Class 9 Bengali MIL Important Chapter 8 ডাইনী Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 9 Bengali MIL Important Chapter 8 ডাইনী Solutions and select need one. Class 9 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 9 Bengali MIL Important Notes.
Class 9 Bengali MIL Important Chapter 8 ডাইনী
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 9 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.
ডাইনী
Chapter: 8
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। ‘ডাইনী’ গল্পটি কার রচনা?
উত্তরঃ ‘ডাইনী’ গল্পটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনা।
২। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনকাল কত?
উত্তরঃ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনকাল ১৮৯৮ থেকে ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
৩। গল্পে উল্লেখিত মাঠটির নাম কী ছিল?
উত্তরঃ গল্পে উল্লেখিত মাঠটির নাম ছাতি-ফাটার মাঠ।
৪। ছাতি-ফাটার মাঠের অপূর্ণতা বা ভয়াবহতা কোন ঋতুতে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়?
উত্তরঃ গ্রীষ্মকালে এই মাঠের রূপ অত্যন্ত অদ্ভুত ও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে এবং পিপাসায় মানুষের মৃত্যু হওয়াও এখানে অসম্ভব নয়।
৫। লোকশ্রুতি অনুযায়ী অতীতকালে কোন বিষধর প্রাণী এসে এই মাঠে বসতি করেছিল?
উত্তরঃ লোকশ্রুতি অনুযায়ী অতীতকালে একটি বিষধর মহানাগ এসে এই মাঠে বসতি করেছিল।
৬। ডাইনী বলে কথিত বুড়িটি কোথায় এবং কত বছর ধরে বাস করছে?
উত্তরঃ বুড়িটি ছাতি-ফাটার মাঠের পূর্ব প্রান্তে ললিতের জলাশয়ের ওপরে রামনগরের সাহেদের আমবাগানে দীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে বাস করছে।
৭। বুড়ির ঘরটির অবস্থান কোথায় ছিল এবং সে সারাদিন কী করত?
উত্তরঃ আমবাগানের ছায়ায় বুড়ির একটি মাটির ঘর ছিল এবং সে সারাদিন বারান্দায় স্তব্ধ হয়ে চোখের পলক না ফেলে ছাতি-ফাটার মাঠের দিকে চেয়ে থাকত।
৮। ডাইনী বুড়ি কীভাবে নিজের জীবিকা নির্বাহ করত?
উত্তরঃ বুড়ি সপ্তাহে একদিন ভিক্ষা করতে বের হতো এবং লোকেরা ভয়ের কারণে তাকে বেশি পরিমাণে ভিক্ষা দিত।
৯। হারু সরকার কেন বুড়ির চুলের মুঠি ধরে ঘাটের সিঁড়িতে আছাড় মেরেছিল?
উত্তরঃ হারু সরকার অভিযোগ করেছিল যে ডাইনী বুড়ি তার ছেলের ওপর অশুভ নজর বা কুদৃষ্টি দিয়েছে।
১০। সাবিত্রীর ছেলের মৃত্যুর সময় তার শরীরে কী ধরণের লক্ষণ দেখা গিয়েছিল?
উত্তরঃ সাবিত্রীর ছেলে ধনুকের মতো বেঁকে গিয়েছিল এবং তার ছটফটানি দেখে মনে হচ্ছিল কেউ যেন তার রক্ত চুষে খাচ্ছে।
১১। ডাইনী অপবাদ থেকে মুক্তি পেতে বুড়ি কার কাছে প্রার্থনা করেছিল?
উত্তরঃ ডাইনী অপবাদ থেকে মুক্তি পেতে এবং একজন সাধারণ মানুষ হতে বুড়ি জাগ্রত দেবী মা তারার কাছে প্রার্থনা করেছিল।
১২। বাউড়ী মেয়েটি বাউড়ী ছেলের কাছে পালিয়ে যাওয়ার শর্ত হিসেবে কী দাবি করেছিল?
উত্তরঃ বাউড়ী মেয়েটি পালিয়ে যাওয়ার আগে রুপোর চুড়ি এবং আঁচলে বাঁধা দশটি টাকা দাবি করেছিল।
১৩। ছেলেটি কেন বুড়িকে দেখে আতঙ্কে চিৎকার করে পালিয়ে গিয়েছিল?
উত্তরঃ বুড়িকে নিজের দিকে এগিয়ে আসতে দেখে ছেলেটি ডাইনী ভেবে অত্যন্ত ভয় পেয়ে চিৎকার করে পালিয়ে গিয়েছিল।
১৪। ছেলেটি পালিয়ে যাওয়ার পর ক্রুদ্ধ হয়ে বুড়ি কী অভিশাপ দিয়েছিল?
উত্তরঃ ছেলেটি পালিয়ে যাওয়ার পর ক্রুদ্ধ হয়ে বুড়ি অভিশাপ দিয়েছিল যে “মর-মর-তুঁই মর”।
১৫। ‘ডাইনী’ গল্পের শেষে পরদিন সকালে মাঠের প্রান্তে কী দেখা গিয়েছিল?
