SEBA Class 9 Geography Important Chapter 8 শিল্প Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 Geography Important Chapter 8 শিল্প Solutions and select need one. Class 9 Elective Geography Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 Elective Geography Additional Question Answer.
SEBA Class 9 Geography Important Chapter 8 শিল্প
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines.SEBA Class 9 Geography Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Geography Additional Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
শিল্প
Chapter: 8
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। প্রতিষ্ঠানের আকার বা আয়তনের ওপর ভিত্তি করে শিল্পকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তরঃ প্রতিষ্ঠানের আকার বা আয়তনের ওপর ভিত্তি করে শিল্পকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
২। আকার বা আয়তনের ওপর ভিত্তি করে ভাগ করা শিল্পের তিনটি প্রকার কী কী?
উত্তরঃ আকার বা আয়তনের ওপর ভিত্তি করে ভাগ করা শিল্পের তিনটি প্রকার হলো ঘরোয়া শিল্প, ক্ষুদ্র শিল্প এবং বৃহৎ শিল্প।
৩। ব্যবহৃত কাঁচামাল অনুযায়ী শিল্পসমূহকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তরঃ ব্যবহৃত কাঁচামাল অনুযায়ী শিল্পসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা যায়।
৪। ব্যবহৃত কাঁচামাল অনুযায়ী শিল্পের প্রধান পাঁচটি প্রকার কী কী?
উত্তরঃ ব্যবহৃত কাঁচামালের ওপর ভিত্তি করে ভাগ করা শিল্পের পাঁচটি প্রকার হলো:
কৃষিভিত্তিক শিল্প, খনিজ সম্পদভিত্তিক শিল্প, রাসায়নিক দ্রব্যভিত্তিক শিল্প, বনজসম্পদ ভিত্তিক শিল্প এবং প্রাণী ভিত্তিক শিল্প।
৫। উৎপাদিত দ্রব্যের বা পণ্যের ভিত্তিতে শিল্পকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তরঃ উৎপাদিত দ্রব্যের বা পণ্যের ভিত্তিতে শিল্পকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়।
৬। উৎপাদিত দ্রব্যের ভিত্তিতে ভাগ করা শিল্পের প্রধান দুটি প্রকার কী কী?
উত্তরঃ উৎপাদিত দ্রব্যের ভিত্তিতে ভাগ করা শিল্পের প্রধান দুটি প্রকার হলো মৌলিক শিল্প এবং উপভোগ্য বস্তুর শিল্প।
৭। প্রতিষ্ঠানের মালিকানা অনুযায়ী শিল্পকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তরঃ প্রতিষ্ঠানের মালিকানা অনুযায়ী শিল্পকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
৮। প্রতিষ্ঠানের মালিকানা অনুযায়ী শিল্পের প্রধান তিনটি প্রকার কী কী?
উত্তরঃ প্রতিষ্ঠানের মালিকানা অনুযায়ী শিল্পের প্রধান তিনটি প্রকার হলো সর্বজনীন খণ্ডের শিল্প, ব্যক্তিগত খণ্ডের শিল্প এবং যৌথ খণ্ডের শিল্প।
৯। ঘরোয়া শিল্প সাধারণত কারা গড়ে তোলে?
উত্তরঃ ঘরোয়া শিল্প সাধারণত ঘরে পরিবারের সদস্যরা মিলে গড়ে তোলে।
১০। ঘরোয়া শিল্পের উৎপাদিত কয়েকটি দ্রব্যের নাম লেখো।
উত্তরঃ ঘরোয়া শিল্পের উৎপাদিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য দ্রব্য হলো মাটির বা ধাতুর বাসনপত্র, তাঁতশালে বোনা কাপড়, খাদ্যবস্তু, আসবাবপত্র এবং অলংকার।
১১। খনিজ সম্পদভিত্তিক কয়েকটি শিল্পের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ খনিজ সম্পদভিত্তিক কয়েকটি শিল্পের উদাহরণ হলো লোহা-ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, তামা এবং পেট্রোলিয়াম শিল্প।
১২। বনজ সম্পদভিত্তিক কয়েকটি শিল্পের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ বনজ সম্পদভিত্তিক কয়েকটি শিল্পের উদাহরণ হলো কাঠ শিল্প, প্লাইউড শিল্প এবং কাগজ শিল্প।
১৩। মৌলিক শিল্প কাকে বলা হয়?
