Class 10 Science Important Chapter 14 শক্তির উৎস Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 10 Science Important Chapter 14 শক্তির উৎস Solutions and select need one. SEBA Class 10 General Science Additional Notes Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 10 Science Important Question Answer.
Class 10 Science Important Chapter 14 শক্তির উৎস
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 10 Science Additional Niotes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
শক্তির উৎস
Chapter: 14
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। শূন্যস্থান পূর্ণ কর।
(ক) __________এবং __________উৎপাদন করতে ব্যবহার করা পদার্থই হল ইন্ধন।
উত্তরঃ তাপ এবং আলাে।
(খ) উদ্ভিদের __________প্রক্রিয়া দ্বারা কয়লা উৎপন্ন হয়।
উত্তরঃ কার্বনিকরণ।
(গ) পেট্রোলিয়ামের উপাদানগুলিকে পৃথক করা পদ্ধতিকে বলা __________ হয়।
উত্তরঃ বাষ্পীভবন।
(ঘ) _________ বিক্রিয়াগুলির জন্য সুর্য হতে শক্তি উৎপন্ন হয়।
উত্তরঃ নিউক্লীয় সংযােজন।
(ঙ) বায়ুশক্তিকে বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তর করা কৌশল একটি
হল ___________।
উত্তরঃ বায়ুকল।
(চ) এল. পি. জির প্রধান উপাদানটি হল __________।
উত্তরঃ বিউটেন (C₄H₁₀)।
(ছ) বায়ুপাম হল __________।
উত্তরঃ বায়ুশক্তির প্রকল্প বা বায়ুকল।
(জ) __________ এবং __________এর জন্য জৈবগ্যাস ব্যবহার করা যায়।
উত্তরঃ ইন্ধন, ছােট ইলেকট্রিক ইঞ্জিন।
(ঝ) অপরিশােধিত তেল থেকে পাওয়া পেট্রোলিয়ামের পরিমাণ ___________ প্রক্রিয়ায় বাড়ানাে হয়।
উত্তরঃ তাপ ভংগন।
(ঞ) কম পরিমাণের __________ যােগ করে L.PG. সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বেরিয়ে যাওয়া টের পাওয়া যায়।
উত্তরঃ মারকেপটাম।
(ট) নিউক্লীয় অপচয় অতি __________ এবং পুনরাবর্তন করা যায় না।
উত্তরঃ বিষাক্ত।
(ঠ) ঘরের আবর্জনাকে __________ বলা হয়।
উত্তরঃ মিউনিসিপ্যাল কঠিন আবর্জনা।
(ড) সাগরের উপরে _________ এবং _________ মহাকর্ষণীয় টানের জন্য জোয়ারের সৃষ্টি হয়।
উত্তরঃ সূর্য, চন্দ্রের।
(ঢ) আলােক ভােল্টীয় কৌশলে __________প্রত্যক্ষভাবে বিদ্যুতে রূপান্তরিত করে।
উত্তরঃ সূর্যের রশ্মিকে।
(ণ) প্রাকৃতিক গ্যাসের মুখ্য উপাদানটি হল ____________।
উত্তরঃ মিথেন (CH₂)।
২। কয়লাকে কিছু পরিমাণ বিশেষভাবে তাপ উৎপাদন করা অগ্নিশালে ব্যবহার করা হয়।
উত্তরঃ বিটুমিনাস।
নীচের উক্তিগুলির কোনগুলি সত্য ? ভুলগুলি শুদ্ধ কর।
৩। দহনের সাহায্যে তাপ এবং আলাে উৎপন্ন করা পদার্থকে ইন্ধন বলা হয়।
উত্তরঃ শুদ্ধ।
৪। ব্যবহারের দ্বারা নিঃশেষ হয়ে যেতে পারা উৎসগুলিকে নবীকরণযােগ্য শক্তির উৎস বলা হয়।