উত্তরঃ পরদিন সকালে ছাতি-ফাটার মাঠের প্রান্তে একটি ভাঙা সুচালো ডালের মাথায় বৃদ্ধা ডাইনীর মৃতদেহ বিদ্ধ হয়ে ঝুলতে দেখা গিয়েছিল।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। ‘ডাইনী’ গল্প অবলম্বনে ছাতি-ফাটার মাঠের ভয়াবহ রূপের বর্ণনা দাও।
উত্তরঃ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ডাইনী’ গল্পে ছাতি-ফাটার মাঠের এক ভয়ানক ও রুক্ষ চিত্র অঙ্কন করা হয়েছে। এই মাঠটি এতটাই বিশাল ও ছায়াহীন যে একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে যেতে গেলে তৃষ্ণায় মানুষের বুক ফেটে মৃত্যু হওয়াও গ্রীষ্মকালে অত্যন্ত স্বাভাবিক ঘটনা। লোকশ্রুতি অনুযায়ী, অতীতে এক মহানাগের বিষের জ্বালায় এই মাঠের সমস্ত সবুজ রূপ পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল।
গ্রীষ্মকালে মাঠের চারিদিক ধোঁয়াটে হয়ে যায়, কোনো বড় গাছ বা জলের জলাশয় থাকে না এবং ঘূর্ণি বাতাসে শুকনো পাতাগুলো সাপের মতো ঘুরতে থাকে। মাঠের এই নির্জন ও ভয়ঙ্কর রূপ দেখলেই মনে হয় যেন পুরো মাঠটি এক অদ্ভুত আনন্দে নাচছে।
২। ডাইনী হিসেবে কুখ্যাত বুড়িটির জীবনযাত্রা এবং তার মানসিক যন্ত্রণার দিকটি সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ সমাজে ডাইনী বলে অপবাদ পাওয়া বুড়িটির জীবন ছিল অত্যন্ত নিঃসঙ্গ এবং যন্ত্রণাদায়ক। সে ললিতের জলার পাশে এক আমবাগানে মাটির ঘরে একা থাকত এবং সপ্তাহে কেবল একদিন ভিক্ষার জন্য বের হতো।মানুষ তাকে এতটাই ভয় পেত যে দেখামাত্রই পালিয়ে যেত এবং অনিষ্টের ভয়ে বেশি করে ভিক্ষা দিত। বুড়ি নিজেও আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের জরাগ্রস্ত রূপ ও চোখের পিঙ্গল তারা দেখে শিউরে উঠত। সে নিজে কখনো কারও ক্ষতি করতে চায়নি এবং নিজের এই অনিচ্ছাকৃত ‘দৃষ্টিক্ষুধা’ বা কুদৃষ্টির ক্ষমতাকে ঘৃণা করত।
সে সাধারণ মানুষ হতে চেয়ে দেবী মা তারার কাছে নিজের বুক চিরে রক্ত দেওয়ার মানত করেছিল, কিন্তু সমাজ তাকে মানুষ হিসেবে গ্রহণ করেনি।
৩। “মর-মর-তুঁই মর” — উক্তিটি কার? কোন পরিস্থিতিতে বক্তা এমন উক্তি করেছিলেন এবং এর পরিণতি কী হয়েছিল তা বুঝিয়ে দাও।
উত্তরঃ আলোচ্য উক্তিটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ডাইনী’ গল্পের মূল চরিত্র বৃদ্ধা ডাইনীর।
বাউড়ী ছেলেটি যখন টাকার অভাবে তার প্রেমিকাকে রুপোর চুড়ি ও দশটি টাকা দিতে পারছিল না, তখন একাকী বসে থাকা ছেলেটির প্রতি বুড়ির মন স্নেহে গলে যায়। বুড়ি নিজের রুপোর চুড়ি ও টাকা দিয়ে ছেলেটিকে সাহায্য করতে এগিয়ে যায়।
কিন্তু ছেলেটি বুড়িকে ডাইনী মনে করে আতঙ্কে চিৎকার করে প্রাণপণে পালাতে শুরু করে।
এই চরম অপমানে ও রাগে বুড়ির ভেতরের হিংস্র সত্তা জেগে ওঠে এবং সে ছেলেটিকে মরার অভিশাপ দেয়। এর পরিণতিতে পরের দিনই ছেলেটির পায়ে ক্ষত হয়ে রক্তপাত শুরু হয় এবং প্রবল জ্বরে তার শরীর ধনুকের মতো বেঁকে যায়।
৪। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংক্ষিপ্ত সাহিত্যিক পরিচয় দাও।
উত্তরঃ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৮-১৯৭১ বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক। তিনি পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার লাভপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁর লেখনীতে বীরভূম ও বর্ধমান অঞ্চলের মাটি ও মানুষের জীবনযাত্রা অসাধারণভাবে ফুটে উঠেছে। রাঢ় অঞ্চলের বিভিন্ন পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী যেমন— বেদে, মালাকার, লাঠিয়াল ও বাগদি সম্প্রদায়ের নিখুঁত চিত্র তিনি তাঁর গল্প ও উপন্যাসে তুলে ধরেছেন। তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টির জন্য তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরস্কার, রবীন্দ্র পুরস্কার, সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার, জ্ঞানপীঠ পুরস্কার এবং পদ্মশ্রী ও পদ্মভূষণ উপাধিতে ভূষিত হন। ১৯৭১ সালে এই মহান কথাশিল্পীর পরলোকগমন ঘটে।
৫। ‘ডাইনী’ পাঠের ব্যাকরণ অংশ অবলম্বনে কৃৎ প্রত্যয় এবং তদ্ধিত প্রত্যয় কাকে বলে তা উদাহরণসহ আলোচনা করো।
উত্তরঃ ‘ডাইনী’ পাঠের ব্যাকরণ অংশে প্রত্যয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যখন শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলে।
প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার:
(১) কৃৎ প্রত্যয়: ধাতুর বা ক্রিয়াপদের মূল অংশের পরে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে।
যেমন— চল্ + অন্ত = চলন্ত, এবং নাচ + অন = নাচন।
(২) তদ্ধিত প্রত্যয়: প্রাতিপদিক বা নাম শব্দের পরে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন— পশ্চিম + আ = পশ্চিমা, এবং চাষ + আ = চাষা।

