Class 9 Bengali MIL Important Chapter 12 আমরা

Class 9 Bengali MIL Important Chapter 12 আমরা Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 9 Bengali MIL Important Chapter 12 আমরা Solutions and select need one. Class 9 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 9 Bengali MIL Important Notes.

Class 9 Bengali MIL Important Chapter 12 আমরা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 9 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 12

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘আমরা’ কবিতাটি কার রচনা?

উত্তরঃ ‘আমরা’ কবিতাটি কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের রচনা।

২। কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা সাহিত্যে কী নামে বিখ্যাত?

উত্তরঃ কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা সাহিত্যে ‘ছন্দের জাদুকর’ নামে বিখ্যাত।

৩। কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের জন্ম কবে এবং কোথায় হয়েছিল?

উত্তরঃ ১৮৮২ খ্রিষ্টাব্দের ১১ ফেব্রুয়ারি ২৪ পরগনা জেলার নিমতা গ্রামে কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের জন্ম হয়েছিল।

৪। সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের পিতা ও মাতার নাম কী ছিল?

উত্তরঃ সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের পিতার নাম রজনীকান্ত দত্ত এবং মাতার নাম মহামায়া ছিল।

৫। সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের পিতামহ কে ছিলেন এবং তিনি কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?

উত্তরঃ সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের পিতামহ ছিলেন বিখ্যাত লেখক অক্ষয়কুমার দত্ত এবং তিনি ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

৬। কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো।

উত্তরঃ কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো ‘বেণু ও বীণা’, ‘কুহু ও কেকা’, ‘অভ্র আবীর’ এবং ‘তীর্থ সলিল’।

৭। কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত কত সালে বা খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?

উত্তরঃ কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দের ২৫ জুন মৃত্যুবরণ করেন।

৮। ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নদী গঙ্গার দৈর্ঘ্য কত এবং এর অপর নাম কী?

উত্তরঃ গঙ্গা নদীর দৈর্ঘ্য ২৫২৫ কিলোমিটার এবং এর অপর নাম জাহ্নবী।

৯। রামচন্দ্রের পিতা ও মাতার নাম কী ছিল?

উত্তরঃ রামচন্দ্রের পিতার নাম দশরথ এবং মাতার নাম কৌশল্যা ছিল।

১০। বাবর কত খ্রিষ্টাব্দে কাকে পরাজিত করে ভারতে মোগল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন?

উত্তরঃ বাবর ১৫২৭ খ্রিষ্টাব্দের ২১ এপ্রিল পানিপথের প্রথম যুদ্ধে ইব্রাহিম লোধীকে পরাজিত করে ভারতে মোগল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।

১১। আকবরের সেনাদলের বিরুদ্ধে রানা প্রতাপ কত খ্রিষ্টাব্দে এবং কোন যুদ্ধে লড়াই করেছিলেন?

উত্তরঃ ১৫৭৬ খ্রিষ্টাব্দে হলদিঘাটের যুদ্ধে রানা প্রতাপ আকবরের সেনাদলের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন।

১২। ভারতীয় ষড়দর্শনের প্রাচীনতম দর্শন কোনটি এবং এর সূত্রকার কে?

উত্তরঃ ভারতীয় ষড়দর্শনের প্রাচীনতম দর্শন হলো সাংখ্য দর্শন এবং এর সূত্রকার হলেন মহর্ষি কপিল।

১৩। কবি জয়দেবের বিখ্যাত সংস্কৃত কাব্যগ্রন্থের নাম কী এবং তিনি কোন রাজার রাজসভায় ছিলেন?

উত্তরঃ কবি জয়দেবের বিখ্যাত সংস্কৃত কাব্যগ্রন্থের নাম ‘গীতগোবিন্দম’ এবং তিনি বাংলার রাজা লক্ষণ সেনের রাজসভায় ছিলেন।

১৪। বাউল সম্প্রদায় সম্পর্কে পাঠ্য অংশে কী বলা হয়েছে?

উত্তরঃ বাউলরা গ্রামবাংলায় গান গেয়ে ভিক্ষা করে বেড়ানো এক মানবতাবাদী লোকসম্প্রদায়, যাঁরা কোনো ধর্মগ্রন্থ, জাতিভেদ বা মূর্তি পূজা মানেন না।

১৫। স্বামী বিবেকানন্দের আসল নাম কী ছিল এবং তাঁর পিতার নাম কী ছিল?

উত্তরঃ স্বামী বিবেকানন্দের আসল নাম ছিল নরেন্দ্রনাথ দত্ত এবং তাঁর পিতার নাম বিশ্বনাথ দত্ত ছিল।

দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর।

১। ‘আমরা’ কবিতার মূলভাব নিজের ভাষায় সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তরঃ ‘আমরা’ কবিতায় কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বাঙালির বীরত্ব, শৌর্য-বীর্য এবং গৌরবগাথার কাহিনী বর্ণনা করেছেন। কবি বাংলাদেশকে একটি পুণ্যতীর্থ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যেখানে গঙ্গার পবিত্র মুক্তধারা প্রবাহিত হয় এবং কাঞ্চনজঙ্ঘার চূড়ায় সূর্যের আলোয় ভুবন আলোকিত হয়। প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ এই বঙ্গভূমিতে বাঙালিরা দুঃসাহসিক কাজের মাধ্যমে অসম্ভবকে সম্ভব করেছে এবং রণপ্রাঙ্গণে দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়েছে। এছাড়া জ্ঞান-বিজ্ঞান, স্থাপত্য, ভাস্কর্য এবং শিল্প-সংস্কৃতিতে বাঙালির অবদান অতুলনীয়। মহর্ষি কপিল, অতীশ দীপঙ্কর, জয়দেব, বিটপাল, ধীমান, শ্রীচৈতন্য এবং স্বামী বিবেকানন্দের মতো ব্যক্তিত্বদের অবদান বিশ্বসভায় বাঙালির গৌরব প্রতিষ্ঠিত করেছে।

২। কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কবি-পরিচয় ও সাহিত্যকীর্তি সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তরঃ কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮২ খ্রিষ্টাব্দের ১১ ফেব্রুয়ারি ২৪ পরগনা জেলার নিমতা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম রজনীকান্ত দত্ত এবং পিতামহ ছিলেন ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার সম্পাদক অক্ষয়কুমার দত্ত। মাত্র ১৮ বছর বয়সে সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় এবং তিনি সাহিত্য রচনাকেই জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেন। বাংলা কাব্যজগতে তিনি ‘ছন্দের জাদুকর’ নামে খ্যাতি লাভ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে ‘বেণু ও বীণা’, ‘কুহু ও কেকা’, ‘অভ্র আবীর’ এবং ‘তীর্থ সলিল’। এছাড়া ছন্দ সম্পর্কিত তাঁর সম্পাদিত রচনা ‘ছন্দ সরস্বতী’ বিশেষ উল্লেখযোগ্য। ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দের ২৫ জুন তিনি পরলোক গমন করেন।

৩। শিল্প, স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে বাঙালির অবদান সম্পর্কে পাঠ্য অংশ থেকে কী জানা যায়?

উত্তরঃ পাঠ্য অংশ অনুযায়ী শিল্প ও সংস্কৃতিতে বাঙালির অবদান অত্যন্ত অসাধারণ ও বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। স্থাপত্য ও ভাস্কর্য শিল্পের ক্ষেত্রে বিটপাল এবং ধীমানের নাম অমর হয়ে রয়েছে। প্রাচীনকালে বাঙালির স্থপতিরা বরভূধরের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন এবং শ্যাম কম্বোজে ‘ওঙ্কার-ধাম’ নির্মাণ করে প্রাচীন কীর্তি স্থাপন করেছিলেন। এছাড়া অজন্তা ও ইলোরার শিল্পকলায় বাঙালির অবদান অক্ষয় হয়ে আছে। অন্যদিকে সংগীতের ক্ষেত্রে কীর্তন এবং বাউল গান বাঙালির অন্তরের গোপন দুয়ার খুলে দিয়ে বিশ্ববাসীকে সমন্বয়ের পথ দেখিয়েছে।

৪। জ্ঞান-বিজ্ঞান ও দর্শনে প্রাচীন বাঙালির কৃতিত্বের পরিচয় দাও।

উত্তরঃ প্রাচীনকাল থেকেই জ্ঞান-চর্চা ও দর্শনে বাঙালির অবদান বিশ্ববিদিত।ভারতীয় ষড়দর্শনের অন্যতম প্রাচীন সাংখ্য দর্শনের সূত্রকার ছিলেন মহর্ষি কপিল, যিনি মানবজাতির দুঃখ দূরীকরণের জন্য তাঁর শিষ্য আসুরিকে এই পরম বিদ্যা প্রদান করেছিলেন। এছাড়া অতীশ দীপঙ্কর তিব্বতে গিয়ে জ্ঞানের দীপ জ্বালিয়েছিলেন এবং বঙ্গদেশকে বিশ্বমঞ্চে পরিচিত করেছিলেন। কবি জয়দেব সংস্কৃত ভাষায় বিখ্যাত ‘গীতগোবিন্দম’ কাব্য রচনা করে সাহিত্য জগতকে সমৃদ্ধ করেছিলেন। সাধনা ও রসায়নের ক্ষেত্রেও বাঙালি বিষম ধাতুর মিলন ঘটিয়ে নতুন সমন্বয় গড়ে তুলেছিল।

৫। মোগল সাম্রাজ্য ও রানা প্রতাপ সিংহ সম্পর্কিত ঐতিহাসিক বিবরণ সংক্ষেপে লেখো।

উত্তরঃ মোগল শব্দটি ‘মোঙল’ শব্দ থেকে উদ্ভূত হয়েছে, যাঁদের আদি বাসভূমি ছিল মধ্য এশিয়ার মোঙলিয়া অঞ্চল। শক্তিশালী নেতা চেঙ্গিজ খাঁ এবং পরবর্তীকালে তৈমুর লংয়ের আক্রমণের পর, বাবর ১৫২৭ খ্রিষ্টাব্দের ২১ এপ্রিল পানিপথের প্রথম যুদ্ধে ইব্রাহিম লোধীকে পরাজিত করে ভারতে মোগল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। এই মোগল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ছিলেন মেবারের স্বাধীনচেতা রাজপুত সেনানী রানা প্রতাপ সিংহ। তিনি কখনো মোগলদের বশ্যতা স্বীকার করেননি এবং ১৫৭৬ খ্রিষ্টাব্দে ঐতিহাসিক হলদিঘাটের যুদ্ধে সামান্য সৈন্য নিয়ে আকবরের বাহিনীর বিরুদ্ধে বীরত্বের সঙ্গে লড়াই করেছিলেন। যুদ্ধে পরাজিত হলেও তাঁর শৌর্যগাথা আজও ভারতবাসীর মনে উদ্দীপনা সঞ্চার করে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top