উত্তরঃ অশুদ্ধ। একে অনবীকরণযােগ্য শক্তির উৎস বলে।
৫। কয়লা নবীকরণযােগ্য প্রকারের শক্তি।
উত্তরঃ অশুদ্ধ। ইহা অনবীকরণযােগ্য।
৬। জীবাশ্ম ইন্ধনগুলি প্ৰদূষণ না করা শক্তির উৎস।
উত্তরঃ শুদ্ধ।
৭। সৌরশক্তি বিদ্যুৎ এবং তাপ দুইটি সৃষ্টি করতে পারে।
উত্তরঃ শুদ্ধ।
৮। এনথেসাইট কয়লাতে হতে 60% কম মুক্ত কার্বন থাকে।
উত্তরঃ অশুদ্ধ। এতে 95% কার্বন থাকে।
৯। তৈলখনি হতে পেট্রোলিয়ামকে প্রত্যক্ষভাবে ব্যবহার করা যায়।
উত্তরঃ অশুদ্ধ। একে পরিশােধন করে নিতে হয়।
১০। জাহাজ এবং রেলের ইঞ্জিনে ইন্ধন হিসাবে কেরােসিন ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ অশুদ্ধ। ডিজেল ব্যবহার করা হয়।
১১। পৃথিবীপৃষ্ঠের অনেক নীচে প্রাকৃতিক গ্যাসের অবক্ষেপণ পাওয়া যায়।
উত্তরঃ শুদ্ধ।
১২। সুর্যের বহিঃপৃষ্ঠে হওয়া বিখণ্ডন বিক্রিয়ার দ্বারা সৌরশক্তি উৎপন্ন হয়।
উত্তরঃ অশুদ্ধ। নিউক্লীয় একীভবন বিক্রিয়ার দ্বারা সৌরশক্তি উৎপন্ন হয়।
১৩। বায়ুশক্তি একপ্রকার নিরবিচ্ছিন্ন শক্তির উৎস।
উত্তরঃ শুদ্ধ।
১৪। নীচের লাইনগুলি হইতে শুদ্ধ উত্তরটি বাছিয়া বাহির কর।
(ক) পেট্রোল এবং ডিজেল হল-
(a) নবীকরণযােগ্য শক্তির উৎস।
(b) প্ৰদূষণ না করা শক্তির উৎস।
(c) শক্তির মুখ্য উৎস।
(d) নবীকরণ অযােগ্য শক্তির উৎস।
উত্তরঃ (d) নবীকরণ অযােগ্য শক্তির উৎস।
(খ) পেট্রোলিয়াম পাতনে জড়িত একটি প্রক্রিয়া হল-
(a) ঘনীভবন।
(b) বাষ্পীভবন।
(c) পাতুন।
(d) তরলীকরণ।
উত্তরঃ (b) বাষ্পীভবন।
(গ) এনথ্রাসাইট থাকা কার্বনের পরিমাণ হল-
(a) 65%
(b) 78%
(c) 95%
(d) 99%
উত্তরঃ (c) 95%
(ঘ) অপরিশােধিত তেলের তাপ অপঘটন করার কারণটি-
(a) অপরিশােধিত তেলের তাপ সহজে পরিবহনযােগ্য করতে।
(b) ক্যালরিমান বাড়াতে।
(c) অশুদ্ধি দূর করতে।
(d) উৎপন্ন হওয়া পেট্রোলের পরিমাণ বাড়াতে।
উত্তরঃ (c) অশুদ্ধি দূর করতে।
(ঙ) এল. পি. জি.-কে সংরক্ষণ করা হয়-
(a) উচ্চ চাপে।
(b) কম উষ্ণতায়।
(c) অনুঘটকের উপস্থিতিতে।
(d) উপরে উল্লেখ করা সবগুলি।
উত্তরঃ (a) উচ্চ চাপে।
(চ) নিউক্লীয় শক্তি উৎপাদন করা হয়-
(a) নিউক্লীয় একীভবনের দ্বারা।
(b) তাপ অপঘটনের দ্বারা।
(c) নিউক্লীয় বিখণ্ডনের দ্বারা।
(d) বিভাজন পাতনের দ্বারা।
উত্তরঃ (c) নিউক্লীয় বিখণ্ডনের দ্বারা।
(ছ) প্লাস্টিকগুলি-
(a) অপচয় হতে শক্তি উদ্যোগগুলির জন্য শক্তির উত্তম উৎস।
(b) অপচয় হতে শক্তির উদ্যোগে ব্যবহার করা যায় না।
(c) জীবনমনীয়।
(d) একপ্রকার জীবাবশেষ শক্তির উৎস।
উত্তরঃ (a) অপচয় হতে শক্তি উদ্যোগগুলির জন্য শক্তির উত্তম উৎস।
(জ) কয়লার বিভিন্ন শ্রেণিগুলির নাম লিখ।
উত্তরঃ কয়লার বিভিন্ন শ্রেণিগুলি হল ক্রমান্বয়ে-
(a) লিগনাইট বা বাদামি কয়লা।
(b) সাব-বিটুমিনাস কয়লা।
(c) বিটুমিনাস কয়লা।
(d) এনথ্রাসাইট কয়লা।
১৫। প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদানটি কি?
