🪔 Diwali Maha Offer Class 10 & 12 Bundles @ ₹299 ₹599
Ends in:
03d
14h
35m
40s

Class 11 Environmental Studies Important Chapter 1 পরিবেশ সম্পর্কে মৌলিক ধারণা

Class 11 Environmental Studies Important Chapter 1 পরিবেশ সম্পর্কে মৌলিক ধারণা Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters ASSEB Class 11 Environmental Studies Important Chapter 1 পরিবেশ সম্পর্কে মৌলিক ধারণা Solutions and select need one. AHSEC Class 11 Environmental Education Additional Notes Download PDF. HS 1st Year Environmental Education Important Solutions.

Class 11 Environmental Studies Important Chapter 1 পরিবেশ সম্পর্কে মৌলিক ধারণা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 11 Environmental Studies Additional Question Answer are part of All Subject Solutions. Here we have given HS 1st Year Environmental Education Important Notes for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 1

IMPORTANT QUESTION AND ANSWER

(ক) অতি চমু প্রশ্ন উত্তর।

১। ‘পরিবেশ’ শব্দের অর্থ কী? 

উত্তরঃ পরিবেশ শব্দের অর্থ হলো পারিপার্শ্বিক অবস্থা।

২। ‘Environment’ শব্দটি কোন ফরাসি শব্দ থেকে উৎপন্ন হয়েছে? 

উত্তরঃ ‘Environment’ শব্দটি ফরাসি শব্দ ‘এনভাইরোনার’ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।

৩। ‘এনভাইরোনার’ শব্দের অর্থ কী? 

উত্তরঃ এই শব্দের অর্থ হলো চারপাশকে ঘিরে রাখা বা পরিবেষ্টন করা। 

৪। পরিবেশের প্রধান তিনটি উপাদান কী কী? 

উত্তরঃ পরিবেশের প্রধান তিনটি উপাদান হলো অজৈব উপাদান, জৈবিক উপাদান এবং শক্তি উপাদান।

৫। অজৈব বা ভৌত পরিবেশকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? 

উত্তরঃ অজৈব বা ভৌত পরিবেশকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়— ভূমণ্ডল, জলমণ্ডল এবং বায়ুমণ্ডল। 

৬। শক্তি উপাদানের কয়েকটি উদাহরণ দাও। 

উত্তরঃ শক্তি উপাদানের উদাহরণগুলো হলো সৌরশক্তি, ভূ-তাপ শক্তি,জলবিদ্যুৎ শক্তি এবং পারমাণবিক শক্তি। 

৭। বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাসীয় উপাদান দুটি কী কী? 

উত্তরঃ বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি গ্যাসীয় উপাদান হলো: 

(i) নাইট্রোজেন (৭৮.০৯%)। 

(ii) এবং অক্সিজেন (২০.৯৪%)। 

৮। বায়ুমণ্ডলের স্তরগুলোকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? 

উত্তরঃ বায়ুমণ্ডলকে প্রধানত চারটি স্তরে ভাগ করা যায়:

ট্রপোস্ফিয়ার,স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার,মেসোস্ফিয়ার এবং থার্মোস্ফিয়ার।

৯। ওজোন স্তর বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে অবস্থিত? 

উত্তরঃ ওজোন গ্যাস বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে। 

১০। পৃথিবীর কত শতাংশ জায়গা জল দ্বারা আবৃত? 

উত্তরঃ পৃথিবীর ভূ-ভাগের প্রায় ৭১ শতাংশ অর্থাৎ মোট ১৪০০ নিযুত কিউবিক কিলোমিটার জায়গা জল দ্বারা আবৃত। 

১১। পৃথিবীতে কত শতাংশ জল ব্যবহারের উপযোগী বা নির্মল জল? 

উত্তরঃ পৃথিবীতে মাত্র ৩ শতাংশ জল হলো নির্মল এবং ব্যবহারের উপযোগী।

১২। ‘লিথোস্ফিয়ার’ বা ভূমণ্ডল কী নিয়ে গঠিত? 

