে আহার গ্রহণ এবং ভক্ষিত হওয়ার যে আনুক্রমিক শৃঙ্খল দেখা যায়, তাকে খাদ্যশৃঙ্খল বলা হয়।
১৫। খাদ্যজাল কাকে বলে?
উত্তরঃ বাস্তুসংস্থানে অনেকগুলো খাদ্যশৃঙ্খল যখন জালের মতো বিন্যাস সৃষ্টি করে,তখন তাকে খাদ্যজাল বলে।
(খ) দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। বাস্তুসংস্থানের জৈবিক কাঠামো সম্পর্কে আলোচনা করো।
উত্তরঃ বাস্তুসংস্থানের জৈবিক কাঠামো মূলত তিনটি প্রধান উপাদান নিয়ে গঠিত: উৎপাদক, উপভোক্তা এবং বিয়োজক। উৎপাদকেরা সূর্যের আলোর সাহায্যে খাদ্য তৈরি করে। উপভোক্তারা আবার তিন ধরনের— তৃণভোজী,মাংসভোজী এবং সর্বভুক (যারা উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয়ই খায়)। বিয়োজকেরা মৃত দেহাবশেষ পচিয়ে পরিবেশে পুষ্টি ফিরিয়ে দেয়। এই জৈবিক উপাদানগুলো একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে একটি সুষম ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
২। বাস্তুসংস্থানের অজৈবিক কাঠামো বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ বাস্তুসংস্থানের অজৈবিক কাঠামোর মধ্যে পরিবেশের ভৌত এবং রাসায়নিক উপাদানগুলো অন্তর্ভুক্ত। ভৌত উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে সূর্যের আলো,তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত এবং বাতাসের গতিবেগ। রাসায়নিক উপাদানের মধ্যে প্রধান হলো কার্বন, নাইট্রোজেন,ফসফরাস এবং পটাশিয়ামের মতো পুষ্টিদায়ক মৌলসমূহ। এ ছাড়াও প্রোটিন,কার্বোহাইড্রেট এবং নিউক্লিক অ্যাসিডের মতো জৈব যৌগগুলো বাস্তুসংস্থানের বিভিন্ন জৈবিক ক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে।
৩। বাস্তব্যবিদ্যার বিভিন্ন স্তর বা বর্গসমূহ কী কী? আলোচনা করো।
উত্তরঃ বাস্তব্যবিদ্যার বিভিন্ন স্তর বা বর্গসমূহ:
(i) জীব: যেকোনো প্রকারের প্রাণই হলো জীব। এককোষী প্রাণী অ্যামিবা থেকে শুরু করে বিশালদেহী হাঙর,কিংবা আণুবীক্ষণিক শৈবাল থেকে শুরু করে বিশাল বনস্পতি পর্যন্ত সমস্ত কিছুই এর অন্তর্ভুক্ত।
(ii) প্রজাতি: পরস্পরের মধ্যে রূপ, আচরণ, রাসায়নিক এবং জিনগত সাদৃশ্য থাকা জীবের গোষ্ঠীসমূহকে প্রজাতি বলা হয়। একই প্রজাতির জীবেরা নিজেদের মধ্যে মিলনের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করতে পারে এবং উর্বর সন্তান উৎপাদন করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, সমগ্র মানবজাতি একটি নির্দিষ্ট ‘প্রজাতি’।
(iii) জনসংখ্যা: একটি নির্দিষ্ট এলাকায় বসবাসকারী একই প্রজাতির প্রতিটি প্রাণীকে নিয়ে গঠিত গোষ্ঠীকে জনসংখ্যা বলা হয়। যেমন— কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানে থাকা গণ্ডারদের সংখ্যা একটি নির্দিষ্ট জনসংখ্যা নির্দেশ করে।
(iv) সম্প্রদায়সমূহ: একটি নির্দিষ্ট এলাকায় বসবাসকারী বিভিন্ন প্রজাতির জনসংখ্যা এবং তাদের পারস্পরিক আন্তঃক্রিয়া মিলে একটি সম্প্রদায় গঠন করে। উদাহরণস্বরূপ, কাজিরাঙার কথা বললে সেখানে থাকা গণ্ডার, হাতি,গোরু,মোষ এবং তৃণ— এই সমস্ত কিছুর সমষ্টিই হলো সেখানকার সম্প্রদায়।
(iv) পরিস্থিতিতন্ত্র বা বাস্তুসংস্থান: বাস্তুসংস্থান হলো জীব সম্প্রদায় এবং জড় উপাদানের (যেমন— মাটি, জল,পাথর, সূর্যালোক) মধ্যে জৈবিক ও ভৌত আন্তঃক্রিয়ার একটি গতিশীল ব্যবস্থা। এটি বাস্তব্যবিদ্যার একটি সক্রিয় এবং বিস্তৃত একক। প্রতিটি স্তরেই শক্তির প্রবাহ এবং পদার্থের আদান-প্রদান পরিবেশের ভারসাম্যের ওপর বিশেষ প্রভাব ফেলে।
৪। খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজালের বৈশিষ্ট্য এবং গুরুত্ব আলোচনা করো।
