Class 9 Bengali MIL Important Chapter 7 ছুটি

Class 9 Bengali MIL Important Chapter 7 ছুটি Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 9 Bengali MIL Important Chapter 7 ছুটি Solutions and select need one. Class 9 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 9 Bengali MIL Important Notes.

Class 9 Bengali MIL Important Chapter 7 ছুটি

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 9 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 7

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘ছুটি’ গল্পটি কার রচনা?

উত্তরঃ ‘ছুটি’ গল্পটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা।

২। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম কী?

উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম ‘সন্ধ্যাসংগীত’।

৩। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত খ্রিস্টাব্দে প্রথম এশীয় বা ভারতীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন?

উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে প্রথম এশীয় বা ভারতীয় হিসেবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।

৪। ‘ছুটি’ গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গ্রন্থ থেকে সংকলন করা হয়েছে?

উত্তরঃ ‘ছুটি’ গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গল্পগুচ্ছ’ গ্রন্থের প্রথম খণ্ড থেকে সংকলন করা হয়েছে।

৫। বালকদের সর্দার কে ছিল এবং নদীর ধারে সে নতুন কী খেলার কথা ভেবেছিল?

উত্তরঃ বালকদের সর্দার ছিল ফটিক চক্রবর্তী এবং নদীর ধারে পড়ে থাকা একটি প্রকাণ্ড শালকাষ্ঠ সকলে মিলে গড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা সে ভেবেছিল।

৬। ফটিকের ছোট ভাইয়ের নাম কী ছিল এবং সে কাঠের গুঁড়ির ওপর কীভাবে বসল?

উত্তরঃ ফটিকের ছোট ভাইয়ের নাম মাখনলাল ছিল এবং সে অত্যন্ত গম্ভীর ভাবে সেই কাঠের গুঁড়ির ওপরে গিয়ে বসেছিল।

৭। ঘাটে এসে পৌঁছানো অপরিচিত মধ্যবয়সী ভদ্রলোকটি আসলে কে ছিলেন?

উত্তরঃ ঘাটে এসে পৌঁছানো অপরিচিত মধ্যবয়সী ভদ্রলোকটি আসলে ফটিকের মামা বিশ্বম্ভর বাবু ছিলেন।

৮। বাঘা বাগদি এসে ফটিককে কী বলেছিল?

উত্তরঃ বাঘা বাগদি এসে ফটিককে বলেছিল যে তার মা তাকে ডাকছেন।

৯। মাখনলাল মায়ের কাছে ফটিকের বিরুদ্ধে কী মিথ্যা নালিশ করেছিল?

উত্তরঃ মাখনলাল মায়ের কাছে নালিশ করেছিল যে ফটিক তাকে মেরেছে।

১০। বিশ্বম্ভর বাবু ফটিকের পড়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে ফটিকের মা কী উত্তর দিয়েছিলেন?

উত্তরঃ ফটিকের মা বিশ্বম্ভর বাবুকে ফটিকের অবাধ অবাধ্যতা,পাঠে অমনোযোগ এবং মাখনের সুশান্ত ও সুশীল স্বভাবের কথা জানিয়েছিলেন।

১১। ফটিক মামার সাথে কলকাতায় যাওয়ার সময় খুশি হয়ে মাখনকে কী দিয়ে গিয়েছিল?

উত্তরঃ ফটিক খুশি হয়ে তার ছিপ, ঘুড়ি ও লাটাই সমস্ত মাখনকে ভোগ করার সম্পূর্ণ অধিকার দিয়ে গিয়েছিল।

১২। কলকাতায় পৌঁছানোর পর ফটিকের মামি তাকে দেখে খুশি হননি কেন?

উত্তরঃ মামি তাঁর নিজের তিনটি ছেলে নিয়ে নিজের নিয়মে ঘরসংসার চালাচ্ছিলেন,তাই তেরো বছরের এক অপরিচিত অজপাড়াগেঁয়ে ছেলেকে এক বাড়তি ঝামেলা ও আপদ মনে করায় তিনি খুশি হননি।

১৩। ফটিক মামাকে বাড়ি যাওয়ার জন্য জিজ্ঞাসা করলে মামা কী উত্তর দিয়েছিলেন?

উত্তরঃ মামা উত্তর দিয়েছিলেন যে স্কুলের পূজার ছুটি অর্থাৎ কার্তিক মাসে ছুটি হলে সে বাড়ি যেতে পারবে।

১৪। স্কুলের বই হারিয়ে যাওয়ার পর মামি ফটিককে কী বলেছিলেন?