উত্তরঃ এই মণ্ডল খনিজ দ্রব্য এবং মাটির দ্বারা গঠিত পৃথিবীর উপরের কঠিন স্তর। 

১৩। ‘বায়োস্ফিয়ার’ বা জীবমণ্ডল বলতে কী বোঝায়? 

উত্তরঃ জীবমণ্ডল হলো ভূ-পৃষ্ঠের উপরের সেই স্তর যেখানে জীবকুল বেঁচে থাকতে পারে।

১৪। কত সালে এবং কোথায় প্রথম পরিবেশ শিক্ষা বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল? 

উত্তরঃ ১৯৭৭ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের তিবলিসিতে প্রথমবার পরিবেশ শিক্ষা বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। 

১৫। ১৯৭২ সালের স্টকহোম সম্মেলনের গুরুত্ব কী ছিল? 

উত্তরঃ ১৯৭২ সালে অনুষ্ঠিত স্টকহোম সম্মেলনে পরিবেশকেন্দ্রিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছিল।

(খ) দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তর এবং তাদের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করো। 

উত্তরঃ বায়ুমণ্ডলকে প্রধানত চারটি স্তরে ভাগ করা যায়, যা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো: 

(ক) ট্রপোস্ফিয়ার: এটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ০-১১ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এখানে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও জলীয় বাষ্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকে। এই স্তরে তাপমাত্রা সাধারণত ১৫° সেলসিয়াস থেকে শুরু হয় এবং উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপমাত্রা হ্রাস পেয়ে -৫৬° সেলসিয়াসে পৌঁছায়।

(খ) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার: ১১-৫০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত এই স্তরে প্রধানত অক্সিজেন ও ওজোন গ্যাস থাকে। এই স্তরে থাকা ওজোন গ্যাসের স্তরটি সূর্যের অত্যন্ত ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীর জীবকুলের জন্য রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। এখানে তাপমাত্রা -৫৬° সেলসিয়াস থেকে বৃদ্ধি পেয়ে -২° সেলসিয়াসে উন্নীত হয়।

(গ) মেসোস্ফিয়ার: ৫০-৮৫ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত এই স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে তাপমাত্রা পুনরায় দ্রুত হ্রাস পায় এবং এটি -৯২° সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। এই স্তরে আয়নিত অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন মনোঅক্সাইডের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

(ঘ) থার্মোস্ফিয়ার: এটি বায়ুমণ্ডলের সবথেকে উপরের স্তর যা ৮৫-৫০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। এই স্তরে তাপমাত্রা অত্যন্ত দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং এটি প্রায় ১২০০° সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

বায়ুমণ্ডলের সামগ্রিক গুরুত্ব: বায়ুমণ্ডল কেবল পৃথিবীকে রক্ষা করে না, বরং এটি জীবনের অস্তিত্ব বজায় রাখতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। এটি সূর্যের বিকিরিত তাপ এবং পৃথিবী থেকে প্রতিফলিত তাপ শোষণ করে পৃথিবীর তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে। বায়ুমণ্ডল প্রাণীদের শ্বসনের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন এবং উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের জন্য কার্বন ডাই-অক্সাইড সরবরাহ করে। এছাড়া বায়ুমণ্ডলে থাকা নাইট্রোজেন প্রাণীদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন উৎপাদনেও সাহায্য করে।

২। পৃথিবীর জলমণ্ডল বা হাইড্রোস্ফিয়ারের বণ্টন ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো। 

উত্তরঃ জলমণ্ডলের বণ্টন ও গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

জলমণ্ডলের বণ্টন: পৃথিবীর সমস্ত মহাসাগর, সাগর, নদ-নদী, হ্রদ, জলাধার, হিমবাহ, মেরু অঞ্চলের তুষারস্তর এবং ভূ-গর্ভস্থ জলরাশি নিয়ে জলমণ্ডল গঠিত। পৃথিবীর ভূ-ভাগের প্রায় ৭১ শতাংশ এলাকা জল দ্বারা আবৃত,যার মোট পরিমাণ প্রায় ১৪০০ নিযুত কিউবিক কিলোমিটার। 