উত্তরঃ যে প্রকার শিল্প মূলত অন্য কোনো শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল বা যন্ত্রপাতি উৎপাদন করে, তাকে মৌলিক শিল্প বলা হয়।
১৪। উপভোগ্য দ্রব্যের শিল্প বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ যে ধরনের শিল্প উপভোক্তার সরাসরি ব্যবহারের উদ্দেশ্যে নানাবিধ বস্তু বা সামগ্রী উৎপাদন করে, তাকে উপভোগ্য দ্রব্যের শিল্প বলা হয়।
১৫। উপভোগ্য দ্রব্যের শিল্পের কয়েকটি উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ উপভোগ্য দ্রব্যের শিল্পের কয়েকটি উদাহরণ হলো খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্প, চা বা কফি শিল্প, রেডিও, টেলিভিশন এবং সাবান শিল্প।
দীঘল প্রশ্ন উত্তর।
১। ঘরোয়া শিল্প বলতে কী বোঝায়? এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করো।
উত্তরঃ ঘরোয়া শিল্পের সংজ্ঞা সাধারণত কোনো উন্নত কারখানা ছাড়াই নিজের বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতায় যে অত্যন্ত ছোট আকারের শিল্প গড়ে তোলা হয়, তাকে ঘরোয়া বা কুটির শিল্প বলা হয়।
এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:
(i) ঘরোয়া পরিবেশ ও পারিবারিক শ্রম: এই শিল্পে কোনো বেতনভুক্ত বহিরাগত শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না এবং পরিবারের সদস্যরাই শ্রম দিয়ে থাকে।
(ii) স্থানীয় কাঁচামাল ও সরল যন্ত্র: ঘরোয়া শিল্পে মূলত স্থানীয়ভাবে সহজে পাওয়া যায় এমন কাঁচামাল ব্যবহার করে সামগ্রী তৈরি করা হয় এবং অত্যন্ত সাধারণ যন্ত্রপাতি বা পরম্পরাগত কৌশল প্রয়োগ করা হয়।
(iii) স্থানীয় বাজার ও ব্যবহারের ক্ষেত্র: উৎপাদিত বস্তুগুলো সাধারণত পরিবারের নিজেদের ব্যবহারের জন্য রাখা হয় অথবা স্থানীয় বাজারে অতি সহজে বিক্রি করা হয়।
(iv) উৎপাদিত সামগ্রীর বৈচিত্র্য: মাটির বা ধাতুর তৈরি সাধারণ বাসনপত্র, তাঁতশালে বোনা কাপড়, আসবাবপত্র এবং অলংকার ইত্যাদি হলো ঘরোয়া শিল্পের উদাহরণ।
২। কাঁচামাল ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে শিল্পের প্রকারভেদ উদাহরণসহ বিস্তারিত আলোচনা করো।
উত্তরঃ কাঁচামাল ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে শিল্পকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা যায়, যা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:
(ক) কৃষিভিত্তিক শিল্প: যেসব শিল্প কৃষিজাত কাঁচামালের ওপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে, সেগুলোকে কৃষিভিত্তিক শিল্প বলে। যেমন— চা শিল্প, কার্পাস-বয়ন শিল্প ইত্যাদি।
(খ) খনিজ সম্পদভিত্তিক শিল্প: যেসব শিল্পের প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে বিভিন্ন প্রকারের খনিজ সম্পদ, সেগুলোকে খনিজ সম্পদভিত্তিক শিল্প বলে। যেমন— লোহা-ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, তামা এবং পেট্রোলিয়াম শিল্প।
(গ) রাসায়নিক দ্রব্যভিত্তিক শিল্প: যেসব শিল্প বিভিন্ন প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম রাসায়নিক দ্রব্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে, সেগুলোকে রাসায়নিক দ্রব্যভিত্তিক শিল্প বলে। যেমন— সার বা ওষুধ প্রস্তুতকারী শিল্প।
(ঘ) বনজসম্পদ ভিত্তিক শিল্প: বনাঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা নানাবিধ কাঁচামালের ওপর নির্ভর করে যেসব শিল্প গড়ে ওঠে, সেগুলোকে বনজসম্পদ ভিত্তিক শিল্প বলে। যেমন— কাঠ শিল্প, প্লাইউড শিল্প এবং কাগজ শিল্প।
(ঙ) প্রাণী ভিত্তিক শিল্প: যেসব শিল্প প্রাণীদের থেকে প্রাপ্ত কাঁচামাল বা উপাদানের ওপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে, সেগুলোকে প্রাণী ভিত্তিক শিল্প বলে। যেমন— পশম শিল্প বা চামড়া শিল্প।