উত্তরঃ মিথেন (CH₄)।
১৬। নবীকরণযােগ্য শক্তির উৎসের সংজ্ঞা লিখ।
উত্তরঃ যে শক্তির উৎসের অন্ত বা শেষ হয় না এবং নিরবিচ্ছিন্নভাবে শক্তির যােগান দিতে পারে সেই ধরনের শক্তির উৎসকে নবীকরণযােগ্য শক্তির উৎস বলে।
যেমন- জলশক্তি, জোয়ার শক্তি, সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ,এবং বায়ােমাস।
১৭। তিনটি নবীকরণযােগ্য শক্তির নাম লিখ।
উত্তরঃ (i) সৌরশক্তি।
(ii) বায়ুশক্তি।
(iii) জলশক্তি।
১৮। নিউক্লীয় শক্তির উৎসগুলি কি?
উত্তরঃ ইউরেনিয়াম- 235 এবং প্লুটোনিয়াম-239 তেজস্ক্রীয় সমস্থানিক দুইটি নিউক্লীয় শক্তির প্রধান উৎস।
১৯। নিউক্লীয় বিখণ্ডন কি?
উত্তরঃ নিউক্লীয় বিখণ্ডন বিক্রিয়ার সাহায্যে নিউক্লীয় শক্তি উৎপাদন করা হয়।
২০। পেট্রোলিয়াম গ্যাসের কোন অংশের উতলাংক নিম্নতম হয়?
উত্তরঃ উদ্বায়ী গ্যাস-এর উতলাংক নিম্নতম।
২১। কি ধরনের ব্যাক্টেরিয়া গরুর গােবরকে গাের গ্যাসে পরিবর্তন করে?
উত্তরঃ অবাত ব্যাক্টেরিয়া অর্থাৎ যে ব্যাক্টেরিয়াগুলি অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে কাজ করে সেই ব্যাক্টেরিয়াগুলি গােবরকে গােবরগ্যাসে পরিবর্তন করে।
২২। জীবাশ্ম ইন্ধনগুলি কি?
উত্তরঃ কয়লা, পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস হইল জীবাশ্ম ইন্ধন।
২৩। ঘরের কাজে কি প্রকারের কয়লা ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ বিটুমিনাস কয়লা।
২৪। পেট্রোরাসায়নিক পদার্থগুলি কি?
উত্তরঃ পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস হতে উপলব্ধ রাসায়নিক পদার্থগুলিকে পেট্রোরাসায়নিক পদার্থ বলা হয়। ইথাইলিন, বিউটাইলিন, সাইক্লোহেক্সেন, ফিনল, অ্যামােনিয়া এবং হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড পেট্রোরাসায়নিক পদার্থের অন্তর্গত।
২৫। তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের প্রধান উপাদানটি কি?
উত্তরঃ বিউটেন।
২৬। কোরে প্রধান ব্যবহারগুলি কি?