উত্তরঃ মামি অত্যন্ত বিরক্তি প্রকাশ করে ফটিককে বলেছিলেন যে তিনি তাকে মাসের মধ্যে পাঁচবার করে বই কিনে দিতে পারবেন না।

১৫। মৃত্যুর আগে জ্বরের ঘোরে ফটিককে খালাসির সুরে কী বলতে শোনা গিয়েছিল?

উত্তরঃ মৃত্যুর আগে জ্বরের ঘোরে ফটিককে খালাসির সুরে বলতে শোনা গিয়েছিল যে এক বাও মেলে না, দো বাও মেলে না।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। “মা, এখন আমার ছুটি হয়েছে মা, এখন আমি বাড়ি যাচ্ছি।” — উক্তিটি কার? কোন পরিস্থিতিতে কীভাবে এই উক্তিটি করা হয়েছে তা ‘ছুটি’ গল্প অবলম্বনে বুঝিয়ে দাও।

উত্তরঃ উক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ছুটি’ গল্পের প্রধান চরিত্র ফটিক চক্রবর্তীর। কলকাতায় মামার বাড়িতে মামির অবহেলা, স্কুলের লাঞ্ছনা এবং নিজের বই হারিয়ে ফেলার গভীর গ্লানি ফটিকের কোমল কিশোর মনকে বিষিয়ে তুলেছিল। প্রবল জ্বরের ঘোরে বাড়ি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টার পর পুলিশ তাকে অত্যন্ত অসুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে আনে। ফটিকের অন্তিম অবস্থায় তার মা খবর পেয়ে ছুটে আসেন এবং কান্নায় ভেঙে পড়ে তাকে আদর করে “ফটিক, সোনা, মানিক আমার” বলে ডাকেন। মায়ের সেই চিরকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ পেয়ে ফটিক অত্যন্ত শান্ত ও ম্লান স্বরে মায়ের দিকে পাশ ফিরে বলে যে তার ছুটি হয়েছে এবং সে বাড়ি যাচ্ছে, যা তার পার্থিব জীবন থেকে চিরবিদায় বা মৃত্যুর পরম বেদনাদায়ক মুহূর্তকে নির্দেশ করে।

২। ‘ছুটি’ গল্প অবলম্বনে ফটিকের চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ছুটি’ গল্পের ফটিক চক্রবর্তী এক চিরন্তন ও করুণ কিশোর চরিত্র। গ্রামের মুক্ত ও স্বাধীন পরিবেশে ফটিক ছিল ছেলেদের সর্দার, যে নানারকম চপলতা ও দুষ্টুমিতে মেতে থাকত। কিন্তু তার স্বভাবের মধ্যে কোনো জটিলতা বা হিংস্রতা ছিল না, যা স্পষ্ট হয় যাওয়ার আগে ভাই মাখনকে তার প্রিয় ছিপ, ঘুড়ি ও লাটাই দিয়ে দেওয়ার উদারতায়। কলকাতায় মামার বাড়িতে এসে তার স্বাধীন সত্তা শৃঙ্খলিত হয়ে পড়ে; সে মামির স্নেহের কাঙাল হলেও পায় কেবল অবহেলা ও অপমান। তার এই স্পর্শকাতর কিশোর মন একদিকে মায়ের জন্য ব্যাকুল হতো, অন্যদিকে নিজেকে সবার কাছে অপ্রয়োজনীয় ও আপদ মনে করে হীনম্মন্যতায় ভুগত। ফটিকের চরিত্রটি আমাদের দেখায় কীভাবে একটি স্বাধীনচেতা গ্রামীণ কিশোর উপযুক্ত স্নেহ ও মুক্তির অভাবে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়।

৩। “বিশেষত তেরো-চৌদ্দ বৎসরের ছেলের মতো পৃথিবীতে এমন বালাই আর নাই।” — লেখকের এই মন্তব্যের কারণ ‘ছুটি’ গল্প অবলম্বনে আলোচনা করো।

উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘ছুটি’ গল্পে তেরো-চৌদ্দ বছরের কিশোরদের মানসিক ও শারীরিক পরিবর্তনের এক চমৎকার মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করেছেন। এই বয়সে ছেলেদের শৈশবের লাবণ্য ও মিষ্টি সুর হারিয়ে যায়, অথচ তারুণ্যের পরিপক্কতাও আসে না, ফলে তাদের রূপ বা কথাবার্তা কোনোটিই সহজে মানুষের ভালো লাগে না। তারা না পারে ছোটদের মতো সহজে স্নেহ পেতে, না পারে বড়দের মতো গুরুত্ব পেতে। কিশোরদের মনে এই সময়ে স্নেহের জন্য তীব্র ব্যাকুলতা জন্মায়, কিন্তু সমাজ বা পরিবার প্রায়শই তাদের এই আবেগকে লাই দেওয়া বা আদিখ্যেতা বলে মনে করে। ফলে তারা পথকুকুরের মতো প্রভুহীন ও আশ্রয়হীন বোধ করে। ফটিকের ক্ষেত্রেও মামার বাড়িতে ঠিক এই বালাই বা উপদ্রবের রূপটিই প্রকাশ পেয়েছিল, যেখানে মামির চোখ তাকে কেবল একটি অনাবশ্যক ভার ও আপদ হিসেবেই দেখেছিল।

৪। ‘ছুটি’ গল্পে ফটিকের মামি চরিত্রের ভূমিকা ও ফটিকের প্রতি তাঁর আচরণ কীরূপ ছিল তা বর্ণনা করো।

উত্তরঃ ‘ছুটি’ গল্পে ফটিকের মামি একটি সাধারণ বাস্তবমুখী কিন্তু অত্যন্ত স্নেহহীন ও সংকীর্ণমনা নারী চরিত্র হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছেন। মামি নিজের তিনটি ছেলে নিয়ে তাঁর নিজস্ব শৃঙ্খলায় সংসার পরিচালনা করছিলেন, তাই হঠাৎ করে ফটিকের মতো এক তেরো বছরের গ্রাম্য ও অশিক্ষিত ছেলের আগমনকে তিনি মেনে নিতে পারেননি। তাঁর কাছে ফটিক ছিল এক অনাবশ্যক বোঝা ও আপদ। ফটিক কোনো কাজ করতে গেলে বা সাহায্য করতে গেলেও তিনি “ঢের হয়েছে” বলে তাকে থামিয়ে দিতেন, যা ফটিকের কোমল মনে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করত। এমনকি ফটিকের বই হারিয়ে গেলে সান্ত্বনা দেওয়ার বদলে তিনি তাকে তীব্র ভাষায় কটূক্তি করেন। ফটিক অসুস্থ হলে সেবা করার বদলে তিনি এটিকে অতিরিক্ত এক ঝামেলা ও ঝকমারি মনে করে তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার তাগিদ দেন, যা তাঁর চরম সহানুভূতিহীন রূপটি ফুটিয়ে তোলে।

৫। ফটিকের গ্রাম্য জীবনের স্বাধীনতা এবং কলকাতার যান্ত্রিক জীবনের বন্দিদশার তুলনা করো।

উত্তরঃ ‘ছুটি’ গল্পে ফটিকের জীবনের দুটি সম্পূর্ণ বিপরীত পরিবেশের তুলনা অত্যন্ত নিপুণভাবে করা হয়েছে। গ্রামের মুক্ত ও উদার পরিবেশে ফটিক ছিল নদীর ধারের রাজা, যেখানে সে ছেলেদের সাথে সারাদিন হৈচৈ করা, ঘুড়ি ওড়ানো, সাঁতার কাটা বা নদীর তীরে ঘুরে বেড়ানোর অসীম স্বাধীনতা ভোগ করত। সেখানে মায়ের শাসন থাকলেও ছিল বাৎসল্যের এক অদৃশ্য কোমলতা। কিন্তু কলকাতায় মামার বাড়িতে এসে ফটিক এক সংকীর্ণ যান্ত্রিক খাঁচায় বন্দি হয়ে পড়ে। চারদিকের ইটের দেয়াল, মামির স্নেহের অভাব, মামাতো ভাইদের অবজ্ঞা এবং স্কুলের নিষ্ঠুর শাসন তাকে দমবন্ধ করা এক যন্ত্রণার মধ্যে ফেলে দেয়। গ্রামের সেই প্রসারিত মাঠ ও নদী তীরের পরিবর্তে কলকাতার ঘিঞ্জি পরিবেশ ও যান্ত্রিক জীবন তাকে প্রতিনিয়ত গৃহহারা পথশিশুর মতো একাকীত্ব ও গ্লানিতে দীর্ণ করত, যার ফলেই সে মুক্তির আশায় অবশেষে মৃত্যুর পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top