Class 9 Bengali MIL Important Chapter 6 প্রত্যুপকার

Class 9 Bengali MIL Important Chapter 6 প্রত্যুপকার Question Answer As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 9 Bengali MIL Important Chapter 6 প্রত্যুপকার Solutions and select need one. Class 9 Bengali MIL Additional Notes Download PDF. SEBA Class 9 Bengali MIL Important Notes.

Class 9 Bengali MIL Important Chapter 6 প্রত্যুপকার

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Bengali MIL Additional Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given SEBA Class 9 Bengali MIL Important Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 5

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। ‘প্রত্যুপকার’ গদ্যটি কার রচনা?

উত্তরঃ ‘প্রত্যুপকার’ গদ্যটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচনা।

২। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কত খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?

উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

৩। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মস্থান কোথায় ছিল?

উত্তরঃ মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মস্থান ছিল।

৪। বিদ্যাসাগরের পিতা ও মাতার নাম কী ছিল?

উত্তরঃ বিদ্যাসাগরের পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মাতার নাম ভগবতী দেবী ছিল।

৫। বিদ্যাসাগর কত বছর বয়সে কলকাতার সংস্কৃত কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন?

উত্তরঃ বিদ্যাসাগর মাত্র নয় বছর বয়সে কলকাতার সংস্কৃত কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন।

৬। বিদ্যাসাগরের প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থের নাম কী এবং এটি কত খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়?

উত্তরঃ বিদ্যাসাগরের প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থের নাম ‘বেতালপঞ্চবিংশতি’ এবং এটি ১৮৪৭ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়।

৭। বিদ্যাসাগর অনূদিত দুটি গ্রন্থের নাম লেখো।

উত্তরঃ বিদ্যাসাগর অনূদিত দুটি গ্রন্থ হলো ‘শকুন্তলা’ এবং ‘সীতার বনবাস’।

৮। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কত খ্রিস্টাব্দে পরলোকগমন করেন?

উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৯১ খ্রিস্টাব্দে পরলোকগমন করেন।

৯। খলিফা মামুনের প্রিয়পাত্র কে ছিলেন?

উত্তরঃ খলিফা মামুনের প্রিয়পাত্র ছিলেন আলি ইবন্ আব্বাস।

১০। বন্দী লোকটির জন্মস্থান কোথায় ছিল?

উত্তরঃ বন্দী লোকটির জন্মস্থান ডেমাস্কাস নামক নগরে ছিল।

১১। ডেমাস্কাস কোন দেশের রাজধানী?

উত্তরঃ ডেমাস্কাস হলো সিরিয়ার রাজধানী।

১২। ‘খলিফা’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘খলিফা’ শব্দের অর্থ হলো প্রতিনিধি বা ধর্মনেতা।

১৩। ‘প্রত্যুপকার’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তরঃ ‘প্রত্যুপকার’ শব্দের অর্থ হলো উপকারের পরিবর্তে উপকার করা।

১৪। ডেমাস্কাসবাসী বন্দী পরোপকারী লোকটিকে দেখে আলি ইবন্ আব্বাস কী করেছিলেন?

উত্তরঃ ডেমাস্কাসবাসী বন্দী পরোপকারী লোকটিকে দেখে আলি ইবন্ আব্বাস আহ্লাদসাগরে মগ্ন হয়ে অশ্রুপূর্ণ নয়নে তাঁকে আলিঙ্গন করেছিলেন এবং তাঁর হাত-পায়ের লোহার শিকল খুলে দিয়েছিলেন।

১৫। খলিফা মামুন ডেমাস্কাসবাসী বন্দীকে কী কী উপহার দিয়ে বিদায় করেছিলেন?

উত্তরঃ খলিফা মামুন ডেমাস্কাসবাসী বন্দীকে মহামূল্য পরিচ্ছদ, দশটি ঘোড়া, দশটি খচ্চর এবং দশটি উট উপহার দিয়ে বিদায় করেছিলেন।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। ‘প্রত্যুপকার’ গদ্যের নামকরণের সার্থকতা সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘প্রত্যুপকার’ শব্দের অর্থ হলো উপকারের বদলে উপকার করা। গল্পে দেখা যায়, অতীতে যখন ডেমাস্কাসের শাসনকর্তা পদচ্যুত হন, তখন আলি ইবন্ আব্বাস সেখানে গিয়ে এক সম্ভ্রান্ত লোকের বাড়িতে আশ্রয় পান এবং সেই দয়ালু ব্যক্তি পরম যত্নে আলির প্রাণরক্ষা করেন। পরবর্তীকালে সেই আশ্রয়দাতা ব্যক্তিটি যখন অপরাধী হিসেবে বন্দী হয়ে আলি ইবন্ আব্বাসের গৃহে আসেন, তখন আলি তাঁকে চিনতে পেরে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হলেও তাঁর লোহার শিকল খুলে দেন এবং প্রচুর ধনসহ মুক্ত করতে চান। নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে পূর্বের উপকারের ঋণ শোধ করতে চাওয়ার এই যে মহৎ প্রচেষ্টা, তার মধ্য দিয়েই গল্পটির নামকরণ ‘প্রত্যুপকার’ অত্যন্ত সার্থক ও অর্থবহ হয়ে উঠেছে।

