Class 9 Bengali MIL Important Chapter 9 পিপলান্ত্রি গ্রাম Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 9 Bengali MIL Important Chapter 9 পিপলান্ত্রি গ্রাম Solutions and select need one. Class 9 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 9 Bengali MIL Important Notes.
Class 9 Bengali MIL Important Chapter 9 পিপলান্ত্রি গ্রাম
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 9 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.
পিপলান্ত্রি গ্রাম
Chapter: 9
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘পিপলান্ত্রি গ্রাম’ পাঠটির লেখক কে?
উত্তরঃ ‘পিপলান্ত্রি গ্রাম’ পাঠটির লেখক হলেন জ্যোতিপ্রসাদ বুঢ়াগোহাঞি।
২। পিপলান্ত্রি গ্রামটি ভারতের কোন রাজ্যে এবং কোন জেলায় অবস্থিত?
উত্তরঃ পিপলান্ত্রি গ্রামটি রাজস্থানের রাজসমন্দ জেলায় অবস্থিত।
৩। রাজস্থানের রাজধানী জয়পুর থেকে পিপলান্ত্রি গ্রামের দূরত্ব কত?
উত্তরঃ রাজস্থানের রাজধানী জয়পুর থেকে পিপলান্ত্রি গ্রামের দূরত্ব ৩৫০ কিলোমিটার।
৪। রাজপুত বীর মহারানা প্রতাপের জন্মস্থান উদয়পুর থেকে এই গ্রামের দূরত্ব কত?
উত্তরঃ রাজপুত বীর মহারানা প্রতাপের জন্মস্থান উদয়পুর থেকে এই গ্রামের দূরত্ব ৬০ কিলোমিটার।
৫। অতীতে কোন প্রাকৃতিক সম্পদের খনির জন্য গ্রামটিতে পরিবেশ দূষণ শুরু হয়েছিল?
উত্তরঃ অতীতে মার্বেল পাথরের খনির জন্য গ্রামটিতে পরিবেশ দূষণ শুরু হয়েছিল।
৬। খনি থেকে দিনরাত মার্বেল পাথর তোলার ফলে গ্রামের জলের ক্ষেত্রে কী সমস্যা হয়েছিল?
উত্তরঃ খনি থেকে দিনরাত মার্বেল পাথর তোলার ফলে নদী-পুকুর ও অন্যান্য জলাশয়ের জল সম্পূর্ণ দূষিত হয়ে পড়েছিল।
৭। ভূগর্ভের জলস্তর কত ফুট নিচে নেমে যাওয়ার ফলে চাষের জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছিল?
উত্তরঃ ভূগর্ভের জলস্তর ৮০০ ফুট নিচে নেমে যাওয়ার ফলে চাষের জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছিল।
৮। কার অক্লান্ত পরিশ্রমে পিপলান্ত্রি গ্রামটি পুনরুজ্জীবিত হয়ে উঠেছে?
উত্তরঃ শ্যামসুন্দর পালিওয়ালের অক্লান্ত পরিশ্রমে পিপলান্ত্রি গ্রামটি পুনরুজ্জীবিত হয়ে উঠেছে।
৯। শ্যামসুন্দর পালিওয়াল কত সালে পিপলান্ত্রি গ্রামের প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছিলেন?
উত্তরঃ শ্যামসুন্দর পালিওয়াল ২০০৫ সালে পিপলান্ত্রি গ্রামের প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছিলেন।
১০। পালিওয়ালের কন্যা কিরণের মৃত্যুর পর তিনি কন্যার স্মরণে কী করেছিলেন?
উত্তরঃ পালিওয়ালের কন্যা কিরণের মৃত্যুর পর তিনি কন্যার স্মরণে একটি চারাগাছ রোপণ করেছিলেন।
১১। ‘কিরণ নিধি যোজনা’ প্রকল্পটির অধীনে গ্রামে কন্যা সন্তান জন্মালে কতটি চারাগাছ রোপণ করা আবশ্যক?
উত্তরঃ ‘কিরণ নিধি যোজনা’ প্রকল্পটির অধীনে গ্রামে কন্যা সন্তান জন্মালে ১১১টি চারাগাছ রোপণ করা আবশ্যক।
১২। কন্যা সন্তান জন্মালে তার ভবিষ্যৎ সুরক্ষার জন্য ব্যাংকে মোট কত টাকা ফিক্সড ডিপোজিট করে রাখা হয়?
উত্তরঃ কন্যা সন্তান জন্মালে তার ভবিষ্যৎ সুরক্ষার জন্য ব্যাংকে মোট ৩১,০০০ টাকা ফিক্সড ডিপোজিট করে রাখা হয়।
১৩। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ড. এ.পি.জে. আবদুল কালাম কত সালে এই গ্রামকে রাষ্ট্রপতি পুরস্কারে সম্মানিত করেছিলেন?
উত্তরঃ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ড. এ.পি.জে. আবদুল কালাম ২০০৭ সালে এই গ্রামকে রাষ্ট্রপতি পুরস্কারে সম্মানিত করেছিলেন।
১৪। ইউনিয়ন ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া গ্রামের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার জন্য কত টাকা দান করেছে?
উত্তরঃ ইউনিয়ন ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া গ্রামের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার জন্য ৬০ লক্ষ টাকা দান করেছে।
১৫। আর্জেন্টিনার একটি দল ভারতে এসে এই গ্রামটিকে নিয়ে কোন সিনেমা নির্মাণ করেছে?