উত্তরঃ (i) কোক জ্বালানী হিসাবে আকরিকের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
(ii) লােহা এবং ইস্পাত উৎপাদনে যথেষ্ট পরিমাণে কোক ব্যবহার করা হয়।
২৭। বিকল্প শক্তির উৎসগুলির নাম লিখ।
উত্তরঃ (a) সৌরশক্তি।
(b) জৈব বর্জ্য পদার্থ থেকে শক্তি যেমন- গােবর গ্যাস।
(c) বায়ুপ্রবাহ শক্তি।
২৮। দুইটি তেজস্ক্রীয় ইন্ধনের নাম লিখ।
উত্তরঃ (i) ইউরেনিয়াম- 235
(ii) প্লুটোনিয়াম- 239
২৯। প্রাকৃতিক গ্যাসের কয়েকটি ব্যবহার উল্লেখ কর।
উত্তরঃ প্রাকৃতিক গ্যাসের কয়েকটি ব্যবহার হল-
(a) ঘর, হােটেল, লন্ড্রী, হাসপাতাল, ইত্যাদিতে ইন্ধন হিসাবে এই গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
(b) বিভিন্ন শিল্প, যেমন- ইট কাচ, স্টীল এবং ধাতু ইত্যাদিতে এই গ্যাস বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়।
(c) রাসায়নিক শিল্প ও বস্ত্রশিল্পেও এই গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
(d) কতগুলাে রাসায়নিক দ্রব্য, যেমন- কার্বন ব্লেক, বিউটাডাউন, পটাশ, মিথানল ইত্যাদি সংশ্লেষণে এই গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
৩০। দুটি গ্যাসীয় ইন্ধনের নাম লিখ।
উত্তরঃ দুটি গ্যাসীয় ইন্ধন হল-
(a) তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা LPG.
(b) প্রাকৃতিক গ্যাস।
৩১। সৌরশক্তি আহরণের জন্য ব্যবহার করা দুইটি সাধারণ কৌশলের নাম লিখ।
উত্তরঃ সৌরশক্তির কৌশলগুলি হল-
(i) আলােক ভােল্টীয় কোষ।
(ii) সৌর প্রতিফলক এবং সৌরসংগ্রাহক।
৩২। ভাল ইন্ধন একটির বৈশিষ্ট্যগুলি কি?
উত্তরঃ উৎকৃষ্ট ইন্ধনের গুণ বা বৈশিষ্ট্যসমূহ হল-
(a) দহনের ফলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হওয়া প্রয়ােজন।
(b) ইন্ধনের উপযুক্ত প্ৰজ্বলন উষ্ণতা থাকা প্রয়ােজন।
(c) ইন্ধনের দহনের হার মাঝামাঝি হওয়া প্রয়ােজন।
(d) ইন্ধনটি পরিবহন এবং সংরক্ষণ সহজসাধ্য হওয়ার প্রয়ােজন।
(e) ইন্ধন দহনের ফলে ধোঁয়া এবং কোনাে ক্ষতিকারক দ্রব্য উৎপন্ন না হওয়া প্রয়ােজন।
৩৩। মুখ্য এবং গৌণ ইন্ধনগুলি কি? প্রত্যেক প্রকারের তিনটি করে উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ যে সমস্ত ইন্ধন হতে নিরবিচ্ছিন্নভাবে শক্তির যােগান ধরা যায় সেই ইন্ধনগুলি মুখ্য ইন্ধন। যেমন- জলশক্তি, সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি ইত্যাদি।
মুখ্য ইন্ধনের সংশােধনের পর পাওয়া ইন্ধনগুলিকে গৌণ ইন্ধন বলা হয়। যেমন- কাঠ কয়লা, পেট্রল, ডিজেল, কেরােসিন তেল ইত্যাদি।
৩৪। কয়লা কিভাবে উৎপন্ন করা হয় বর্ণনা কর।
উত্তরঃ প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যেমন ভূমিকম্প ইত্যাদির ফলে ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগের গাছপালা, জীবজন্তু ইত্যাদি মাটির নীচে চাপা পড়ে যায়। সেখানে দীর্ঘদিন প্রচণ্ড চাপে থাকতে থাকতে তারা কয়লা নামক পাললিক শিলায় রূপান্তর ঘটে। পরে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তাদের মাটির উপর উঠানাে হয়।
৩৫। বিটুমিনাস কয়লাকে বায়ুহীন পরিবেশে উত্তপ্ত করলে কি ঘটে?
