Class 9 Bengali MIL Important Chapter 10 অ্যান্টিবায়োটিক ও পেনিসিলিনের কথা Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 9 Bengali MIL Important Chapter 10 অ্যান্টিবায়োটিক ও পেনিসিলিনের কথা Solutions and select need one. Class 9 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 9 Bengali MIL Important Notes.
Class 9 Bengali MIL Important Chapter 10 অ্যান্টিবায়োটিক ও পেনিসিলিনের কথা
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 9 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.
অ্যান্টিবায়োটিক ও পেনিসিলিনের কথা
Chapter: 10
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘অ্যান্টিবায়োটিক ও পেনিসিলিনের কথা’ প্রবন্ধটি কার রচনা?
উত্তরঃ ‘অ্যান্টিবায়োটিক ও পেনিসিলিনের কথা’ প্রবন্ধটি পার্থসারথি চক্রবর্তীর রচনা।
২। লেখক পার্থসারথি চক্রবর্তী কত সালে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
উত্তরঃ লেখক পার্থসারথি চক্রবর্তী ১৯৪১ সালের ১৮ জানুয়ারি উখড়াশঙ্করে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
৩। পার্থসারথি চক্রবর্তী কোন কলেজ থেকে পড়াশোনা করেন এবং কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন?
উত্তরঃ পার্থসারথি চক্রবর্তী প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে পড়াশোনা করেন এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
৪। ‘অ্যান্টিবায়োটিক’ শব্দের অন্তর্গত ‘অ্যান্টি’ এবং ‘বায়োটিক’ শব্দ দুটির অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘অ্যান্টি’ কথার অর্থ হলো বিরুদ্ধে এবং ‘বায়োটিক’ কথার অর্থ হলো জীবন।
৫। অ্যান্টিবায়োটিক মূলত কাদের দ্বারা সৃষ্টি হয়?
উত্তরঃ অ্যান্টিবায়োটিক মূলত অণুজীব বা মাইক্রো-অর্গানিজম দ্বারা সৃষ্টি হয়।
৬। চিকিৎসকেরা সচরাচর ব্যবহার করেন এমন কয়েকটি অ্যান্টিবায়োটিকের নাম লেখো।
উত্তরঃ চিকিৎসকেরা সচরাচর ব্যবহার করেন এমন কয়েকটি অ্যান্টিবায়োটিক হলো পেনিসিলিন, স্ট্রেপটোমাইসিন, নিоমাইসিন, অরিওমাইসিন এবং টেরামাইসিন।
৭। পেনিসিলিন থেকে রাসায়নিক পদ্ধতিতে প্রস্তুত আরও শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিকটির নাম কী?
উত্তরঃ পেনিসিলিন থেকে রাসায়নিক পদ্ধতিতে প্রস্তুত আরও শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিকটির নাম হলো অ্যাম্পিসিলিন।
৮। স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং কত সালে এবং কোন দেশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
উত্তরঃ স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৮৮১ সালে স্কটল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
৯। আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে ল্যাবরেটরিতে কোন দুরন্ত জীবাণু নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিলেন?
উত্তরঃ আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে ল্যাবরেটরিতে স্ট্যাফাইলোকক্কাস নামক এক ধরনের দুরন্ত জীবাণু নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিলেন।
১০। আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিনের পূর্বে কোন গুরুত্বপূর্ণ উপাদানটি আবিষ্কার করেছিলেন?
উত্তরঃ আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিনের পূর্বে লাইসোজাইম নামক উপাদানটি আবিষ্কার করেছিলেন।
১১। মানুষের শরীরের কোথায় কোথায় জীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান লাইসোজাইম পাওয়া যায়?
উত্তরঃ মানুষের চোখের জল, মুখের লালা,নাসিকানিঃসৃত শ্লেষ্মা এবং ঘামে জীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান লাইসোজাইম পাওয়া যায়।
১২। কত খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম মানুষের দেহে পেনিসিলিন প্রয়োগ করা হয়েছিল?
উত্তরঃ ১৯৪১ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সর্বপ্রথম মানুষের দেহে পেনিসিলিন প্রয়োগ করা হয়েছিল।
১৩। আলেকজান্ডার ফ্লেমিং কত সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন এবং তিনি কবে মারা যান?
উত্তরঃ আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯৪৫ সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন এবং তিনি ১৯৫৫ সালে মারা যান।
১৪। কোন ইংরেজ অধ্যাপক ফ্লেমিংয়ের ছাত্র-গবেষণার ব্যাপারে অত্যন্ত আগ্রহী হয়ে পেনিসিলিনের নির্যাস বের করেছিলেন?
উত্তরঃ অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাথলজির তরুণ অধ্যাপক ডক্টর ফ্লোরি ফ্লেমিংয়ের গবেষণার ব্যাপারে অত্যন্ত আগ্রহী হয়ে পেনিসিলিনের আসল নির্যাস বের করেছিলেন।
১৫। অ্যান্টেনি লিউয়েনহক কত খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম অণুজীব বা ‘অ জীব’ আবিষ্কার করেন?
উত্তরঃ অ্যান্টেনি লিউয়েনহক ১৬৭৫ খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম অণুজীব বা ‘অ জীব’ আবিষ্কার করেন।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। অ্যান্টিবায়োটিক কাকে বলে? এটি কীভাবে কাজ করে এবং কয়েকটি অ্যান্টিবায়োটিকের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ রোগজীবাণু ধ্বংসকারী বা সেগুলির প্রজননে বাধা প্রদানকারী প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম রাসায়নিক পদার্থকে অ্যান্টিবায়োটিক বলা হয়। কিছু অণুজীব নিজেদের শরীর থেকে এমন সব রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে, যা অন্য ক্ষতিকর অণুজীবদের ধ্বংস করতে পারে;
এই পদার্থগুলিই হলো অ্যান্টিবায়োটিক। শরীরের মধ্যে প্রবেশ করে অ্যান্টিবায়োটিক কীভাবে ক্ষতিকর জীবাণুর বৃদ্ধি বন্ধ করে তার সঠিক উত্তর এখনও পুরোপুরি জানা যায়নি, তবে বিজ্ঞানীদের ধারণা, জীবাণুদের বেড়ে ওঠার জন্য যে খাদ্যের প্রয়োজন হয়, অ্যান্টিবায়োটিক মূলত সেই খাদ্যের জোগান বন্ধ করে দেয়। কয়েকটি বহুল ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক হলো পেনিসিলিন, স্ট্রেপটোমাইসিন, নিওমাইসিন, অরিওমাইসিন, টেরামাইসিন ইত্যাদি।
২। আলেকজান্ডার ফ্লেমিং কীভাবে আকস্মিকভাবে পেনিসিলিন আবিষ্কার করেছিলেন তা আলোচনা করো।
উত্তরঃ ১৯২৮ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং তাঁর গবেষণাগারে পেট্রিডিশে স্ট্যাফাইলোকক্কাস নামক রোগ সৃষ্টিকারী এক ধরনের দুরন্ত জীবাণু নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিলেন। একদিন অসাবধানতাবশত তাঁর একটি গবেষণা পাত্রের ওপর বাতাস থেকে কিছু সবুজ রঙের ছাতা বা ছত্রাক এসে পড়ে। ফ্লেমিং লক্ষ্য করেন যে, যেখানে সেই সবুজ ছাতা গজিয়েছে, তার নিচের স্ট্যাফাইলোকক্কাস জীবাণুগুলো একেবারে গলে বা নষ্ট হয়ে গেছে। ফ্লেমিং সেই পাত্রটি ধুয়ে না ফেলে একপাশে সরিয়ে রাখেন এবং নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে জানতে পারেন যে এই ছত্রাকটি হলো ‘পেনিসিলিয়াম নোটেটাম’। এই ছত্রাক থেকে নিঃসৃত রসই পরবর্তীতে মানুষের জীবনদায়ী প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক ‘পেনিসিলিন’ নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করে।
৩। লাইসোজাইম কী? মানুষের শরীরে এর উপস্থিতি এবং কার্যকারিতা সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করো।
উত্তরঃ লাইসোজাইম হলো এক ধরনের প্রাকৃতিক শক্তিশালী রাসায়নিক উপাদান, যা রোগজীবাণুকে দ্রবীভূত করে বা গলিয়ে ধ্বংস করে দিতে পারে। বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কারের পূর্বেই এই লাইসোজাইম আবিষ্কার করেছিলেন। মানুষের অত্যন্ত সংবেদনশীল অঙ্গ চোখকে রোগজীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য চোখের জল সবসময় চোখকে ভিজিয়ে রাখে এবং এই চোখের জলেই লাইসোজাইম থাকে। ল্যাবরেটরিতে টেস্টটিউবের পরিশ্রুত জলে রোগজীবাণু মিশিয়ে ঘোলাটে করা মিশ্রণে এক ফোঁটা চোখের জল ফেললেই সেই ঘোলাটে ভাব কেটে যেত, যা লাইসোজাইমের তীব্র জীবাণুনাশক শক্তির প্রমাণ। চোখের জল ছাড়াও মানুষের মুখের লালা, নাকের শ্লেষ্মা এবং ঘামেও এই লাইসোজাইম বর্তমান থাকে যা শরীরকে প্রতিনিয়ত জীবাণুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
৪। পেনিসিলিন আবিষ্কার থেকে শুরু করে ওষুধ হিসেবে চিকিৎসাক্ষেত্রে এর চূড়ান্ত ব্যবহারের ইতিহাস সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ ১৯২৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিয়াম ছত্রাকের জীবাণু-ধ্বংসী ক্ষমতা প্রথম পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি ১৯২৯ সালে এই বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। তবে মানুষের চিকিৎসায় পেনিসিলিনের প্রত্যক্ষ ব্যবহার শুরু হতে আরও চৌদ্দ বছর সময় লেগেছিল, অর্থাৎ ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে এর ব্যবহার শুরু হয়। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাথলজির তরুণ অধ্যাপক ডক্টর ফ্লোরি এবং অন্য একজন বিজ্ঞানী ব্রিটিশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন ও আমেরিকার রকফেলার ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় অক্লান্ত গবেষণা চালিয়ে পেনিসিলিয়াম ছত্রাক থেকে এর আসল নির্যাস বের করে চিকিৎসোপযোগী পেনিসিলিন তৈরি করেন। পরবর্তীতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধক্ষেত্রে আহত সৈনিকদের ক্ষত নিরাময় ও চিকিৎসায় এই পেনিসিলিন ওষুধটি ধনবন্তরীর মতো কাজ করেছিল।
৫। লেখক পার্থসারথি চক্রবর্তীর সংক্ষিপ্ত সাহিত্যিক ও পেশাগত পরিচয় দাও।
উত্তরঃ পার্থসারথি চক্রবর্তী বাংলা বিজ্ঞান সাহিত্যের এক অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিশিষ্ট লেখক। তিনি ১৯৪১ সালের ১৮ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের উখড়াশঙ্করে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব ও কৈশোর উখড়াশঙ্করে কাটানোর পর তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা সম্পন্ন করেন এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর পিতা ননীগোপাল চক্রবর্তীও একজন সুলেখক ছিলেন। পেশাগত জীবনে পার্থসারথি চক্রবর্তী পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহ-শিক্ষা অধিকর্তা হিসেবে দীর্ঘকাল দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ইউনিসেফ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির মতো স্বনামধন্য সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। শিশুসাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ‘কিশোর জ্ঞানবিজ্ঞান পুরস্কার’ (১৯৮৬) এবং ‘জাতীয় শিশুসাহিত্য পুরস্কার’ (১৯৮৯) লাভ করেন।