তবে এই বিপুল জলরাশির বণ্টন এবং ব্যবহারযোগ্যতা দেওয়া হলো:

(i) মহাসাগরের জল: পৃথিবীর মোট জলরাশির ৯৭ শতাংশই মহাসাগরগুলোতে রয়েছে, তবে এই জল লবণাক্ত হওয়ার কারণে মানুষ সরাসরি ব্যবহার করতে পারে না।

(ii) নির্মল জল: পৃথিবীতে মাত্র ৩ শতাংশ জল হলো নির্মল এবং ব্যবহারের উপযোগী।

(iii) নির্মল জলের বিভাজন: এই ৩ শতাংশ নির্মল জলের সিংহভাগই অর্থাৎ প্রায় ৭৯ শতাংশ মেরু অঞ্চলের তুষার এবং হিমবাহে জমা হয়ে আছে। 

জলমণ্ডলের গুরুত্ব: 

(i) জীবনের অস্তিত্ব: জলমণ্ডল প্রাণীকুল ও উদ্ভিদের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য। এটি জীবমণ্ডলের প্রতিটি প্রাণীর জৈবিক ক্রিয়া সচল রাখতে সাহায্য করে।

(ii) পরিবেশের ভারসাম্য: জলমণ্ডল পৃথিবীর তাপমাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং পরিবেশের আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা পালন করে।

(iii) আবাসস্থল: এটি মাছ, জলজ উদ্ভিদ এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর স্থায়ী আবাসস্থল হিসেবে কাজ করে।

৩। পরিবেশ শিক্ষার লক্ষ্য ও তিবলিসি সম্মেলনের নির্দেশিকাগুলো আলোচনা করো। 

উত্তরঃ পরিবেশ শিক্ষার মূল লক্ষ্য: তিবলিসি সম্মেলনে পরিবেশ শিক্ষার পাঁচটি প্রধান লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে: 

(i) সচেতনতা: পরিবেশ এবং এর চ্যালেঞ্জ বা সমস্যাগুলো সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সংবেদনশীলতা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা। 

(ii) জ্ঞান অর্জন: পরিবেশের বিভিন্ন দিক এবং পরিবেশগত সমস্যাগুলো সম্পর্কে সঠিক ধারণা ও জ্ঞান লাভ করা।

(iii) মানসিকতা তৈরি: পরিবেশের গুণগত মান রক্ষা করা এবং বিদ্যমান অবস্থার উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় মানসিকতা ও দায়বদ্ধতা তৈরি করা। 

(iv) দক্ষতা বৃদ্ধি: পরিবেশগত সমস্যাগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করা এবং তা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জন করা।

তিবলিসি সম্মেলনের প্রধান নির্দেশিকাগুলো হলো:

(i) সামগ্রিক বিচার: পরিবেশকে কোনো একটি নির্দিষ্ট দিক থেকে না দেখে এর সামগ্রিকতাকে বিবেচনা করতে হবে। 

(ii) নিরন্তর শিক্ষা: পরিবেশ শিক্ষা কেবল একটি নির্দিষ্ট বয়সের জন্য নয়;বরং এটি প্রাক-স্কুল পর্যায় থেকে শুরু করে জীবনের সমস্ত আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক স্তরে নিরন্তর বজায় রাখতে হবে।

(iii) বহুমুখী দৃষ্টিভঙ্গি: স্থানীয়, আঞ্চলিক, রাষ্ট্রীয় এবং আন্তর্জাতিক—এই প্রতিটি দৃষ্টিভঙ্গি থেকে পরিবেশগত সমস্যাগুলো পরীক্ষা ও আলোচনা করতে হবে।

(iv) ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: বর্তমান পরিবেশের অবস্থা এবং ভবিষ্যতে পরিবেশের গতিপ্রকৃতি কেমন হতে পারে, সে বিষয়ে নিয়মিত অধ্যয়ন চালাতে হবে। 

(v) সমস্যার মূল কারণ অনুসন্ধান: ছাত্র-ছাত্রীদের এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে তারা পরিবেশগত সমস্যার প্রকৃত কারণ ও উপসর্গগুলো আবিষ্কার করতে পারে এবং তা সমাধানের সঠিক পরিকল্পনা তৈরি করতে পারে।

৪। পরিবেশ শিক্ষাকে কেন একটি ‘বহুমুখী বিষয়’ হিসেবে গণ্য করা হয়? 