উত্তরঃ খাদ্যশৃঙ্খলের বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব:
(i) খাদ্যশৃঙ্খল হলো এমন একটি আনুক্রমিক ব্যবস্থা যেখানে একটি স্তরের জীব অন্য স্তরের জীবকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।
(ii) এর শক্তির প্রবাহ সর্বদা একমুখী হয়,অর্থাৎ শক্তি উৎপাদক থেকে উপভোক্তার দিকে প্রবাহিত হয় কিন্তু বিপরীত দিকে ফিরে আসে না।
(iii) এটি মূলত দুই প্রকারের হয়ে থাকে— সবুজ উদ্ভিদ থেকে শুরু হওয়া ‘চারণ খাদ্যশৃঙ্খল’ এবং মৃত বা পচনশীল বস্তু থেকে শুরু হওয়া ‘বিয়োজক খাদ্যশৃঙ্খল’।
(iv) খাদ্যশৃঙ্খল পরিবেশের বিভিন্ন স্তরে শক্তির সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করে এবং জীবগোষ্ঠীর সংখ্যার ভারসাম্য বজায় রাখে।
খাদ্যজালের বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব:
(i) বাস্তুসংস্থানে অনেকগুলো খাদ্যশৃঙ্খল যখন পরস্পরের সঙ্গে জালের মতো জটিল বিন্যাসে যুক্ত থাকে, তাকে খাদ্যজাল বলে।
(ii) খাদ্যজালে একটি নির্দিষ্ট জীব একাধিক স্তরের জীবের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে, ফলে শক্তির প্রবাহের জন্য অনেকগুলো বিকল্প পথ তৈরি হয়।
(iii) খাদ্যজাল বাস্তুসংস্থানকে অনেক বেশি স্থিতিশীল রাখে, কারণ কোনো একটি খাদ্যশৃঙ্খলের একটি প্রজাতি বিলুপ্ত বা হ্রাস পেলেও উপভোক্তারা বিকল্প খাদ্য গ্রহণ করে টিকে থাকতে পারে।
সামগ্রিক গুরুত্ব:
(i) খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল বাস্তুসংস্থানের প্রধান দুটি প্রক্রিয়া— শক্তির প্রবাহ এবং পুষ্টি চক্র কার্যকর রাখে।
(ii) এই ব্যবস্থার মাধ্যমেই উৎপাদক থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ স্তরের উপভোক্তা পর্যন্ত শক্তি প্রবাহিত হয় এবং পদার্থের আদান-প্রদানের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষিত হয়।
(iii) এটি বাস্তুসংস্থানের অন্তর্গত বিভিন্ন প্রজাতির জীবের পারস্পরিক নির্ভরতা এবং সহাবস্থানকে সুসংহত করে।
৫। পরিবেশীয় পিরামিড বলতে কী বোঝায়? এর প্রকারভেদসমূহ ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃপরিবেশীয় পিরামিড: যেকোনো বাস্তুসংস্থানের একদম নিচু স্তরের উৎপাদক থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ স্তরের উপভোক্তা পর্যন্ত বিভিন্ন ক্রমিক পৌষ্টিক স্তরের গঠন এবং তাদের কাজের গ্রাফিক বা চিত্রগত রূপকে পরিবেশীয় পিরামিড বলা হয়। এই চিত্রের মাধ্যমে বাস্তুসংস্থানের বিভিন্ন স্তরে জীবের পারস্পরিক সম্পর্ক স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।
পরিবেশীয় পিরামিডের প্রকারভেদ:
পরিবেশীয় পিরামিড মূলত তিন প্রকারের হয়ে থাকে:
(i) সংখ্যার পিরামিড: এই পিরামিডে বাস্তুসংস্থানের প্রতিটি পৌষ্টিক স্তরে থাকা জীবের মোট সংখ্যা উল্লেখ করা হয়। সাধারণত উৎপাদকের সংখ্যা বেশি থাকে এবং ওপরের স্তরের উপভোক্তাদের সংখ্যা ক্রমশ কমতে থাকে।
(ii) জৈবিক ওজনের পিরামিড: এই পিরামিডটি জীবের মোট শুষ্ক ওজন বা জীবের সামগ্রিক পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। এটি একটি নির্দিষ্ট সময়ে বাস্তুসংস্থানের বিভিন্ন স্তরে জমা থাকা জৈব বস্তুর পরিমাণ নির্দেশ করে।
(iii) শক্তির পিরামিড: এই পিরামিড প্রতিটি পৌষ্টিক স্তরে শক্তির আত্তীকরণ এবং শক্তি উৎপাদনশীলতাকে প্রদর্শন করে। শক্তির পিরামিড সর্বদা খাড়া বা ঊর্ধ্বমুখী হয়,কারণ শক্তি এক স্তর থেকে অন্য স্তরে প্রবাহিত হওয়ার সময় তাপ হিসেবে অপচয় হয় এবং পরবর্তী স্তরে শক্তির পরিমাণ ক্রমশ কমতে থাকে।
Subject Ka Complete Video Solution Dekhein
Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:



