Class 9 Bengali MIL Important Chapter 11 লড়াই

Class 9 Bengali MIL Important Chapter 11 লড়াই Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 9 Bengali MIL Important Chapter 11 লড়াই Solutions and select need one. Class 9 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 9 Bengali MIL Important Notes.

Class 9 Bengali MIL Important Chapter 11 লড়াই

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 9 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 11

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘লড়াই’ গল্পটি কার রচনা?

উত্তরঃ ‘লড়াই’ গল্পটি ড. মৃণাল কলিতার রচনা।

২। ড. মৃণাল কলিতার জন্মস্থান কোথায়?

উত্তরঃ ড. মৃণাল কলিতার জন্ম কামরূপ জেলার বামুন্দি গ্রামে হয়েছিল।

৩। ড.মৃণাল কলিতা বর্তমানে কোন মহাবিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করছেন?

উত্তরঃ ড. মৃণাল কলিতা বর্তমানে পাণ্ডু মহাবিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করছেন।

৪। ড. মৃণাল কলিতার প্রকাশিত একটি বিখ্যাত উপন্যাসের নাম লেখো।

উত্তরঃ ড.মৃণাল কলিতার প্রকাশিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো ‘বকুল ফুলের মতো’।

৫। ড.মৃণাল কলিতার লেখা দুটি বিজ্ঞান বা গণিত বিষয়ক গ্রন্থের নাম লেখো।

উত্তরঃ ড. মৃণাল কলিতার লেখা দুটি গ্রন্থ হলো ‘গডফাদারর হাত ও শয়তানের মগজ’ এবং ‘গণিতের বর্ণিল জগৎ’।

৬। ‘লড়াই’ গল্পটি অসমীয়া ভাষা থেকে বাংলায় কে রূপান্তর করেছেন?

উত্তরঃ ‘লড়াই’ গল্পটি অসমীয়া ভাষা থেকে বাংলায় রূপান্তর করেছেন মিহির মজুমদার।

৭। ক্লাসে কার ব্যাগ থেকে টাকা চুরি হয়েছিল?

উত্তরঃ ক্লাসে প্রশান্তের ব্যাগ থেকে টাকা চুরি হয়েছিল।

৮। সিদ্ধার্থ ও প্রশান্তদের ক্লাস শিক্ষকের নাম কী ছিল?

উত্তরঃ সিদ্ধার্থ ও প্রশান্তদের ক্লাস শিক্ষকের নাম মহেন্দ্র মাস্টার ছিল।

৯। তল্লাশি চালিয়ে সিদ্ধার্থের ব্যাগে কত টাকার নোট পাওয়া গিয়েছিল?

উত্তরঃ তল্লাশি চালিয়ে সিদ্ধার্থের ব্যাগে দুখানা পঞ্চাশ টাকার নোট পাওয়া গিয়েছিল।

১০। সিদ্ধার্থের পরম হিতৈষী ও সহানুভূতিশীল সহপাঠী বন্ধুটির নাম কী ছিল?

উত্তরঃ সিদ্ধার্থের পরম হিতৈষী ও সহানুভূতিশীল সহপাঠী বন্ধুটির নাম নির্মল ছিল।

১১। সিদ্ধার্থ কার পাল্লায় পড়ে নিষিদ্ধ ড্রাগসের নেশায় আসক্ত হয়েছিল?

উত্তরঃ সিদ্ধার্থ স্কুলের গেটের বাইরের এক পান-দোকানদারের পাল্লায় পড়ে নিষিদ্ধ ড্রাগসের নেশায় আসক্ত হয়েছিল।

১২। নেশার টাকা জোগাড় করতে সিদ্ধার্থ ঘরের কোন মূল্যবান জিনিসটি চুরি করেছিল?

উত্তরঃ নেশার টাকা জোগাড় করতে সিদ্ধার্থ তার মায়ের হাতের সোনার বালা চুরি করেছিল।

১৩। সোনার বালা চুরির অপরাধে পুলিশ কাকে ধরে নিয়ে গিয়ে লকআপে পুরেছিল?

উত্তরঃ সোনার বালা চুরির অপরাধে পুলিশ তাদের বাড়ির নিরীহ কাজের মেয়েটিকে ধরে নিয়ে গিয়ে লকআপে পুরেছিল।

১৪। সিদ্ধার্থ তার পেন্সিল বাক্সে অত্যন্ত যত্ন করে কী জমিয়ে রেখেছিল?

উত্তরঃ সিদ্ধার্থ তার পেন্সিল বাক্সে অত্যন্ত যত্ন করে তার বাবার দেওয়া চকোলেটের লেবেলগুলো জমিয়ে রেখেছিল।

১৫। “লড়াইটাই জীবন” — উক্তিটি কার?

উত্তরঃ “লড়াইটাই জীবন” — এই বিখ্যাত উক্তিটি নির্মলের।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। ‘লড়াই’ গল্পটির নামকরণের সার্থকতা সংক্ষেপে বিচার করো।

উত্তরঃ ড.মৃণাল কলিতার ‘লড়াই’ গল্পটির নামকরণ অত্যন্ত জীবনমুখী ও তাৎপর্যপূর্ণ। গল্পে কেবল বাহ্যিক যুদ্ধ নয়, বরং মানুষের জীবনের ভেতরের এক কঠিন মানসিক সংগ্রামের কথা বলা হয়েছে। প্রধান চরিত্র সিদ্ধার্থ পারিবারিক অশান্তি ও নিঃসঙ্গতার শিকার হয়ে ড্রাগসের অন্ধকার জগতে পা দিয়েছিল, যা থেকে নিজেকে মুক্ত করার জন্য তাকে নিজের মনের আসক্তির বিরুদ্ধে এক কঠিন লড়াই লড়তে হয়। অন্যদিকে, তার অকৃত্রিম বন্ধু নির্মল নিজেও এক মারাত্মক ও জটিল শারীরিক রোগের সাথে প্রতিনিয়ত লড়াই করে চলেছে। নির্মল মনে করে যে নিয়মকানুনের মধ্যে থেকে এই লড়াই চালিয়ে যাওয়াই হলো জীবন। দুই বন্ধুর এই জীবনযুদ্ধ ও অন্ধকার থেকে আলোতে ফেরার সৎ চেষ্টার মধ্য দিয়ে গল্পটির নামকরণ অত্যন্ত সার্থক হয়েছে।

২। সিদ্ধার্থের নেশাগ্রস্ত হওয়ার পেছনে তার পারিবারিক পরিবেশ কীভাবে দায়ী ছিল তা আলোচনা করো।

উত্তরঃ সিদ্ধার্থের বিপথগামী ও নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ার পেছনে তার পারিবারিক ভাঙন এবং অশান্ত পরিবেশ ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিল। শৈশব থেকেই সে তার বাবা ও মায়ের মধ্যে তীব্র ঝগড়া, কোন্দল এবং কদর্য গালিগালাজ দেখে বড় হয়েছে, যা তার কোমল মনে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করত। একসময় তার বাবা তাদের ফেলে চলে যান এবং সংসারের হাল ধরতে গিয়ে তার মাও সিদ্ধার্থের প্রতি মনোযোগ ও স্নেহের অভাব ঘটান। এই তীব্র অভিভাবকহীনতা, নিঃসঙ্গতা ও ভালোবাসার অভাব থেকে বাঁচতে এবং মনের অসহ্য শূন্যতা কাটাতে গিয়েই সিদ্ধার্থ অবশেষে ছদ্মবেশী পান-দোকানদারের খপ্পরে পড়ে নিষিদ্ধ ড্রাগসের নীল দংশনে বিলীন হয়ে যায়।

৩। স্কুলের গেটের বাইরের পান-দোকানদারটি কীভাবে সিদ্ধার্থকে ড্রাগসের জালে জড়িয়েছিল তা বর্ণনা করো।

উত্তরঃ পারিবারিক হতাশায় দীর্ণ সিদ্ধার্থ যখন স্কুলে সকলের থেকে নিজেকে গুটিয়ে         নিয়েছিল, তখন স্কুলের গেটের বাইরের এক পান-দোকানদার তার ওপর নজর রাখে। দোকানদারটি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল সাজার ভান করে সিদ্ধার্থের কাছে এগিয়ে যায় এবং তার কষ্টের কথা শুনে তাকে একটু হালকা বোধ করানোর অছিলায় একটি ক্ষতিকর নিষিদ্ধ ড্রাগস মিশ্রিত সিগারেট দেয়। প্রথমবার সিগারেটটি খাওয়ার পর সিদ্ধার্থের মনে হয় তার সমস্ত কষ্ট দূর হয়ে গেছে এবং সে শান্তিতে ঘুমায়। কিন্তু পরের দিন থেকেই সে এই ড্রাগসের তীব্র আসক্তিতে ছটফট করতে শুরু করে। সুযোগ বুঝে দোকানদারটি তাকে ফ্রিতে ড্রাগস দেওয়া বন্ধ করে চড়া দাম দাবি করে, যার ফলে সিদ্ধার্থ টাকা চুরির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।

৪। “তোরে কি হয়েছে আমাকে বলতেই হবে সিদ্ধার্থ” — উক্তিটি কার? বক্তা কীভাবে সিদ্ধার্থকে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট হয়েছিল?

উত্তরঃ আলোচ্য উক্তিটি সিদ্ধার্থের সহপাঠী ও প্রিয় বন্ধু নির্মলের। স্কুলে টাকা চুরির অপবাদে যখন সবাই সিদ্ধার্থকে চোর ভেবে অবজ্ঞা করছিল, তখন একমাত্র নির্মলই তার পাশে বন্ধুর মতো এসে দাঁড়ায়। সে সিদ্ধার্থের শারীরিক ছটফটানি ও পরিবর্তন লক্ষ্য করে তাকে নদীর তীরে নিয়ে যায় এবং পরম স্নেহে তার দুঃখের কথা জানতে চায়। সিদ্ধার্থ যখন তার ড্রাগস আসক্তি ও সোনার বালা চুরির কথা স্বীকার করে কান্নায় ভেঙে পড়ে, তখন নির্মল তাকে তিরস্কার না করে আশ্বস্ত করে। নির্মল তাকে বলে যে এই পথ মৃত্যুর পথ এবং এই মারণ আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে তাকে চিকিৎসকের সাহায্য নিতে হবে। নির্মলের এই গভীর দায়িত্ববোধ, শাসন ও ভালোবাসা সিদ্ধার্থকে পুনরায় বেঁচে ওঠার সাহস জোগায়।

৫। লেখক ড. মৃণাল কলিতার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও এবং তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থগুলির উল্লেখ করো।

উত্তরঃ ড. মৃণাল কলিতা আধুনিক অসমীয়া সাহিত্যের এক অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক এবং প্রাবন্ধিক। তিনি অসমের কামরূপ (গ্রাম্য) জেলার বামুন্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রাবস্থা থেকেই প্রখর মেধার অধিকারী মৃণাল কলিতা বর্তমানে গুয়াহাটির পাণ্ডু মহাবিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে অধ্যাপনা করছেন। তাঁর রচিত প্রথম অসমীয়া কিশোর উপন্যাস ‘বকুল ফুলের মতো’ পাঠকসমাজে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং অসমীয়া সাহিত্যে এক নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করে। এছাড়া তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে— ‘অনুশীলন’,’অযান্ত্রিক’, ‘মৃত্যুর সিপারে’, ‘গডফাদারর হাত ও শয়তানের মগজ’ এবং ‘গণিতের বর্ণিল জগৎ’।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top