২। লেখক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সংক্ষিপ্ত সাহিত্যিক পরিচয় দাও।

উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০-১৮৯১ ছিলেন বাংলা গদ্যের জনক এবং সমাজ সংস্কারক। ১৮২০ সালে মেদিনীপুরের বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণকারী এই কৃতি সন্তান সংস্কৃত কলেজ থেকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি লাভ করেন। ১৮৪১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রধান পণ্ডিত হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয় এবং ১৮৫১ সালে তিনি সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ হন। তাঁর নিরলস প্রচেষ্টায় ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে “বাংলা গদ্যের প্রথম যথার্থ শিল্পী” আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে ‘বেতালপঞ্চবিংশতি’, ‘শকুন্তলা’, ‘সীতার বনবাস’, ‘ভ্রান্তিবিলাস’ এবং শিশুদের জন্য অত্যন্ত প্রিয় ‘বর্ণপরিচয়’।

৩। ডেমাস্কাসে আলি ইবন্ আব্বাসের বিপদের সময় কীভাবে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি তাঁর প্রাণরক্ষা করেছিলেন তা বর্ণনা করো।

উত্তরঃ ডেমাস্কাসের শাসনকর্তা পদচ্যুত হলে নতুন শাসনকর্তা প্রচুর সৈন্য নিয়ে আলি ইবন্ আব্বাসদের আক্রমণ করেন। আলি ইবন্ আব্বাস নিজের প্রাণ বাঁচানোর জন্য পালিয়ে গিয়ে ডেমাস্কাসের এক সম্ভ্রান্ত লোকের বাড়িতে প্রবেশ করেন এবং তাঁর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করেন।

গৃহস্বামী আলিকে অভয় দান করেন এবং নিজের বাড়িতে অত্যন্ত নিরাপদে ও নির্ভয়ে এক মাস কাল আশ্রয় দিয়ে রাখেন। এরপর চলে যাওয়ার উপযুক্ত সুযোগ এলে সেই দয়াশীল আশ্রয়দাতা আলির জন্য একটি চমৎকার ঘোড়া, প্রচুর খাদ্যসামগ্রী এবং পথখরচ হিসেবে একটি সোনার মুদ্রার থলি দিয়ে সমাদরে বিদায় দেন। এভাবে অপরিচিত হওয়া সত্ত্বেও এক পরম উদার ব্যক্তি আলির প্রাণরক্ষা করেছিলেন।

৪। “আমি এত নীচাশয় ও স্বার্থপর নহি…” — উক্তিটি কার? তাঁর এই রূপ মন্তব্যের কারণ আলোচনা করো।

উত্তরঃ আলোচ্য উক্তিটি ডেমাস্কাসবাসী বন্দী পরোপকারী ব্যক্তিটির। খলিফার ক্রোধের শিকার হয়ে বন্দী হওয়া এই ব্যক্তিটিকে যখন আলি ইবন্ আব্বাস মুক্ত করে দিয়ে পালিয়ে যেতে বলেন, তখন তিনি এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি জানান যে, অতীতে যাঁর প্রাণ তিনি রক্ষা করেছিলেন, আজ নিজের প্রাণ বাঁচানোর জন্য সেই আলি ইবন্ আব্বাসের জীবন তিনি বিপন্ন করতে পারেন না। কারণ তিনি পালিয়ে গেলে খলিফার চরম রাগ আলির ওপর পড়বে এবং আলির প্রাণদণ্ড হতে পারে। নিজের জীবনের চেয়ে বন্ধুর নিরাপত্তা ও উপকারের মর্যাদা রক্ষা করার জন্যই তিনি এমন মহৎ মন্তব্য করেছিলেন।

৫। খলিফা মামুনের চরিত্রটির মহত্ত্ব কীভাবে প্রকাশ পেয়েছে তা ‘প্রত্যুপকার’ পাঠ অবলম্বনে বুঝিয়ে দাও।

উত্তরঃ ‘প্রত্যুপকার’ গল্পে খলিফা মামুন একজন মহামতি এবং অত্যন্ত উন্নত হৃদয়ের মানুষ হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছেন। প্রথমে তিনি বন্দীর ওপর অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়ে তাকে কঠোর শাস্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীকালে যখন আলি ইবন্ আব্বাস ডেমাস্কাসবাসীর অতীত পরোপকার ও বর্তমানের চরম আত্মত্যাগের কাহিনী খলিফার কাছে সবিস্তারে বর্ণনা করেন, তখন খলিফার ক্রোধ সম্পূর্ণ চলে যায়। বন্দীর এমন অসাধারণ দয়াশীলতা ও ন্যায়পরায়ণতা দেখে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত হন এবং বন্দীকে সসম্মানে মুক্তি দেন। শুধু তাই নয়, খলিফা তাঁদের দুজনকে মূল্যবান পোশাক ও প্রচুর উপহার দিয়ে বিদায় করেন, যা তাঁর মহানুভবতা ও গুণগ্রাহিতার পরিচয় দেয়।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top