উত্তরঃ বিটুমিনাস কয়লাকে বায়ুর অনুপস্থিতিতে দহন করলে কোক উৎপন্ন হয়। দহনের ফলে উদ্বায়ী পদার্থসমূহ, যেমন- গ্যাস, আলকাতরা ইত্যাদি সরে বশিষ্ট থাকা কঠিন পদার্থটিই হল কোক।
৩৬। পেট্রোলিয়াম কিভাবে গঠিত হয় ?
উত্তরঃ কোটি কোটি বৎসর আগে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে অসংখ্য ছােট বড় জীব-জন্তু এবং উদ্ভিদ সাগরের গর্ভে কাদার চাপে পড়ে গিয়েছিল। প্রচুর চাপ এবং তাপের প্রভাবে ও অক্সিজেন বিহীন,পরিবেশে ব্যাক্টেরিয়ার ক্রিয়ার ফলে এইগুলাে তৈলজাতীয় পদার্থে রূপান্তরিত হয়েছিল। এই তৈলজাতীয় পদার্থই পেট্রোলিয়াম।
৩৭। কোকের ব্যবহার লিখ।
উত্তরঃ কোকের ব্যবহার-
(i) একে জ্বালানী হিসাবে আকরিকের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
(ii) লৌহ এবং ইস্পাত উৎপাদনে যথেষ্ট পরিমাণে কোক ব্যবহার করা হয়।
৩৮। জীবাশ্ম- ইন্ধন কি?
উত্তরঃ জীবাশ্ম ইন্ধন হল মাটির নীচে চাপা পড়ে যাওয়া অসংখ্য উদ্ভিদ এবং প্রাণীর ধ্বংসাবশেষ থেকে উৎপন্ন হওয়া ইন্ধন। যেমন- কয়লা, পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি। এই ইন্ধন বর্তমানে মানুষের আবশ্যকীয় 90% শক্তির যােগান দিচ্ছে।
৩৯। জ্বালানী হিসাবে কাঠের ব্যবহার কমে যাওয়ার কারণ কি?
উত্তরঃ কারণ-
(i) জনসংখ্যার বৃদ্ধির ফলে জ্বালানীর চাহিদা কাঠে পূরণ করা যাচ্ছে না। তা ছাড়া অতি বেশী গাছ কাটার ফলে নির্বনানীকরণ হতে চলছে। এর ফলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
(ii) আবার কাঠের ক্যালােরি মান কম এবং জ্বলনের ফলে যথেষ্ট ধোঁয়ার সৃষ্টি হয় যা বাতাবরণ দূষিত করছে।
৪০। গােবর গ্যাসকে প্রজ্বালক হিসাবে ব্যবহার করা হয় কেন?
উত্তরঃ গােবর গ্যাস জ্বললে ধোঁয়া বের হয় না এবং যথেষ্ট আলাে দেয় তাই গােবর গ্যাসকে প্রজ্বালক হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
৪১। গ্যাসীয় জ্বালানীর দুটি সুবিধা বা বৈশিষ্ট্য লিখ।
উত্তরঃ গ্যাসীয় জ্বালানীর দুটি সুবিধা বা বৈশিষ্ট্য হল-
(i) এরা সহজে দাহিত হয়।
(ii) দহনের ফলে অবশেষ থাকে না।
৪২। জ্বালানী তেলের ব্যবহার লিখ।
উত্তরঃ (i) জ্বালানী তেল তাপ উৎপাদনের জন্য ব্যবহার করা হয়।
(ii) পাতলা জ্বালানী তেলগুলি ঘরের বার্নার এবং ভারী জ্বালানী তেলগুলি বাণিজ্যিক বার্নারে তাপ উৎপাদনের জন্য ব্যবহার করা হয়।
৪৩। তাপভংগন বা ক্রেকিং বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ কম উদ্বায়ী এবং উচ্চ আণবিক ভরবিশিষ্ট হাইড্রোকার্বনের বিয়ােজন ঘটিয়ে বেশি উদ্বায়ী এবং নিম্ন আণবিক ভরবিশিষ্ট হাইড্রোকার্বন প্রস্তুত করা প্রক্রিয়াকে ক্রেকিং বা তাপভংগন বলে।