উত্তরঃ আর্জেন্টিনার একটি দল ভারতে এসে এই গ্রামটিকে নিয়ে ‘Tree Sister’ নামের একটি সিনেমা নির্মাণ করেছে।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। পিপলান্ত্রি গ্রামের পূর্বের শোচনীয় অবস্থা এবং পরিবেশ দূষণের কারণগুলি আলোচনা করো।
উত্তরঃ একসময় পিপলান্ত্রি গ্রামের প্রাকৃতিক পরিবেশ অত্যন্ত করুণ ও শোচনীয় হয়ে পড়েছিল। এর প্রধান কারণ ছিল মার্বেল পাথরের জন্য গড়ে ওঠা বড় বড় খনিগুলি। মার্বেল পাথর তোলার জন্য দিনরাত খনিগুলোতে কাজ চলার ফলে বাতাস মারাত্মকভাবে দূষিত হয়েছিল। গাছপালা না থাকার কারণে ভূগর্ভের জলের স্তর প্রায় ৮০০ ফুট নিচে নেমে যায়। এর ফলে গ্রামের নদী, পুকুর ও জলাশয়গুলির জল দূষিত হয়ে পড়ে এবং বৃষ্টিপাত হ্রাস পাওয়ায় কৃষিকাজের জলের জন্য মানুষের মধ্যে তীব্র সংকট তৈরি হয়েছিল।
২। শ্যামসুন্দর পালিওয়াল কীভাবে পিপলান্ত্রি গ্রামের ভোল বদলে দিলেন এবং তাঁর ব্যক্তিগত শোক কীভাবে গ্রামবাসীর কল্যাণে রূপ নিল?
উত্তরঃ ২০০৫ সালে শ্যামসুন্দর পালিওয়াল পিপলান্ত্রি গ্রামের প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, যা গ্রামের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। ঠিক সেই সময়েই তাঁর একমাত্র কন্যা কিরণ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এই গভীর ব্যক্তিগত শোকে ভেঙে না পড়ে তিনি কন্যার স্মৃতি রক্ষার্থে গ্রামে একটি চারাগাছ রোপণ করেন এবং গ্রামে এক ঐতিহাসিক নিয়ম প্রবর্তন করেন। তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে গ্রামে প্রতিটি কন্যা সন্তান জন্মালে তার নামে ১১১টি চারাগাছ রোপণ করতে হবে। তাঁর এই মহৎ উদ্যোগের ফলেই আজ গ্রামটি সবুজে ভরে উঠেছে এবং পরিবেশ ফিরে পেয়েছে তার সজীবতা।
৩। ‘কিরণ নিধি যোজনা’ বলতে কী বোঝায় এবং কন্যা সন্তানের সুরক্ষায় গ্রামে কী কী সামাজিক অঙ্গীকার গ্রহণ করা হয়?
উত্তরঃ ‘কিরণ নিধি যোজনা’ হলো পিপলান্ত্রি গ্রামে কন্যা সন্তান জন্মালে তাদের পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা দেওয়ার একটি বিশেষ প্রকল্প। এই প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, গ্রামে কোনো কন্যা সন্তান জন্ম নিলে গ্রামবাসী ২১,০০০ টাকা চাঁদা তোলে এবং পিতা-মাতার কাছ থেকে ১০,০০০ টাকা নিয়ে মোট ৩১,০০০ টাকা মেয়েটির নামে ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট করে রাখা হয়। এছাড়া, মেয়েটির যাতে বাল্যবিবাহ না হয়, তাকে যেন ছেলের মতো সমাদরে মানুষ করা হয় এবং শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না করা হয়— এই শর্তগুলি মেনে নিয়ে গ্রামবাসীদের স্ট্যাম্প পেপারে স্বাক্ষর করতে হয়।
৪। পরিবেশ সংরক্ষণে পিপলান্ত্রি গ্রামের অবদানের ফলে গ্রামে কী কী ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে?
উত্তরঃ ২০০৫ সাল থেকে পিপলান্ত্রি গ্রামের মানুষ কন্যা সন্তানের জন্মের খুশিতে ১১১টি চারাগাছ রোপণ করা শুরু করার পর থেকে গ্রামের চিত্র সম্পূর্ণ বদলে যায়। গ্রামটি ধীরে ধীরে সুন্দর ও সবুজ হয়ে ওঠে এবং প্রচুর গাছপালার কারণে পরিবেশের তাপমাত্রা হ্রাস পায়। নিয়মিত বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ার ফলে ভূগর্ভের জলের স্তর অনেক উপরে উঠে এসেছে এবং পুকুর-জলাশয়গুলি জলে ভরে উঠেছে। পর্যাপ্ত জল পেয়ে কৃষিকাজ পুনরায় সচল হয়েছে এবং গ্রামে পুনরায় সুখ ও সমৃদ্ধি ফিরে এসেছে।
৫। পিপলান্ত্রি গ্রামের পরিবেশ বাঁচানোর এই আন্দোলন কীভাবে বিশ্বজুড়ে ও ভারতে স্বীকৃতি লাভ করেছে তা বিস্তারিত লেখো।
উত্তরঃ পিপলান্ত্রি গ্রামের পরিবেশ রক্ষা ও নারী কল্যাণের আন্দোলন ভারতের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে। ২০০৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ড. এ.পি.জে. আবদুল কালাম এই গ্রামকে ‘রাষ্ট্রপতি পুরস্কার’-এ ভূষিত করেন। ডেনমার্কের প্রাথমিক শিক্ষার পাঠ্যক্রমে এবং রাজস্থান সরকারের পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীর পাঠ্যক্রমে এই গ্রামের সাফল্যের কাহিনী অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া আর্জেন্টিনার একটি দল ভারতে এসে এই গ্রামকে নিয়ে নামের সিনেমা তৈরি করেছে এবং ইন্টারনেট ও ইউটিউবেও এই গ্রামের সাফল্যের কাহিনী ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে।