৩। শিল্পের অবস্থান নিয়ন্ত্রণকারী বা প্রভাবিতকারী প্রধান কারকসমূহ বিস্তারিত আলোচনা করো।
উত্তরঃ একটি অঞ্চলের শিল্পের স্থাপন এবং তার বিকাশ বেশ কয়েকটি অনুকূল ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক কারকের ওপর নির্ভর করে।
এই প্রধান কারকগুলো আলোচনা করা হলো:
(ক) কাঁচামাল: শিল্পের জন্য পর্যাপ্ত ও সহজলভ্য কাঁচামালের যোগান থাকা অত্যন্ত জরুরি। কাঁচামালের গুণাগুণ ও উৎসস্থানের ওপর ভিত্তি করেই মূলত শিল্পের অবস্থান নির্ধারিত হয়।
(খ) শক্তি বা ইন্ধন: সব শিল্পের জন্যই শক্তির প্রয়োজন অত্যন্ত বেশি। কয়লা শক্তির ওপর নির্ভরশীল শিল্পগুলো সাধারণত পরিবহন ব্যয় কমানোর জন্য কয়লাক্ষেত্রের কাছাকাছি গড়ে ওঠে, তবে পেট্রোলিয়াম, জলবিদ্যুৎ বা পারমাণবিক শক্তির মতো অন্যান্য ইন্ধন সহজে বহনযোগ্য হওয়ায় এদের ওপর নির্ভরশীল শিল্পগুলো দূরেও গড়ে উঠতে পারে।
(গ) শ্রমিক: শিল্পের অবস্থান নির্ধারণে দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শ্রমিকের সহজলভ্যতা একটি প্রধান বিচার্য বিষয়। যেমন— চা শিল্পের মতো অনেক শ্রমঘন শিল্পের ক্ষেত্রে সস্তা ও দক্ষ শ্রমিকের নিয়মিত যোগান থাকা প্রয়োজন।
(ঘ) যাতায়াত-পরিবহন: কাঁচামাল সংগ্রহ এবং উৎপাদিত সামগ্রী বাজারে পাঠানোর জন্য উপযুক্ত ও গতিশীল যাতায়াত ব্যবস্থা অত্যন্ত অপরিহার্য। গতিশীল পরিবহন ব্যবস্থা শিল্পের অবস্থানকে গভীরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।
৪। লোহা-ইস্পাত শিল্পকে কেন মৌলিক শিল্প বলা হয়? ভারতের লোহা-ইস্পাত শিল্পের অবস্থান আলোচনা করো।
উত্তরঃ মৌলিক শিল্প বলার কারণ: লোহা-ইস্পাত শিল্প মূলত অন্য শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি উৎপাদন করে। এই শিল্পে উৎপাদিত লোহা ও ইস্পাত ব্যবহার করেই অন্যান্য ভারী বা হালকা শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম তৈরি করা হয়। যেহেতু অন্যান্য সমস্ত শিল্প কোনো না কোনোভাবে এই শিল্পের ওপর নির্ভরশীল, তাই লোহা-ইস্পাত শিল্পকে মৌলিক বা প্রাথমিক শিল্প বলা হয়।
অবস্থান নির্ধারণকারী কারকসমূহ: এই শিল্পটি অত্যন্ত ভারী হওয়ায় সাধারণত কাঁচামালের উৎসস্থানের কাছাকাছি গড়ে ওঠে। যেমন— লোহার আকরিক, কয়লা, ম্যাঙ্গানিজ এবং চুনশিলা পাওয়ার সুবিধা রয়েছে এমন অঞ্চলেই এই বৃহৎ শিল্প গড়ে তোলা হয়। অবশ্য ক্ষুদ্র লোহা-ইস্পাত শিল্পগুলো বাজারের কাছাকাছিও গড়ে উঠতে পারে।
৫। কার্পাস-বয়ন শিল্পের অবস্থান নির্ধারণের বৈশিষ্ট্যসমূহ এবং এই শিল্পের গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে আলোচনা করো।
উত্তরঃ কার্পাস-বয়ন শিল্পের ভৌগোলিক অবস্থান নির্ধারণের বৈশিষ্ট্য এবং এর গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:
(ক) কাঁচামালের প্রকৃতি ও অবস্থান: কার্পাস-বয়ন শিল্পের প্রধান কাঁচামাল হলো তুলা, যা একটি বিশুদ্ধ কাঁচামাল এবং উৎপাদনে ওজনে হ্রাস পায় না। ফলে এই শিল্পের কারখানা কাঁচামালের উৎপাদনস্থলেই হোক বা বাজারের কাছাকাছি হোক, পরিবহন ব্যয়ের মধ্যে বিশেষ কোনো পার্থক্য দেখা যায় না।
(খ) অবস্থান নিয়ন্ত্রণকারী অন্যান্য কারকসমূহ: কাঁচামাল ছাড়াও এই শিল্পের অবস্থান নির্ধারণে অন্যান্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারক কাজ করে। যেমন— পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ শক্তি, সস্তা ও কুশলী শ্রমিক, অনুকূল স্যাঁতসেঁতে বা আর্দ্র প্রাকৃতিক পরিবেশ, যাতায়াতের সুব্যবস্থা এবং বড় বাজার ইত্যাদি।
(গ) বিশ্বব্যাপী বিস্তার ও অবস্থান: পরিবহন ব্যয়ের বাধ্যবাধকতা কম থাকার কারণে কার্পাস-বয়ন শিল্প অত্যন্ত বিকেন্দ্রীকৃত আকারে বিশ্বজুড়ে গড়ে উঠেছে। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, চীন, জাপান, মিশর এবং ভারত এই শিল্পে অত্যন্ত উন্নত ও প্রথম সারির দেশ হিসেবে পরিচিত।