উত্তরঃ পরিবেশ শিক্ষা একটি বহুমুখী বিষয় কারণ পরিবেশের জটিল প্রক্রিয়াগুলো বুঝতে হলে বিভিন্ন শাস্ত্রের জ্ঞান অর্জন করা প্রয়োজন।

(i) জৈবিক দিক: উদ্ভিদবিজ্ঞান প্রাণিবিজ্ঞান, অণুজীবতত্ত্ব এবং জিনতত্ত্ব জৈবিক উপাদানগুলোর আন্তঃক্রিয়া বুঝতে সাহায্য করে।

(ii) ভৌত দিক: পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন এবং গণিত পরিবেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক ঘটনা বুঝতে সাহায্য করে। 

(iii) প্রযুক্তিগত দিক: কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং তথ্যপ্রযুক্তি পরিবেশ শিক্ষার অপরিহার্য অঙ্গ। এছাড়া দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য পরিবেশ প্রকৌশল বা ইঞ্জিনিয়ারিং অত্যন্ত জরুরি। 

(iv) সামাজিক ও আইনগত দিক: সমাজতত্ত্ব, অর্থনীতি এবং পরিবেশ আইন পরিবেশ সুরক্ষার নীতি নির্ধারণে কাজ করে। এই সমস্ত বিষয়ের সমন্বয়েই পরিবেশ শিক্ষার পূর্ণাঙ্গ রূপ তৈরি হয়।

৫। বর্তমান বিশ্বে পরিবেশগত সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করো। 

উত্তরঃ বর্তমান বিশ্বে পরিবেশগত সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা:

(i) পরিবেশগত ভারসাম্যের অবনতি: সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জনসংখ্যা বিস্ফোরণ, দ্রুত ও অনিয়ন্ত্রিত শিল্পায়ন এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। মানুষ নিজের প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ আহরণের জন্য নির্বিচারে বনভূমি ধ্বংস করছে এবং খনির কাজ ও ভূমিক্ষয়ের ফলে বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। 

(ii) ভোগবাদী মানসিকতা ও সম্পদ শোষণ: মানুষের ভোগবাদী, লোভী এবং বিলাসিতাপূর্ণ জীবনযাপনের মনোভাব আজ প্রাকৃতিক সম্পদকে বাছবিচারহীনভাবে শোষণ করছে। এই নির্দয়ভাবে প্রকৃতি ধ্বংস করার কাজ আজ কেবল মানুষের নয়,বরং সমগ্র প্রাণীকুলের অস্তিত্বের প্রতি এক বড় ধরণের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

(iii) গণসচেতনতার গুরুত্ব: এই ধ্বংসলীলা রোধ করতে হলে সবার আগে প্রয়োজন গণসচেতনতা তৈরি করা। পরিবেশগত সমস্যার সঠিক সমাধান কখনোই সম্ভব নয় যদি না সাধারণ মানুষ এতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা করে। 

(iv) ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সংকট: আমরা যদি আজ সচেতন না হই এবং প্রকৃতির এই লুণ্ঠন বন্ধ না করি, তবে অদূর ভবিষ্যতে আমাদেরই এর বিষময় ফল ভোগ করতে হবে। আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এক ভয়াবহ বিপদের সম্মুখীন হবে যেখানে বিশুদ্ধ বাতাস বা জলের মতো মৌলিক উপাদানগুলোও দুষ্প্রাপ্য হয়ে উঠবে। 

NEW VIDEO CLASS

Subject Ka Complete Video Solution Dekhein

Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top